Northwest Academi

Northwest Academi Skills are such an asset journey people can reach to much higher levels

 অফসাইড হল ফুটবলের অন্যতম একটি আইন, যেটি খেলার আইনের ১১ নম্বরে বিধিবদ্ধ হয়েছে। আইনে বলা হয়েছে যে কোনও খেলোয়াড় অফসাইড...
25/07/2022


অফসাইড হল ফুটবলের অন্যতম একটি আইন, যেটি খেলার আইনের ১১ নম্বরে বিধিবদ্ধ হয়েছে। আইনে বলা হয়েছে যে কোনও খেলোয়াড় অফসাইড অবস্থায় রয়েছে বলা হয়, যদি হাত ও বাহু বাদ দিয়ে, তার শরীরের কোনও অংশ, প্রতিপক্ষের অর্ধেক পিচের মধ্যে থাকে, এবং বল ও শেষ দুজন-প্রতিপক্ষ,- উভয়ের থেকেই সে প্রতিপক্ষের গোল লাইনের বেশি কাছাকাছি থাকে (শেষ প্রতিপক্ষ সাধারণত গোলরক্ষক হয়, তবে অপরিহার্যভাবে নয়)।[১]
একজন সহকারী রেফারি তাঁর পতাকা উত্তোলন করে অফসাইডের সঙ্কেত দিচ্ছেন।
অফসাইড অবস্থানে থাকাটা বিশেষ ভাবে কোন অপরাধ নয়, কিন্তু সতীর্থের পায়ে যখন বল থাকে, তখন একজন খেলোয়াড়ের এমন অবস্থানে থাকা কে অফসাইড অপরাধ দিয়ে দোষী করা যেতে পারে, যদি সে "সক্রিয় খেলায় জড়িত" হয়ে যায়, "প্রতিপক্ষকে বাধাদান করে", বা ওই অবস্থানে থেকে "সুবিধা অর্জন করে"।

১৮৬৩ সালে সর্বপ্রথম অফসাইড চালু করা হয়। ১৮৭২ সালে সর্বপ্রথম অফিসিয়াল ম্যাচে অফসাইডের প্রচলন করা হয়। এসময় অফসাইডের নিয়ম ছিল- প্রতিপক্ষের তিনজন খেলোয়াড় সামনে থাকতে হত (গোলকিপার)। যদি তিনজনের কম হত তাহলেই আফসাইড। অর্থাৎ যদি সামনে একজন খেলোয়াড় এবং গোলকিপার থাকত তাহলেও অফসাইড ধরা হত।

সেই অফসাইডের নিয়ম চলতে থাকে ১৯২৫ সাল পর্যন্ত। এরপর নিয়মে সামান্য কিছু পরিবর্তন আসে। যা চলতে থাকে ১৯৯০ সাল পর্যন্ত। এই পরিবর্তন ছিল সামনে অন্তত দুজন খেলোয়াড় থাকতে হত (গোলকিপার সহ)
১৯৯০ সালে অফসাইডের রুলসে আরও কিছু পরিবর্তন আসে যেট এখনো চলতেছে। তবে এর মাঝে বিভিন্ন সময়ে যেমন- ২০০৫ সালে এবং ২০০৯ সালে অফসাইডের রুলসে কিছু কিছু পরিবর্তন আসে।
সে হিসেবে দেখা যায়, বর্তমান সময়ের অফসাইডের তুলনায় আগের অফসাইডও কোন অংশেই কম শক্তিশালী ছিল না। বরং সেই সময়ে অফসাইড রুলস আরও কঠিনই ছিল। কেননা, গোলকিপার সহ তিনজন এবং ১৯২৫ সালের পর গোলকিপার সহ দুজন খেলোয়াড় সামনে না থাকলেই অফসাইডের বাশি বাঁজানো হত।

বর্তমান ফুটবল বা ফুটবলে আধুনিকতায় যত পা রাখছে অফসাইডের নিয়মেও লেগে যাচ্ছে আধুনিকতার ছোয়া। বর্তমান রুলসটি ছিল:-পাস দেওয়ার সময় এক দলের কোনো খেলোয়াড় যদি প্রতিপক্ষ দলের ডিফেন্ডারদের তৈরি করা সমান্তরাল রেখার আগে চলে যায়, তখন সেটি অফসাইড হিসেবে ধরা হয়। সোজা কথায়, আক্রমণে যাওয়া কোনো খেলোয়াড় বল ছাড়া কোনো ডিফেন্ডারের আগে যেতে পারবেন না। বল নিয়ে ডিফেন্ডারকে পার হতে হবে, নয়তো বল পাস পাওয়ার সময় ডিফেন্ডারের সমান্তরালে অথবা পেছনে থাকতে হবে। অন্যথায় সেটি অফসাইড বিবেচিত হবে।
কিন্তু ২০১৫ সালে গোল করা আরো কষ্টসাধ্য হতে চলেছে ফুটবলারদের কাছে। মৌসুম শুরুর আগেই অফসাইডের নিয়মে কিঞ্চিৎ পরিবর্তন করে রেফারি-লাইন্সম্যানদের হাতে নতুন ‘অস্ত্র’ তুলে দিয়েছে ফিফা। এতদিন নিয়ম ছিল, অফসাইডে দাঁড়িয়ে থাকা কোনো খেলোয়াড় বল ছুঁলে তবেই ‘অফসাইড’ হতো। অর্থাৎ, সেই খেলেয়াড় যদি বলের দিকে এগিয়ে যেতেন বা বল ধরার জন্য পা বাড়াতেন, কিন্তু বলে পা লাগাতেন না, তাহলে অফসাইড হতো না। কিন্তু এবার ফিফা জানিয়ে দিয়েছে, অফসাইড পজিশনে দাঁড়িয়ে কোনো খেলোয়াড় বলের দিকে এগোলে বা বল ধরার চেষ্টা করলেও রেফারি তার বাঁশি বাজাবেন। ফিফার এই নতুন নিয়মে রেফারি ও লাইন্সম্যানদের সমস্যা অনেকটাই লাঘব করবে বলে মনে করছে বিশেষজ্ঞ মহল। তবে ফুটবলার ও কোচেদের মাথাব্যথার কারণ হয়ে উঠতে পারে এই নতুন নিয়ম। বিশেষজ্ঞদের মতে, নতুন নিয়মের ফলে গোলের সংখ্যা অনেকটাই কমে যাবে।
অফসাইড রুলস আরো কঠিন হয়ে উঠে ২০১৮ থেকে ব্যবহৃত হওয়া VAR এর আগমনের কারণে ভিএআর হচ্ছে ফুটবল খেলায় সম্প্রতি প্রচলিত ভিডিওর সহায়তায় তৈরি রেফারি এসিস্ট্যান্ট সিস্টেম। এটি খেলার ভিডিও রিপ্লের মাধ্যমে মাঠের রেফারিকে সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে সাহায্য করে থাকে। সেক্ষেত্রে মাঠের বাইরে থাকা স্টুডিওতে বিশেষ একটি টিম ভিডিও রিপ্লে বিশ্লেষণ করে। এতে রিপ্লাই এর মাধ্যমে খুব সহজেই অফসাইড ধরা যায়। যার ফলের রেফারির ভুল হলেও ভিএআর এর মাধ্যমে চেক করে রেফারি সঠিক সিদ্ধান্ত জানাতে পারে।যদিও অনেক বিতর্কিত সিদ্ধান্ত দিয়ে থাকে ভিএয়ার যা ফুটবলের আকর্ষণকে অনেক বাধাগ্রস্ত করে!!

পেনাল্টি অঞ্চল বা ১৮-গজ বাক্স (সচরাচর পেনাল্টি বাক্স বা শুধুমাত্র বক্স/বাক্স নামেও অভিহিত) হচ্ছে ফুটবল মাঠের একটি সুনির্...
24/07/2022

পেনাল্টি অঞ্চল বা ১৮-গজ বাক্স (সচরাচর পেনাল্টি বাক্স বা শুধুমাত্র বক্স/বাক্স নামেও অভিহিত) হচ্ছে ফুটবল মাঠের একটি সুনির্দিষ্ট এলাকা। এটি আয়তাকার ও উভয় প্রান্তের গোল হতে দুই পাশে এবং সামনের দিকে ১৮ গজ (১৬.৪৬ মি) পর্যন্ত বিস্তৃত থাকে। পেনাল্টি অঞ্চলের ভেতর, গোলের রেখার কেন্দ্রবিন্দু থেকে ১২ গজ (১০.৯৭ মি) দূরত্বে, একটি পেনাল্টি স্পট বা বিন্দু থাকে। একটি পেনাল্টি বৃত্তচাপ পেনাল্টি অঞ্চলের সাথে সংযুক্ত থাকে, যা পেনাল্টি বিন্দু থেকে ১০ গজ (৯.১৪ মি) পর্যন্ত এলাকাকে পরিবেষ্টিত করে রাখে। এই বৃত্তচাপ অবশ্য পেনাল্টি অঞ্চলের অন্তর্ভুক্ত নয়; শুধুমাত্র পেনাল্টি কিক নেওয়ার সময়ই এর গুরুত্ব থাকে।[১]

পেনাল্টি অঞ্চল চিহ্নিতকারী রেখাসহ পেনাল্টি বাক্স এবং গোলপোস্টের সাথে সমান্তরালে অংকিত পেনাল্টি বৃত্তচাপের চিত্র। ক্ষুদ্রতর রেখাঙ্কিত বাক্সটিকে প্রায়শই ৬-গজ বাক্স নামে অভিহিত করা হয়ে থাকে।
পেনাল্টি বাক্সের মধ্যে আরেকটি ক্ষুদ্রতর আয়তাকার অঞ্চল বিদ্যমান থাকে, যা গোল অঞ্চল (চলিত ভাষায় "৬-গজ বাক্স" নামে পরিচিত) হিসেবে পরিচিত। এটি উভয় গোলপোস্ট থেকে ৬ গজ (৫.৪৯ মি) দূরে, গোল-লাইনের ওপর লম্বভাবে অংকিত দুটি রেখা, এবং গোল-লাইন থেকে পিচের ভেতরের দিকে ৬-গজ দূরে, সমান্তরালভাবে অংকিত আরেকটি রেখা দ্বারা সীমাবদ্ধ এলাকা। গোল-কিক ও রক্ষণভাগের অনুকূলে প্রদত্ত যে কোন ফ্রি-কিক গোল অঞ্চলের ভেতরের যেকোন বিন্দু থেকে নেওয়া যায়। গোল অঞ্চলের ভেতর আক্রমণকারী দলের অনুকূলে কোন পরোক্ষ ফ্রি-কিক প্রদান করা হলে, যেখানে ফাউল করা হয়েছে তার নিকটতম যে বিন্দু গোল-লাইনের ("৬-গজ রেখা") সাথে সমান্তরাল রেখায় অবস্থিত থাকে, সেখানে থেকে নেওয়া হয়; তার চেয়ে নিকটতর কোন বিন্দু থেকে নেওয়া নিয়ম বহির্ভূত। একইভাবে, ৬-গজ রেখা থেকে গোল-লাইনের আরও কাছে থেকে যেসব ড্রপ-বল ঘটার কথা, সেগুলোও এই বিন্দুতে নেওয়া হয়।

পূর্বে, পেনাল্টি অঞ্চলগুলো মাঠের প্রস্থের সমান প্রশস্ত ছিল, কিন্তু ১৯০১ সাল থেকে তা বর্তমান মাপে কমিয়ে আনা হয়।

Address

Chandkhali, Shyamnagar
Satkhira

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Northwest Academi posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Northwest Academi:

Share