22/01/2019
আসসালামু আলাইকুম।
শীত শেষে আবার শুরু হতে যাচ্ছে মোটাতাজাকরন মৌসুম। খামারিরা ব্যস্ত হয়ে পড়ছে গরু কেনা কেটায়।ডেইরি সেক্টরে এই সময়টুকু উৎসবের মত।সবার মাঝে প্রতিযোগিতা শুরু হয় কে কত মোটাতাজা করতে পারে।কিন্তু এই সময় দুগ্ধ এবং মোটাতাজা দুই ক্ষেত্রেই বিপদ ডেকে আনতে পারে।গরু যদি হাট থেকে কেনা হয় সেটা ক্ষুরা রোগের প্রধান বাহক হিসাবে কাজ করে।কেনা গরু থেকে পার্শ্ববতী যে কোন খামার এমন কি পুরো এলাকায় ছড়িয়ে যেতে পারে যা এই সেক্টরের অন্যতম অন্তরায়। এজন্য আমাদের খামারিদের সচেতন করতে হবে।এই মূহুর্তে যাদের টিকা দেওয়া নাই তাদের গাভী এবং বাছুরকে টিকা দেওয়া জরুরি।সাথে হাট থেকে কেনা গরুকে টানা এক সপ্তাহ খাবার সোডা ১০০-১৫০ গ্রাম প্রতিদিন খাওয়াতে হবে।পা পটাশের পানি দিয়ে ধুয়ে দিতে হবে,১ সপ্তাহ ভাল গরু থেকে আলাদা রাখতে হবে। খাবার সোডার পরিবর্তে হোমিওপ্যাথিও দেয়া যেতে পারে। Marcsol 200 + Rhustox 200(Germany) ১০ ফোটা+ ১০ ফোটা -১/২ লিটার পানিতে দিনে ২ বার খাওয়ালে ভাল ফল পাওয়া যায়।এমনকি মাঠ পর্যায়ে দেখা গেছে ১ মাসের নিচে বাছুরকে দিলে আক্রান্ত হয়না বা মারা যায় না। বড় গরুতে রোগ ধরার পরেও ব্যবহার করা যায় তবে ডোজ ৩-৪ বার দিতে হবে।মুখের ঘাঁয়ে হলুদ,ফিটকিরি,সোহাগা,মধু ব্যবহার করতে হবে।পায়ে পটাশের পানি দিয়ে ধোয়ার পর ফিটকিরি,হলুদ,ন্যাফথালিন লাগাতে হবে। অ্যালোপ্যাথিতে Powder FRA C12 বা Andopan ভাল কাজ করে। ভিটামিন বি ও সি দিতে হবে।সাথে Painkiller,antihista দেয়া যেতে পারে।
সর্বোপরি সচেতনতা জরুরি।
ডাঃ মামুন
সিএসও(ক্যাটল)
কুমিল্লা অঞ্চল।
নারিশ পোল্ট্রি এন্ড হ্যাচারী লিমিটেড।