27/01/2026
আলহামদুলিল্লাহ 🤍
যারা আমাদের দলের পাশে থেকে ভালোবাসা, সাহস ও সহযোগিতা দিয়েছেন—সেই সব সম্মানিত স্পন্সর, শুভাকাঙ্ক্ষী ও এলাকাবাসীকে জানাই আন্তরিক শুভেচ্ছা ও কৃতজ্ঞতা।
আমরা আমাদের সেরাটা দেওয়ার সর্বোচ্চ চেষ্টা করেছি। কিন্তু ভাগ্যের লিখনে এনপিএল কোয়ার্টার ফাইনালে রুস্তমপুর ক্রিকেট ক্লাবের বিপক্ষে ৪ উইকেটে পরাজিত হতে হয়েছে। এতে হয়তো আমরা হতাশ করেছি তাদেরকে, যারা আমাদের উপর এক বুক বিশ্বাস রেখে সবসময় আমাদের পাশে ছিলেন। সে জন্য আমরা আন্তরিকভাবে দুঃখিত।
তবুও, এই যাত্রায় যেটা সবচেয়ে বড় পাওয়া—
👉 আমাদের স্পন্সর ও এলাকার মানুষের নিরবচ্ছিন্ন ভালোবাসা ও সাপোর্ট, যা কোনো পরাজয়ে হারিয়ে যায় না।
আমি, উম্মায়েদ ফাহিম, আমাদের পুরো দলের পক্ষ থেকে কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি—
🔹 আমাদের দলের সাবেক খেলোয়াড়
রাহাত মিজবা (ইউকে প্রবাসী) ও Minhaz Farhat (ইউকে প্রবাসী)—প্রবাসে থেকেও যেভাবে নিয়মিত খোঁজখবর, ফোনালাপ ও মানসিক সাপোর্ট দিয়েছেন, তা কখনো ভোলার নয়। পাশে থাকা শুধু অর্থ দিয়ে নয়—তারা সেটা প্রমাণ করেছেন।
🔹 কুরুম চৌধুরী নানা (ইউকে প্রবাসী)—সাবেক ক্রিকেটার ও আমাদের ওসমানী রোডের গর্বিত বাসিন্দা। দেশে থাকা অবস্থায় দলের সার্বিক অবস্থা, খেলোয়াড়দের সঙ্গে আলোচনা ও দিকনির্দেশনা দিয়েছেন। আজ তিনি ইউকে যাচ্ছেন—তার অবদান আমরা গভীরভাবে স্মরণ করছি।
🔹 আমার বড় বোনের স্বামী
রেজান আলী (ইউকে প্রবাসী)—দলের অন্যতম স্পন্সর। টুর্নামেন্ট বা ক্রিকেট মৌসুম এলেই সবার আগে যোগাযোগ করে আমাদের পাশে দাঁড়ান।
🔹 জাবেদ চৌধুরী (আমেরিকা প্রবাসী)—একজন প্রকৃত ক্রীড়াপ্রেমী। তাকে জানাতেই তিনি নিঃসংকোচে আমাদের স্পন্সর হয়েছেন।
🔹 রিপন মাহমুদ (ফ্রান্স প্রবাসী)—আমার আপন চাচা। যিনি সবসময় আমাদের দলের পাশে স্পন্সর হিসেবে ছিলেন ও থাকবেন।
🔹 সামিউল (ফ্রান্স প্রবাসী)—আমাদের ফুটবল দলের নিয়মিত স্পন্সর। ফুটবল হোক বা ক্রিকেট—ডাকলেই পাশে পাই।
🔹 মতিউর চৌধুরী (ইউকে প্রবাসী)—সাবেক ফুটবল খেলোয়াড়, স্পন্সর হিসেবে আমাদের শক্তি।
🔹 সাহিদ মিয়া তালুকদার
(ওসমানী রোডের বাসিন্দা, সাংগঠনিক সম্পাদক, বিএনপি নবীগঞ্জ উপজেলা)—আমাদের গর্বিত স্থানীয় স্পন্সর।
🔹 জুবায়ের (গুমগুমিয়া গ্রামের দুবাই প্রবাসী)—দলের একজন সম্মানিত স্পন্সর।
🔹 সুহান (ওমান প্রবাসী)—স্পন্সর হিসেবে পাশে থাকা ছাড়াও নিয়মিত ফোন করে খোঁজখবর নেন।
🔹 আনাস মিয়া (ইউকে প্রবাসী)—দেশে এসেই দলের স্পন্সর হয়েছেন এবং আমাদের দলের সব খেলোয়াড়দের খাবারের সম্পূর্ণ ব্যবস্থাপনায় ছিলেন।
🔹 শরীফ আহমেদ (ব্যবসায়ী)—আমাদের দলের অন্যতম প্রধান শক্তি ও দলের মালিক। যিনি শুরু থেকেই এক দিক টেনে এই পর্যায় পর্যন্ত দলকে নিয়ে এসেছেন। দলকে কখনো হাতছাড়া না করা এবং দলকে কীভাবে আরও শক্তিশালী ও সংগঠিত করা যায়—এই দিকেই সবসময় তার নজর থাকে।
বললেও ভুল হবে না—তিনি শুধু একজন মালিক নন,
একজন কোচ, একজন গার্ডিয়ান, একজন অভিভাবক।
তার দিকনির্দেশনা, সাহস ও দায়িত্ববোধ ছাড়া আজকের হান্টার এলাভেন ওসমানী এই জায়গায় আসা সম্ভব হতো না।
আপনাদের এই ভালোবাসা, এই সহযোগিতা—
👉 এই দল কখনো ভুলবে না।
ইনশাআল্লাহ, আগামী মৌসুমে আরও শক্তভাবে, আরও সংগঠিতভাবে ফিরব।
আপনাদের বিশ্বাসই আমাদের সবচেয়ে বড় শক্তি।
হান্টার এলাভেন ওসমানী
সবসময় আপনাদের ভালোবাসায় গর্বিত ❤️
তারই মধ্যে দিয়ে আজ উন্মোচিত হলো হান্টার এলাভেন এর জার্সি।
শুভেচ্ছান্তে,
উম্মায়েদ ফাহিম
(হান্টার এলাভেন ওসমানী)
ক্যাপ্টেন | ম্যানেজার | সভাপতি