Masco Shakib Cricket Academy- MSCA

Masco Shakib Cricket Academy- MSCA এটা মাসকো সাকিব ক্রিকেট একাডেমির অফিসিয়াল পেজ না। মূলত এটা একটি ক্রিকেট নিউজ ফ্যান ও ফান পেজ।
(2)

আগ্রাসী ব্যাটিংয়ের জন্যই ক্রিকেটপ্রেমীদের কাছে পরিচিত বৈভব সূর্যবংশী। কিন্তু দলীপ ট্রফির ম্যাচে বল হাতে এমন সাফল্য পেলেন...
29/08/2026

আগ্রাসী ব্যাটিংয়ের জন্যই ক্রিকেটপ্রেমীদের কাছে পরিচিত বৈভব সূর্যবংশী। কিন্তু দলীপ ট্রফির ম্যাচে বল হাতে এমন সাফল্য পেলেন ১৫ বছরের এই ক্রিকেটার, যা অনেককেই চমকে দিয়েছে। সুযোগ পেয়ে প্রমাণ করে দিলেন, শুধু ব্যাট হাতে নয়, উইকেট নেওয়ার ক্ষমতাও রয়েছে তাঁর।

পূর্বাঞ্চলের অধিনায়ক ঈশান কিশন দলে মহম্মদ শামি, শাহবাজ আহমেদ, অনুকূল রায় ও মুকেশ কুমারের মতো প্রতিষ্ঠিত বোলার থাকা সত্ত্বেও বৈভবের উপর আস্থা রাখেন। উত্তর-পূর্বাঞ্চলের দ্বিতীয় ইনিংসে তাঁকে বল করার সুযোগ দেন অধিনায়ক।

মাত্র তিন ওভার বল করে ১১ রান দিয়ে দু’টি উইকেট নেন বৈভব। তাঁর শিকার হন চার নম্বরে ব্যাট করতে নামা কিশান লিংডো এবং আট নম্বরে নামা ইমলিওয়াতি লেমতুর।

বল হাতে সাফল্যের অভিজ্ঞতা জানাতে গিয়ে বৈভব বলেন, বল করতে তাঁর বেশ ভালই লেগেছে। তাঁর মতে, বোলারদের যেমন ব্যাট করতে ভাল লাগে, তেমনই ব্যাটারদের কাছেও বল করা আনন্দের।

বৈভব জানিয়েছেন, প্রতিপক্ষের উইকেট ফেলতে সমস্যায় পড়ছিল পূর্বাঞ্চল। সেই সময় ঈশান তাঁকে দু’-তিন ওভার বল করতে পারবেন কি না জানতে চান। বৈভবের কথায়, অধিনায়ক হয়তো কিছুটা ঝুঁকি নিয়েই তাঁকে বল দিয়েছিলেন। তবে অধিনায়ক সম্ভবত জানতেন না যে, তিনিও উইকেট নিতে পারেন।

বল করার সময় নিজের পরিকল্পনাও পরিষ্কার রেখেছিলেন বৈভব। তিনি জানতেন, বেশি ওভার বল করার সুযোগ নাও পেতে পারেন। তাই প্রতিটি বল যতটা সম্ভব একই জায়গায় রাখার চেষ্টা করেছিলেন এবং পাওয়া সুযোগের সর্বোচ্চ ব্যবহার করতে চেয়েছিলেন।

ব্যাট হাতে অবশ্য শেষ ম্যাচে বড় রান করতে পারেননি তিনি। কিন্তু বল হাতে দলকে সাহায্য করতে পারায় খুশি বৈভব। তাঁর মতে, কোনও ব্যাটার যখন উইকেট পান, তখন আনন্দটা একটু অন্য রকম হয়। এই ম্যাচেও সেই বিশেষ আনন্দই পেয়েছেন তিনি।

মাত্র ১৫ বছর বয়সে বৈভবের এই বোলিং সাফল্য নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে। আগ্রাসী ব্যাটারের পরিচিতির আড়ালে কি তবে লুকিয়ে রয়েছে একজন কার্যকর বোলারও? ভবিষ্যতেই মিলবে সেই উত্তর।

আপনার মতে, বৈভব কি ভবিষ্যতে ব্যাটিংয়ের পাশাপাশি নিয়মিত বলও করবেন?


দেশের মাটিতে ভারতকে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ জেতানোর পরেও ভারতীয় দল থেকে বাদ পড়েছেন সূর্যকুমার যাদব। সাম্প্রতিক সময়ে নিজের ...
29/08/2026

দেশের মাটিতে ভারতকে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ জেতানোর পরেও ভারতীয় দল থেকে বাদ পড়েছেন সূর্যকুমার যাদব। সাম্প্রতিক সময়ে নিজের ফর্ম প্রত্যাশামতো না হওয়ায় তাঁকে দল থেকে ছেঁটে ফেলা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। তবে দল থেকে বাদ পড়ার সিদ্ধান্তে প্রকাশ্যে ক্ষোভ না দেখিয়ে সূর্যকুমার জানিয়েছেন, নিজের নাম দলে না দেখে তিনি প্রথমে শুধু হেসেছিলেন।

তাঁর নেতৃত্বে ভারত কোনও সিরিজ় হারেনি। বিশ্বকাপ এবং এশিয়া কাপ জিতেছিল ভারত। অথচ সেই অধিনায়ককেই দল থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে ক্রিকেটমহলেও প্রশ্ন উঠেছে।

প্রাক্তন ক্রিকেটার আকাশ চোপড়াকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে সূর্যকুমার বলেন, “নিজের নাম না দেখে আমি শুধু হেসেছিলাম। যখনই কোনও চাপের পরিস্থিতি এসেছে অথবা কোনও কিছু আমার নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গিয়েছে, তখনই নিজেকে শান্ত রাখার জন্য হেসেছি। এ বারও সেটাই করেছি।”

সূর্যকুমার জানিয়েছেন, ভারতীয় দল থেকে বাদ পড়ার কথা তিনি কল্পনাও করেননি। বরং ২০২৬ সালের শুরু থেকেই তিনি আরও অন্তত দু’বছর ভারতীয় দলকে নেতৃত্ব দেওয়ার পরিকল্পনা করেছিলেন। সামনে অলিম্পিক্স এবং আরও একটি টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের মতো বড় প্রতিযোগিতা থাকায় দলকে নিয়ে তাঁর দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনাও ছিল।

তবে নির্বাচকদের সিদ্ধান্তকে প্রকাশ্যে আক্রমণ করেননি তিনি। সূর্যকুমার বলেন, প্রত্যেকের চিন্তাভাবনা এক রকম হবে এমন কোনও কথা নেই। নির্বাচকেরা যদি ভবিষ্যতের কথা ভেবে তাঁকে সরিয়ে দেওয়াকেই সঠিক সিদ্ধান্ত বলে মনে করে থাকেন, তবে সেই সিদ্ধান্ত মেনে নেওয়া ছাড়া তাঁর কিছু করার নেই।

কিন্তু ভিতরে ভিতরে যে তিনি হতাশ হয়েছিলেন, সেটাও স্বীকার করেছেন সূর্যকুমার। তাঁর কথায়, “আমি ভাবছিলাম, এটা কী করে হতে পারে? কী ভাবে সম্ভব? সবে বিশ্বকাপ জিতেছি।” তিনি স্বীকার করেছেন যে, আইপিএলে নিজের প্রত্যাশামতো খেলতে পারেননি।

দল থেকে বাদ পড়ার খবর পাওয়ার পর এক সময় তিনি ঘরে একা বসেছিলেন। পরে বন্ধুবান্ধব এবং পরিবারের সদস্যেরা তাঁর পাশে দাঁড়ান। তাঁরা তাঁকে বোঝান যে, এমন ঘটনা জীবনেরই অংশ। কিন্তু সকলে চলে যাওয়ার পর ফের একা হয়ে যাওয়ার অনুভূতিও তাঁকে সামলাতে হয়েছে।

সূর্যকুমার আরও জানিয়েছেন, দল ঘোষণার কয়েক দিন আগে নির্বাচকেরা তাঁকে ফোন করে তাঁদের সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছিলেন। তিনি সেই সিদ্ধান্ত নিয়ে কোনও প্রকাশ্য প্রতিক্রিয়া দেননি। তাঁর মতে, নির্বাচকেরা নিশ্চয়ই ভেবেচিন্তেই এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।

তবে বিশ্বকাপজয়ী অধিনায়ককে এত দ্রুত দল থেকে সরিয়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়ে প্রশ্ন থেকেই যাচ্ছে। সূর্যকুমার প্রকাশ্যে কিছু না বললেও তাঁর কথাতেই যেন উঠে এসেছে এক নীরব প্রশ্ন—বিশ্বকাপ জেতানোর পরেও কি একজন অধিনায়কের উপর আস্থা এত দ্রুত হারিয়ে ফেলা যায়?

আপনার মতে, বিশ্বকাপজয়ী সূর্যকুমারকে দল থেকে বাদ দেওয়া কি সঠিক সিদ্ধান্ত?


লিঙ্গ পরিবর্তনের পর প্রথম বার প্রতিযোগিতামূলক ক্রিকেট খেলার অনুমতি পেয়েছেন অনয়া বাঙ্গার। আর সেই সুযোগ পাওয়ার পরই নিজের স...
29/08/2026

লিঙ্গ পরিবর্তনের পর প্রথম বার প্রতিযোগিতামূলক ক্রিকেট খেলার অনুমতি পেয়েছেন অনয়া বাঙ্গার। আর সেই সুযোগ পাওয়ার পরই নিজের সবচেয়ে বড় স্বপ্নের কথা জানালেন ভারতের প্রাক্তন ক্রিকেটার সঞ্জয় বাঙ্গারের কন্যা। অনয়ার লক্ষ্য এক দিন ভারতের হয়ে খেলতে নামা এবং দেশের জন্য বিশ্বকাপ জেতা।

অস্ট্রেলিয়ার ক্রিকেট কর্তৃপক্ষ অনয়াকে মহিলাদের ঘরোয়া ক্রিকেট প্রতিযোগিতায় খেলার অনুমতি দিয়েছে। এই সুযোগ পাওয়ার পর একটি সাক্ষাৎকারে অনয়া জানিয়েছেন, ভবিষ্যতে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডও বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে বিবেচনা করবে বলে তাঁর আশা।

অনয়া বলেন, “আমি আশা করি, এক দিন ভারতের মহিলা দলে খেলার সুযোগ পাব। দেশের হয়ে বিশ্বকাপ খেলতে চাই এবং ভারতের হয়ে বিশ্বকাপ জেতাই আমার সবচেয়ে বড় লক্ষ্য।”

তবে এই পথ মোটেও সহজ ছিল না বলে জানিয়েছেন তিনি। লিঙ্গ পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত নেওয়ার পর জীবনের বিভিন্ন পর্যায়ে তাঁকে কঠিন পরিস্থিতির মুখোমুখি হতে হয়েছে। শুধু বাইরের মানুষের সমালোচনাই নয়, পরিবারের মধ্যেও বিরোধিতার সম্মুখীন হয়েছেন তিনি। তবু নিজের সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসেননি অনয়া।

তিনি জানিয়েছেন, লিঙ্গ পরিবর্তনের পুরো প্রক্রিয়ার খরচ তাঁকেই বহন করতে হয়েছে। এক সময় লন্ডনে অন্যদের সঙ্গে ঘর ভাগ করে প্রায় পাঁচ মাস কাটাতে হয়েছিল তাঁকে। পরে সমাজমাধ্যমে নিজের অভিজ্ঞতা তুলে ধরার সিদ্ধান্ত নেন। কিছু বিজ্ঞাপনের কাজ থেকে পাওয়া অর্থ দিয়েই নিজের অস্ত্রোপচারের খরচ জোগাড় করেছিলেন বলে জানিয়েছেন অনয়া।

লিঙ্গ পরিবর্তনের পর অবশ্য ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড তাঁকে ক্রিকেট খেলার অনুমতি দেয়নি। এই বিষয় নিয়ে হতাশার কথাও প্রকাশ করেছেন তিনি। অনয়ার দাবি, বোর্ড দীর্ঘদিন তাঁর বিষয়ে নীরব থেকেছে।

তাঁর আশা, ভবিষ্যতে তাঁর মতো ক্রিকেটারদের জন্য নতুন নিয়ম তৈরি হবে। সুযোগ পেলে দলের সঙ্গে যুক্ত হয়ে নিজের অভিজ্ঞতা এবং জ্ঞান অন্যদের সঙ্গে ভাগ করে নিতে চান তিনি। দেশের খেলাধুলোর উন্নতির জন্য কাজ করার ইচ্ছাও প্রকাশ করেছেন অনয়া।

এখন প্রশ্ন একটাই—অস্ট্রেলিয়ায় ক্রিকেট খেলার দরজা খোলার পর, এক দিন কি ভারতের হয়েও বিশ্বকাপ জয়ের স্বপ্ন পূরণ করতে পারবেন অনয়া?

আপনার মতে, অনয়ার ভারতের হয়ে খেলার সুযোগ পাওয়া উচিত কি?


অস্ট্রেলিয়ার ঘরোয়া ক্রিকেটে খেলার অনুমতি পাওয়ার পর থেকেই অনয়া বাঙ্গারকে ঘিরে বিতর্ক তীব্র হয়েছে। ভারতের প্রাক্তন ক্রিকেট...
29/08/2026

অস্ট্রেলিয়ার ঘরোয়া ক্রিকেটে খেলার অনুমতি পাওয়ার পর থেকেই অনয়া বাঙ্গারকে ঘিরে বিতর্ক তীব্র হয়েছে। ভারতের প্রাক্তন ক্রিকেটার সঞ্জয় বাঙ্গারের সন্তান অনয়া লিঙ্গ পরিবর্তনের পর নারী হিসেবে নিজের ক্রিকেটজীবন এগিয়ে নিয়ে যেতে চান। তাঁকে মহিলাদের ক্রিকেটে খেলার সুযোগ দেওয়া উচিত কি না, সেই প্রশ্নে ক্রিকেটমহলে তৈরি হয়েছে ভিন্ন মত।

এই পরিস্থিতিতে অনয়ার পাশে দাঁড়িয়েছেন কানাডার ক্রিকেটার ড্যানিয়েল ম্যাকগেহে। লিঙ্গ পরিবর্তনের পর আন্তর্জাতিক পর্যায়ে ক্রিকেট খেলা প্রথম রূপান্তরিত ক্রিকেটার হিসেবে পরিচিত ড্যানিয়েল অনয়াকে প্রকাশ্যে পূর্ণ সমর্থন জানিয়েছেন।

এক সাক্ষাৎকারে ড্যানিয়েল বলেন, অনয়ার প্রতি তাঁর সম্পূর্ণ সমর্থন রয়েছে এবং এত বিরোধিতার মধ্যেও অনয়া ক্রিকেট চালিয়ে যেতে চান— এই মানসিকতাই তাঁকে সবচেয়ে বেশি মুগ্ধ করেছে। নিজের অভিজ্ঞতার কথা তুলে ধরে তিনি জানান, লিঙ্গ পরিবর্তনের পর নিজের পরিচয় ও অবস্থান ধরে রাখা কতটা কঠিন হতে পারে। তাঁর মতে, অনেক মানুষ কোনও ব্যক্তিকে না জেনেই সমালোচনা করেন এবং সেই পরিস্থিতি সামলানো সহজ নয়।

অনয়াকে খেলার অনুমতি দেওয়ার সিদ্ধান্তে আপত্তি জানিয়েছেন দক্ষিণ আফ্রিকার মহিলা ক্রিকেটার মারিজ়ান কাপ। সমাজমাধ্যমে তিনি এই সিদ্ধান্তকে নিয়ে তীব্র প্রতিক্রিয়া জানান।

এর জবাবে অনয়া বলেন, যাঁরা এই সিদ্ধান্তের বিরোধিতা করছেন, তাঁদের আগে বিষয়টি সম্পর্কে যথেষ্ট তথ্য জানা প্রয়োজন। তাঁর দাবি, তিনি কোনও অন্যায্য সুবিধা পাচ্ছেন না এবং প্রয়োজনীয় তথ্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে জমা দেওয়া হয়েছে। ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়ার নির্ধারিত নিয়মও তিনি মেনে চলছেন বলে জানিয়েছেন অনয়া।

এই বিতর্কে ড্যানিয়েল আবারও অনয়ার পাশে দাঁড়িয়েছেন। তাঁর বক্তব্য, কয়েক বছর আগে তাঁকে যে ধরনের অসম্মান ও সমালোচনার মুখোমুখি হতে হয়েছিল, অনয়াকেও একই পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যেতে হচ্ছে। চিকিৎসাবিজ্ঞান ও নির্ধারিত নীতির ভিত্তিতেই কোনও ক্রিকেটারের অংশগ্রহণের বিষয়ে সিদ্ধান্ত হওয়া উচিত বলে মনে করেন তিনি।

ড্যানিয়েলের মতে, বিতর্কের মাঝেও একটি বিষয় ভুলে গেলে চলবে না— অনয়াও একজন মানুষ। কোনও ব্যক্তিকে নিয়ে মন্তব্য করার আগে বিষয়টি সম্পর্কে জানা প্রয়োজন। তাঁর দাবি, সংশ্লিষ্ট চিকিৎসাবিজ্ঞান ও ক্রীড়া কর্তৃপক্ষ যদি কাউকে নির্ধারিত শর্ত পূরণের ভিত্তিতে খেলার অনুমতি দেয়, তা হলে ব্যক্তিগত আক্রমণ বা অপমানের জায়গা থাকা উচিত নয়।

লিঙ্গ পরিবর্তনের পর ভারতে ক্রিকেট খেলার সুযোগ না পাওয়ার অভিযোগও করেছেন অনয়া। তাঁর বক্তব্য, ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড তাঁর বিষয়টি নিয়ে দীর্ঘদিন নীরব ছিল। এতে তিনি হতাশ হয়েছেন। ভবিষ্যতে তাঁর মতো ক্রিকেটারদের জন্য নির্দিষ্ট নীতি তৈরি করা হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেছেন।

অনয়া জানিয়েছেন, সুযোগ পেলে তিনি শুধু ক্রিকেটার হিসেবেই নয়, দলের সদস্য হিসেবেও নিজের অভিজ্ঞতা ভাগ করে নিতে চান। দেশ ও মহিলাদের খেলাধুলোর উন্নতির জন্য কাজ করার ইচ্ছার কথাও জানিয়েছেন তিনি।

তাঁর কথায়, লিঙ্গ পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত নেওয়ার পথ সহজ ছিল না। এই যাত্রাপথে তাঁকে নানা কঠিন পরিস্থিতির মুখোমুখি হতে হয়েছে এবং অনেক সময় নিজেকে বিচ্ছিন্নও মনে হয়েছে। তবু নিজের সিদ্ধান্তের উপর বিশ্বাস রাখার কারণেই তিনি এগিয়ে যেতে পেরেছেন বলে জানিয়েছেন অনয়া।

বর্তমান আন্তর্জাতিক নিয়ম ও বিভিন্ন দেশের ঘরোয়া ক্রিকেটের নীতি এক নয়। অস্ট্রেলিয়ার ঘরোয়া ক্রিকেটে রূপান্তরিত ও লিঙ্গবৈচিত্র্যপূর্ণ খেলোয়াড়দের জন্য দীর্ঘদিন ধরেই একটি নির্দিষ্ট নীতি রয়েছে। তবে খেলার অনুমতি পাওয়ার ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট খেলোয়াড়দের নির্ধারিত শর্ত ও শারীরিক পরীক্ষার মধ্য দিয়ে যেতে হয়।

সব মিলিয়ে অনয়াকে ঘিরে বিতর্ক থামার কোনও লক্ষণ নেই। তবে তীব্র সমালোচনার মধ্যেও আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের অভিজ্ঞ এক রূপান্তরিত ক্রিকেটার তাঁর পাশে দাঁড়ানোয় নতুন করে আলোচনার জন্ম হয়েছে।

খেলাধুলায় অংশগ্রহণের বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত কি নির্ধারিত বিজ্ঞানভিত্তিক নীতির উপরই হওয়া উচিত?

শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে টেস্ট সিরিজ়ে ভারত ১-০ ব্যবধানে জয় পেয়েছে। দ্বিতীয় টেস্ট জিততে না পারায় চুনকাম হয়নি, তবে গোটা সিরিজ়...
29/08/2026

শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে টেস্ট সিরিজ়ে ভারত ১-০ ব্যবধানে জয় পেয়েছে। দ্বিতীয় টেস্ট জিততে না পারায় চুনকাম হয়নি, তবে গোটা সিরিজ়ে বেশ কয়েক জন ভারতীয় ক্রিকেটার নিজেদের পারফরম্যান্সে নজর কেড়েছেন। ব্যাট হাতে দুর্দান্ত ছিলেন দেবদত্ত পডিক্কল এবং বল হাতে সবচেয়ে বেশি আলো কেড়েছেন মানব সুতার। কিন্তু সিরিজ় শেষে দলের বিশেষ পুরস্কার গেল সম্পূর্ণ অন্য এক ক্রিকেটারের হাতে।

ভারতীয় দলের পারফরম্যান্স বিশেষজ্ঞ হরি প্রসাদ সিরিজ়ের সবচেয়ে প্রভাবশালী ক্রিকেটারের পদক তুলে দেন জোরে বোলার প্রসিদ্ধ কৃষ্ণের হাতে। ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড প্রকাশিত একটি দৃশ্যবার্তায় হরি প্রসাদ জানান, এমন একজন ক্রিকেটারকে এই সম্মান দেওয়া হচ্ছে যিনি বল হাতে নিজের সর্বস্ব উজাড় করে দিয়েছেন এবং কঠিন পরিস্থিতিতেও দলের হয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলেছেন।

প্রসিদ্ধকে নিয়ে মজার একটি কথাও বলেন তিনি। হরি প্রসাদের দাবি, প্রসিদ্ধ প্রায়ই বিভিন্ন পরিসংখ্যান নিয়ে তাঁর সঙ্গে আলোচনা করেন। কলম্বোতে পৌঁছনোর পর থেকেই নানা তথ্য ও পরিসংখ্যান নিয়ে প্রসিদ্ধ তাঁর সঙ্গে কথা বলেছেন। এই বিষয়টির প্রতি প্রসিদ্ধের আগ্রহ তাঁর ভাল লাগে বলেও জানিয়েছেন দলের পারফরম্যান্স বিশেষজ্ঞ।

পুরস্কার পাওয়ার পর সতীর্থদের ধন্যবাদ জানিয়েছেন প্রসিদ্ধ। তাঁর বক্তব্য, দলের প্রত্যেক সদস্যের সহযোগিতা ছাড়া এই সম্মান পাওয়া সম্ভব হত না। তিনি মনে করেন, ভারত দলগত ক্রিকেট খেলেছে বলেই সিরিজ় জিততে পেরেছে। প্রতিদিন নতুন কিছু শেখার চেষ্টা করেন এবং ভবিষ্যতেও সেই শিক্ষা কাজে লাগাতে চান তিনি।

তবে প্রসিদ্ধের হাতে এই পদক যাওয়ার পর প্রশ্নও উঠেছে। দুই টেস্টে তিনি নিয়েছেন ৭ উইকেট। তাঁর বোলিং গড় ছিল ২৪.৫৭ এবং সেরা বোলিং ৫২ রানে ৩ উইকেট।

অন্য দিকে, মানব সুতার ছিলেন সিরিজ়ে ভারতের সবচেয়ে সফল বোলার। দুই টেস্টে তাঁর উইকেট সংখ্যা ১৬ এবং বোলিং গড় ২১.০৬। রবীন্দ্র জাডেজাও প্রসিদ্ধের চেয়ে বেশি, মোট ৮ উইকেট নিয়েছেন।

ব্যাটিংয়েও উজ্জ্বল ছিলেন দেবদত্ত পডিক্কল। দুই টেস্টে তাঁর সংগ্রহ ৩২৮ রান। দুটি টেস্টেই শতরান করেছেন তিনি। ধ্রুব জুরেলও গুরুত্বপূর্ণ রান করেছেন। ফলে সিরিজ় জয়ের ক্ষেত্রে পডিক্কল ও সুতারের অবদান নিয়ে কোনও প্রশ্ন নেই।

সেই কারণেই সবচেয়ে প্রভাবশালী ক্রিকেটারের সম্মান প্রসিদ্ধ কৃষ্ণ পাওয়ায় অনেকের মধ্যেই কৌতূহল তৈরি হয়েছে। শুধুমাত্র উইকেট বা রান নয়, দলের পরিকল্পনায় ভূমিকা, কঠিন সময়ে প্রভাব এবং অন্যান্য দিক বিবেচনা করেই হয়তো এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তবে পরিসংখ্যানের বিচারে সুতার ও পডিক্কলের পারফরম্যান্স বেশি উজ্জ্বল হওয়ায় এই পুরস্কার নিয়ে ক্রিকেটমহলে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।

এখন সবচেয়ে বড় প্রশ্ন, এই সম্মান কি শুধুই মাঠের পরিসংখ্যান দেখে দেওয়া হয়েছে, নাকি দলের ভিতরে প্রসিদ্ধের অন্য কোনও গুরুত্বপূর্ণ অবদানও ছিল? সেই রহস্যই ঘনীভূত হয়েছে সিরিজ় শেষে।

আপনার মতে, এই সিরিজ়ের সবচেয়ে প্রভাবশালী ক্রিকেটারের পদক কার পাওয়া উচিত ছিল?

শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে দ্বিতীয় টেস্টে প্রায় টানা তিন দিন মাঠে কাটানোর পরও বিশ্রামের সুযোগ পেলেন না কয়েক জন ভারতীয় ক্রিকেটার...
29/08/2026

শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে দ্বিতীয় টেস্টে প্রায় টানা তিন দিন মাঠে কাটানোর পরও বিশ্রামের সুযোগ পেলেন না কয়েক জন ভারতীয় ক্রিকেটার। সিরিজ় শেষ হওয়ার মাত্র ৪৮ ঘণ্টার মধ্যেই ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের উৎকর্ষ কেন্দ্রে হাজির হয়ে ফিটনেস পরীক্ষা দিতে হল ঋষভ পন্থ, যশস্বী জয়সবাল ও রবীন্দ্র জাডেজাদের।

আগামী সাত মাসে ভারতীয় দলের সামনে রয়েছে ব্যস্ত ও কঠিন সূচি। দীর্ঘ সময় ধরে ক্রিকেটারদের শারীরিক সক্ষমতা বজায় রাখতেই বোর্ড এই বিশেষ পরীক্ষার ব্যবস্থা করেছে বলে জানা গিয়েছে।

উৎকর্ষ কেন্দ্রে পন্থ, যশস্বী ও জাডেজার পাশাপাশি হাজির ছিলেন শ্রেয়স আয়ার, রিঙ্কু সিংহ, সঞ্জু স্যামসন এবং রুতুরাজ গায়কোয়াড়। তাঁদের একাধিক শারীরিক সক্ষমতার পরীক্ষার মধ্য দিয়ে যেতে হয়েছে। ক্রিকেটের প্রয়োজন অনুযায়ী বিশেষ কিছু পরীক্ষাও নেওয়া হয়েছে।

এর মধ্যে ছিল ব্রঙ্কো পরীক্ষা, দুই কিলোমিটার দৌড় এবং ইয়ো ইয়ো পরীক্ষা। ব্রঙ্কো পরীক্ষায় নির্দিষ্ট দূরত্বে রাখা চিহ্ন পর্যন্ত দৌড়ে আবার শুরু করার জায়গায় ফিরে আসতে হয়। প্রথমে ২০ মিটার, তার পরে ৪০ মিটার এবং শেষে ৬০ মিটার দূরত্ব অতিক্রম করে একটি পর্ব শেষ হয়।

এ ভাবে মোট পাঁচটি পর্ব সম্পূর্ণ করতে হয় ক্রিকেটারদের। সব মিলিয়ে ১২০০ মিটার দৌড় শেষ করতে হয় সাড়ে পাঁচ মিনিটের মধ্যে। অন্য দিকে ইয়ো ইয়ো পরীক্ষায় ১০ মিনিটের মধ্যে ২০০০ মিটার দৌড় সম্পূর্ণ করার লক্ষ্য থাকে। এই পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হওয়ার নির্ধারিত মান ১৬.৫ পয়েন্ট।

তবে কয়েক জন গুরুত্বপূর্ণ ক্রিকেটার এখনও পুরোপুরি সুস্থ নন। জসপ্রীত বুমরাহ, হার্দিক পাণ্ড্য এবং নীতীশ রেড্ডি সম্পূর্ণ সুস্থ হওয়ার পর তাঁদেরও একই ধরনের ফিটনেস পরীক্ষার মধ্য দিয়ে যেতে হবে।

শনিবারের শিবিরে দেখা যায়নি জোরে বোলার মহম্মদ সিরাজ ও প্রসিদ্ধ কৃষ্ণকে। শ্রীলঙ্কা সিরিজ়ে দীর্ঘ সময় বল করায় তাঁদের বিশ্রাম দেওয়া হয়েছে। অন্য দিকে হ্যামস্ট্রিংয়ে চোট পাওয়া প্রিন্স যাদব পুরোপুরি সুস্থ হয়ে উঠেছেন বলে জানা গিয়েছে।

সেপ্টেম্বর থেকে শুরু হচ্ছে ভারতীয় দলের ঘরের মাঠের ব্যস্ত মরসুম। আফগানিস্তানের বিরুদ্ধে টি-টোয়েন্টি সিরিজ়ের পর রয়েছে এশিয়ান গেমস এবং ওয়েস্ট ইন্ডিজ়ের বিরুদ্ধে সিরিজ়। পাশাপাশি ভারত এ দলও অস্ট্রেলিয়া এ দলের বিরুদ্ধে খেলবে।

সামনে একের পর এক গুরুত্বপূর্ণ প্রতিযোগিতা ও সিরিজ় থাকায় ক্রিকেটারদের শারীরিক সক্ষমতা নিয়ে কোনও ঝুঁকি নিতে চাইছে না ভারতীয় বোর্ড। তাই দীর্ঘ টেস্ট ম্যাচের ধকল কাটার আগেই পন্থ-যশস্বীদের ফিটনেস পরীক্ষা দিতে হয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে।

টানা তিন দিন মাঠে থাকার পর এত দ্রুত ফিটনেস পরীক্ষা কতটা যুক্তিযুক্ত?

আসন্ন এশিয়ান গেমসের ক্রিকেট আয়োজন নিয়ে তীব্র অসন্তোষ প্রকাশ করেছে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড। জাপানে ক্রিকেটারদের জন্য যে ধরনে...
29/08/2026

আসন্ন এশিয়ান গেমসের ক্রিকেট আয়োজন নিয়ে তীব্র অসন্তোষ প্রকাশ করেছে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড। জাপানে ক্রিকেটারদের জন্য যে ধরনের ব্যবস্থা করা হচ্ছে, তা সন্তোষজনক না হলে শ্রেয়স আয়ার ও হরমনপ্রীত কৌরদের মতো প্রথম সারির ক্রিকেটারদের পাঠানো নাও হতে পারে। পরিবর্তে দ্বিতীয় সারির দল পাঠানোর কথাও ভাবছে বোর্ড।

সবচেয়ে বড় সমস্যা ক্রিকেট মাঠের পরিকাঠামো। যে মাঠে ম্যাচগুলি হওয়ার কথা, সেখানে স্থায়ী সাজঘরের ব্যবস্থা নেই। তাঁবু খাটিয়ে অস্থায়ী সাজঘর তৈরি করা হবে। আরও উদ্বেগের বিষয়, সেই সাজঘর থেকে প্রায় ৫০০ মিটার দূরে রয়েছে শৌচালয়। ম্যাচ চলাকালীন কোনও ক্রিকেটারকে সেখানে যেতে হলে অনেকটা সময় নষ্ট হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

এই ব্যবস্থায় শুধু ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডই নয়, এশিয়ান ক্রিকেট কাউন্সিলও অসন্তুষ্ট। বিষয়টি আয়োজক কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে। তবে জাপানে আন্তর্জাতিক মানের ক্রিকেট পরিকাঠামো না থাকায় কয়েকটি ম্যাচের জন্য নতুন ব্যবস্থা তৈরিতেও আয়োজকেরা আগ্রহী নন বলে জানা গিয়েছে।

ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের এক কর্তা জানিয়েছেন, মাঠ ও অন্যান্য ব্যবস্থা সরেজমিনে খতিয়ে দেখতে প্রতিনিধি পাঠানো হবে জাপানে। তিনি ফিরে এসে প্রতিবেদন দেওয়ার পর চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। পরিকাঠামো সন্তোষজনক না হলে ভারত দ্বিতীয় সারির দল পাঠানোর সিদ্ধান্ত নিতে পারে।

শুধু মাঠের ব্যবস্থাই নয়, ক্রিকেটারদের থাকার জায়গা নিয়েও আপত্তি রয়েছে। যে হোটেলে খেলোয়াড়দের রাখা হবে, সেখানে ঘরগুলি খুব ছোট বলে অভিযোগ উঠেছে। সব মিলিয়ে বর্তমান ব্যবস্থায় দেশের সেরা ক্রিকেটারদের পাঠাতে অনিচ্ছুক বোর্ড কর্তারা।

গত এশিয়ান গেমসে পুরুষ ও মহিলা— দুই বিভাগেই সোনার পদক জিতেছিল ভারত। এ বারও সোনা ধরে রাখার লক্ষ্য নিয়ে শক্তিশালী দল পাঠানোর পরিকল্পনা ছিল। পুরুষ দলের নেতৃত্বে শ্রেয়স আয়ার এবং মহিলা দলের নেতৃত্বে হরমনপ্রীত কৌরকে রেখে দল গঠনের কথাও সামনে এসেছিল।

কিন্তু বর্তমান পরিস্থিতিতে জসপ্রীত বুমরাহ, অভিষেক শর্মা, সঞ্জু স্যামসন, ঈশান কিশন, অক্ষর পটেল, তিলক বর্মা, বৈভব সূর্যবংশী, অর্শদীপ সিংহের মতো ক্রিকেটারদের পাশাপাশি স্মৃতি মন্ধানা, শেফালি বর্মা, দীপ্তি শর্মা, রিচা ঘোষ ও জেমাইমা রদ্রিগেজদের পাঠানো নিয়েও নতুন করে ভাবছে বোর্ড।

এশিয়ান গেমস অনুষ্ঠিত হবে জাপানের আইচি নাগোয়া শহরে। ১৯ সেপ্টেম্বর থেকে ৪ অক্টোবর পর্যন্ত চলবে প্রতিযোগিতা। উদ্বোধনের আগেই শুরু হবে ক্রিকেট। মহিলাদের ক্রিকেট হবে ১৭ থেকে ২২ সেপ্টেম্বর এবং পুরুষদের ক্রিকেট হবে ২৪ সেপ্টেম্বর থেকে ৩ অক্টোবর পর্যন্ত।

এখন সব নজর ভারতীয় বোর্ডের প্রতিনিধির প্রতিবেদনের দিকে। জাপানের পরিকাঠামো নিয়ে অসন্তোষ না মিটলে সোনার পদক ধরে রাখার লড়াইয়ে ভারত কি সত্যিই দ্বিতীয় সারির দল পাঠাবে, সেটাই এখন সবচেয়ে বড় প্রশ্ন।
এমন অপ্রতুল ব্যবস্থায় কি ভারতের সেরা ক্রিকেটারদের এশিয়ান গেমসে পাঠানো উচিত?

শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে টেস্ট সিরিজ়ে প্রত্যাশামতো খেলতে পারেননি ঋষভ পন্থ। ব্যাট হাতে দু’টি অর্ধশতরান করলেও তাঁর শট নির্বাচন...
29/08/2026

শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে টেস্ট সিরিজ়ে প্রত্যাশামতো খেলতে পারেননি ঋষভ পন্থ। ব্যাট হাতে দু’টি অর্ধশতরান করলেও তাঁর শট নির্বাচনের পাশাপাশি সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। বিশেষ করে পর্যালোচনার সময় তাঁর সিদ্ধান্তহীনতা ভারতীয় দলকে সমস্যায় ফেলেছে বলে মনে করছেন রবিচন্দ্রন অশ্বিন। তাই পন্থকে আর বাড়তি সুবিধা না দেওয়ার আবেদন জানিয়েছেন ভারতের প্রাক্তন স্পিনার।

নিজের সমাজমাধ্যমের অনুষ্ঠানে অশ্বিন পন্থকে নিয়ে বেশ কড়া মন্তব্য করেছেন। তাঁর বক্তব্য, পন্থকে সব সময় বিশেষ প্রতিভাবান ক্রিকেটার বলে অতিরিক্ত সুযোগ দেওয়া উচিত নয়।

অশ্বিন বলেন, “ওকে বাড়তি সুবিধা দেওয়া বন্ধ করুন। প্রজন্মের সেরা ক্রিকেটার বলে বার বার ওর পাশে না দাঁড়িয়ে সকলকে সুযোগ দিন। যশস্বীও ভাল ক্রিকেটার। ঋষভ যথেষ্ট অভিজ্ঞ। ৫০টির বেশি টেস্ট খেলেছে। এ বার ওকে দায়িত্ব নিয়ে খেলতে হবে।”

পন্থকে ‘প্রজন্মের সেরা’ তকমা দেওয়ার বিরুদ্ধেও সরব হয়েছেন অশ্বিন। তাঁর মতে, অভিজ্ঞ হওয়ার পরেও নিজের ভুল থেকে শিক্ষা নিয়ে আরও দায়িত্বশীল হওয়া প্রয়োজন পন্থের।

অশ্বিনের বক্তব্য, “এ ধরনের বিশেষ তকমা দেওয়া বন্ধ হওয়া উচিত। সিদ্ধান্ত নিতে না পারার কারণেই অন্য দুই ধরনের ক্রিকেটে নিয়মিত সুযোগ পাচ্ছে না। কেউ গিয়ে ওকে সত্যিটা বলুক। নিজের ভুল শুধরে নিলে তিন ধরনের ক্রিকেটেই সুযোগ পাবে।”

পন্থের আগ্রাসী ব্যাটিং নিয়ে আপত্তি নেই অশ্বিনের। কিন্তু পরিস্থিতি না বুঝে অপ্রয়োজনীয় ঝুঁকি নেওয়াটাই তাঁর অপছন্দ। গুরুত্বপূর্ণ সময়ে একটি ভুল শট পুরো ম্যাচের গতিপথ বদলে দিতে পারে বলেও মনে করেন তিনি।

অশ্বিন বলেন, “পন্থের কাছে আমার প্রত্যাশা এখনও পূরণ হয়নি। ঝুঁকি নিয়ে খেলার মধ্যেও আনন্দ আছে। কিন্তু ম্যাচ যখন নিয়ন্ত্রণে রয়েছে, তখন অপ্রয়োজনীয় খারাপ শট খেলবে কেন? অনেকে বলে, ‘ঋষভ এমনই খেলে’। কিন্তু এই যুক্তি সব সময় চলতে পারে না। দলের পরিস্থিতি অনুযায়ী খেলতে হবে।”

সিডনি ও ব্রিসবেনে পন্থের গুরুত্বপূর্ণ ইনিংসের কথাও উল্লেখ করেছেন অশ্বিন। তবে তাঁর মতে, টেস্ট ম্যাচ কোনও একজন ক্রিকেটারের একার প্রচেষ্টায় জেতা যায় না। ওয়াশিংটন সুন্দর বা শার্দূল ঠাকুরের মতো সতীর্থদের অবদানও সমান গুরুত্বপূর্ণ ছিল।

অশ্বিনের স্পষ্ট বার্তা, প্রতিভা থাকলেই সব সময় বিশেষ ছাড় পাওয়া উচিত নয়। পন্থের মতো অভিজ্ঞ ক্রিকেটারকে এখন নিজের দায়িত্ব বুঝে দলের প্রয়োজন অনুযায়ী সিদ্ধান্ত নিতে হবে। আর সেটাই করতে পারলে তিন ধরনের ক্রিকেটেই নিয়মিত জায়গা পাওয়ার সম্ভাবনা বাড়বে।

আপনার মতে, পন্থকে কি সত্যিই আগের চেয়ে বেশি দায়িত্বশীল ক্রিকেট খেলতে হবে?

ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড তাঁকে ক্রিকেট খেলার সুযোগ দেয়নি, অথচ অস্ট্রেলিয়ার ক্রিকেট বোর্ড তাঁর জন্য সেই দরজা খুলে দিয়েছে। অস্...
29/08/2026

ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড তাঁকে ক্রিকেট খেলার সুযোগ দেয়নি, অথচ অস্ট্রেলিয়ার ক্রিকেট বোর্ড তাঁর জন্য সেই দরজা খুলে দিয়েছে। অস্ট্রেলিয়ায় ক্রিকেট খেলার সুযোগ পাওয়ার পর এবার ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের নীতির সমালোচনা করলেন অনয়া বঙ্গার। তাঁর দাবি, ভারতের নিয়মের কারণেই ইচ্ছা থাকা সত্ত্বেও এ দেশে ক্রিকেট খেলার সুযোগ পাননি তিনি। একই সঙ্গে অস্ট্রেলিয়ার নীতি থেকে শিক্ষা নিয়ে নতুন নিয়ম তৈরির আবেদনও জানিয়েছেন।

সংবাদ সংস্থাকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে অনয়া বলেন, ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড বরাবর তাঁর বিষয়ে নীরব থেকেছে। বিষয়টি তাঁকে গভীর ভাবে হতাশ করেছে।

অনয়ার কথায়, “বোর্ডের নীরবতা দেখে আমি প্রচণ্ড হতাশ হয়েছি। মন ভেঙে গিয়েছিল। আমি জানতাম, রূপান্তরের সিদ্ধান্ত নিলে ক্রিকেট থেকে দূরে সরে যেতে হতে পারে। আশা করি, ভবিষ্যতে আমাদের মতো ক্রিকেটারদের খেলার সুযোগ দেওয়ার জন্য নতুন নিয়ম তৈরি করা হবে। কারণ এই ধরনের পরিস্থিতির মুখোমুখি হওয়া ক্রিকেটারদের মধ্যে আমিই ভারতে প্রথম।”

শুধু নিজের জন্য সুযোগের দাবি নয়, ভারতীয় ক্রিকেটের উন্নয়নে কাজ করার আগ্রহও প্রকাশ করেছেন তিনি। সুযোগ পেলে কোনও দলের সঙ্গে যুক্ত হয়ে নিজের অভিজ্ঞতা ভাগ করে নিতে চান অনয়া।

তিনি বলেন, “সুযোগ পেলে দলের সদস্য হতে রাজি। আমার জ্ঞান এবং এই দীর্ঘ যাত্রাপথের অভিজ্ঞতা অন্যদের সঙ্গে ভাগ করে নিতে চাই। দেশ এবং মহিলাদের খেলাধুলোর উন্নতির জন্য যা যা করা প্রয়োজন, তা করতে চাই।”

প্রাক্তন ভারতীয় ক্রিকেটার সঞ্জয় বঙ্গারের কন্যা অনয়া জানিয়েছেন, নিজের জীবনের এই সিদ্ধান্ত নেওয়া মোটেই সহজ ছিল না। রূপান্তরের পুরো প্রক্রিয়ায় তাঁকে নানা সমস্যার মুখোমুখি হতে হয়েছে। সমাজ ও চারপাশের পরিস্থিতির কারণে অনেক সময় নিজেকে বিচ্ছিন্ন এবং একা মনে হয়েছে বলেও জানিয়েছেন তিনি।

অনয়ার কথায়, “এই ধরনের পরিস্থিতিতে অনেক সময় মনে হয়, নিজের কষ্ট বা যন্ত্রণা কেউ বুঝতে চাইছে না। সকলে নানা রকম পরামর্শ দেয়। কিন্তু শেষ পর্যন্ত নিজেকেই নিজের পথ বেছে নিতে হয়।”

তিনি আরও জানিয়েছেন, কঠিন সময়েও নিজের সিদ্ধান্তের উপর বিশ্বাস রেখেছিলেন। সেই আত্মবিশ্বাসই তাঁকে এগিয়ে যেতে সাহায্য করেছে।

অস্ট্রেলিয়ায় ক্রিকেট খেলার সুযোগ পাওয়ার পর তাই ভারতের ক্রিকেট প্রশাসনের কাছে অনয়ার স্পষ্ট আবেদন—সময়ের সঙ্গে বদলাতে হবে নিয়মও। ভবিষ্যতে তাঁর মতো অন্য কোনও ক্রিকেটার যাতে শুধুমাত্র নীতিগত জটিলতার কারণে খেলার সুযোগ থেকে বঞ্চিত না হন, সেই ব্যবস্থাই দেখতে চান তিনি।

আপনার মতে, অনয়ার আবেদনের পর কি ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের নতুন নীতি তৈরি করা উচিত?

এক বছর আগে গৌতম গম্ভীরের সঙ্গে প্রকাশ্যে বিবাদে জড়িয়েছিলেন সারের প্রধান মাঠকর্মী লি ফর্টিস। ফের বিতর্কে জড়ালেন তিনি। এ...
28/08/2026

এক বছর আগে গৌতম গম্ভীরের সঙ্গে প্রকাশ্যে বিবাদে জড়িয়েছিলেন সারের প্রধান মাঠকর্মী লি ফর্টিস। ফের বিতর্কে জড়ালেন তিনি। এ বার এক মাঠকর্মীকে অপমান করার অভিযোগ উঠেছে তাঁর বিরুদ্ধে। ঘটনার পর তাঁকে ছুটিতে পাঠিয়েছে ইংল্যান্ড ক্রিকেট বোর্ড। এমনকি তাঁকে আর কাজে ফেরানো নাও হতে পারে বলে জানা যাচ্ছে।

ঘটনাটি ঘটেছে গত ২৮ জুলাই। ওভালে দ্য হানড্রেড প্রতিযোগিতায় এমআই লন্ডন এবং লন্ডন স্পিরিটের ম্যাচের আগে পিচ তৈরির কাজ চলছিল। সেই সময় এক মাঠকর্মীর সঙ্গে কোনও একটি বিষয় নিয়ে বিবাদে জড়ান ফর্টিস।

অভিযোগ, কথাকাটাকাটির সময় ওই মাঠকর্মীকে অত্যন্ত খারাপ ভাবে অপমান করেন ফর্টিস। পরিস্থিতি এতটাই খারাপ হয়ে যায় যে ওই কর্মী কান্না সামলাতে পারেননি। কাঁদতে কাঁদতেই মাঠ ছেড়ে বেরিয়ে যান তিনি। পরে আর কাজে ফেরেননি।

ঘটনাটি প্রকাশ্যে আসার পর সারের মুখ্যকর্তা স্টিভ এলওয়ার্দি ফর্টিসের সঙ্গে কথা বলেন। পরে জানানো হয়, বিষয়টি ক্লাব এবং সংশ্লিষ্ট কর্মীর ব্যক্তিগত ব্যাপার। তাই আলোচনার বিস্তারিত প্রকাশ্যে আনা হবে না। তবে সেই বৈঠকের পরেই ফর্টিসকে ছুটিতে পাঠানো হয়েছে।

তাঁকে আর ফিরিয়ে আনা হবে কি না, তা নিয়েও তৈরি হয়েছে প্রশ্ন। যদি শেষ পর্যন্ত ফর্টিসকে সরিয়েই দেওয়া হয়, তা হলে দ্রুত নতুন প্রধান মাঠকর্মী খুঁজতে হবে সারেকে। কারণ আগামী বছর ওভালে গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক ম্যাচ রয়েছে। সেখানে অ্যাশেজ় এবং বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনাল আয়োজনের কথা রয়েছে।

ফর্টিস ২০১২ সালে ওভালের প্রধান মাঠকর্মী হিসেবে দায়িত্ব নেন। ২০২২ থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত টানা তিন বছর ইংল্যান্ডের সেরা মাঠকর্মীর পুরস্কারও পেয়েছেন তিনি। তবে তাঁর আচরণ নিয়ে আগেও প্রশ্ন উঠেছে।

গত বছর ওভালে ভারত-ইংল্যান্ড ম্যাচের আগে পিচ দেখতে গিয়ে গৌতম গম্ভীরের সঙ্গে তর্কে জড়িয়েছিলেন ফর্টিস। সেই সময় ক্ষুব্ধ গম্ভীর তাঁকে কড়া কথা শুনিয়েছিলেন। পরে ভারতের ব্যাটিং কোচ সীতাংশু কোটাকও ফর্টিসকে ‘অহংকারী’ বলে মন্তব্য করেছিলেন।

এক বছর কাটতে না কাটতেই ফের একই ধরনের বিতর্কে নাম জড়াল ফর্টিসের। এবার অভিযোগের কেন্দ্রে কোনও ভারতীয় ক্রিকেটার নন, তাঁর নিজের কর্মক্ষেত্রেরই এক মাঠকর্মী। ফলে তাঁর ভবিষ্যৎ নিয়ে নতুন করে তৈরি হয়েছে বড় প্রশ্ন।

আপনার মতে, এমন আচরণের পর ফর্টিসকে কি আর কাজে ফেরানো উচিত?

Address

Kenduapara, Kanchan, Rupganj
Narayanganj
1461

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Masco Shakib Cricket Academy- MSCA posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share

Category