28/07/2026
২৯শে জুলাই গর্ব, ঐতিহ্য আর ইতিহাসের দিন 🇮🇳💚❤️
এই দিন শুধুই একটি ফুটবল ম্যাচের দিন নয়,
এই দিন এক বিপ্লবের জন্ম, এক জাতীয় জাগরণের সূচনা।
সালটা ১৯১১,
পরাধীন ভারত তখন ব্রিটিশ শাসনের অধীনে। চারিদিকে অত্যাচার, অপমান আর পরাধীনতার যন্ত্রণা। সেই সময়ে খালি পায়ে মাঠে নামা একদল বাঙালি যেন গোটা জাতির বুকের ভিতর একটু সাহস, একটু স্বপ্ন আর নতুন করে মাথা তুলে দাঁড়ানোর আত্মবিশ্বাস জাগিয়ে তুলেছিল।
১৮৯৩ সাল থেকে শুরু হওয়া আইএফএ শিল্ডে এতদিন ছিল ব্রিটিশদের একচ্ছত্র আধিপত্য। কোনো বাঙালি তথা ভারতীয় দল তাদের সেই আধিপত্য ভাঙতে পারেনি।
কিন্তু ১৯১১ সালের ২৯শে জুলাই ~
ইতিহাস বদলে গেল।
বুট পরা ব্রিটিশদের পরাজিত করে, মোহনবাগান প্রথম ভারতীয় দল হিসেবে জয় করল আইএফএ শিল্ড।
সেদিন শুধু একটি ট্রফি জেতেনি মোহনবাগান।
সেদিন পরাজিত হয়েছিল ব্রিটিশদের অহংকার।
সেদিন জয়ী হয়েছিল বাঙালির সাহস, আত্মমর্যাদা আর অদম্য লড়াইয়ের মানসিকতা।
হীরালাল, ভূতি, সুধীর, মনমোহন, রাজেন, নীলমাধব, কানু, হাবুল, অভিলাষ, বিজয়দাস ও অধিনায়ক শিবদাস—
সেই অমর একাদশের পায়ের ছাপেই লেখা হয়েছিল এক অবিস্মরণীয় ইতিহাস।
এক ইতিহাস, যেখানে সবুজ-মেরুন হয়ে উঠেছিল এক পরাধীন জাতির আশা, আবেগ আর গর্বের প্রতীক।
২৯শে জুলাই মানেই—
খালি পায়ে খেলা একদল বাঙালির ঐতিহাসিক সাহস,
ব্রিটিশদের বিরুদ্ধে এক অবিস্মরণীয় বিজয়।
এই দিন ভারতীয় ফুটবলের অহংকার।
এই দিন মোহনবাগানের শিরোজয়।
এই দিন বাংলার গর্ব, ঐতিহ্য আর আত্মমর্যাদার প্রতীক।
মোহনবাগান শুধু একটি ক্লাব নয়,
মোহনবাগান এক ইতিহাস, এক ঐতিহ্য, এক আবেগ।
যে আবেগ প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে বয়ে চলেছে,
যে ইতিহাস আজও প্রতিটি সবুজ-মেরুন হৃদয়ে বেঁচে আছে।
শুভ মোহনবাগান দিবস।
জয় মোহনবাগান। 💚❤️