24/02/2024
শবেবরাত নিয়ে অনেক দ্বিমতের সৃষ্টি।
লাইলাতুল বরাত বা ভাগ্যরজনীতে আল্লাহ তাআলা অর্ধ শাবানের রাতে সৃষ্টিকুলের প্রতি রহমতের দৃষ্টি দেন এবং মুশরিক ও হিংসুক ছাড়া সবাইকে ক্ষমা করে দেন।
এই রাত নিয়ে অনেক স্মৃতি আছে। ১০-১৫ দিন আগে থেকেই মিলাদ আর শিন্নি(তুষা দেখলে গুসা উঠত আর এখন তুষা শিন্নিও খুজে বেরাই) ,মসজিদের সামনে সাড়ি সাড়ি আগরবাতির দোকান, আগে থেকেই আগরবাতির কালেকশন করা, পুরোরাত আগারবাতি জ্বালানো নিয়ে পাহাড়া দেওয়া।
এলাকার সবাই মিলে নফল ইবাদাতের সাথে সাথে গল্পগোজব করা, হাফিজ সাহেবদের তেলাওয়াত শুনার পাশাপাশি চা পান করা, এশার নামাজ আদায় করে কবর জিয়ারতে যাওয়া।
যখন একটু বড় হতে লাগলাম শবেবারাতের কিছু বেদাত কার্যকলাপ সম্পর্কে ও করনীয় সম্পর্কে জানতে পারলাম তখন থেকে কিছুটা পরিবর্তন করলাম আমলে।
মসজিদের ঈমাম সাহেবদের আলোচনা থেকে যতটুকু করা যায় করতাম।
সবকিছুই এখন স্মৃতি।
মিছ করি আমার এলাকা হাতিমবাগকে, মিছ করি হাতিমবাগ জামে মসজিদটাকে, আমার ঠিকানা হাতিমবাগেই আমার জীবনের শান্তি ছিল, এই চাকচিক্যের শহরে লাখ টাকার মধ্যে এই শান্তি নেই যেই হাতিমবাগে ১০ টাকা পকেটে থাকলে অথবা পকেট খালি থাকলেও যেই শান্তি মিলত।
দূরে গেলে বুঝা যায় কতটা গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় যাদের সাথে উঠাবসা ছিল, তাদের প্রতি শ্রদ্বা আর স্নেহের ছায়াটা কতটুকু শান্তির।
এই শান্তি খুঁজে বেড়াই
আল্লাহ এই বরকতময় রজনীর উছিলায় সবাইলে ক্ষমা করে দেন।