Kishore Brothers Club - KBC, Matlab

Kishore Brothers Club - KBC, Matlab শিক্ষা, ঐক্য, ক্রীড়া, প্রগতি হলো ক্লা?

আজ সেই ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০০৫। মতলব ক্রীড়াঙ্গনের অন্যতম নক্ষত্র- মতলব কিশোর ব্রাদার্স ক্লাবের সাবেক সাধারণ সম্পাদক "মোহাম্...
19/02/2024

আজ সেই ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০০৫। মতলব ক্রীড়াঙ্গনের অন্যতম নক্ষত্র- মতলব কিশোর ব্রাদার্স ক্লাবের সাবেক সাধারণ সম্পাদক "মোহাম্মদ আলী" ভাই সহ সকলের প্রতি গভীর শ্রদ্ধাঞ্জলি।

21/04/2023

ঈদ মোবারক

https://dhonagodabarta.com/news/02/05/2022/6695/
30/03/2023

https://dhonagodabarta.com/news/02/05/2022/6695/

পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে মতলবের ঐতিহ্যবাহী ক্রীড়া সংগঠন কিশোর ব্রাদার্স ক্লাব এর সভাপতি ফারুক বিন জামান এবং সা....

18/02/2023

১৯ ফেব্রুয়ারী মতলব ক্রীড়াঙ্গন এর প্রান পূরুষ কিশোর ব্রাদার্স ক্লাব এর সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক মোহাম্মদ আলীর শাহাদাত বার্ষিকী ।

24/12/2022

কিশোর ব্রাদার্স ক্লাবের সম্মানিত সদস্য, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী মোঃ সাইফুল ইসলাম বাবু আজ ভোর ৫:৩০ মিনিটে উনার নিজ বাসায় ইন্তেকাল করিয়াছেন। ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন। মরহুমের বিদেহী আত্মার মাগফেরাত কামনা করে দোয়ার আহবান জানিয়েছেন ক্লাবের সভাপতি ফারুক বিন জামান ও সাধারণ সম্পাদক মোঃ নজরুল ইসলাম রিপন।
পরম করুণাময় ক্ষমাশীল আল্লাহ্ তাঁকে জান্নাতবাসী করুক। আমিন

আমার আমি, কিশোর ব্রাদার্স ক্লাব ও প্রয়াত মোহাম্মদ আলী ভাই "।চন্দন কুমার সাহাকিশোর ব্রাদার্স ক্লাব, মতলব।আমার জন্ম আমাদের...
25/07/2022

আমার আমি, কিশোর ব্রাদার্স ক্লাব ও প্রয়াত মোহাম্মদ আলী ভাই "।

চন্দন কুমার সাহা
কিশোর ব্রাদার্স ক্লাব, মতলব।

আমার জন্ম আমাদের মহান মুক্তিযুদ্ধের ঠিক এক বছর আগে অর্থাৎ ১৯৭০ সালে।আমার জন্মের পর যখন বুঝতে শিখি তখন থেকেই মুক্তিযোদ্ধা মিঞা জাহাঙ্গীর আলম (মামা) কে চিনি। আমার ছোট মামা সুধাংশু সাহার বন্ধু। তখন তিনি প্রায়ই আমাদের বাসায় আসতেন এবং আমার মাকে দিদি ও বাবাকে দাদা বলে ডাকেন। জাহাঙ্গীর মামা কর্ম ও জীবিকার তাগিদে মতলব থেকে ঢাকা চলে আসার পর যেখানেই দেখা হতো (বেশ কয়েকবার ঢাকাতে দেখা হয়েছিল ) প্রথমই বলতেন তোর মা, বাবা কেমন আছে। অনেক বছর ওনার সাথে যোগাযোগ ছিল না।গত কিছুদিন আগে ফেইসবুকের কল্যানে ম্যাসেন্জারে জাহাঙ্গীর মামার সাথে আমার কথা হয়। আর এখানেও তার ব্যতিক্রম ঘটেনি, প্রথমেই উনি আমাকে জিজ্ঞাসা করলেন তোর মা, বাবা কেমন আছেন। আর এই মিঞা জাহাঙ্গীর আলম (মামার) হাত ধরেই স্বাধীনতা পরবর্তী আমার জন্মের সাত বছরের মাথায় ১৯৭৭ সালে প্রতিষ্ঠিত হয় কিশোর ব্রাদার্স ক্লাব।

১৯৮২ সাল প্রাইমারী স্কুলের গন্ডি পেরিয়ে ভর্তি হলাম ৬ষ্ঠ শ্রেণিতে। যথারীতি ক্লাস করছি। একদিন টিফিন পিরিয়ডের সময় আলী ভাই, আলেক ভাই ও সুরুজ ভাই ক্লাসে এসে বলল আমরা যারা ফুটবল খেলতে ইচ্ছুক তারা যেন বিকালে নিউ হোস্টেল মাঠে উপস্থিত থাকি। যেই কথা সেই কাজ স্কুল ছুটির পর বাসায় কোনরকমে বই রেখে ঊর্ধ্বশ্বাসে ছুটলাম মাঠের দিকে। ঐদিন আমি, সেলিম, মানিক ( প্রয়াত), মান্নান, রাজু, স্বাধীন, উত্তম, জুয়েল, সবুজ, উজ্জ্বল, লিটন, পারভেজ আরো অনেকে উপস্থিত হই। আর ঐ দিন থেকেই কিশোর ব্রাদার্স ক্লাবকে মনে ধারন করি। আমাদের সময় কিশোর ব্রাদার্স ক্লাবের সভাপতি ছিলেন জনাব এ এইচ এম গিয়াস উদ্দিন ( মৃত্যুর আগ পর্যন্ত ১২ মার্চ ২০২০)। তখন কিশোর ব্রাদার্স ক্লাবের কোন ছোট ফুটবল দল ছিলো না। আমাদেরকে দিয়ে কিশোর ব্রাদার্স ক্লাবের ছোট দল শুরু হয়। ঐ সময়ে বড়দের মধ্যে কিশোর ব্রাদার্সে কাইয়ুম ভাই, বাদল ভাই, আলী ভাই, আলেক ভাই, পরিতোষ দা, জাহাঙ্গীর ভাই, সুরুজ ভাই, সাগর ভাই, মঞ্জিল ভাই, নাজমুল ভাই, বিশ্বনাথ দা, ভুলু দা, মানিক ভাই সহ আরো অনেকে ফুটবল ও ভলিবল খেলতেন। মাঝে মাঝে হাজী বাড়ির তপন দা, কমল দা ও শ্যামল দা (ওনারা ঢাকা থাকতেন) খেলতে আসতেন। আলী ভাই আমাদেরকে আস্তে আস্তে তৈরি করতে শুরু করলেন। আমাকে আর জুয়েলকে গোলরক্ষকের দায়িত্ব দেওয়া হয়। উনি হাতে ধরে আমাকে গোলকিপিং কিভাবে করতে হয় তা শিখিয়েছিলেন। তখন অনেক খেলোয়াড় ছিল, আমরা ছোটরা মাঠে খেলার জায়গা পেতাম না। সাইড লাইনে বসে বড়দের খেলা দেখতে হতো অথবা মাঠের উত্তর পাশে আমরা ছোট গোলপোস্ট দিয়ে খেলতাম। প্রতিদিন প্র্যাক্টিস শেষে আলী ভাই আমাদের বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা করতেন, বিশেষ করে খেলাধূলার পাশাপাশি পড়াশোনার ব্যাপারে ও ওনি ছিলেন খুব সচেষ্ট। আমার বাসায় তখন বাঁধাধরা একটা নিয়ম ছিল প্রতিদিন সন্ধ্যার আগে বাসায় পৌঁছতে হতো, আর তা না হলে বকাবকি খেতে হতো। তাই দেরী হলে আলী ভাই আমাকে বাসায় পৌঁছে দিতেন। আলী ভাই প্রায় রাতেই আমার বাসার সামনে দিয়ে গিয়াস ভাইয়ের বাসায় যাওয়ার সময় আমাকে পড়াতেন। উনি আমাকে আদর ও স্নেহ করতেন। এমনকি সেই সময়ে আমার গোলকিপিং এর জন্য ড্রেস ও কিনে দিয়েছিলেন। উনি ছিলেন আমার খেলার মাঠের গুরু। আমাদের পর পরই আরেকটা গ্রুপ কিশোর ব্রাদার্স ক্লাবে যোগ দেয় এদের মধ্যে শাহিন, তারিক, কিরন, কানন, রোকন, নিজু, সাক্ষী, গৌতম, জিয়া, আদনান, প্রানতোষ ও ভজের নাম মনে পরছে।

আমি এরি মধ্যে ফুটবলের প্রেমে পরে যাই। ফুটবলের প্রতি কি যে আকর্ষণ। কখন স্কুল ছুটি হবে আর কখন মাঠে যাব প্রতিদিন সেই প্রতীক্ষায় থাকতাম। আলী ভাই প্রতিদিন আমাদের প্র্যাক্টিস করাতেন। মাঝে মাঝে আলেক ভাই, সুরুজ ভাই ও পরিতোষ দা আমাদের প্র্যাক্টিস করাতেন। আর দেখতে দেখতে আলী হায়দার গোল্ডকাপ টুর্নামেন্ট শুরু হলো। কিশোর ব্রাদার্স ক্লাব থেকে লাল ও সবুজ এই দুইটি দল অংশগ্রহণ করে। এছাড়াও আল্- আমিন ক্রীড়া চক্র, মতলব স্পোর্টিং ক্লাব, লায়ন্স ক্লাব এবং মতলবের বাইরের আরো দুই - তিনটা দল অংশগ্রহণ করে। লাল দলের অধিনায়ক ছিলাম আমি আর সবুজ দলের অধিনায়ক ছিল স্বাধীন। যেদিন কিশোর ব্রাদার্স ক্লাবের লাল ও সবুজ দলের মধ্যে খেলা হয় ঐদিন সবুজ দলের স্বাধীন খেলার শুরুতেই মাঝ মাঠ থেকে বল নিয়ে লাল দলের ডি বক্সে ঢুকে পরে, আর আমিও গোলপোস্ট ছেড়ে বের হয়ে আসি এবং আমাদের দু'জনের মধ্যে ধাক্কা লাগে, আমরা দু'জনেই মাটিতে পরে যাই। আমি উঠে দেখি সে আর হাঁটতে পারছেনা, সাথে সাথে মাঠ ত্যাগ করে এবং দুই মাস যাবৎ ওর পা প্লাস্টার ব্যান্ডেজ করে রাখতে হয়। এই টুর্নামেন্টে ও আর খেলতে পারেনি। তবে পরে একটা খেলাকে কেন্দ্র করে গন্ডগোলের কারনে এই টুর্নামেন্টও পরিত্যক্ত হয়। এই খেলার রেফারি ছিলেন মহসিন ভাই।

আমরা কিশোর ব্রাদার্স ক্লাবের পক্ষ থেকে আলী ভাইয়ের নেতৃত্বে মতলবের গন্যমান্য ব্যক্তিদের আর্থিক সহায়তায় জাতীয় দিবস যেমন স্বাধীনতা দিবস, বিজয় দিবস ও শহীদ দিবস ইত্যাদি পালন করতাম। তখন আমরা রাত জেগে আহসানুল কামরান রাজুর বাসায় (বর্তমান পৌর অফিসের বিপরীত দিকের বাসা) ফুলের তোরা ও পোস্টার বানিয়ে দেওয়ালে দেওয়ালে লাগাতাম। এর পাশাপাশি বিভিন্ন ধরনের সামাজিক কর্মকাণ্ড পরিচালনা করা হতো। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য ছিল সপ্তাহ ব্যাপি পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতা অভিযান, বৃক্ষ রোপন ইত্যাদি। তখন বিভিন্ন গ্রুপে ভাগ হয়ে মতলব শহরের বিভিন্ন স্কুল, কলেজ, বাজার ও রাস্তাঘাট পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতা অভিযান পরিচালনা করা হতো।

আলী ভাই ছিলেন কিশোর ব্রাদার্স ক্লাব তথা মতলেবর প্রাণ। উনি যখন জীবিত ছিলেন মতলেবর ক্রীড়াঙ্গনের তখন ছিল যৌবন।ফুটবলের পাশাপাশি উনি শুরু করলেন ইনডোর গেমস যেমন কেরাম, দাবা, টেবিল টেনিস, ব্যাডমিন্টন, ব্রিজ ইত্যাদি। প্রথমে উনি ইনডোর গেমসের আন্তঃক্লাব টুর্নামেন্টের আয়োজন করেছিলেন, পরে উন্মুক্ত টুর্নামেন্টের আয়োজন করেছিলেন যা কিনা মতলবে একটা সাড়া ফেলে দিয়েছিল। ঐ সময় নাসির ভাই, ফারুক বিন জামান ভাই, সুরুজ ভাই, খোকন ভাই, কানন, শাহিন, তারিক, কিরন রা খুব ভালো ব্যাডমিন্টন খেলতো। আলী ভাই জীবিত থাকা অবস্হায় প্রতিবছর এরকম উন্মুক্ত ইনডোর টুর্নামেন্টের আয়োজন করেছিলেন এবং পাশাপাশি বৈশাখী মেলা ও বই মেলার আয়োজন করেছিলেন। উনি ছিলেন একজন ভালো এথলেট, খুব ভালো দৌড়াতে পারতেন। উনি স্কুল, কলেজ, জেলা ও বিভাগীয় পর্যায়ে দৌড় প্রতিযোগিতায় পুরস্কার পেয়েছিলেন। ঢাকা কলেজে পড়াকালীন সময়ে একবার উনি এথলেটে চ্যম্পিয়ন হয়েছিলেন।

সুরুজ ভাই এক সময় কিশোর ব্রাদার্স ক্লাব ছেড়ে আল্- আমিন ক্রীড়া চক্রে চলে যায়। তখন নাজমুল ভাই আর আমি কিশোর ব্রাদার্স ক্লাবের গোলকিপারের দায়িত্ব পালন করি। আমি ১৯৮৬ সালে জেলা পর্যায়ে জাতীয় স্কুল ফুটবল প্রতিযোগিতায় চ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরব অর্জন করি। ১৯৮৬ সালের শেষ দিকে সম্ভবত নভেম্বর মাসে নাজমুল ভাই মারা যান। এরপর আমি ও আর বেশি দিন খেলতে পারিনি, কারন ১৯৮৭ সালে এস, এস, সি পাশ করার পর আমি কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া কলেজ ভর্তি হই।১৯৮২ সাল থেকে ১৯৮৭ সাল এই পাঁচ বছর কিশোর ব্রাদার্স ক্লাবের হয়ে ফুটবলে বিভিন্ন ধরনের টুর্নামেন্ট, স্বাধীনতা দিবেস, বিজয় দিবসে বিভিন্ন প্রতিযোগিতা মূলক খেলা, আবাহনী মোহামেডান প্রীতি ফুটবল ম্যাচ ইত্যাদি খেলায় অংশগ্রহণ করি। এই সময়ে একটি টুর্নামেন্টের কথা মনে পরে, কিশোর ব্রাদার্স ক্লাব আশ্বিনপুর একটা টুর্নামেন্টে অংশগ্রহন করেছিল। কিশোর ব্রাদার্সের এক খেলায় গন্ডগোল হয় এতে অপরপক্ষ কাইয়ুম ভাই সহ আরো অনেক কে গুরুতর আহত করে। আমরা কোনভাবে জীবন নিয়ে লঞ্চে করে মতলবে ফিরে আসি। যতটুকু মনে পরে কিশোর ব্রাদার্স ক্লাব ঐ খেলায় গোলে এগিয়ে ছিল।

কলেজ জীবনের সময়টা খুব অল্প সময়ের। আর আমি কলেজে পড়ার সময় যে হোস্টেল থাকতম (রামমালা ছাত্রাবাস, কুমিল্লা বোর্ড অফিসের বিপরীত পাশে ) সেটাতে অনেক বাঁধাধরা নিয়ম-নৈতিকতা মেনে চলতে হতো, তাই কলেজ জীবনে খেলাধূলা করার খুব একটা সুযোগ পাইনি। তবে কলেজের এক বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতায় মিনি ম্যারাথনে অংশ গ্রহন করে তৃতীয় হওয়ার গৌরব অর্জন করি। কলেজ পাসের পর ১৯৯০ সালে ভর্তি হলাম চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে। আলী ভাইয়ের ছোট ভাই মাহবুব ভাই তখন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়তেন। তখন তো মোবাইলের যুগ ছিল না। তাই আলী ভাই ওনার ছোট ভাইকে চিঠি লিখে দেন যাতে আমার হলে থাকার ব্যবস্হা করেন এবং সে মোতাবেক মাহবুব ভাই শাহজালাল হলে থাকার ব্যবস্হা করেন। মতলব থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ে আসার সময় আলী ভাইয়ের আদর্শ, আর কিশোর ব্রাদার্স ক্লাব থেকে যা শিখেছি তা সাথে করে নিয়ে এসেছিলাম। এরপর বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির পর পড়ালেখার পাশাপাশি খেলাধূলা শুরু করি। তখন ফুটবল খেলা বাদ দিয়ে হকি, হ্যান্ডবল, ও ওয়াটার পলোর গোলরক্ষক হিসাবে খেলা শুরু করলাম। অল্প কিছু দিনের মধ্যেই হ্যান্ডবল আর ওয়াটার পলোতে আন্তঃহল এবং আন্তঃ ফ্যাকল্টি প্রতিযোগিতায় চ্যাম্পিয়ন হাওয়ার গৌরব অর্জন করি আর সেই সুবাদে খেলোয়াড় কোঠায় হলে থাকার সিট পাই এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের টিমে ও খেলার সুযোগ পাই। বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়া অবস্হায় আলী ভাই আমাকে প্রায়ই চিঠি লিখতেন আমার খোঁজ খবর নিতেন আর লিখতেন আমি যেন ভালো করে পড়ালেখা করি, আমিও ওনাকে চিঠি লিখতাম। পড়ালেখার পাশাপাশি নিয়মিত খেলাধূলা ও চালিয়ে যেতে লাগলাম এক সময় আন্তঃবিশ্ববিদ্যালয় হ্যান্ডবল ও হকি টিমে খেলার সুযোগ পেলাম। ১৯৯১ সালে আন্তঃবিশ্ববিদ্যালয় হকিতে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় রানার্স আপ এবং ১৯৯৫ সালে আমার নেতৃত্বে চ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরব অর্জন করে। আর আমার এ কৃতিত্বের অংশীদার হলো কিশোর ব্রাদার্স ক্লাব ও আলী ভাই। ঐ দিন আমি যদি কিশোর ব্রাদার্স ক্লাবে যোগ না দিতাম আর আলী ভাইয়ের সহচার্যে যদি না আসতাম তাহলে হয়তো আমার পক্ষে এ অর্জন সম্ভব হতো না। আমি কিশোর ব্রাদার্স ক্লাব ও আলী ভাইয়ের নিকট ঋণী ও চিরকৃতজ্ঞ।

আমার দেখা মোহাম্মদ আলী ভাই ছিলেন একজন ভালো ছাত্র, চৌকস রাজনীতিবিদ, দক্ষ সংগঠক, ক্রীড়ানুরাগী, কৃতি খেলোয়াড়, বন্ধুবৎসল, স্নেহময় পিতা, আদর্শ স্বামী, ছাত্র বৎসল শিক্ষক। এই আলী ভাই ২০০৫ সালের ১৯ শে ফেব্রুয়ারী রাত ১০ টার লঞ্চে ঢাকা থেকে মতলব যাওয়ার সময় লঞ্চ এক ঝড়ের কবলে পরে শীতলক্ষ্যা ও বুড়িগঙ্গার মোহনায় নিমজ্জিত হলে অকালে প্রাণ হারান। আর যতটুকু জানতে পেরেছি উনি প্রায় বেঁচে গিয়েছিলেন কিন্তু কেবিনে ঘুমন্ত অবস্হায় থাকা প্রাণপ্রিয় মেয়েকে বাঁচতে গিয়ে ওনার আর শেষ রক্ষা হয়নি, আর ঐদিন ওনার সাথে সাথে কিশোর ব্রাদার্স ক্লাবের স্বপ্নও নিমজ্জিত হয় শীতলক্ষ্যা ও বুড়িগঙ্গার মোহনায়।

এ এইচ এম গিয়াস ভাই, হুমায়ুন ভাই, মোহাম্মদ আলী ভাই, ফকরুল ভাই, নাজমুল ভাই, বাসু কাকা, আক্তার ভাই, মানিক, শিপলু আপনারা জেনে খুশি হবেন যে আপনাদের রেখে যাওয়া উত্তরসূরিরা ২০০৫ সালের ১৯ শে ফেব্রুয়ারী কিশোর ব্রাদার্স ক্লাবের নিমজ্জিত সেই স্বপ্নকে (বিশ্বব্যাপী করোনাকালীন মহামারীর মধ্যে ও) আজ বিভিন্ন কর্মসূচির মাধ্যমে তার অতীত ঐতিহ্যে ফিরিয়ে আনতে সচেষ্ট। ওপারে ভালো থাকবেন আপনারা। আপনাদের আত্মার শান্তি কামনা করছি।

( সমাপ্ত)

বিঃ দ্রঃ কোন তথ্য যদি ভুল হয়ে থাকে এবং কারো নাম যদি বাদ পরে থাকে, তাহলে এই অনিচ্ছাকৃত ভুলের জন্য ক্ষমা সুন্দর দৃষ্টিতে দেখবেন।

24/05/2022

২৯ মে, ২০২২ কিশোর ব্রাদার্স ক্লাবের প্রতিষ্ঠাতা সদস্য ও সাবেক সহ-সভাপতি মোঃ হুমায়ুন কবির প্রধান এর ৫ ম মৃত্যুবার্ষিকী তে উনার বিদেহী আত্মার মাগফেরাত কামনা করছি।মহান আল্লাহ্ উনাকে জান্নাতুল ফেরদৌস নসিব করুক।

06/04/2022
15/12/2021

প্রিয় সতীর্থ,
আসসালামু আলাইকুম। কিশোর ব্রাদার্স ক্লাবের সকলের অবগতির জন্য জানানো যাচ্ছে যে আসছে ১৬ ডিসেম্বর,বৃহস্পতিবার মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে সকাল ৮ ঘটিকায় দীপ্ত বাংলা পাদদেশে ক্লাবের পক্ষ থেকে পুষ্পার্ঘ্য অর্পণ করা হবে। উক্ত অনুষ্ঠানে যথাযথ সময়ে ক্লাবের সকলকে উপস্থিত থাকার জন্য অনুরোধ জানিয়েছেন কিশোর ব্রাদার্স ক্লাবের সভাপতি জনাব ফারুক বিন জামান ও সাধারণ সম্পাদক জনাব মোঃ নজরুল ইসলাম রিপন।

মোঃ জানিবুল আলম জনি
দপ্তর সম্পাদক
কিশোর ব্রাদার্স ক্লাব, মতলব

" ইন্না লিল্লাহি ওয়াইন্না ইলাইহে রাজিউন "*********★ঐতিহ্য বাহী কিশোর ব্রাদার্স ক্লাবের সহ- সাধারণ সম্পাদক এমরান হোসেন মি...
08/11/2021

" ইন্না লিল্লাহি ওয়াইন্না ইলাইহে রাজিউন "
*********
★ঐতিহ্য বাহী কিশোর ব্রাদার্স ক্লাবের সহ- সাধারণ সম্পাদক
এমরান হোসেন মিলন আর নেই😥
,★ক্লাবের সকলের পক্ষ থেকে তার বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করি।
★দোয়া করি মহান আল্লাহ তাঁকে জান্নাতের মর্যাদা দান করুন।
আমিন🤲🤲

Address

Matlab South, Chandpur
Matlab Bazar
3640

Telephone

+8801819818874

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Kishore Brothers Club - KBC, Matlab posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Kishore Brothers Club - KBC, Matlab:

Share

Category