The Ultimate Azim Samz

The Ultimate Azim Samz help each other...
world is a football field and we are all players. so always love people ��?

like playing foottball & wachting all kind of sporting games....

26/01/2024
Emiliano Martinez in August 2020: “I hope to help Messi win the next World Cup, I will do everything, I will give my lif...
07/07/2021

Emiliano Martinez in August 2020:
“I hope to help Messi win the next World Cup, I will do everything, I will give my life for him.”

ডেভিড ল্যাটিমার এই গাছটি বোতলের ভেতরে লাগিয়েছিলেন ১৯৬০ সালে এবং গত ৪৭ বছর ধরে এর ছিপি কখনোই খোলা হয়নি। ফলে এই দীর্ঘ সময়ে...
04/07/2021

ডেভিড ল্যাটিমার এই গাছটি বোতলের ভেতরে লাগিয়েছিলেন ১৯৬০ সালে
এবং গত ৪৭ বছর ধরে এর ছিপি কখনোই খোলা হয়নি।
ফলে এই দীর্ঘ সময়ে এই বোতলের ভিতরে গড়ে উঠেছে একটি বাস্তুসংস্থান
যা নিজেই নিজেকে রক্ষা করে চলেছে দীর্ঘ সময় ধরে।
এই বোতলে বাইরে থেকে কোনো কিছুরআদান-প্রদান হয় না।
গাছটি অক্সিজেন উৎপন্ন করে এবং মাটিস্থঃ হিউমাস থেকে পুষ্টি গ্রহণ করে।
গাছের ঝরে যাওয়া পাতা ও অন্যান্য অংশ মাটিতে পড়ে
ব্যাক্টেরিয়ার মাধ্যমে পুনরায় সরল উপাদানে পরিণত হয়
এবং এর ফলে জৈব বস্তু ভেঙ্গে গিয়ে কার্বন-ডাইঅক্সাইডও বায়ুতে আসে।
প্রস্বেদন প্রক্রিয়ায় উৎপন্ন বাষ্প ঘনীভূত হয়ে মাটিতে জমা হয়
এবং মূলের মাধ্যমে পুনরায় গাছ শোষন করে।
ফলে একটি পানি চক্রও তৈরি হয়।
গাছের প্রয়োজনীয় যাবতীয় উপদান গাছ আর মাটি হতেই রিসাইকেল হয় বলে
এতে বাইরে থেকে কিছুই সরবরাহ করতে হয় না।
তবে একেবারে শুরুতেই বোতলের গাছটিকে সিল করে দেওয়া হয় নি।
স্পাইডার ওর্টের চারটি বীজ লাগানো হয় বোতলে। এর মধ্যে একটি গাছ টিকে থাকে।
একযুগ পরিচর্যার পর বোতলটিকে স্থায়ীভাবে সিল করে দেওয়া হয় এর পর থেকে
বিগত ৪৭ বছর এটি বাইরের দুনিয়া থেকে সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্ন।

Collected

04/07/2021

"I didn't come for individual awards, I came here to fulfill everyone's dream."
--- Leo Messi 💪💥

Yes Leo Messi, We are all have a dream 🇦🇷


Happy birthday bo$$
03/06/2021

Happy birthday bo$$

☝️ 414 Test wickets at 23.62
☝️ 502 ODI wickets at 23.52
🖐 31 international five-wicket hauls
🏆 1992 World Cup winner

Happy birthday to The
Legend Wasim Akram 🌹

03/06/2021

বিভিন্ন সময় এমন কিছু ছবি তোলা হয় যা পরবর্তীতে বিশ্বাস হতে চায় না। এমন কিছু ‍পুরাতন ছবি নিয়েই আমাদের এবারের আয়োজন। ইন্টারনেট এবং অন্যান্য উৎস থেকে সংগ্রহ করা ছবিগুলো ধীরে ধীরে প্রকাশ করা হবে। ছবির সাথে আমরা অবশ্যই ফটোগ্রাফারের নাম বা কৃতজ্ঞতা প্রকাশের চেষ্টা করবো যদিও অনেক সময় ফটোগ্রাফার বা ছবির উৎস পাওয়া যায় না, সেক্ষেত্রে কৃতজ্ঞতা ছাড়াই "ছবির উৎস নিশ্চিত হওয়া যায়নি " লিখে ছবিটি পোস্ট করা হবে। মূল ছবির উপরে কোনরকম এডিট করা বা নিজেদের পেজের লিঙ্ক/ওয়াটারমার্ক বসানো হয়নি। শুধুমাত্র মূল ছবির নিচে ক্যাপশন বসিয়ে দেয়া হয়েছে। দুর্লভ এই ছবিগুলো শেয়ার করার অনুরোধ থাকল।

উপমহাদেশে প্রথম ক্যামেরা এসেছিল ব্রিটিশদের হাত ধরে। ১৮৩৫ সালে রবার্ট টাইলার নামের এক ব্রিটিশ সেনার উপমহাদেশে ক্যামেরা আনার কোথা শোনা যায়। সিপাহি বিদ্রোহের পর বেশ কিছু ছবি তোলা হয়েছিল। ১৮৬২ সালে সিমলাতে স্টুডিও খুলেন চার্লস শেপারড। ১৮৬৪ কলকাতাতে স্টুডিও খুলেন তার সহচর স্যমুয়েল বোর্ন। তারপর ক্যামেরা ছড়িয়ে যায় ঢাকার দিকেও।

সুরমা নদীর তীর ঘেঁষে সিলেট সদর উপজেলায় অবস্থিত এই ঘড়ির ডায়ামিটার আড়াই ফুট এবং ঘড়ির কাঁটা দুই ফুট লম্বা। যখন ঘড়ির অ...
09/06/2020

সুরমা নদীর তীর ঘেঁষে সিলেট সদর উপজেলায় অবস্থিত এই ঘড়ির ডায়ামিটার আড়াই ফুট এবং ঘড়ির কাঁটা দুই ফুট লম্বা। যখন ঘড়ির অবাধ প্রচলন ছিল না, সেসময় অর্থাৎ ১৮৭৪ খ্রিষ্টাব্দে সিলেট মহানগরীর প্রবেশদ্বার ক্বিন ব্রিজের ডানপার্শ্বে সুরমা নদীর তীরে এই ঐতিহাসিক ঘড়িঘরটি নির্মাণ করেন সিলেট বিভাগের মৌলভীবাজার জেলাধীন কুলাউড়ার পৃত্থিমপাশা স্টেট এর জমিদার নবাব আলী আহমদ খান তাঁর ছেলে নবাব আলী আমজদের নামে। লোহার খুঁটির উপর ঢেউটিন দিয়ে সুউচ্চ গম্বুজ আকৃতির স্থাপত্যশৈলীর ঘড়িঘরটি তখন থেকেই আলী আমজদের ঘড়িঘর নামে পরিচিতি লাভ করে।

" জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে হুমায়ুন ফরিদি প্রচুর বাকী খেতেন। তখনকার দোকানদারদের এই বাকী নিয়ে কোনও অভিযোগ নেই, তারা গর্...
29/05/2020

" জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে হুমায়ুন ফরিদি প্রচুর বাকী খেতেন। তখনকার দোকানদারদের এই বাকী নিয়ে কোনও অভিযোগ নেই, তারা গর্ব করেন।
কথিত আছে যে,
হুমায়ুন ফরিদী একবার জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন, সুমন নামের একজন
ঠাট্টা করে বলেছিলো: "আপনার আলবেরুন এর ক্যান্টিনে এখনো ৩১৯ টাকা বাকী রয়েছে, পরিশোধ করে যাবেন"
জবাবে তিনি বলেন, ‘আমি এইটা পরিশোধ করব না।’
সবাই পরিশোধ না করার কারন শুনতে চায়?
উনি উত্তরে বলেন: আমি এই ক্যান্টিন, হল, ক্যাম্পাস, এই বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিটা মানুষের কাছে ঋণী হয়ে থাকতে চাই সারাজীবন" :)

খুব গুছালো কথাবার্তা বলা, সাথে অসাধারণ এক ব্যক্তিত্বের অধিকারী ছিলেন হুমায়ুন ফরিদী।তিনি মানুষকে ভালবাসতেন। মানুষকে ভালবাসতে তিনি ভালবাসতেন৷

২০১২ সালের দিকে সম্ভবত; বাংলাভিশনের এক টকশো ' আমার আমিতে ' এসেছিলেন। তখন ওই টকশোর উপস্থাপিকা ছিলেন মুনমুন মল্লিক। সেই টকশোই সম্ভবত তার জীবনের শেষ টকশো ছিলো যদি আমার ভুল না হয়ে থাকে।

সেই টকশোতে তার কিছু কথা আজো আমাদের কানে বাজে। তাকে যখন জিজ্ঞাস করা হলো, স্যার আপনার কাছে জীবন কি?। উত্তরে তিনি বলেছিলেন " Life is nothing but a journey towards death "। যখন তাকে জিজ্ঞাস করা হলো কি চাওয়া আপনার জীবনে। একটা কথাই বলেছিলেন; আমি চাই সবাই সুখে থাক, কেউ অসুখি থাক বা আছে তা আমি দেখতে পারি না।

সুবর্না মোস্তফা, যাকে তিনি বলতে গেলে পাগলের মতো ভালবাসতেন তাকে ছেড়ে চলে যাওয়ার পরেও তার কোন ক্ষোভ ছিল না তার প্রতি। যখন 'আমার আমিতে ' তাকে সুবর্না মোস্তফা নিয়ে প্রশ্ন করার অনুমতি চাওয়া হয় তিনি সরাসরি না করে দেন প্রশ্ন করা যাবে না। তার যুক্তি ছিলো, যে তিনি আমার স্ত্রী ছিলেন আমি চাই না তার ব্যপারে আমার মুখ থেকে খারাপ বা তার মানহানি হয় এমন কথা বের হোক।

আরেকটা টকশোতে সুবর্না মোস্তফার সাথে আর ভালবাসার অবনতি অথবা ডিভোর্সের কথা জানতে চাওয়ায় তিনি বলেন, মানুষের ভালবাসা কখন কমে না অথবা ভালবাসায় চেঞ্জ আসে না৷ শুধু সময়ের সাথে সাথে ভালবাসার রং বদলায়৷

আমাদের একজন হুমায়ুন ফরীদি ছিলেন, হুমায়ুন ফরীদি আমাদের মাঝে বেঁচে থাকবেন অনন্তকাল হৃদয় গভীরের শ্রদ্ধা ভালবাসায় সিক্ত হয়ে।❤❤❤
আজ সবার এই প্রিয় অভিনেতার জন্মদিন!❤️❤️
শুভ জন্মদিন কিংবদন্তি ♥♥

লিজেন্ড 💞😘জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে হুমায়ুন ফরীদি প্রচুর বাকী খেতেন। তার সময়কার দোকানদাররা এখনো ওইসব বাকী নিয়ে অভিযোগ ...
19/05/2020

লিজেন্ড 💞😘

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে হুমায়ুন ফরীদি প্রচুর বাকী খেতেন। তার সময়কার দোকানদাররা এখনো ওইসব বাকী নিয়ে অভিযোগ নয়, বরং তারা গর্ব করেন! কথিত আছে যে, ফরীদিকে একবার জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি অনুষ্ঠানে সুমন নামে একজন ঠাট্টাচ্ছলে বলেছিলেন আপনি আলবেরুনীর ক্যান্টিনে ৩১৯ টাকা বাকী রেখেছেন, শোধ করে যাবেন! জবাবে তিনি উত্তর দেন, ‘আমি এইটা শোধ করব না।’ সবাই বলে উঠল, "কেন কেন?" উনি তখন উত্তরে বলেন, "আমি এই ক্যান্টিন, হল, ক্যাম্পাস, এই বিশ্ববিদ্যালয়ের মানুষগুলোর কাছে
আজীবন ঋণী থাকতে চাই। "........................

অভিনেতা হুমায়ুন ফরিদী তখন হুতাপাড়ায় ছিলেন। পরিবার থেকে জরুরী কল পেয়ে রাত দুইটার পর ঢাকায় রওনা হন। নিজেই চালাচ্ছিলেন গাড়ি। সারাপথে অঝোরে বৃষ্টি। তার মাঝেই রওনা হয়েছিলেন ফরিদী।

বহুদূর চলে আসার পর খেয়াল হলো প্রোডাকশন বয় ইসমাইলকে কিছু টিপস দেয়ার কথা ছিলো। অপেক্ষা করতে বলেছিলেন। ছেলেটা টাকার আশায় বসে থাকবে।

হুমায়ুন ফরিদী সেই বৃষ্টির রাতেই গাড়ি ব্যাক করিয়ে ফিরে এলেন হুতাপাড়া। ইসমাইলকে টিপস দিয়ে তারপর আবার গাড়ি চালিয়ে ফিরেছিলেন ঢাকা। সেই ঝুম বৃষ্টির মাঝেই..
কথা খেলাপ করার মানুষ ফরিদী ছিলেননা...! ........
লেখক হুমায়ুন আহমেদ তার এক লেখায় একবার লিখেছিলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাসে বহু লোক একজনকে ঘিরে আছে, সবাই তার কথা মন্ত্রমুগ্ধের মতো শুনছে, হাসছে, হাত তালি দিচ্ছে... দেখে মনে হলো শব্দের জাদুকর! কাছে গিয়ে দেখি ঝাকড়া চুলের এক তাগড়া যুবক! কথা বলার মাঝেই একটা আর্ট ছিলো! অন্য যেকোনো দশটা মানুষ থেকে সহজেই তাকে আলাদা চেনা যেতো! মানুষ টা হুমায়ুন ফরীদি! ..............

তিনি ছিলেন একাধারে শিল্পী, কবি, অভিনেতা, নাট্যশিল্পী, আবৃত্তিকার এবং মুক্তিযোদ্ধা।

#সংগৃহীত

ছবিটি ১৯৮৩/৮৪ সালে কমলাপুর রেলস্টেশনে তোলা। ছবিটিতে লাল টি শার্ট পরা ছোট ছেলেটি বর্তমান কানাডিয়ান প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ...
15/05/2020

ছবিটি ১৯৮৩/৮৪ সালে কমলাপুর রেলস্টেশনে তোলা। ছবিটিতে লাল টি শার্ট পরা ছোট ছেলেটি বর্তমান কানাডিয়ান প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডো ও তার বাম দিকের বিস্কিট কালারের স্যুট পরিহিত ভদ্রলোক ততকালীন প্রধানমন্ত্রী পেয়ারে ট্রুডো।জাস্টিন ট্রুডোর ডান পাশে মরহুম রিয়ার এডমিড়াল এম এ খান। এখানে আমার মরহুম বাবা এম আসজাদ আলী ছবির বাম থেকে হালকা নীল রঙের স্যুট ও কালো টাই পরিহিত। আজ বাবার মৃত্যু বার্ষিকীতে পুরনো ছবির এলবাম সৃতিচারণের সময় খুঁজে পাই।

Address

Uttar Khan

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when The Ultimate Azim Samz posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to The Ultimate Azim Samz:

Share