11/02/2021
please Approve
ময়মনসিংহ অন্তর্গত নান্দাইল উপজেলার মুশুলি নবীয়াবাদ একটি পাখি অধ্যষিত গ্রাম। যেখানে পাখির কিচির মিচির ডাক ও সূর্যের বিকিরিত রশ্মিতে যেন তাড়াতাড়ি ভোর হয়ে যায়।ভোর হতেই দ্বখা যায় প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের এক লিলা খেলা।সকাল হতেই পাখিগুলা যখন ঝাকে ঝাকে উড়ে যায় খাবারের উদ্দেশ্যে তখন মনে হয় কোনো অজানা সৌন্দর্যের ভালোবাসা সামনে দিয়ে বয়ে চলেছে।আবার যখন সন্ধায় বাসায় ফিরে আসে তখন মনে হয় যেন নীল আকাশ থেকে এক ঝাক নক্ষত্র নেমে এসেছে। সেই নক্ষত্রগুলো হলঃ শালিক, ময়না, দোয়েল, বক ইত্যাদি। কিন্তু সাম্প্রতিকালেএকটি বিষয় লক্ষ করা যাচ্ছে যে নবীয়াবাদের পার্শ্ববর্তী ইন্দারগাতি গ্রামের কিছু ছেলেরা পাখিগুলোকে বিভিন্ন উপায়ে শিকার করছে।শিকারের মাধ্যমগুলো হলঃঝাকি জাল,জাল(কারেন্ট জাল),জাংগী(বর্শির সুতা ও বাঁশের কাঠি দিয়ে তৈরি পাখি মারার এক বিশেষ যন্ত্র)।পাখি শিকারিদের মধ্যে অন্যতম হল মোঃ আল-আমিন(১৫), পিতাঃমৃত সাইকুল ও মোঃ সাবি মিয়া(১৮), পিতাঃমো রতন মিয়া।বিষয়টি নবীয়াবাদ গ্রামের কিছু সচেতন ছেলেদের চোখে পড়ে,তারা বিভিন্ন কায়দা কৌশলে ইন্দারগাতি ছেলেদের(পাখি শিকারিদের)বুঝানোর চেষ্টা করে।কিন্তু তারা ব্যার্থ।বুঝাতে না পেরে তাদের অভিবাবক সহ ইন্দারগাতি গ্রামের গন্য-মান্য ব্যাক্তিদের অবহিত করেন।কিন্তু তারা কোনো কর্নপাত না করে বরং নবীয়াবাদের ছেলেদের উপর চাপ প্রয়োগ করে যেন তাদের পাখি শিকার করতে বাধা না দেয়।পরে নবীয়াদের ছেলেরা থেমে না গিয়ে বিষয়টি উপজেলা নির্বাহী অফিসারকে অবহিত করেন।কিন্তু দুঃখের বিষয় হল যে এখন পর্যন্ত পাখি শিকার বন্ধ করতে কোনো প্রকার প্রদক্ষেপ নেইনি! এইভাবে যদি চলতে থাকে তবে হয়তো কোনো একদিন এই পাখিগুলো বিলুপ্ত হয়ে যাওয়া পাখিগুলোর মতো বিলুপ্ত হয়ে যাবে।তাই প্রশাসনের নিকট আকুল আবেদন যে পাখি শিকার বন্ধ করতে কার্যকরী পদক্ষেপ গ্রহণ করুন.....