01/05/2025
⛔ চট্টগ্রামের বহদ্দারহাটের সেই পরিত্যক্ত বাড়িটি ⛔
(✍️এই গল্পটি পাঠিয়েছেন আপনাদের খুবই পরিচিত মুখ মোহাম্মদ এরশাদুল ইসলাম ঘটনাটি তার আপন বড় ভাইয়ের সাথে ✍️)
ঠিকানা: চাঁন্দগাঁও আবাসিক,বদ্দারহাট, শমসের পাড়া, চট্টগ্রাম।
আসসালামু আলাইকুম।
এই পেইজে কিছুদিন আগে আমি আমার জীবনের এক ভয়ানক অভিজ্ঞতা শেয়ার করেছিলাম, যার নাম ছিল—"কালো মিস্ত্রির বাড়ি"।
আপনাদের দোয়া, ভালোবাসা, আর আন্তরিক মন্তব্য আমাকে সাহস দিয়েছে আজ আরও একটি ঘটনা শেয়ার করতে।
তবে এবারকার ঘটনাটি আমার নয়—আমার বড় ভাই মোহাম্মদ শাহেদুল ইসলাম-এর সঙ্গে ঘটে যাওয়া এক ভয়াল অভিজ্ঞতা।
গল্পটি তাঁর মুখ থেকে শোনা, এবং আমি চেষ্টা করেছি তাঁর মতো করেই আপনাদের সামনে তুলে ধরতে।
ঘটনাটি ২০০৩ সালের।
তখন ভাইয়া চট্টগ্রামের বহদ্দারহাট এলাকায় ফাইভ ফ্লেম্বার কাজ করতেন।
একটা ছয়তলা ভবনে কাজ পেয়েছিলেন, কিন্তু হেল্পার ছাড়া—কারণ কাজটা নেওয়া হয়েছিল বাবার অনুমতিতে, আর বাবার কথা ছিল, “তুমি একাই পারবে।”
ভাইয়া প্রথমে ১ম ও ২য় তলায় কাজ করেন, কোনো সমস্যা হয়নি।
তবে ৩য় তলায় যাওয়ার পর প্রথমবারের মতো একটা অদ্ভুত ঘটনা ঘটে—
তিনি একটি বেসিন লাগিয়ে অন্য রুমে যান। কিছুক্ষণ পরই বেসিন লাগানো রুম থেকে দস্তাদস্তির শব্দ!
দৌড়ে গিয়ে দেখেন—বেসিনটা ভেঙে পড়ে আছে!
ভেবেছিলেন, হয়তো লাগানোর সময় কিছু ভুল হয়েছে। তেমন পাত্তা না দিয়ে ৪ তলার দিকে যান।
তবে ৪ তলা যেন অন্য এক দুনিয়া।
পুরনো মরিচা ধরা দরজার কাঁচুমাচু শব্দ, চারপাশে মাকড়সার জাল, ছোপ ছোপ ধূসর দেয়াল।
বাড়িটা যেন বছরের পর বছর কেউ ব্যবহার করেনি।
সেই পুরনো বারান্দা, যেখানে ঝুলে থাকা বাতাসেও যেন ছিল মৃত্যুর গন্ধ।
হঠাৎ চোখ পড়ে এক চিলতে ফাঁকা দরজার দিকে—
দেখেন, শরীরহীন দুইটি পা সিঁড়ি বেয়ে দৌড়াচ্ছে!
রক্ত হিম হয়ে যায়।
চিৎকার দিতে চাইলেও গলা দিয়ে শব্দ বের হয় না, যেন কেউ তাঁর কণ্ঠ চেপে ধরেছে!
কিছুক্ষণ পর বারান্দায় গিয়ে বসে থাকেন—চুপচাপ।
কারও সঙ্গে সিঁড়ি দিয়ে নিচে নেমে আসেন।
বাসায় ফিরে সব কিছু বলেন আম্মুকে। আম্মু জায়নামাজে বসে ছিলেন, তাকেই সব খুলে বলেন।
তারপর আব্বু-আম্মু মিলে হেল্পার ঠিক করে দেন।
হেল্পার নিয়ে যাওয়ার পর ভয় কিছুটা কমে আসে।
মাঝেমধ্যে একাও কাজ করতেন ভাইয়া।
মাগরিবের পর বারান্দায় যেতেন প্রতিদিন।
সেখানে একটা কাক আসত, তিনি তাকে খাবার দিতেন—একটা অদ্ভুত বন্ধুত্ব যেন তৈরি হয়েছিল সেই কাকের সঙ্গে।
পরদিন ভাইয়া একাই ৬ তলা