MPL The owener of MPL is now BSK Foundation. Every December will be held MPL.

23/11/2023
22/11/2023

BSK ফুটবল টিম ও ক্রিকেট টিম গঠন করা হচ্ছে। আগ্রহী খেলোয়াড়দের আগামী ৩০ নভেম্বর ২০২৩ এর মধ্যে যোগাযোগ করার জন্য বলা হইল।

22/11/2023

পোস্ট নাম্বার -২৭
যাহারা শিরককারী,
তাহারা ফতোয়া রচনাকারী,
চূড়ান্ত পর্যায়ে তারাই নাস্তিক, অবিশ্বাসী।

বিসমিল্লাহির রহমানির রহিম,
আজ পৃথিবীতে সমগ্র মানবজাতি,বড় দুঃসময় পার করছে। যুদ্ধবিগ্রহ,জবরদখল, ধর্ষণ, ব্যভিচার, হানাহানি-কাটাকাটি,গুম-খুন,রক্তপাত, জুলুম, নির্যাতন ইত্যাদি সকল কিছু, দেশ থেকে দেশান্তর,সর্বস্তরে ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়েছে।শিশু থেকে শুরু করে বৃদ্ধ পর্যন্ত,কাহারও আজ নিরাপত্তা নাই। সমগ্র জাতির মাথার উপর, ব্যাপক বিধ্বংসী মরণাস্ত্র নিউক্লিয়ার বোমা, বিস্ফোরণের অপেক্ষায় লুকোচুরি খেলছে। বিপর্যয় থেকে শুরু করে মহা বিপর্যয়, দ্রুত গতিতে নিকটবর্তী হচ্ছে। এত সবকিছুর মূলে আসলে, মানুষ তার সৃষ্টিকর্তা থেকে মুখ ফিরিয়ে নিয়েছে। এমন কি, সে সৃষ্টিকর্তাকেই অস্বীকার করছে।
তাহলে পৃথিবীজুড়ে এত ধর্ম আর এত ধর্ম পালনকারী থেকেই বা লাভ কি? আসলে অধিকাংশ ধর্ম পালনকারী আজ মুশরিক। সাধারণ ধর্ম পালনকারীরা জানেই না যে শিরক কি? কোন কাজটি করলে শিরক বলে গণ্য হবে। সাধারণ ধর্ম পালনকারীরা,অন্ধবিশ্বাসের উপর নির্ভর করে,তারা তাদের বাপ-দাদা,পীর-ঠাকুর, ওআইজেন-বক্তা, মাওলানা-মুন্সী, মুফতি- মহাদ্দিস ইত্যাদি জনকে, অন্ধভাবে বিশ্বাসের সহিত অনুসরণ করে চলেছে। অথচ লোকদেরকে বিতাড়িত শয়তান এই কথা ভুলিয়েই দিয়েছে যে, সত্য ধর্মে অন্ধবিশ্বাসের কোন স্থান নাই। নিশ্চয়ই প্রত্যেকে তার নিজ কর্মের জন্য দায়ী। কারো থেকে অন্য কারো হিসাব গ্রহণ করা হবে না। কেউ কারো জন্য পরকালে কোনরূপ সুপারিশ করতে পারবে না। পরকালে আল্লাহর সামনে কোনরূপ পক্ষপাতিত্ব ঘুষ চলবে না। সেই দিন,তথা কিয়ামতের দিনে, মুশরিক-নাস্তিক এদের জন্য থাকবে বড়ই দুর্ভোগ। মুশরিক-নাস্তিকেরা কখনোই সফলকাম হবে না।
শিরক তো ওহাই যে, আল্লাহর সাথে অন্যকে বিধাতা হিসাবে গ্রহণ করা। আল্লাহ তথা সৃষ্টিকর্তা কর্তৃক রচিত, স্রষ্টার অবতীর্ণ একমাত্র কিতাবই বিধান হিসাবে যথেষ্ট। পৃথিবীতে সকল যুগেই,সকল নবী ও রাসূলদের ক্ষেত্রেই, স্রষ্টা কর্তৃক অবতীর্ণ বিধানের কিতাব ছিল সর্বসাকুল্যে একটি-ই। কোন নবী রাসুল বা স্রষ্টা কর্তৃক মনোনীত কোন মহামানব-ই দিনের ব্যাপারে কখনোই স্রষ্টার অবতীর্ণ এক কিতাব ব্যতীত, অন্য কোন কিতাব তিনারা গ্রহণ করেন নাই। ধর্মের নামে কোন রূপ কোন কিতাব, তিনারা রচনাও করেন নাই। ধর্মের বিষয়ে আল্লাহর রচিত একমাত্র কিতাবের পাশে, অন্য কোনরূপ কোন ফতোয়া,অন্য কোন মাসালা,অন্য কোন হাদিস, ফিকাহ, ইজমা,কিয়াসের নামে কোন কিছু রচনা করা, তা বিশ্বাস করা, বা তা অনুসরণ করায় হল আল্লাহর কিতাব এর শরিক করা, তথা আল্লাহর শরীক বা আল্লাহর সমকক্ষ সাব্যস্ত করা। আজ ধর্ম পালনের নামে পৃথিবীজুড়ে,বাড়ির পাশের মসজিদ থেকে শুরু করে, মন্দির,গির্জা, প্যাগোডা ইত্যাদি হয়ে , সৌদির কাবা গৃহ পর্যন্ত চলছে আজ শিরক মিশ্রিত ইবাদত। যা আল্লাহর দরবারে কখনোই গ্রহণযোগ্য হবে না। মুশরিকরা কখনোই সফল হবে না। তাইতো সমগ্র পৃথিবী জুড়ে আজ এই বিভীষিকাময় অবস্থা।
ধর্ম পালনকারীরা অধিকাংশই আজ মুশরিক। মুশরিকরা আসলে নাস্তিক,পরকালে তারা অবিশ্বাসী। চূড়ান্ত পর্যায়ে মুশরিকদের ধর্মীয় বিশ্বাস টিকসই হয় না। সাধারণ মানুষ যারা ধর্ম পালনকারী, তারা দলিল প্রমাণাদির বিচার বিশ্লেষণ, এত কিছুর তোয়াক্কা করে না। ফলে তারা আবুল হাকাম সদৃশ্য,আবু জেহেল দেরকে অনুসরণ করে থাকে। আর এই রূপ আবু জেহেলরা, সাধারণ ধর্ম পালনকারীদের নেতা সেজে, ধর্মের নামে শিরকের কিতাব এর উপর ভর করে,তারা তাদের সুবিধামতো সকল কিছুকে, হারাম আর হালাল এর ফতোয়া আর মাসলা মাসায়েলে আটকিয়ে, রমরমা ধর্মব্যবসার অর্থ বাণিজ্য গড়ে তোলে। এইরূপ আবু জেহেলরাই আজকের সমাজে পুরোহিত, পীর,ঠাকুর,মৌলানা, মুফতি ইত্যাদি সেজে বসেছে।
যিনি আল্লাহ, তিনিই তো হলেন মুফতি। আল্লাহই হলেন ফতোয়া দাতা ,ফতোয়া রচনাকারী,বিধানদাতা। আল্লাহ ব্যতীত ফতোয়া রচনাকারী বিধাতা বা মুফতি হওয়ার অধিকার আর কারো নাই। অথচ শয়তান ইবলিশ ও তার অনুসারীগণ, ধর্ম শিক্ষার নামে একের পর এক প্রতিষ্ঠান তৈরি করে, যুগের পর যুগ ধরে, এই সকল প্রতিষ্ঠান থেকে বের করছে তারা শত শত, হাজার হাজার, বা লক্ষ লক্ষ পুরোহিত, ঠাকুর, মাওলানা, মুফতি ইত্যাদি পদবীর আবুল হাকাম নামের, আবু-জেহেল গঙদের কে। এরাই আজ দলে- উপদলে বিভক্ত হয়ে, ধর্ম আর আদর্শের নামে, যে যার মত করে, মানব রচিত শিরকের কিতাব এর উপর নির্ভর করে, ধর্মের নামে অথবা ইসলামের নামে, সমগ্র পৃথিবীতে ছড়িয়ে দিয়েছে বিকৃত এক ধর্ম ব্যবস্থা। প্রচলিত এই ধর্মব্যবস্থার সাথে, স্রষ্টা বিধাতা রব, মহান আল্লাহ কর্তৃক প্রেরিত ও মনোনীত মহান কিতাব আল কোরআন বা প্রকৃত ইসলামের কোনই মিল নাই। মনে রাখতে হবে, কোন নবী রাসুল এবং তার সঙ্গী সাথীগুণ কখনোই কোন মৌলানা বা মুফতি পদবিধারী ছিলেন না। তাইতো মহান আল্লাহ নিজ পরিচয় দিয়ে, সুস্পষ্ট ভাবে জানিয়ে দিয়েছেন যে,

"আনতা মাওলানা ফানসুরনা আলাল কওমিল কাফিরীন " ( হে আল্লাহ, আপনি তো মৌলানা, অতএব কাফির জাতির উপর আমাদের সাহায্য করুন) বাকারা- ২/২৮৬ ।
আল কুরআন থেকে কখনোই কেউই দেখাতে পারবে না যে, আল্লাহ ব্যতীত ফতোয়া দেয়ার অধিকার আর কারো আছে। নবী-রাসূল গণও ফতোয়া দেওয়ার কোন রূপ অধিকার রাখেন না। তাই আল্লাহ যথার্থই বলেন,

"ইয়াসতাফতুনাকা, কুলিল্লহু ইউফতিকুম" ( হে রাসুল, তারা তোমার কাছে ফতোয়া চায়, তুমি বলে দাও ফতোয়া দেন আল্লাহ )
নিসা - ৪/১৭৬ ।

আসলে মানব রুপি এই মাওলানা মুফতিরাই হল,খোদাই দাবিদার, বিধান রচনাকারী, শিরককারী মুশরিক। চূড়ান্ত পর্যায়ে তারা নাস্তিক।
পদমর্যাদা আর অর্থ বাণিজ্যের কারণেই তারা,তাদের নাস্তিকতা লুকিয়ে, ধর্মের দোহাই দিয়ে, জাতির ঘাড়ে চেপে আছে। কখনো বা তারা নিজেদের জীবননাশের ভয়ে, নিজের নাস্তিকতাকে লুকিয়ে রাখে। কারণ তারা নিজেরাই নিজেদের রচিত ফতোয়ার কিতাবে আটকা পড়েছে এই কথাই যে,
"মুরতাদ এর শাস্তি মৃত্যুদণ্ড"।
নিজেদের রচিত এই ফতোয়াতে যেমন তারা নিজেরা শঙ্কিত। ঠিক একইভাবে তারা ধর্মত্যাগী, অন্যান্যদের জীবনকেও, ফতোয়া জনিত আতঙ্কের মধ্যে ফেলে, ইসলামকে সন্ত্রাসের নামে কলঙ্কিত করছে।
যদিও সৃষ্টিকর্তা মহান আল্লাহর রচিত কিতাব, আল কুরআনের ঘোষিত সত্য ফতোয়া এই যে,

"ধর্মে কোন জবরদস্তি নাই "। বাকারা- 256

এমনকি আল কোরআন এই ঘোষণাও করেছে যে,
কোরআন পাঠ কর, যেন মুশরিকরা আল্লাহর কথা শুনতে পায়। অতঃপর মুশরিকদেরকে নিরাপদে তাদের আবাসস্থলে পৌঁছে দাও।"
এভাবেই, আলেমরুপী মুশরিক মৌলানা, মুফতি গং রা, আল্লাহর অবতীর্ণ কিতাবকে পরিত্যাগ করে, যেমন নিজেরা বিভ্রান্তির জালে আটকা পড়েছে, আল্লাহর কিতাব উপলব্ধির ক্ষমতা হারিয়ে নিজেদেরকে বিপদগ্রস্ত করেছে। তেমনি বিপদগ্রস্ত করেছে দেশ ও জাতিকে, তাদের বাতিল আদর্শকেই ধর্ম ভেবে। ফলে লোকেরা নবী-রাসূল সম্পর্কে বাজে বলার সুযোগ পাচ্ছে এবং ধর্মের সত্যতা নিয়ে আজ প্রশ্ন তুলছে। ফলে প্রকাশিত নাস্তিকতা আরো উৎসাহিত হচ্ছে। এভাবেই উৎসাহিত হয়ে, নিজেকে লুকিয়ে না রেখে, সাহসিকতার সাথে একজন উচ্চ ডিগ্রিধারী হাফেজ, মাওলানা ও মুফতি পদবিধারী আব্দুল্লাহ আল মাসুদ সহ, এরূপ অনেকে তাদের নাস্তিকতাকে প্রকাশ করে, জীবন রক্ষার্থে বিদেশে বাড়ি জমিয়েছে।
তাই মুশরিক ও নাস্তিকদেরকে বলতে চাই, আসলে কোন কালেও তোমরা মুসলিম ছিলে না। কারণ, আল্লাহর অবতীর্ণ কিতাব আল কুরআনের পাশে, লাহুয়াল হাদিস, ফিকাহ ইত্যাদি গ্রহণ করে, একজন মুশরিক হওয়া যায়। মাদ্রাসা বা মক্তব থেকে একজন মাওলানা,মুহাদ্দিস বা মুফতি পদবি লাভ করা যায়। কিন্তু সত্যিকারের শিরক মুক্ত, আল কুরআনের দৃষ্টিভঙ্গির একজন মুসলিম হওয়া যায় না। কারণ মুশরিকরাই নাস্তিক। তারা প্রকৃতপক্ষে স্রষ্টা ও পরকালে অবিশ্বাসী। তাইতো মহান আল্লাহ যথার্থই বলেন,
"বল তোমরা তোমাদের সাক্ষীদেরকে উপস্থিত কর, যাহারা সাক্ষ্য দেবে যে, তোমাদের ধারণার হারাম বিষয়গুলিকে, আল্লাহ হারাম করেছে। যদি তারা সাক্ষী দেয় ও, তবুও তাদের সাথে সেই সাক্ষী তুমি দিওনা। আর তাদের খেয়ালখুশির অনুসরণ করিও না, যেখানে আমার অবতীর্ণ আয়াত আল কোরআনকে প্রত্যাখ্যান করা হয়। আর এরাই আসলে পরকালে অবিশ্বাসী ও রবের সমকক্ষ সাব্যস্ত কারি।" ( আনাম- ৬/১৫০)।
এভাবেই মহান আল্লাহ ফতুয়া রচনাকারী, হারাম-হালাল, জায়েজ-নাজায়েজ ঘোষণা কারি, মিথ্যা ধর্ম পালনকারী ফতোয়াবাজদেরকে মুশরিক ও নাস্তিক বলে প্রকাশ করে দিয়েছেন ।
শিরকের কেতাবের উপর ভর করেই, লোকেরা আজ এ কথা বলার স্পর্ধা দেখাচ্ছে যে, নবী ছিলেন শিশু ধর্ষিতা, তথা নয় বছরের শিশুর বিছানায় গমন কারি, (নাউজুবিল্লাহ)।
শিরকের কেতাব থেকে, আর মুশরিকদের ওয়াজ থেকে লোকেরা একথাও বলার সুযোগ পাচ্ছে যে, কাবা শরীফ হলো ৩৬০ টি মূর্তি রাখার ঘর, তথা এটা ছিল, এক সময়ের মন্দির। এভাবেই শয়তানেরা ধার্মিকতার দোহাই দিয়ে, আল্লাহর কিতাব আল কোরআন বিরোধী, একের পর এক কিতাব রচনা করে, জাতিকে শিরকের ট্যাবলেট খাইয়ে, জাতিকে নাস্তিকতার দিকে ঠেলে দিচ্ছে। ঠেলে দিয়েছে সালমান রুশদি, তসলিমা নাসরিন, হাফিজ-মাওলানা-মুফতি আব্দুল্লাহ আল মাসুদ, মুফাসসিল ইসলাম, আসাদ নূর, ডক্টর শরিফ সহ-এভাবে প্রকাশ পাওয়া-না পাওয়া জ্ঞানী-গুণী অসংখ্য আদম সন্তানদেরকে জাহান্নামের পথে। হয়তো সেদিন বেশি দূরে নয়, যেদিন ভারতের বাবরি মসজিদের ন্যায়, সৌদির কাবা শরীফের দখলদারিত্ব নিয়েও প্রশ্ন তুলবে।
হে আমার মুশরিক-নাস্তিক মানবজাতি। চোরের উপর রাগ করে খাবার মাটিতে ঢেলে নিজেদেরকে ক্ষতিগ্রস্তদের অন্তর্ভুক্ত করোনা। মনে রেখো, যার যার হিসাব তার তার নিজের। প্রত্যেকেই তার নিজ কর্মের জন্য দায়ী হবে। কেউ কারো দায়িত্বভার বহন করবে না।
মিথ্যা ধর্মত্যাগী একজন নাস্তিক, অবশ্যই অন্ধভাবে ধর্ম পালনকারী একজন মুসলমান থেকে ভালো এই কারণে যে, শিরক মিশ্রিত ধর্ম পালনকারী একজন মুশরিককে, শিরক মুক্ত হেদায়েত পূর্ণ সত্য ধর্ম পর্যন্ত পৌছাতে হলে, প্রথমে তাকে মিথ্যা ধর্ম ত্যাগ করে একজন নাস্তিক অথবা নাস্তিকের প্রায় নিকটবর্তী হতে হয়। অতঃপর এই ধাপ পার হয়ে, তাকে প্রমাণ সাপেক্ষে শিরক মুক্ত সত্য ধর্মে পৌঁছাতে হয়। এক্ষেত্রে একজন নাস্তিক, মিথ্যা ধর্ম পালনকারী একজন মুশরিক অপেক্ষা, প্রকৃত সত্য ধর্মের দিকে একধাপ এগিয়ে থাকেন। এভাবে জেনে বুঝে মিথ্যা ধর্মকে পরিত্যাগ করে, সাহসিকতার সাথে একজন নাস্তিক যখন ধর্মত্যাগী হয়। তখন সেই নাস্তিক হয় অনেকটাই যুক্তিবাদী, আর সে,যুক্তি আর তার ধারণার উপর থাকে আত্মবিশ্বাসী। অতঃপর এই নাস্তিক যখন সাধারণ সৎকর্মের পথ ধরে এগোতে থাকবে, তখন সে আল্লাহর ইচ্ছায় হয়ে উঠবে , আরো অধিক সত্য যুক্তি নির্ভর এবং সে হবে তখন, আরো সাহসী-আরো ত্যাগী এবং আরো অধিক আত্মবিশ্বাসী l এমত অবস্থায় তিনি খুঁজে পাবেন আল্লাহকে, প্রমাণ মিলবে আল্লাহর অস্তিত্বের । পৌঁছে যাবেন শিরক মুক্ত একেবারে সত্য ধর্মের সন্নিকটে, এক অপ্রতিরোধ্য শক্তিতে বলিয়ান হয়ে, হয়ে যাবেন শিরক মুক্ত মুসলিমীন দলের একজন সত্যিকার মুসলিম। আর এইটাই হল আসল ভালো,আসল ইসলাম, চূড়ান্ত সফলতা।
মনে রেখো, মিথ্যা ধর্ম ত্যাগের পর,তাকে নিরপেক্ষ এবং যথেষ্ট সৎকর্মশীল হতে হবে। তবেই সে সত্য ধর্মের লক্ষ্যে, স্রষ্টার অস্তিত্ব খুঁজে পাবে। অন্যথায় সে ভ্রষ্ট হবে।
আল্লাহ যাকে ইচ্ছা তাকে হেদায়েত দান করেন। তবে সাবধান, ভুল বুঝনা,আল্লাহ তাকেই হেদায়েত দান করেন, যে সৎকর্মশীল হয়ে আল্লাহর অভিমুখী হয়। আবার, আল্লাহ যাকে ইচ্ছা তাকে পথভ্রষ্ট করেন, তবে সাবধান, ভুল বুঝনা, আল্লাহ তাকেই পথভ্রষ্ট করেন, যে সৎকর্ম ও আল্লাহর অবতীর্ণ সুস্পষ্ট আয়াতকে পাশ কাটিয়ে, অস্পষ্ট আয়াতের মানব রচিত ব্যাখ্যার পিছে দৌড়ায়। অথচ আল কুরআন নিজেই ব্যাখ্যা সম্বলিত এক মহান কিতাব। সাবধান হও, ক্ষমা চাও, ফিরে এসো, বিশ্বাসী হয়ে মুসলিমিন দলে যোগ দাও। মৃত্যু হলেই তুমি, সুযোগ আর পাবে না। মুসলিমিন দলের একজন মুসলিম না হয়ে, কখনোই মৃত্যুবরণ করো না। মনে রেখো, সমস্ত নবী-রাসুল ছিলেন মুসলিমীন দলের এক একজন মুসলিম।
হে আল্লাহ, আমার এ পথহারা জাতিকে তুমি ক্ষমা করো। সত্য চিনে,সত্য বুঝে, সত্য ধারণের তৌফিক দান করো।

বিস্তারিত জানতে ভিজট করুণ Muslimin
অন্যান্য পোস্টগুলি মনোযোগ সহ পড়ুন।
Muslimin
ওবায়দুল্লাহ ইবনে সিরাজ,
ইমাম,
মুসলিমিন (মিল্লাতে আবি কুম ইব্রাহিম),
কুষ্টিয়া,ঢাকা,বাংলাদেশ।

Welcome to our page.
22/11/2023

Welcome to our page.

05/11/2023

পোস্ট নম্বর ৩০
কিভাবে শিরক থেকে মুক্ত হবো?
কিভাবে মুসলিমিন দলভুক্ত হবো ?
আমার কাজ কি হবে?

শিরক থেকে মুক্ত হবার উপায় :

বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম,
লোকেরা প্রশ্ন করে, আমি কিভাবে শিরক মুক্ত হব? জবাবে বলতে চাই, আল কোরআন আল্লাহর হুকুম । আল্লাহর হুকুম, আল কুরআনের কোন শরিক নাই। তাই কুরআনের পাশে রচিত কোন হাদিস, ফিকাহ,তাফসির, ইজমা, কিয়াস,ফাজায়েল,মাসায়েল,কোন রূপ কোন ফতোয়া রচনা করা বা তা বিশ্বাস করা বা ঐরূপ কিছু মেনে আল কুরআনের বিপক্ষে অবস্থান নেওয়াই শিরক। শিরক থেকে মুক্ত থেকে,আল কোরআন পর্যায়ক্রমে যথাযথভাবে মেনে চলার মাধ্যমে আল্লাহর দাসত্ব করে মুসলিম হতে হয়।

আল্লাহর দাসত্বে কোন শরিক নাই।

তাই আল্লাহর রচিত কোরআন ব্যতীত, অন্যের কোন রচনা মেনে চললে, আল্লাহ ছাড়া অন্যের দাসত্ব করা হয়। এমনকি নবীর দাসত্ব করলেও তা শিরক বলে গণ্য হবে। উল্লেখ্য যে বঙ্গবন্ধু, শেখ মুজিবুর রহমান এর পরিধানকৃত কালো কোটি, বা জিন্না সাহেবের লম্বা টুপি, এরূপ কোন কিছুকে ভালোবেসে একজন তা পরিধান করতেই পারেন, তাতে দোষের কিছু নাই। কিন্তু যখন কারো এমন ব্যক্তিগত কোন বিষয়কে, কেউ ধর্মের বিধান হিসাবে বিশ্বাস করবে,পাপ পুণ্যের কারণ বলে গ্রহণ করবে, তাহলেই তা শিরক বলে গণ্য হবে, যদি তা কোন নবী রাসূলের করণীয় বিষয়ও হয়ে থাকে। কারণ নবী রাসুলগণ তো কোন সুন্নত দাতা বা বিধাতা নয়, বিধাতা কেবল আল্লাহ আর পরিপূর্ণ বিধান হল আল্লাহর অবতীর্ণ কিতাব আল কোরআন।

অপরদিকে যে বা যারা এরূপ শিরকে লিপ্ত রয়েছে, তাদেরকে ধর্মীয় নেতা বলে বিশ্বাস করে মেনে চললে অথবা এমন নেতা বা ইমামের ইত্তেবা বা অনুসরণ করলে, এমন ক্ষেত্রে ইমামের সাথে তার অনুসারীও একজন মুশরিক বলে গণ্য হবে এবং তারা সকলে একই সাথে জাহান্নামের আগুনে নিক্ষিপ্ত হবে। তাই সংক্ষেপে বলতে চাই, আপনাকে শিরক মুক্ত হতে হলে :

১। ধর্মের দলিল হিসাবে তথা হাদিস, তাফসীর, মাসলা, মাসায়েল বা কোন ফতোয়ার দলিল হিসাবে কেবল আল্লাহর রচিত, আল্লাহর অবতীর্ণ কিতাব একমাত্র আল কোরানকেই গ্রহণ করতে হবে, আর মানব রচিত অন্য সবকিছুই বিধান হিসাবে বর্জন করতে হবে।
২। বিশ্বাসের জায়গাতে মুশরিকদের ধর্মীয় ব্যবস্থা থেকে সম্পূর্ণভাবে নিজেকে বিচ্ছিন্ন রাখতে হবে।
৩। মসজিদ, মন্দির, গির্জা এমনকি কাবাগৃহ তা যাহাই হোক না কেন, কোথাও কোন মুশরিকের পিছে এত্তেবা বা অনুসরণ করা থেকে বিরত থাকতে হবে।
৪। কোন উপাসনালয় বা ইবাদত গৃহে ব্যক্তিগত পর্যায়ে নিজেদের ইবাদত নামাজ বা ছলাহ করার সুযোগ থাকলে সেখানে নিজেদের ইমামতি বা নিজের নেতৃত্বে ইবাদত করা যাবে। আর যদি বিরোধ বা বিশৃংখলার সম্ভাবনা থাকে, তাহলে ইবাদত গৃহ বর্জন করতে হবে। মনে রাখতে হবে এরূপ অবস্থায় স্বয়ং মোহাম্মদ(স:)কেও কাবা গৃহের মতন উপাসনালয়ে গমন করা থেকে বিরত থাকতে হয়েছিল। তবুও তিনি মুশরিকদেরকে মেনে নেন নাই।
৫। ইবাদত বা আল্লাহর দাসত্ব করার ক্ষেত্রে নিজের খেয়াল খুশির অনুসরণ থেকে বিরত থাকতে হবে। খেয়াল-খুশি থেকে বিরত থেকে, বেদ তন্ত্র বাইবেল তন্ত্র বুখারী তন্ত্র, গণতন্ত্র ধন-তন্ত্র রাজতন্ত্র একনায়ক তন্ত্র সমাজতন্ত্র, যত সমস্ত তন্ত্র-মন্ত্র আছে, সমস্ত কিছু থেকে মুখ ফিরিয়ে, একমাত্র সৃষ্টিকর্তা কর্তৃক প্রদত্ত তন্ত্র ''ইসলাম' তথা আল কুরআন কে আঁকড়ে ধরতে হবে ।
উপরোক্ত বিষয়গুলি বিশ্বাসের সাথে মেনে চলার ঘোষণা দিয়ে, অঙ্গীকারে আবদ্ধ হয়ে, শিরক থেকে মুক্ত হওয়া যায়। ইহাই "লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ"। নাই কোন বিধাতা আল্লাহ ছাড়া। ইহাই কালেমার সাক্ষ্য।
(শিরক সম্পর্কে রেফারেন্স সহ বিস্তারিত জানতে পোস্ট নম্বর ২ দেখুন।)

মুসলিম হয়ে মুসলিমীন দলে অন্তর্ভুক্ত হবার উপায় :

লোকেরা প্রশ্ন করে, আমি কিভাবে মুসলিমিন দলে যোগ দিব? এমন ক্ষেত্রে বলতে চাই, "মুসলিমীন" দল, আল্লাহর মনোনীত দল। এ দলের নামকরণ করেছেন আল্লাহ স্বয়ং নিজে। আদম (আ:) থেকে শুরু করে মোহাম্মদ (স:) পর্যন্ত সমস্ত নবী রাসুলগণ, তাদের দলের এই একই নাম ছিল " মুসলিমীন।" এক্ষেত্রে লক্ষ্যনীয় যে,
দ্বীনের নাম ইসলাম,তা মনোনীত আল্লাহর। এ দ্বীনের সংবিধান আল কোরআন, রচিত আল্লাহর, নামকরণ আল্লাহর । এ দ্বীনের মনোনীত দল "মুসলিমীন", নামকরণ আল্লাহর। এ দলের ইমাম "ওবায়দুল্লাহ ইবনে সিরাজ" মনোনীত আল্লাহর।

আল্লাহর মনোনীত এই মুসলিমীন দলে যোগ দিতে হলে বা আপনাকে মুসলিমিন দলের একজন মুসলিম হিসাবে গণ্য হতে হলে, প্রথমত যা করতে হবে তা এই যে,
আল্লাহকে হাজির-নাজির জেনে, মহান আল্লাহর অদৃশ্য কুদরতি হাতের নিচে হাত রেখে, মুসলিমিন দলের ছায়া তলে হাত তুলে অঙ্গীকার ঘোষণা করে বলতে হবে যে,

১। আল্লাহর সাথে কখনো শরীক করবো না। বিধান হিসাবে আল কুরআন ব্যতীত আর কিছুই বিশ্বাস করব না। কোন মুশরিকের পিছে ইত্তেবা তথা অনুসরণ করবো না।
২। চুরি করবো না, ব্যাভিচার করব না।
৩। অন্যায় ভাবে কাউকেই হত্যা করব না।
৪। কারো বিরুদ্ধে অপবাদ রটনা বা কাউকে অপমান করবো না।
৫। সৎকাজে মুসলিমীন দলের অমান্য করবো না।
৬। পিতা মাতার সাথে অসৎ আচরণ করব না, সর্বদায় সদাচরণ করব।
৭। প্রকাশ্যে অথবা গোপনে অশ্লীল কাজের নিকটে যাবো না।
৮। ইয়াতিম এর সম্পদ আত্মসাৎ করব না।
৯। ওজনে কম দিব না।
১০। কারো সাধ্যের বাইরে দায়িত্বভার অর্পণ করবো না।
১১। আপন জনের বিরুদ্ধে গেলেও ন্যায্য কথা বলব।
১২। বিশ্বাস করব মুসলিমীন দলের ইমাম "ওবায়দুল্লাহ ইবনে সিরাজ" আল্লাহর পক্ষ থেকে নির্ধারিত,বিশেষভাবে জ্ঞানপ্রাপ্ত, আল্লাহর বিধান আল কুরআন অনুযায়ী ইমামকে অনুসরণ করব।
আল্লাহকে বিশ্বাস করে আল্লাহর সাহায্য কামনা করে, উল্লেখিত সৎকর্ম সমূহ পালন করার অঙ্গীকার ঘোষণার মাধ্যমে মুসলিমিন দলের অন্তর্ভুক্ত হওয়া যায়। ইহাই অঙ্গীকারনামা তথা আল্লাহর উদ্দেশ্যে বায়াত।

প্রাথমিকভাবে করনীয় কাজ সমূহ :

লোকেরা প্রশ্ন করে, শিরক কি তা জেনে বুঝে বিশ্বাস করলাম আর শিরক থেকে মুক্ত হলাম । অতঃপর অঙ্গীকার ঘোষণার মাধ্যমে মুসলিমীন দলের একজন মুসলিম হলাম। এমত অবস্থায় আমার কাজ কি?
এমন ক্ষেত্রে বলতে চাই, মুসলিমিন দলের একজন মুসলিম হিসাবে সর্বপ্রথমে আপনার কাজ হল, অঙ্গীকারকৃত বিষয়গুলোর প্রতি সজাগ থেকে, দলের সাথে সম্পৃক্ততার মাধ্যমে আল্লাহর কিতাব আল কুরআনের জ্ঞান অর্জন করা। এ লক্ষ্যে মাতৃভাষায় জেনে বুঝে আল কুরআন নিয়মিত ভাবে অধ্যায়ন করা। কোথাও বুঝতে অসুবিধা হলে আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করা, দলের কোন মুসলিম সদস্য বা ইমামের শরণাপন্ন হওয়া। প্রাথমিকভাবে মুসলিম হবার পর, জ্ঞান অর্জনের লক্ষ্যে আল কোরআন অধ্যায়ন এর,এ কাজ আপনি চালিয়ে যাবেন।
বিশেষ করে নিজের ভূমিকাটা এমন হতে হবে যে, আমার আনুগত্য আমার দ্বিন-দারিত্ব, আল্লাহ ও আল্লাহর মনোনীত মুসলিমিন দলের প্রতি সর্বদাই হবে আন্তরিকতা পূর্ণ। বিষয়টি চূড়ান্ত পর্যায়ে এরূপ হবে যে, আমার সময়,আমার শ্রম,আমার সম্পদ,আমার জীবন, আমার মরণ সবই আল্লাহর জন্য।

বিশেষ দ্রষ্টব্য এই যে, একজন প্রেসিডেন্ট থেকে শুরু করে একজন কামলা-কিষান পর্যন্ত, অথবা একজন বাদশা থেকে শুরু করে একজন ফকির পর্যন্ত, একজন হিন্দু বৌদ্ধ ইহুদী-খ্রিস্টান, সিয়া বা সুন্নি মুসলমান, মুচি বা মেথর যেই হোক না কেন, তিনি নারী হোক কিংবা পুরুষ হোক, যে কেউ চাইলে তিনি শিরক মুক্ত মুসলিমীন দলের একজন মুসলিম হতে পারবেন। যদি তিনি দ্বিন গ্রহণ করে মুসলিম হওয়াতে তার অবস্থান পরিবর্তন করেন তবে তা ভালো। আর যদি,

" কাউকে শিরক করতে বাধ্য করা হয়, অথচ তার অন্তর রয়েছে সত্যের প্রতি অবিচল, এমন ক্ষেত্রে আল্লাহ ক্ষমাশীল ,"

কেবলমাত্র এই বিশেষ কারণে, যদি তিনি নিজেকে নিজ অবস্থান থেকে পরিবর্তন করতে না পারেন, তবুও বিশ্বাস আর আন্তরিকতার কারণে তিনি মুসলিমিন দলের একজন মুসলিম বলেই গণ্য হবেন।
আল্লাহ তোমাদের ধন- সম্পদ, ধনী-দরিদ্র, বাদশাহ-ফকির দেখেন না । তিনি দেখেন তোমাদের তাকওয়া তথা আল্লাহ ভীতি, বুদ্ধি- বিবেক, আন্তরিকতা ও কাজ। নিশ্চয়ই আল্লাহ যাকে ইচ্ছা তাকে হেদায়েত দান করেন। তবে তাকেই তিনি হেদায়েত দান করেন, যে আল্লাহর অভিমুখী হয়। নিশ্চয় আল্লাহ সত্য প্রত্যাখ্যানকারী- অকৃতজ্ঞ, পাপীকে হেদায়েত দান করেন না। যখনই কোন সংবাদ বাহক, এমন বিষয় নিয়ে আগমন করেছেন, যা পথভ্রষ্টদের পছন্দ নয়, তখনই তারা তা প্রত্যাখ্যান করেছে। তারা কতককে মিথ্যুক বলেছে এবং কতককে হত্যা করেছে। তারা বলে যে আন্তরিকভাবেই আমরা সত্য পথে রয়েছি। বরং সত্য প্রত্যাখ্যান করার কারণে আল্লাহ তাদের উপর লান্নৎ করেছেন। তবে অল্প সংখ্যক লোকই এই উপদেশ গ্রহণ করবে।
যারা মনোযোগের সাথে কথা শুনে, অতঃপর সত্যের অনুসরণ করে আল্লাহ তাদেরকে হেদায়েত দান করেন আর তারাই জ্ঞানীগুনি তথা বোধশক্তি সম্পন্ন।
হে আল্লাহ তুমি সকলকে সত্য বুঝার তৌফিক দাও লোকদেরকে ক্ষমা করো তাদেরকে হেদায়েতের ছায়াতলে আশ্রয় দাও। সাহায্য করো তোমার সার্বভৌম তথা বিজয়ী শক্তি দ্বারা।

হেদায়েতুল্লাহ ওবায়দুল্লাহ ইবনে সিরাজ,
ইমাম,
মুসলিমিন (মিল্লাতে আবি কুম ইব্রাহিম), কুষ্টিয়া, ঢাকা, বাংলাদেশ ।

Eid Mubarak
01/05/2022

Eid Mubarak

16/05/2021

MPL will start soon.

01/04/2021

Welcome to MPL

Address

মথুরাপুর, দৌলতপুর, কুষ্টিয়া।
Kushtia

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when MPL posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share

Category