Haripal Football

Haripal Football ফেসবুক পেজে আপনাকে স্বাগতম ⚽ ফলো করুন
ইউটিউব বা ফেসবুক ভিডিও লাইভ এর জন্য যোগাযোগ করুন -8945021087

অন্ধ মানুষটাও খেলা দেখে — মাঠে ধারাভাষ্যকারের চোখে 🎙️❤️❤️❤️❤️💥❤️❤️❤️💥❤️❤️❤️💥❤️❤️❤️"ও দেখে না, ও অনুভব করে"কারণ যখন মাইকে...
05/06/2026

অন্ধ মানুষটাও খেলা দেখে — মাঠে ধারাভাষ্যকারের চোখে 🎙️❤️

❤️❤️❤️💥❤️❤️❤️💥❤️❤️❤️💥❤️❤️❤️

"ও দেখে না, ও অনুভব করে"
কারণ যখন মাইকে আওয়াজ ওঠে —
"দাদা, বলটা এখন মাঝমাঠে... রতন বাঁ পায়ে রিসিভ করল... সামনে দুজন... ওহ! কাটালো... কাটালো... শট... গোওওল!"
তখন অন্ধ মানুষটার বুকের ভিতর গোটা মাঠ ছবি হয়ে ভেসে ওঠে।

রং চেনে না, আবেগ চেনে
ও জানে না জার্সির রং লাল না নীল।
কিন্তু ধারাভাষ্যকার যখন গলা কাঁপিয়ে বলে —
"ছেলেটা গত মাসে বাবাকে হারিয়েছে ... আজ বাবার জন্য গোলটা উৎসর্গ করল..."
তখন অন্ধ মানুষটার গাল বেয়ে জল নামে।
ও খেলা দেখে না, ও গল্প শোনে। ব্যথা শোনে। স্বপ্ন শোনে।

স্কোরবোর্ড লাগে না
কমিটি স্কোরবোর্ড লাগাতে পারেনি। তাতে কি?
ধারাভাষ্যকার প্রতি ৫ মিনিটে চিৎকার করে —
"খেলার বয়স ২৩ মিনিট, স্কোর এখন ১-০, কিন্তু মাঠে আগুন জ্বলছে!"
অন্ধ মানুষটা টাইমও জানে, স্কোরও জানে। শুধু চোখে দেখে না, কানে দেখে।

ধারাভাষ্যকার — অন্ধের লাঠি

দাদা, এই মানুষটা শুধু ধারাভাষ্যকার নয়। ও হলো চোখ।
রোদে পুড়ে ও গলার শিরা ফুলিয়ে বলে —
"ডান দিক থেকে ক্রস আসছে... উচ্চতা বেশি... কিপার ঝাঁপালো... উফ! অল্পের জন্য মিস..."
অন্ধ কাকু তখন হাত দিয়ে মাপে — বলটা কত উঁচু দিয়ে গেল।

গোল হলে ও শুধু "গোল" বলে থামে না।
ও বলে — "গোটা মাঠ লাফাচ্ছে! রতন জার্সি খুলে দৌড়াচ্ছে... চোখে জল... গ্যালারিতে ওর মা আনন্দে অজ্ঞান হয়ে যাচ্ছে ..."
অন্ধ মানুষটা তখন হাততালি দেয়। যেন নিজের চোখে দেখল।

হারলেও ও সান্ত্বনা দেয় —
"মন খারাপ করবেন না। ছেলেরা জান দিয়ে খেলেছে। সামনের রবিবার আবার হবে। আমরা হারি না, আমরা শিখি।"
ওই কথাটা শুনে অন্ধ মানুষটা লাঠিতে ভর দিয়ে বাড়ি যায়। পরের রবিবার আবার আসে।
Haripal Football
কেন ওর কাছে ঋণী আমরা?

কারণ ও প্রমাণ করে দিয়েছে —
ফুটবল দেখতে চোখ লাগে না, বুক লাগে।
আর বুকের ভিতর ছবি আঁকতে একজন ধারাভাষ্যকার লাগে।

টাকার জন্য ও মাইক ধরে না দাদা।
ও মাইক ধরে যাতে ওই অন্ধ কাকুটা সপ্তাহে একদিন "চোখে" দেখতে পায়।
যাতে সে বাড়ি গিয়ে নাতিকে বলতে পারে — "আজ রতন কি গোলটাই করল রে, যেন বাঘের বাচ্চা!"

আমাদের প্রত্যেকেরই কম-বেশি শিক্ষা রয়েছে , কিন্তু অন্যের চোখ হওয়ার ক্ষমতা — সেটা সবার থাকে না।
এটা সাধনা। মাঠে আসার সাধনা। নিজের গলা ভেঙে অন্যের স্বপ্ন বাঁচিয়ে রাখার সাধনা।

তাই পরের বার মাঠে ওই অন্ধ মানুষটাকে দেখলে,
আর মাইক হাতে ওই ঘামে ভেজা দাদাটাকে দেখলে,
একবার বুক ঠুকে স্যালুট করো।

কারণ ওরা প্রমাণ করছে —
ফুটবল শুধু পায়ের খেলা না, এটা গলার খেলা। এটা হৃদয়ের খেলা।
আর এই খেলায় অন্ধ মানুষও *ম্যান অফ দ্য ম্যাচ* হয়,
যদি তার পাশে একজন ধারাভাষ্যকার থাকে 💚🎙️

💥গ্রামের ক্ষেপ হলো শীতকালীন ফসল💥❤️আগস্টে বীজ বোনা হয়, মার্চে ফসল কাটা হয়❤️⚽এপ্রিল থেকে জুলাই মাঠ বিশ্রাম নেয় - ঠিক চাষের...
05/06/2026

💥গ্রামের ক্ষেপ হলো শীতকালীন ফসল💥
❤️আগস্টে বীজ বোনা হয়, মার্চে ফসল কাটা হয়❤️
⚽এপ্রিল থেকে জুলাই মাঠ বিশ্রাম নেয় - ঠিক চাষের জমির মতো⚽

হারিয়ে যাওয়া গোল্ডেন যুগ — মাঠের ফুটবলের আত্মকথাএকটা সময় ছিল যখন পকেটে টাকা ছিল না, কিন্তু বুকে ছিল অদম্য খিদে। মাঠে ...
04/06/2026

হারিয়ে যাওয়া গোল্ডেন যুগ — মাঠের ফুটবলের আত্মকথা

একটা সময় ছিল যখন পকেটে টাকা ছিল না, কিন্তু বুকে ছিল অদম্য খিদে। মাঠে বল ছিল একটা, কিন্তু প্লেয়ার ছিল একশোটা। সেই সময়টাকে আজ আমরা বলি 'গোল্ডেন যুগ'। সেটা শুধু ফুটবলের স্বর্ণযুগ ছিল না, ছিল মূল্যবোধ আর ডিসিপ্লিনেরও স্বর্ণযুগ।

তখনকার মাঠ, তখনকার আমরা
আমাদের ছোটবেলায় বল কেনার সামর্থ্য ছিল না ( বাতাবি লেবু, কাগজ আর পলিথিন জড়িয়ে বল বানাতাম)। তবু মাঠ কখনও ফাঁকা থাকত না। পাড়ার সবাই ৫ টাকা, ১০ টাকা করে চাঁদা তুলতাম। সেই চাঁদার টাকায় কেনা একটা জীর্ণ ফুটবলই ছিল আমাদের বিশ্বকাপ। বলটা ফাটা হলে সেলাই করে, হাওয়া কমে গেলে পাম্পার খুঁজে এনে আবার মাঠে নামতাম।

খেলার নিয়ম ছিল অলিখিত, কিন্তু কঠোর। বড়দের সাথে খেলার সুযোগ মিলত না সহজে। তাদের খেলা শুরুর আগে আমাদের মাঠে নামতে হতো। খেলার আগে বাধ্যতামূলক ৫ পাক দৌড়। এটা ছিল শরীর গরমের সাথে সাথে শৃঙ্খলারও পাঠ। বড়রা যখন খেলত, আমরা সাইডলাইনে দাঁড়িয়ে বল কুড়িয়ে দিতাম। সেটাকে আমরা অপমান ভাবিনি। ভাবতাম, এটা দাদাদের সম্মান, আর আমাদের শিক্ষানবিশ কাল।

Haripal Football

সবচেয়ে বড় শিক্ষা ছিল মুখের ভাষা। খেলার মধ্যে কেউ গালাগালি করলে তার আর সেদিন মাঠে জায়গা হতো না। টিম থেকে বাদ। কারণ আমরা জানতাম, ফুটবল শুধু পায়ের খেলা না, চরিত্রেরও খেলা। মাঠ আমাদের ভদ্রতা শিখিয়েছিল।

আজকের মাঠ, আজকের ছবি
আর আজ? আজ বল কেনার টাকা সবার পকেটে। একজনের ঘরেই দুটো-তিনটে দামি বল পড়ে থাকে। পাড়ায় পাড়ায় মাঠও আছে। কিন্তু সেই মাঠগুলো আজ অনাথ। বিকেলবেলা মাঠে প্লেয়ারের হাহাকার। ছেলেরা এখন মোবাইলের স্ক্রিনে গোল দেয়, মাটির মাঠে পা দেয় না।

যে কটা মাঠে খেলা হয়, সেখানে নেই কোনো নিয়ম, নেই ডিসিপ্লিন। টাইমের জ্ঞান নেই। বিকাল ৪ টেয় খেলতে আসার কথা ৫টা ৩০ এ হাজির। কেউ কাউকে কিছু বলতে পারে না। সিনিয়র-জুনিয়রের ভেদরেখা মুছে গেছে। সম্মানবোধ উঠে গেছে। গালাগালি ছাড়া এখন খেলা জমে না।

টাকা এসেছে, বল এসেছে, বুট এসেছে। কিন্তু হারিয়ে গেছে খেলাটার প্রতি প্রেম, আর মাঠের প্রতি দায়বদ্ধতা।

কেন হারালাম সেই দিনগুলো?
আমরা দরিদ্র ছিলাম, তাই মাঠটাই ছিল আমাদের একমাত্র বিনোদন, একমাত্র পালানোর জায়গা। বড় হওয়ার স্বপ্ন, পেটের খিদে — সব মেটাত ওই একটুকরো সবুজ মাঠ।
আজকের প্রজন্মের হাতে অপশন অনেক। মোবাইল, টিউশন, কোচিং, এসি রুম। কষ্ট করে মাঠে গিয়ে ঘাম ঝরানোর দায় তাদের নেই। অভিভাবকরাও এখন ছেলেকে মাঠে পাঠাতে ভয় পান — "পড়া নষ্ট হবে, পায়ে লাগবে"।

আমরা বল কুড়াতাম কারণ আমরা বড়দের দেখে শিখতে চাইতাম। আজকের ছেলেরা ইউটিউব দেখে শেখে। তাই গুরু-শিষ্যের সম্পর্কটাই তৈরি হয় না।


আমাদের গোল্ডেন যুগ ফিরিয়ে আনতে কোটি টাকা লাগবে না। লাগবে শুধু ওই ৫ টাকার বল কেনার একতাটা, বড়দের সম্মান দেওয়ার শিক্ষাটা, আর গালাগালি দিলে মাঠ থেকে বের করে দেওয়ার সাহসটা।

মাঠগুলো অনাথ হয়েছে কারণ আমরা প্লেয়ার হতে ভুলে গেছি, আমরা দর্শক হয়ে গেছি। যে দিন আবার আমরা বুট পরে মাঠে নামব, সেদিন মাঠ আর অনাথ থাকবে না।
কারণ মাঠের আসল মালিক টাকা না, মাঠের আসল মালিক মনের জেদ। আর সেই জেদটা যার মধ্যে আছে, গোল্ডেন যুগটা তার পায়েই ফিরে আসবে।

"বল ছিল না, তবু মাঠ ভরা ছিল।
আজ বল আছে, মাঠ ফাঁকা।
কারণ তখন আমরা খেলতাম বাঁচার জন্য,
আর এখন খেলি সময় কাটানোর জন্য।"
এটাই তফাৎ। এটাই গোল্ডেন যুগ 💚⚽

বাবা পারেনি, তুই পারবি।বাবা পরে গিয়েছিলো, কিন্তু তুই দৌড়াবি।ভয় কি তোর , বাবা তো আছে 😊
04/06/2026

বাবা পারেনি, তুই পারবি।
বাবা পরে গিয়েছিলো, কিন্তু তুই দৌড়াবি।
ভয় কি তোর , বাবা তো আছে 😊

ভেবে দেখেছো কি এক দিনের নক-আউট টুর্নামেন্ট চালাতে লাগে ৩০ দিনের ঘাম।  টেনশন শুরু হয় ফিক্সচার বানানোর দিন থেকে। শেষ হয় ...
02/06/2026

ভেবে দেখেছো কি
এক দিনের নক-আউট টুর্নামেন্ট চালাতে লাগে ৩০ দিনের ঘাম।
টেনশন শুরু হয় ফিক্সচার বানানোর দিন থেকে। শেষ হয় না প্রাইজ দেওয়ার পরেও।

হিসাবটা শোনো
১. এন্ট্রি ৫০০০ × ১৬ টিম = ৮০,০০০ টাকা। এটা দিয়ে খেলা শুরু, শেষ নয়।
২. বড়ো ট্রফি দুটো এবং তার সাথে ম্যান অফ দ্য ম্যাচ etc ১৫-২০ হাজার টাকা । ভালো টিম আনতে প্রাইজমানি কমিটি থেকে আরও ২০-৫০ হাজার ঢালতে হয়।
৩. রেফারি ৪-৫ জন: ১০ হাজার।
৪. স্টেজ ৫ হাজার, বক্স ২ হাজার।
৫. টিফিন ৫ হাজার, ভাত-ডাল-ডিম ১০ হাজার।
৬. লাইট-জেনেরেটর তেল ৩০ হাজার ।
৭. আরও খরচ: নেট, দড়ি, চুন, মাঠ রোলার, পোস্টার, জল, ওষুধ। লিস্ট শেষ হয় না।

টোটাল দেড় লাখের ধাক্কা। লাভ? - বিয়োগ ।
কমিটির ছেলেগুলো ১ মাস ঘুমায় না। সকাল থেকে রাত ক্লাবে।
সপ্তাহে দুদিন আলোচনা বা মিটিং করতে হয়।
বাড়িতে বৌ ঝগড়া করে “সংসার দেখবে কবে?”।
তবুও ওরা করে। কারণ ওই একটা দিন ওদের কাছে পুজো, উৎসব।
অথচ, কমিটির দাদারা এতো পরিশ্রম, এতো টাকা চাঁদা সব কিছু করেও মানুষ গুলো ঠিক ঠাক একটা খেলা দেখতে পায়না নিজেদের মাঠে 😊 ব্যস্ততার জন্য।
আর তুমি কি করলে
৯টা সিদ্ধান্ত ঠিক। ১টা ভুল রেফারির।
ব্যস, শুরু গালাগালি। “কমিটি বাজে,খেলা বোঝে না”।
দাদা, বুকে হাত দিয়ে বলো তো, তুমি শেষ কবে একটা টুর্নামেন্ট করেছ?
পারলে করে দেখাও। সুস্থ ভাবে, গালাগালি না খেয়ে।
Haripal Football
বাস্তবটা জানো
শত শত মাঠ আজ ফাঁকা পড়ে আছে। বড়ো বড়ো ঘাস গজিয়ে গেছে।
কেন জানো? কারণ সময় নষ্ট করে বিনা পারশ্রমিকে গালাগালি খেতে কেউ আর মাঠে টুর্নামেন্ট চালায় না।
যারা করছে তারা পাগল। ফুটবলের জন্য পাগল।
ওদের গালি দিলে কাল থেকে তোমার পাড়ার টুর্নামেন্টও বন্ধ।

তাই অনুরোধ🙏
গালি নয়, সহযোগিতা করো। নিন্দে নয়, প্রশংসা করো।
ভুল হলে পিঠ চাপড়ে বলো “পরের বার ঠিক হবে দাদা”।
২০ টাকার টিকিট কেটে মাঠে বসো। একটা হাততালি দাও।
বিশ্বাস করো, ওই হাততালিটা ৫০ হাজার প্রাইজমানির চেয়েও দামী।


কমিটির দাদারা ১ মাস ঠিক টাইমে না খেয়ে, না ঘুমিয়ে তোমার জন্য মাঠ সাজায়।
আর তুমি ১৫ মিনিট খেলা দেখে গালি দিয়ে চলে যাবে?
পারলে পাশে দাঁড়াও। নইলে চুপ থাকো।
কারণ ফুটবলটা গালিতে না, ভালোবাসায় বাঁচে। 🙏💚

🔴তোমার মাঠে টুর্নামেন্ট চালানোর অভিজ্ঞতা একটু শেয়ার করো?

ধরো,হটাৎ কোনো কারণে দিনের দিন একটা টিম না আসে তাহলে 🙆

Jiten Murmu Tarak Hembram Haripal Football
02/06/2026

Jiten Murmu Tarak Hembram Haripal Football

সৌভিক দা, তাড়াতাড়ি ফিরে এসো🤕💔যাকে আমরা চিনি “স্টপার” বলে, “সাইড ব্যাক” বলে।  ডিফেন্সের দেওয়াল। ট্যাকলে শরীর দেয়, মার...
02/06/2026

সৌভিক দা, তাড়াতাড়ি ফিরে এসো🤕💔

যাকে আমরা চিনি “স্টপার” বলে, “সাইড ব্যাক” বলে।
ডিফেন্সের দেওয়াল। ট্যাকলে শরীর দেয়, মার্কিংয়ে জান দেয়।
গত সপ্তাহে বাইক অ্যাকসিডেন্ট। ডান হাতের একটা আঙুল ভেঙে গেছে।একটা আঙুল ভাঙা মানে পুরো শরীর অচল।

বেশ কিছু মাঠে খেলার কথা ছিল ওর। এই কারণেই খেলতে যেতে পারবেনা।

সৌভিক দা,তোমার থ্রো-এ গোল হয়। তোমার ট্যাকলে ম্যাচ বাঁচে।
তোমার ওই ডান হাতটা শুধু আঙুল না, সংসারের ভরসা।

🙏তাই সবার কাছে হাতজোড় করে বলছি—সাবধানে বাইক চালাও।
হেলমেট পরো। স্পিড কমাও। কারণ এক সেকেন্ডের ভুল মানে ৬ মাসের মাঠের বাইরে।
Haripal Football
সৌভিক দা, শোনো
জানি কেটে বাদ দেওয়া আঙুল আর জোড়া লাগবে না তবুও তুমি টাচলাইন ধরে দৌড়াবে।
আবার চিৎকার করবে “কভার দে ভাই”।
আমরা অপেক্ষা করব। গ্যালারি ফাঁকা রাখব না।
তুমি শুধু তাড়াতাড়ি সেরে ওঠো।

আমাদের শরীরের প্রত্যেকটা অঙ্গ দামী। নখ থেকে চুল অবধি।
মাঠে নামার আগে নিজেকে বাঁচাও।
কারণ তুমি না থাকলে টিমটা ১০ জন হয়ে যায়। সংসারটা ০ হয়ে যায়।

গেট ওয়েল সুন দাদা। মাঠ তোমাকে মিস করছে। 🙏❤️‍🩹
Souvik Hazra

St boys ⚽♥️🥰
01/06/2026

St boys ⚽♥️🥰

বিস্তারিত 👇
01/06/2026

বিস্তারিত 👇

Address

Haripal
712301

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Haripal Football posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share

Category