19/08/2025
বিপিএলকে ঘিরে ফের উঠেছে ফিক্সিংয়ের কালো মেঘ। সম্প্রতি একটি জাতীয় দৈনিকে প্রকাশিত প্রতিবেদনে দাবি করা হয়, ঢাকা ক্যাপিটালসসহ আরও দুটি ফ্র্যাঞ্চাইজির নাম তদন্তে উঠে এসেছে। তবে সেই প্রতিবেদনেই উল্লেখ করা হয়, অধিকতর তদন্ত শেষে সম্পূর্ণ নির্দোষ প্রমাণিত না হওয়া পর্যন্ত সংশ্লিষ্ট ফ্র্যাঞ্চাইজিকে নতুন করে অনুমোদন না দেওয়ার সুপারিশ থাকবে। এখান থেকেই শুরু হয়েছে আলোচনার ঝড়।
এই প্রেক্ষাপটে নিজেদের ফেসবুক পেজে এক আনুষ্ঠানিক বিবৃতি দিয়েছে ঢাকা ক্যাপিটালস। তাদের দাবি—এখন পর্যন্ত কোনো অভিযোগই প্রমাণিত হয়নি। শুধু অভিযোগের ভিত্তিতে কোনো ফ্র্যাঞ্চাইজিকে মিডিয়া ট্রায়ালের মুখোমুখি করা দায়িত্বশীল সাংবাদিকতার পরিপন্থী।
ঢাকা ক্যাপিটালস জানিয়েছে, বিসিবির স্বাধীন তদন্ত কমিটির সঙ্গে তারা শুরু থেকেই ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করছে এবং প্রয়োজনীয় সব তথ্য ও নথি সরবরাহ করছে। তদন্তে পূর্ণ সহযোগিতা করছে এবং ভবিষ্যতেও করবে। একইসঙ্গে তাদের স্পষ্ট বক্তব্য, যদি কোনো খেলোয়াড় বা স্টাফের বিরুদ্ধে দোষ প্রমাণিত হয় তবে নিজেরাই সর্বোচ্চ কঠোর ব্যবস্থা নেবে। তবে প্রমাণ ছাড়াই সরাসরি ম্যানেজমেন্টের ওপর দায় চাপানো গভীরভাবে সম্মানহানিকর।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, স্পট ফিক্সিং মূলত ব্যক্তি পর্যায়ের বিষয়। কোনো খেলোয়াড় জড়িত কিনা তা ম্যানেজমেন্ট আগে থেকে জানার সুযোগ রাখে না। বরং ঢাকা ক্যাপিটালস বরাবরই দেশের ক্রিকেটের উন্নয়নে কাজ করেছে এবং ভবিষ্যতেও করবে।
শেষ অংশে ক্লাবটি জানায়—“সততা, স্বচ্ছতা ও ফেয়ার প্লেতে বিশ্বাসী ঢাকা ক্যাপিটালস তরুণ ও প্রতিভাবান ক্রিকেটারদের বিকাশে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। ইনশাআল্লাহ একদিন বিপিএল শিরোপা এনে ভক্ত-সমর্থকদের আনন্দ উপহার দেবো।”
ক্রিকেটপ্রেমীদের প্রত্যাশা, ফিক্সিংয়ের এই কলঙ্কিত অধ্যায় যেন দ্রুতই নিঃশেষ হয়। কারণ ব্যবসা-বাণিজ্যের এই যুগে ক্রিকেটের পবিত্রতা নষ্ট হোক, তা কেউই চায় না।