02/09/2023
টিএইচএম ফুটবল, আজকে থেকে ১৫ বছর আগে এমন সময় প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। প্রথম ব্যাচের ৫০ জন ছাত্র ছাত্রী, তার মধ্যে প্রথম বছরেই ফুটবল টিম নামানো, মুখের কথা নয়। বিভাগের ফান্ড ও তেমন ছিলো না, যে সাহায্য করবে। কিন্তু প্রথম ব্যাচের ভাইদের ভিতরে ছিলো বুক ভরা স্বপ্ন ও আগ্রহ, কিছু করতে হবে। প্রথম ব্ছর হিসেবে সম্মানজনক ভাবে খেলে বিদায় নিয়েছে। তারপর ২য় ব্যাচ আসলো, টিমে আরো প্লেয়ার আসলো, কিন্তু ফান্ডের অবস্থা আগের মতো। প্লেয়ার নিজেদের টাকা দিয়ে জার্সি কিনতো, রিফ্রেশমেন্ট এর ব্যবস্থা করতো। তারপর ও তারা চাইতেন ভালো কিছু করবে, হয়তো ট্রফি না জিতলেও, বিশ্ববিদ্যালয় ভিত্তিক টুর্নামেন্ট এ নিজেদের বিভাগের নামকে প্রতিষ্ঠিত করতে চেষ্টা করেছে।
এভাবে ৩য় ব্যাচ আসলো, ৪র্থ ব্যাচ আসলো, টিমে প্লেয়ারের সংখ্যা বাড়লেও কিন্তু আর্থিক সংকটের সমস্যা সমাধান হয় নাই। তখন এমন অবস্থা ছিলো, এত প্লেয়ার থাকা সত্ত্বেও পর্যাপ্ত খেলার সরঞ্জাম দিতে পারতো না। এটা ঠিক, টিএইচএম ফুটবল বিশ্ববিদ্যালয় ফুটবল ফ্রিকদের কাছে জনপ্রিয় দলগুলোর মধ্যে অন্যতম। তখন আমাদের বিভাগের একজন বড় ভাই, ভার্সিটি টিমের তখন প্লেয়ার। এভাবে ৫ম, ৬ ষ্ঠ ব্যাচ আসলো, দলে প্লেয়ারের সংখ্যা বৃদ্ধি পাচ্ছে দিনে দিনে। আমাদের বার বার কোয়ার্টারে হেরে বিদায় নিতে হচ্ছে।
২০১৬ তে ইসলামিক স্টাডিজ এর সাথে লাস্টের মিনিটে বাদ পড়ে যাওয়ার কষ্ট ২০১৭ সালের শুরু। নতুন ব্যাচ আসলো, নতুন প্লেয়ার ও পুরাতন প্লেয়ার নিয়ে টিম বানানো হলো। এবার কোয়ার্টার না, সেমিতে চলে গেলাম। ভাগ্যের লিখন, এবার সেমিতে ইসলামের ইতিহাস এর কাছে হেরে বিদায় নিছি। এটা টিএইচএম ফুটবলের সবচেয়ে বড় জয় যাত্রা।
এই জয়যাত্রার মাধ্যমে একটি টিমের পরিসমাপ্তি হলো।
তারপর টিএইচএম ফুটবলের দিনগুলো ভালো যাচ্ছে না। প্রথম রাউন্ড ও দ্বিতীয় রাউন্ড এর মধ্যে আবদ্ধ থাকতে হয়।
আগে অন্য বিভাগের যারা, আমাদের ফ্যান ছিলো; তারা বলে টিএইচএম এর আগের ধার নেই, আগের খেলার সৌন্দর্য নেই। এই কথা যখন শুনি, তখন বুঝা যায় আসলে টিএইচএম এর টিম আগের মতো নেই।
সিদ্ধান্ত তোমাদের এখন,জুনিয়রস।
সাবেক টিম মেম্বার থেকে প্রাপ্ত লেখা।