Sporting IQ

Sporting IQ Cricket❤️
INDIA🇮🇳💙

করুণ নায়ারের নাম কোনোদিনই ভারতের সবচেয়ে বড় ক্রিকেট তারকাদের তালিকায় থাকবে না। কিন্তু টেস্ট ক্রিকেটে তার নামের সঙ্গে ...
03/09/2026

করুণ নায়ারের নাম কোনোদিনই ভারতের সবচেয়ে বড় ক্রিকেট তারকাদের তালিকায় থাকবে না। কিন্তু টেস্ট ক্রিকেটে তার নামের সঙ্গে এমন একটা অ্যাচিভমেন্ট জড়িয়ে আছে, যেটা খুব কম ভারতীয় ব্যাটসম্যানই করতে পেরেছেন। ২০১৬ সালে ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে চেন্নাই টেস্টে করুণ নায়ার ৩০৩ রানের অপরাজিত ইনিংস খেলেছিলেন। এই ইনিংসের মাধ্যমে তিনি হয়ে যান বীরেন্দ্র সেহওয়াগের পর ভারতের হয়ে টেস্ট ক্রিকেটে ট্রিপল সেঞ্চুরি করা দ্বিতীয় ব্যাটসম্যান। করুণ নায়ারের ইনিংসটা আরও অবাক করার মতো, কারণ এটা ছিল তার তৃতীয় টেস্ট ম্যাচ, অর্থাৎ আন্তর্জাতিক টেস্ট ক্যারিয়ারের একেবারে শুরুতেই তিনি এমন একটা ইনিংস খেলেছিলেন, যা তাকে ভারতীয় ক্রিকেটের ইতিহাসে স্থায়ীভাবে জায়গা করে দিয়েছিল। ৩০৩ রান করেও তিনি আউট হননি, ট্রিপল সেঞ্চুরি করার পরও তিনি ক্রিজে ছিলেন এবং নিজের ইনিংসকে অপরাজিত রেখেছিলেন।

ইংল্যান্ডের ODI ক্রিকেটে দ্রুততম সেঞ্চুরির কথা উঠলেই সবার আগে একটা নাম মনে আসে—জস বাটলার! ২০১৫ সালে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে...
03/09/2026

ইংল্যান্ডের ODI ক্রিকেটে দ্রুততম সেঞ্চুরির কথা উঠলেই সবার আগে একটা নাম মনে আসে—জস বাটলার! ২০১৫ সালে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে দুবাইয়ে বাটলার এমন একটা ইনিংস খেলেছিলেন, যেখানে মাত্র ৪৬ বলে সেঞ্চুরি করে তিনি পুরো ম্যাচের গতিই বদলে দিয়েছিলেন। বাটলারের ব্যাটিংয়ের সবচেয়ে বিপজ্জনক দিক ছিল তাঁর অ্যাক্সেলারেশন। শুরুতে ইনিংসটা বেশ স্বাভাবিকভাবেই এগোচ্ছিল। কিন্তু পঞ্চাশ রান করার পর থেকেই যেন বাটলার গিয়ার বদলে ফেললেন। এরপর শুরু হয় চার আর ছক্কার বৃষ্টি। পাকিস্তানের বোলাররা বুঝেই উঠতে পারছিলেন না, কোন বলটা আটকাবেন আর কোন বলটা বাটলার বাউন্ডারির বাইরে পাঠাবেন। শেষ পর্যন্ত বাটলার ৫২ বলে ১১৬ রান করে অপরাজিত ছিলেন। তার ইনিংসে ছিল ১০টি চার এবং ৮টি ছয়। তার সেঞ্চুরিটা এসেছিল মাত্র ৪৬ বলে। এই রেকর্ডটা বিশেষ কারণ ৪৬ বলে সেঞ্চুরি ছিল ইংল্যান্ডের ODI ইতিহাসে দ্রুততম সেঞ্চুরি। ইংল্যান্ডের হয়ে ODI ক্রিকেটে তার চেয়ে কম বলে কেউ সেঞ্চুরি করতে পারেননি। তিনি দেখিয়ে দিয়েছিলেন, একজন ব্যাটসম্যান চাইলে ODI ম্যাচের শেষ ১০-১৫ ওভারে কতটা ভয়ংকর হয়ে উঠতে পারেন।

মাইকেল ক্লার্কের টেস্ট ক্যারিয়ার শুরু হয়েছিল একেবারে পারফেক্টভাবে—ডেবিউ টেস্টেই সেঞ্চুরি! ২০০৪ সালে ভারতের বিরুদ্ধে বে...
03/09/2026

মাইকেল ক্লার্কের টেস্ট ক্যারিয়ার শুরু হয়েছিল একেবারে পারফেক্টভাবে—ডেবিউ টেস্টেই সেঞ্চুরি!
২০০৪ সালে ভারতের বিরুদ্ধে বেঙ্গালুরু টেস্টে অস্ট্রেলিয়ার হয়ে প্রথম টেস্ট খেলতে নেমেই ক্লার্ক ১৫১ রান করেছিলেন। ডেবিউ টেস্টে সেঞ্চুরি করাই এমনিতে চাপের ব্যাপার। তার ওপর ভারতের মাটিতে, বিশ্বমানের ভারতীয় বোলারদের বিরুদ্ধে নিজের প্রথম টেস্টেই এত বড় ইনিংস খেলা—এটা ক্লার্কের প্রতিভার একটা স্পষ্ট ইঙ্গিত ছিল। তিনি শুধু ক্রিজে টিকে থাকেননি, বরং আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে ব্যাট করে পৌঁছে গিয়েছিলেন ১৫১ রানে। এই ইনিংসের সবচেয়ে বিশেষ দিক ছিল, ক্লার্ক তখন অস্ট্রেলিয়ান দলের একেবারে নতুন মুখ। কিন্তু ডেবিউতেই এমন ব্যাটিং করে তিনি বুঝিয়ে দিয়েছিলেন যে, অস্ট্রেলিয়ার ভবিষ্যতের জন্য তারা একজন অসাধারণ ব্যাটসম্যান পেয়ে গেছে। মাইকেল ক্লার্কের ক্যারিয়ার পরে কোথায় গিয়ে পৌঁছাবে, সেটা তখন হয়তো কেউ ভাবতেই পারেননি। পরে তিনি অস্ট্রেলিয়ার অধিনায়ক হন, টেস্ট ক্রিকেটে ৮,০০০-এর বেশি রান এবং ২৮টি সেঞ্চুরি করেছেন। এমনকি ২০১৫ বিশ্বকাপজয়ী অস্ট্রেলিয়ান দলের অধিনায়কও ছিলেন।

ওয়াসিম আক্রমের নাম শুনলেই ফাস্ট বোলিংয়ের একটা আলাদা ছবি চোখের সামনে ভেসে ওঠে—সুইং, গতি আর ভয়ংকর ইয়র্কার। ODI ক্রিকেটে...
03/09/2026

ওয়াসিম আক্রমের নাম শুনলেই ফাস্ট বোলিংয়ের একটা আলাদা ছবি চোখের সামনে ভেসে ওঠে—সুইং, গতি আর ভয়ংকর ইয়র্কার। ODI ক্রিকেটে পাকিস্তানের হয়ে ওয়াসিম আক্রম ৫০২টি উইকেট নিয়েছিলেন, যা তাকে ODI ইতিহাসের অন্যতম সেরা বোলারে পরিণত করেছে। আক্রমের সবচেয়ে বড় শক্তি ছিল তার ভেরিয়েশন । নতুন বলে যেমন দুর্দান্ত সুইং করাতে পারতেন, তেমনই পুরনো বলেও রিভার্স সুইং করিয়ে ব্যাটসম্যানদের সমস্যায় ফেলতেন। তার ওপর ছিল নিখুঁত ইয়র্কার এবং গতির দুর্দান্ত পরিবর্তন। তার বিরুদ্ধে ব্যাট করা ব্যাটসম্যানদের জন্য সত্যিই একটা দুঃস্বপ্ন ছিল। ওয়াসিম আক্রমই ছিলেন প্রথম বোলার, যিনি ODI ক্রিকেটে ৫০০টি উইকেটের মাইলফলক পার করেছিলেন। ২০০৩ সালে ক্যারিয়ার শেষ করার সময় তিনিই ছিলেন ODI ক্রিকেটের সর্বোচ্চ উইকেটশিকারি। আক্রমের উইকেটগুলো শুধু দুর্বল দলগুলোর বিরুদ্ধে আসেনি। বিশ্বকাপ, বড় টুর্নামেন্ট আর চাপের ম্যাচে বারবার উইকেট নিয়ে তিনি পাকিস্তানকে ম্যাচে ফিরিয়ে আনতেন। তাই ৫০২টি উইকেট শুধু একটা সংখ্যা নয়। এটা প্রমাণ করে, প্রায় দুই দশক ধরে একজন বাঁহাতি ফাস্ট বোলার কীভাবে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের ব্যাটসম্যানদের জন্য একটা থ্রেট হয়ে থাকতে পারেন।

03/09/2026

ক্রিকেটের ৫টি ভয়ঙ্কর রেকর্ড।

টেস্ট ক্রিকেটে ট্রিপল সেঞ্চুরি করাই একটা বিশাল অর্জন। কিন্তু বীরেন্দ্র সেহওয়াগ সেটা করেছিলেন এমন গতিতে, যা টেস্ট ক্রিকে...
03/09/2026

টেস্ট ক্রিকেটে ট্রিপল সেঞ্চুরি করাই একটা বিশাল অর্জন। কিন্তু বীরেন্দ্র সেহওয়াগ সেটা করেছিলেন এমন গতিতে, যা টেস্ট ক্রিকেটের ব্যাটিংয়ের সংজ্ঞাকেই যেন বদলে দিয়েছিল। ২০০৮ সালে দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে চেন্নাই টেস্টে সেহওয়াগ মাত্র ২৭৮ বলে ট্রিপল সেঞ্চুরি করেছিলেন। শেষ পর্যন্ত তিনি করেছিলেন ৩১৯ রান। আর সেঞ্চুরি থেকে ট্রিপল সেঞ্চুরিতে পৌঁছানোর পুরো যাত্রাটাই ছিল অবিশ্বাস্য আগ্রাসনে ভরা। টেস্টে ৩০০ রান করতে গেলে সাধারণত একজন ব্যাটসম্যানের অনেকটা সময় লাগে। কিন্তু সেহওয়াগের পদ্ধতিটাই ছিল সম্পূর্ণ আলাদা। অযথা ডিফেন্স করে সময় নষ্ট নয়—সুযোগ পেলেই বাউন্ডারি। তার ৩১৯ রানের ইনিংসে ছিল ৪২টা চার এবং ৫টা ছয়। অর্থাৎ, তার ব্যাটিংয়ে স্কোরবোর্ড প্রায় সবসময়ই চলতে থাকত। এই রেকর্ডটা বিশেষ কারণ ২৭৮ বলে ট্রিপল সেঞ্চুরি এখনও টেস্ট ক্রিকেটের দ্রুততম ট্রিপল সেঞ্চুরি। টেস্টে কোনো ব্যাটসম্যানই সেহওয়াগের চেয়ে কম বলে ৩০০ রান করতে পারেননি। আর শুধু গতি নয়, ম্যাচের পরিস্থিতিও ছিল গুরুত্বপূর্ণ। চেন্নাইয়ের গরম এবং কঠিন কন্ডিশনে দক্ষিণ আফ্রিকার শক্তিশালী বোলিং আক্রমণের বিরুদ্ধে এত বড় ইনিংস খেলা মোটেও সহজ ছিল না। সেহওয়াগ সেদিন শুধু রান করেননি—তিনি দেখিয়ে দিয়েছিলেন, টেস্ট ক্রিকেটেও ব্যাটিংকে কতটা আক্রমণাত্মক এবং বিস্ফোরক করে তোলা যায়।

মোহাম্মদ কাইফকে হয়তো অনেকেই শুধু তার অসাধারণ ফিল্ডিংয়ের জন্য মনে রাখবেন। কিন্তু ব্যাটসম্যান হিসেবেও ভারতের জন্য তার দা...
02/09/2026

মোহাম্মদ কাইফকে হয়তো অনেকেই শুধু তার অসাধারণ ফিল্ডিংয়ের জন্য মনে রাখবেন। কিন্তু ব্যাটসম্যান হিসেবেও ভারতের জন্য তার দারুন অবদান ছিল। ODI ক্যারিয়ারে কাইফ ২,০০০-এর বেশি রান করেছেন, তার ব্যাটিংয়ের অন্যতম বড় গুণ ছিল চাপের পরিস্থিতিতেও শান্ত থাকা। ২০০২ সালের ন্যাটওয়েস্ট ফাইনালের কথা এখানে আলাদা করে বলতেই হয়। ইংল্যান্ডের দেওয়া ৩২৬ রানের বিশাল লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে ভারত যখন প্রচণ্ড চাপে, তখন কাইফের অপরাজিত ৮৭ রানের ইনিংস ভারতকে সেই বিখ্যাত জয় এনে দিয়েছিল। তার ব্যাটিং হয়তো শচীন, সৌরভ, দ্রাবিড় কিংবা সেহওয়াগের মতো সুপারস্টার-লেভেল স্পটলাইট পায়নি। কিন্তু মিডল অর্ডারে কাইফ একজন নির্ভরযোগ্য ব্যাটসম্যান ছিলেন। বড় রান চেজ করার সময় ইনিংসকে নিয়ন্ত্রণ করা, পার্টনারশিপ তৈরি করা এবং চাপ সামলানো—এই কাজগুলো তিনি খুব ভালোভাবেই করতে পারতেন। তার আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ার খুব বেশি লম্বা হয়নি, আর সেই কারণেই তার ব্যাটিংয়ের নম্বরও খুব বড় হয়ে উঠতে পারেনি। কিন্তু ছোট ক্যারিয়ারের মধ্যেই গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে ইমপ্যাক্ট তৈরি করা, বিশেষ করে ন্যাটওয়েস্ট ফাইনালের মতো আইকনিক ইনিংস খেলা—এগুলোই তার ক্যারিয়ারের সবচেয়ে বড় হাইলাইট ছিল।

চেতেশ্বর পূজারার ব্যাটিং দেখলে প্রথমে হয়তো আলাদা কিছু মনে হবে না। কিন্তু টেস্ট ক্রিকেটে ভারতের জন্য তার অবদান অসাধারণ ছ...
02/09/2026

চেতেশ্বর পূজারার ব্যাটিং দেখলে প্রথমে হয়তো আলাদা কিছু মনে হবে না। কিন্তু টেস্ট ক্রিকেটে ভারতের জন্য তার অবদান অসাধারণ ছিল। পূজারা ছিলেন এমন একজন ব্যাটসম্যান, যার মূল কাজ ছিল ক্রিজে অনেক সময় ধরে টিকে থাকা, বোলারদের ক্লান্ত করে দেওয়া এবং দলকে একটা ভালো জায়গায় নিয়ে যাওয়া। টেস্ট ক্যারিয়ারে তিনি ৭,০০০-এর বেশি রান করেছেন এবং ১৯টা সেঞ্চুরিও করেছেন। কিন্তু পূজারার গুরুত্ব শুধু এই সংখ্যাগুলো দিয়ে বোঝানো সম্ভব নয়। বিদেশের মাটিতে ভারতের অনেক টেস্ট সিরিজে পূজারার ব্যাটিং অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ছিল। ২০১৮-১৯ সালে অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে সিরিজে তিনি ৩টে সেঞ্চুরি করেছিলেন এবং ভারতের প্রথমবার অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে টেস্ট সিরিজ জয়ে বড় ভূমিকা নিয়েছিলেন। ২০২০-২১ বর্ডার-গাভাস্কার ট্রফিতেও তার লম্বা ইনিংস অস্ট্রেলিয়ার বোলারদের ওপর প্রচণ্ড চাপ তৈরি করেছিল। পূজারার ব্যাটিং স্টাইল হয়তো T20 প্রজন্মের কাছে খুব একটা উত্তেজনাপূর্ণ নয়, কিন্তু টেস্ট ক্রিকেটে ধৈর্য, কন্সেন্ট্রেশন আর ডিফেন্সিভ টেকনিকের যে বিশাল মূল্য রয়েছে, পূজারা তার একদম পারফেক্ট উদাহরণ।
বিরাট কোহলি, রোহিত শর্মার মতো সুপারস্টারদের সঙ্গে একই দলে থাকার কারণে তার অবদান অনেক সময়ই স্পটলাইটে আসেনি। কিন্তু টেস্ট ক্রিকেটে ভারতের একটা পুরো প্রজন্মকে শক্ত ভিতের ওপর দাঁড় করাতে পূজারার অনেক ভূমিকা ছিল।

হাশিম আমলাকে দক্ষিণ আফ্রিকার একজন অসাধারণ ব্যাটসম্যান হিসেবে সবাই চেনেন। কিন্তু তার অসাধারণ অর্জনের তুলনায় তিনি অনেক সম...
02/09/2026

হাশিম আমলাকে দক্ষিণ আফ্রিকার একজন অসাধারণ ব্যাটসম্যান হিসেবে সবাই চেনেন। কিন্তু তার অসাধারণ অর্জনের তুলনায় তিনি অনেক সময়ই আন্ডাররেটেড থেকে গেছেন। টেস্ট ক্রিকেটে আমলা ৯,০০০-এর বেশি রান করেছেন এবং তার ব্যাট থেকে এসেছে ২৮টা সেঞ্চুরি। ODI-তেও তার রেকর্ড ছিল অসাধারণ—৮,০০০-এর বেশি রান এবং ২৭টা সেঞ্চুরি। বছরের পর বছর ধরে তার দুর্দান্ত ধারাবাহিকতা তাকে দক্ষিণ আফ্রিকার ব্যাটিং লাইনআপের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সদস্য করে তুলেছিল। আমলার ব্যাটিংয়ের সবচেয়ে বড় বৈশিষ্ট্য ছিল তার স্টাইল। তিনি খুব বেশি আক্রমণাত্মক বা চোখধাঁধানো ব্যাটসম্যান ছিলেন না। বরং দুর্দান্ত টাইমিং, নিখুঁত টেকনিক আর অসাধারণ ধৈর্য দিয়ে ধীরে ধীরে নিজের ইনিংস তৈরি করতেন। আর এই কারণেই বিরাট কোহলি, এবি ডি ভিলিয়ার্স কিংবা স্টিভ স্মিথের মতো তিনি সবসময় আলোচনার কেন্দ্রে থাকতেন না। কিন্তু চাপের মুহূর্তে দলের জন্য বড় ইনিংস খেলার ক্ষমতাও ছিল। ODI-তে তিনি অত্যন্ত দ্রুত ২,০০০ থেকে ৭,০০০ রানের মাইলস্টোনও স্পর্শ করেছিলেন। এত বড় ক্যারিয়ার, এতগুলো সেঞ্চুরি আর বছরের পর বছর এমন ধারাবাহিকতা দেখানোর পরও যখন সর্বকালের সেরা ব্যাটসম্যানদের আলোচনা হয়, তখন আমলার নাম অনেক সময়ই পিছনে চলে যায়।

ইয়ান বেলের নাম শুনলেই হয়তো প্রথমে ইংল্যান্ডের একজন স্টাইলিশ ব্যাটসম্যানের কথা মনে পড়ে। কিন্তু তার অসাধারণ পরিসংখ্যান ...
02/09/2026

ইয়ান বেলের নাম শুনলেই হয়তো প্রথমে ইংল্যান্ডের একজন স্টাইলিশ ব্যাটসম্যানের কথা মনে পড়ে। কিন্তু তার অসাধারণ পরিসংখ্যান ও অবদানের তুলনায় তিনি অনেক সময়ই আন্ডাররেটেড থেকে গেছেন। টেস্ট ক্রিকেটে ইংল্যান্ডের হয়ে ইয়ান বেল ৭,০০০-এর বেশি রান করেছেন, যার মধ্যে রয়েছে ২২টা সেঞ্চুরি। ODI-তেও তার রেকর্ড যথেষ্ট ভালো ছিল—৫,০০০-এর বেশি রান এবং ৪টেসেঞ্চুরি। ইংল্যান্ডের সেই গোল্ডেন জেনারেশনে অ্যালিস্টার কুক, কেভিন পিটারসেন কিংবা অ্যান্ড্রু স্ট্রসের মতো সুপারস্টারদের উপস্থিতির কারণে বেলের অবদান অনেকটাই স্পটলাইটের বাইরে চলে যায়। কিন্তু ইংল্যান্ডের হয়ে অ্যাশেজ থেকে শুরু করে বড় বড় সিরিজে তিনি বারবার গুরুত্বপূর্ণ ইনিংস খেলেছেন। তার ব্যাটিংয়ের টাইমিং ও টেকনিক ছিল দুর্দান্ত, আর চাপের মুহূর্তে দলকে সামলানোর ক্ষমতাও অসাধারণ ছিল। তাই বড়সড় সুপারস্টার না হয়েও তিনি ইংল্যান্ডের ব্যাটিংয়ে বছরের পর বছর গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছেন।

Address

Kolkata
700039

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Sporting IQ posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share

Category