Cubicit

Cubicit IT training center in Karimgonj , near Kishoregonj Polytechnic Institute. To develop IT related skill providing proffessional training

19/01/2017

আগামি শনিবার সকাল ১১ টায় online এ incoming course CPA এর উপর আলোচনা হবে। যারা course টি সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে চান তারা সকলেই আমন্ত্রিত।

19/01/2017

আগামীকাল শুক্রবার [২০-০১-২০১৭] বিকাল ৩ ঘটিকায় MS Office + Network batch এর ক্লাস শুরু হবে।

08/01/2017

ক্যারিয়ার গাইডঃ সফটওয়ার ডেভেলপমেন্ট

08/01/2017

ক্যারিয়ার গাইডঃ সফটওয়ার ডেভেলপমেন্ট
আমরা প্রোগ্রামিং শেখার শুরুতে প্রথমে কোন একটা কোড এডিটরে কোড লিখি। এরপর তা কনসোলে আউটপুট দেখায়। কিন্তু আমরা শুনেছি প্রোগ্রামিং করে সফটওয়ার তৈরি করা যায়। সফটওয়ার গুলোতে কি সুন্দর ইন্টারফেস থাকে, বাটন থাকে, কত অপশন থাকে। পেইন্টের মত সফটওয়ারে আঁকা আঁকি করা যায়, ওয়ার্ড সফটওয়ারে লেখা যায়, ব্রাউজারের মত সফটওয়ার দিয়ে ওয়েবসাইট ব্রাউজ করা যায়। কিন্তু কনসোলে আউটপুট দেখে আমরা হতাশ হই।
কিন্তু জানেন, Hello World প্রোগ্রামটা লিখেছি না? সফটওয়ার তৈরি করা ঐটার মতই সহজ। শুধু জানতে হয় কিভাবে সফটওয়ার তৈরি করতে হয়। প্রতিটা সফটওয়ারের প্রধান দুইটা অংশ থাকে। একটা হচ্ছে ইউজার ইন্টারফেস, আরেকটা হচ্ছে লজিক পার্ট। আপনি যে Hello World প্রোগ্রাম লিখেছেন, ঐটার সাথে ইউজার ইন্টারফেস যুক্ত করে দিলেই সুন্দর একটা সফটওয়ার হয়ে যাবে।
ইউজার ইন্টারফেস হচ্ছে সফটওয়ারের যে অংশ আমরা দেখি। আমরা প্রথম যে প্রোগ্রামিং শিখেছি, যে গুলো কনসোলে আউটপুট দেখায়, সে গুলোকে সাধারনত বলে কনসোল অ্যাপলিকেশন। আর ইউজার ইন্টারফেস যুক্ত সফটওয়ার বা অ্যাপ গুলোকে বলে GUI বা গ্রাফিক্যাল ইউজার ইন্টারফেস যুক্ত অ্যাপলিকেশন।
আপনার যদি প্রোগ্রামিং এর ব্যাসিক ধারণা থাকে, যেমন ভ্যারিয়বল, কন্ট্রোল স্ট্যাটম্যান্ট যেমন for, while, if else, অ্যারে ইত্যাদি, তাহলে আপনি GUI অ্যাপ তৈরি করার জন্য প্রস্তুত। আমরা যত বড় বড় সফটওয়ার দেখি না কেনো, সব কিছুই এই সহজ লজিক গুলো দিয়েই তৈরি। তাই কনসোলে আউটপুট দেখতে দেখতে হতাশ হওয়ার কিছু নেই। কারণ ঐ প্রোগ্রাম গুলো তোমার লজিক তৈরি করতে সাহায্য করে। আপনাকে সুন্দর ভাবে চিন্তা করতে সাহায্য করে। ঐ গুলো ভালো করে জানার পর সফটওয়ার তৈরি করা আপনার জন্য সহজ হয়ে যাবে।
আমরা সাধারণত যে সব প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজের সাথে পরিচিত, সব গুলো দিয়েই GUI অ্যাপ তৈরি করা যায়। যেমন জাভাতে বিল্টইন ক্লাস রয়েছে গ্রাফিক্যাল ইণ্টারফেস তৈরি করার জন্য যার নাম হচ্ছে Java Swing। এ ছাড়া সহজে সফটওয়ার তৈরি করার জন্য রয়েছে অনেক গুলো ফ্রেমওয়ার্ক। যেগুলোতে অনেক গুলো কোড লেখা থাকে। আপনি শুধু আপনার প্রয়োজন মত অল্প কিছু কোড লিখলেই সুন্দর একটা সফটওয়ার তৈরি করতে পারবেন। জাভার জন্য এমন কয়েকটি ফ্রেমওয়ার্ক হচ্ছে Apache Pivot, JavaFX, Drombler FX, JRebirth ইত্যাদি। গুগলে একটু সার্চ দিলেই আপনি এগুলো সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে পারবেন। রয়েছে অনেক টিউটোরিয়াল। ফ্রেমওয়ার্ক নিয়ে কাজ করার আগে আপনাকে মূল প্রোগ্রামিং সম্পর্কে ভালো ভাবে জানতে হবে। তাই যত পারেন, ভিবিন্ন ওয়েব সাইট থেকে প্রোগ্রামিং সমস্যা গুলো সমাধান করার চেষ্টা করুন। এতে আপনার লজিক তৈরির পাশা পাশি ল্যাঙ্গুয়েজ সম্পর্কেও ভালো করে জানা হয়ে যাবে।
যারা C++ জানো, তারা GUI অ্যাপ তৈরি করার জন্য ব্যবহার করতে পারেন QT framework. সি++ এর জন্য রয়েছে Windows Template Library (WTL) যা দিয়ে আপনি ইউজার ইন্টারফেস যুক্ত সফটওয়ার তৈরি করতে পারেন। এ ছাড়া রয়েছে Gtkmm GUI library। এগুলো ছাড়াও আরো অনেক গুলো লাইব্রেরী বা ফ্রেমওয়ার্ক রয়েছে। লাইব্রেরী বা ফ্রেমওয়ার্ক থেকে গুরুত্বপূর্ণ হচ্ছে মূল প্রোগ্রামিং সম্পর্কে সলিড ধারণা। পরে আপনি যে কোন ফ্রেমওয়ার্কই ব্যবহার করতে পারবেন। শেখা কঠিন কিছু হবে না। একটা পছন্দ না হলে আরেকটাতে সহজেই সুইচ করতে পারবেন।
পাইথন প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজের জন্য রয়েছে অনেক গুলো ফ্রেমওয়ার্ক, যেমন Kivy, PyQt, PyGUI ইত্যাদি। এক একটা ফ্রেমওয়ার্কে এক এক ধরণের ফিচার থাকে। একটা সম্পর্কে ভালো ভাবে জানলে আপনি বুঝতে পারবেন আপনার কোন ফ্রেমওয়ার্ক দরকার। প্রথমে যে ফ্রেমওয়ার্ক দিয়ে শুরু করেছেন, এমন না যে সব সময় ঐটাতেই কাজ করতে হবে। যে কোন সময় আপনি ফ্রেমওয়ার্ক পরিবর্তন করতে পারবেন।
প্রায় ল্যাঙ্গুয়েজ এবং ফ্রেমওয়ার্ক দিয়ে ক্রসপ্লাটফরম সফটওয়ার তৈরি করা আয়। ক্রসপ্লাটফরম সফটওয়ার বা অ্যাপ বলতে ঐ অ্যাপ বা সফটওয়ার গুলো সব গুলো প্লাটফরমেই কাজ করবে। যেমন উইন্ডোজ, ম্যাক বা লিনাক্স, সব জায়গায়। যদি আপনি ক্রসপ্লাটফরম সফটওয়ার তৈরি করতে চান, দেখে নিন আপনার পছন্দ করে ফ্রেমওয়ার্ক দিয়ে ক্রসপ্লাটফর্ম সফটওয়ার তৈরি করা যায় কিনা। যদি না যায়, তাহলে অন্য ফ্রেমওয়ার্ক পছন্দ করে নিতে পারেন।
ম্যাকের জন্য সফটওয়ার তৈরি করার জন্য তাদের অফিশিয়াল ল্যাঙ্গুয়েজ এবং টুলকিট রয়েছে। উপরের ল্যাঙ্গুয়েজ ছাড়াও ম্যাকের জন্য সফটওয়ার তৈরির জন্য অ্যাপলের অফিশিয়াল ল্যাঙ্গুয়েজ হচ্ছে Objective C এবং Swift। সুইফট নতুন একটা ল্যাঙ্গুয়েজ। রয়েছে অনেক নতুন ফিচার। সুইফট দিয়ে আবার ক্রসফ্লাটফরম অ্যাপ ও তৈরি করা যাবে।
GUI অ্যাপ তৈরি করার জন্য মাইক্রোসফটের সেরা একটা ল্যাঙ্গুয়েজ হচ্ছে C # (সি শার্প)। সহজে অ্যাপ তৈরি করার জন্য রয়েছে Visual Studio IDE। IDE এর পূর্ণরুপ হচ্ছে Integrated development environment। IDE তে সফটওয়ার বা অ্যাপ তৈরি করার জন্য যে সব টুল দরকার হয়, সব কিছু এক সাথে ইন্ট্রিগ্রেট থাকে। প্রায় সব গুলো ল্যাঙ্গুয়েজের জন্য IDE রয়েছে। যেমন জাভার জন্য Eclipse, সুইফট এবং অবজেক্টিভ সি এর জন্য Xcode, পাইথনের জন্য PyCharm ইত্যাদি। আবার একই IDE তে একের অধিক ল্যাঙ্গুয়েজ নিয়ে কাজ করা যায়। রয়েছে বিভিন্ন প্লাগিন। প্লাগিন বা মডিউল যুক্ত করে নিয়ে ভিন্ন ভিন্ন ফ্রেমওয়ার্ক নিয়েও কাজ করা যায়। ল্যাঙ্গুয়েজের পাশা পাশি আপনি আপনার পছন্দ অনুযায়ী IDE খুঁজে নিতে পারেন। IDE সম্পর্কে ভালো ভাবে জানলে ডেভেলপমেন্ট আপনার জন্য সহজ হয়ে যাবে।
সফটয়ারের একটা গুরুত্বপূর্ণ অংশ হচ্ছে ডেটাবেজ। যদিও সব গুলো সফটওয়ারে ডেটাবেজের দরকার হয় না। যে সব অ্যাপে কোন ডেটা স্টোর করে রাখার দরকার হয়, সেগুলোতে ডেটাবেজ ব্যবহার করার প্রয়োজন হয়। Oracle, MySQL, Microsoft SQL ইত্যাদি যে কোন ডেটাবেজই আপনি ব্যবহার করতে পারেন। এগুলো ছাড়াও আরো অনেক ডেটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম রয়েছে। যেমন Light Weight ডেটাবেজের জন্য SQLite। এগুলো সবই হচ্ছে রিলেশনাল ডেটাবেজ ম্যানজম্যান্ট সিস্টেম। আবার নন রিলেশনাল ডেটাবেজ ম্যানজম্যান্ট সিস্টেম রয়েছে, যেমন MongoDB। কি ধরণের ডেটাবেজ ম্যানজম্যান্ট সিস্টেম ব্যবহার করবে, তা নির্ভর করবে ডেটার উপর। এখন শুধু টার্ম গুলোর সাথে পরিচিত হয়ে নিন। এরপর আপনি আস্তে আস্তে এগুলো শিখতে পারবে বিভিন্ন আর্টিকেল, বই ইত্যাদি থেকে।
উপরে মাত্র অল্প কয়েকটি ল্যাঙ্গুয়েজ এবং ফ্রেমওয়ার্ক এর কথা লিখেছি। এগুলো ছাড়াও আরো অনেক অনেক ল্যাঙ্গুয়েজ এবং ফ্রেমওয়ার্ক রয়েছে। আপনাকে সব গুলো ল্যাঙ্গুয়েজ শিখতে হবে না। আবার শিখতে হবে না একটা ল্যাঙ্গুয়েজের সব গুলো ফ্রেমওয়ার্ক। আপনামে ভালো করে জানতে হবে মাত্র একটি ল্যাঙ্গুয়েজ। জানতে হবে একটি ল্যাঙ্গুয়েজের একটি ফ্রেমওয়ার্ক। ভালো ভাবে! কারণ ল্যাঙ্গুয়েজ বা ফ্রেমওয়ার্ক থেকেও গুরুত্বপূর্ণ হচ্ছে লজিক, অ্যালগরিদম, ডেটা স্ট্রাকচার, সফটওয়্যার আর্কিটেকচার, সফটওয়ার ডেভেলপমেন্ট প্রসেস ইত্যাদি।
দেখুন না, প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ মাত্র একটা অংশ। এর পরে আরো কত গুলো অংশ জানতে হয় ভালো সফটওয়ার তৈরি করতে। ভয় পাবেন না। আপনি শুধু ল্যাঙ্গুয়েজ এবং ফ্রেমওয়ার্ক জেনেই সফটওয়ার তৈরি করা শুরু করতে পারেন। তখন আপনি নিজেই বুঝতে পারবেন, আপনার সফটওয়ারটাকে ভালো করার জন্য আরো কত কিছু শিখতে হবে। আর তা আপনি আস্তে আস্তে শিখে নিতে পারবেন। কেউই সব কিছু জেনে সফটওয়ার ডেভেলপমেন্ট শুরু করতে পারে না। সফটওয়ার তৈরি করতে করতেই নিজের জ্ঞান বাড়িয়ে নেয়।
আপনার কম্পিউটারে কত গুলো সফটওয়ার ইন্সটল করা রয়েছে। অনলাইনে রয়েছে কত লক্ষ সফটওয়ার। যে গুলো ডাউনলোড করে আমরা ব্যবহার করতে পারি। কিছু সফটওয়ার কিনতে হয়, কিছু সফটওয়ার ফ্রিতে ডাউনলোড করা যায়। এই যত গুলো সফটওয়ারই আপনি দেখেন না কেনো, সব গুলোই তৈরি করেছে আমার মত আপনার মত কেউ। কিছু কিছু সফটওয়ার একা একা তৈরি করা যায়। কিছু কিছু সফটওয়ার তৈরি করতে অনেক ডেভেলপারের সাথে কাজ করতে হয়। আবার অনেক ডেভেলপারের সাথে কাজ করতে গেলে মানতে হয় কিছু নিয়ম কানুন। ব্যবহার করতে হয় সোর্স কন্ট্রোল সিস্টেম, যেমন Git। আমার উদ্দ্যেশ্য হচ্ছে আপনাকে এই টার্ম গুলোর সাথে পরিচয় করিয়ে দেওয়া। যেন আপনি জেনে নিতে পারেন আপনার কি শিখতে হবে। যে সব টার্ম তোমার অপরিচিত, সেগুলো লিখে গুগলে সার্চ করতে পারেন। অনেক আর্টিকেল পাবেন, সেগুলো পড়ুন। পাবেন অনেক বই। বই এর দোকানে নিয়ে বই কিনে এনে পড়তে পারেন। ইউটিউভে ভিডিও দেখতে। এভাবেই শিখতে হয়। এভাবেই শিখে সবাই। সফটওয়ার বিজনেস করেই বিলগেটস পৃথিবীর সেরা ধনী। পৃথিবীর টপ ৫০ জন ধনীর মধ্যে অর্ধেকেরও বেশি হচ্ছে প্রোগ্রামার। জানুন, জেনে দারুণ কিছু করুন।......................................................................Collected

CPA Marketing কি:  আল্লাহ্র নাম নিয়ে আজ সাহস করে বসে পড়লাম CPA Marketing সম্পর্কে লিখার জন্য। যদিও বিষায়টি আমার নিজের কা...
04/01/2017

CPA Marketing কি:
আল্লাহ্র নাম নিয়ে আজ সাহস করে বসে পড়লাম CPA Marketing সম্পর্কে লিখার জন্য। যদিও বিষায়টি আমার নিজের কাছেও কিছুটা নতুন, তবুও আমার ছোট মাথায় CPA Marketing সম্পর্কে যা অল্প কিছু যানা আছে তা আপনাদেরকে যানানোর জন্যই আমার এই লেখা।
আজকাল অনলআইনে ক্যারিয়ার গড়ার ধুম লেগেছে। এই বিষায়টিকে পুঁজি করে ইতিমধ্যে অনেক অসাধু ব্যক্তি শুরু করেছে প্রতারণার নতুন ব্যাবসা। কাজেই সবইকে যানানো জন্য বলছি অনলাইনে আয় করার অন্যতম উপায় গুলো হল ফ্রিলেন্সিং, ব্লগিং এবং অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং। এগুলো ছাড়াও অনেক আয় করার উপায় আছে তবে এই ৩টি উপায়ে সবচেয়ে জনপ্রিয়।
এবার আসি মূল বিষয় CPA Marketing এ। CPA Marketing মূলত এক ধরনের অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং কিন্তু এটি অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং তুলনায় অনেক সহজ (তবে অতটাও না)। কাজেই CPA মার্কেটিং দিয়ে আয়ের সম্ভাবনাও বেশি। টিউনটির শেষ অংশে CPA মার্কেটিং নিয়ে আমার নিজের ছোট অভিজ্ঞতা শেয়ার করবো।
অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং সম্পর্কে নিয়মিত সাহায্য পেতে চাইলে রিফাত আহমেদ ভাইয়ের ফেইসবুক গ্রুপ Affiliate Marketers BD তে জয়েন করতে পারেন।
CPA মার্কেটিং কী?
CPA এর পূর্ণরূপ হল Cost Per Action অর্থাৎ আপনার লিঙ্কের মাধ্যমে গিয়ে কেউ নির্দিষ্ট পদক্ষেপ নিলেই আপনার অ্যাকাউন্টে ডলার জমা হবে। পদক্ষেপটি হতে পারে Email submit করা, Zip code submit করা, কিছু Download করা, Survey complete করা, কিছু Order দেওয়া ইত্যাদি। কাজেই অধিকাংশ CPA প্রডাক্ট ফ্রী বলে কনভার্ট এর পরিমাণও বেশি হয়। প্রতিটি কনভার্ট এর জন্য সাধারণত $0.50 থেকে $20 পর্যন্ত পে করে থাকে। তবে বিশেষ কিছু প্রোডাক্টে $250 বা তার চেয়েও বেশি পাওয়া যায়। এ ধরনের মার্কেটিং PPL বা Paid Per Lead মার্কেটিং নামেও পরিচিত।
কেন আপনি CPA মার্কেটিং করবেন?
অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং এর ক্ষেত্রে আপনাকে বায়ার খুজে প্রোডাক্ট সেল করতে হয় অপর দিকে CPA মার্কেটিং এ ভিসিটর নির্দিষ্ট পদক্ষেপ নিলেই আপনার কাজ শেষ। তাছারা ফ্রী প্রোডাক্ট নিতে অনেকেই ভালবাসে যার জন্য CPA মার্কেটিং এর জন্য Lead/Convert পাওয়া অনেকটাই সহজ। মূলত সহজে Lead/Convert পাওয়া যায় বলেই আপনার উচিত CPA মার্কেটিং নিয়ে কাজ শুরু করা।
কিভাবে সহজে Lead/Convert পাবেন?
আমি আমার সল্প অভিজ্ঞতা থেকে Lead/Convert পাওয়ার কিছু টেকনিক নিচে লিখলামঃ
১। Social media সাইটে টার্গেটেড গ্রুপ বা মানুষ খুঁজে Lead পেতে পারেন।
২। নিজের ব্লগ থাকলে তা দিয়ে রিলেটেড প্রোডাক্ট প্রমোট করতে পারেন।
৩। Video মার্কেটিং করে Lead/Convert নিতে পারেন।
৪। শুধু মাত্র CPA মার্কেটিং এর জন্য নতুন নিচ সাইট খুলে Lead/Convert নিতে পারেন।
৫। আর্টিকেল মার্কেটিং করে প্রোডাক্ট প্রমোট করতে পারেন।
৬। E-mail লিস্ট তৈরী করে বা কিনে তা দিয়ে E-mail মার্কেটিং এর মাধ্যমে Lead পেতে পারেন।
৭। কিছু ওয়েবসাইট বা ব্লগ টার্গেট করে ব্যানার অ্যাড দিতে পারেন।
এ ছাড়াও বিভিন্ন পেইড এবং ফ্রী পদ্ধতিতে CPA মার্কেটিং এর প্রোডাক্ট প্রমোট করে Lead পাওয়া যায়।
ভাল CPA নেটওয়ার্ক গুলো কী কী?
অনেক গুলো CPA নেটওয়ার্ক আছে যেগুলো বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে Lead প্রমোট করার সুযোগ দিয়ে থাকে। আমার পরিচিত কিছু ভাল এবং বিশ্বস্ত CPA নেটওয়ার্কের নাম নিম্নে দেওয়া হল।
1. http://clicksure.com
2. http://peerfly.com
3. http://cpalead.com
4. http://maxbounty.com
5. http://adscendmedia.com
6. http://affiliaxe.com
CPA মার্কেটিং নিয়ে আমার অভিজ্ঞতাঃ
আমি এখন মূলত cpalead.com নিয়ে কাজ শুরু করেছি। আমি Lead নেওয়ার জন্য সম্পূর্ণ নতুন একটি নিচ সাইট তৈরী করে সেটার SEO করছি। আমার নতুন নিচ সাইটটির বয়স মাত্র ৪০ দিন। এই সল্প সময়ে খুবই কম, মাত্র ৬টি Lead ($9.64) পেয়েছি। আশা করি আপনাদের দোয়ায় ভবিষ্যতে আরো ভাল কিছু করতে পারবো। এই নিচ প্রোজেক্ট এর পাশাপাশি আমার নিজের ব্লগ Techmasi.com তো আছেই।
আশা করি টিউনটি আপনাদের ভাল লেগেছে। যদি কোন ভুল করে থাকি ছোট ভাই মনে করে ক্ষমা করে দিবেন। আমার জন্য আপনারা দোয়া করবেন যেন ভাল কিছু করতে পারি এবং আপনাদের মূল্যবান কিছু উপহার দিতে পারি। আপনাদের সাহায্যের জন্য আমাকে খুঁজে পাবেন নিম্নের ফেইসবুক গ্রুপ গুলোতে।
………………………………..টিউন করেছেন : এম.এস.আই সাকিব |

31/12/2016

শীঘ্রই Cubicit তে CPA course শুরু হতে যাচ্ছে । নিশ্চিত online Income করতে courseটি করে ফেলুন।

প্রাইমারি স্কুলের ফলাফল-২০১৬http://www.dpe.gov.bd/
29/12/2016

প্রাইমারি স্কুলের ফলাফল-২০১৬
http://www.dpe.gov.bd/

24/11/2016

Tomorrow Friday (25-11-16) at 03:30PM networking + MS Office class will be held.

28/10/2016

বাংলা টাইপিং এ যারা দুর্বল তাদের কাজে লাগবে।
১. ক্ষ = ক+ষ
২. ষ্ণ = ষ+ণ
৩. জ্ঞ = জ+ঞ
৪. ঞ্জ = ঞ+জ
৫. হ্ম = হ+ম
৬. ঞ্চ = ঞ+চ
৭. ঙ্গ = ঙ+গ
৮. ঙ্ক = ঙ+ক
৯. ট্ট = ট + ট
১০. ক্ষ্ম = ক্ষ + ম = ‍ক + ষ + ম
১১. হ্ন = হ + ন
১২. হ্ণ = হ + ণ
১৩. ব্ধ = ব + ধ
১৪. ক্র = ক + ্র (র-ফলা)
১৫. গ্ধ = গ + ধ
১৬. ত্র = ত + ্র (র-ফলা)
১৭. ক্ত = ক + ত
১৮. ক্স = ক + স
১৯. ত্থ = ত + থ (উদাহরন: উত্থান,
উত্থাপন)
২০. ত্ত = ত + ত (উদাহরন: উত্তম, উত্তর,
সত্তর)
২১. ত্ম = ত + ম (উদাহরন: মাহাত্ম্য)
নিচের যুক্তবর্ণের
তালিকাটি বাংলা সঠিকভাবে ল
িখতে সহায়ক হতে পারে।
এখানে বাংলায় ব্যবহৃত
২৮৫টি যুক্তবর্ণ দেওয়া হয়েছে। এর
বাইরে কোন যুক্তবর্ণ সম্ভবত বাংলায়
প্রচলিত নয়।
ক্ক = ক + ক; যেমন- আক্কেল, টেক্কা
ক্ট = ক + ট; যেমন- ডক্টর (মন্তব্য: এই
যুক্তাক্ষরটি মূলত ইংরেজি/
বিদেশী কৃতঋণ শব্দে ব্যবহৃত)
ক্ট্র = ক + ট + র; যেমন- অক্ট্রয়
ক্ত = ক + ত; যেমন- রক্ত
ক্ত্র = ক + ত + র; যেমন- বক্ত্র
ক্ব = ক + ব; যেমন- পক্ব, ক্বণ
ক্ম = ক + ম; যেমন- রুক্মিণী
ক্য = ক + য; যেমন- বাক্য
ক্র = ক + র; যেমন- চক্র
ক্ল = ক + ল; যেমন- ক্লান্তি
ক্ষ = ক + ষ; যেমন- পক্ষ
ক্ষ্ণ = ক + ষ + ণ; যেমন- তীক্ষ্ণ
ক্ষ্ব = ক + ষ + ব; যেমন- ইক্ষ্বাকু
ক্ষ্ম = ক + ষ + ম; যেমন- লক্ষ্মী
ক্ষ্ম্য = ক + ষ + ম + য; যেমন- সৌক্ষ্ম্য
ক্ষ্য = ক + ষ + য; যেমন- লক্ষ্য
ক্স = ক + স; যেমন- বাক্স
খ্য = খ + য; যেমন- সখ্য
খ্র = খ+ র যেমন; যেমন- খ্রিস্টান
গ্ণ = গ + ণ; যেমন - রুগ্ণ
গ্ধ = গ + ধ; যেমন- মুগ্ধ
গ্ধ্য = গ + ধ + য; যেমন- বৈদগ্ধ্য
গ্ধ্র = গ + ধ + র; যেমন- দোগ্ধ্রী
গ্ন = গ + ন; যেমন- ভগ্ন
গ্ন্য = গ + ন + য; যেমন- অগ্ন্যাস্ত্র,
অগ্ন্যুৎপাত, অগ্ন্যাশয়
গ্ব = গ + ব; যেমন- দিগ্বিজয়ী
গ্ম = গ + ম; যেমন- যুগ্ম
গ্য = গ + য; যেমন- ভাগ্য
গ্র = গ + র; যেমন- গ্রাম
গ্র্য = গ + র + য; যেমন- ঐকাগ্র্য, সামগ্র্য,
গ্র্যাজুয়েট
গ্ল = গ + ল; যেমন- গ্লানি
ঘ্ন = ঘ + ন; যেমন- কৃতঘ্ন
ঘ্য = ঘ + য; যেমন- অশ্লাঘ্য
ঘ্র = ঘ + র; যেমন- ঘ্রাণ
ঙ্ক = ঙ + ক; যেমন- অঙ্ক
ঙ্ক্ত = ঙ + ক + ত; যেমন- পঙ্ক্তি
ঙ্ক্য = ঙ + ক + য; যেমন- অঙ্ক্য
ঙ্ক্ষ = ঙ + ক + ষ; যেমন- আকাঙ্ক্ষা
ঙ্খ = ঙ + খ; যেমন- শঙ্খ
ঙ্গ = ঙ + গ; যেমন- অঙ্গ
ঙ্গ্য = ঙ + গ + য; যেমন- ব্যঙ্গ্যার্থ,
ব্যঙ্গ্যোক্তি
ঙ্ঘ = ঙ + ঘ; যেমন- সঙ্ঘ
ঙ্ঘ্য = ঙ + ঘ + য; যেমন- দুর্লঙ্ঘ্য
ঙ্ঘ্র = ঙ + ঘ + র; যেমন- অঙ্ঘ্রি
ঙ্ম = ঙ + ম; যেমন- বাঙ্ময়
চ্চ = চ + চ; যেমন- বাচ্চা
চ্ছ = চ + ছ; যেমন- ইচ্ছা
চ্ছ্ব = চ + ছ + ব; যেমন- জলোচ্ছ্বাস
চ্ছ্র = চ + ছ + র; যেমন- উচ্ছ্রায়
চ্ঞ = চ + ঞ; যেমন- যাচ্ঞা
চ্ব = চ + ব; যেমন- চ্বী
চ্য = চ + য; যেমন- প্রাচ্য
জ্জ = জ + জ; যেমন- বিপজ্জনক
জ্জ্ব = জ + জ + ব; যেমন- উজ্জ্বল
জ্ঝ = জ + ঝ; যেমন- কুজ্ঝটিকা
জ্ঞ = জ + ঞ; যেমন- জ্ঞান
জ্ব = জ + ব; যেমন- জ্বর
জ্য = জ + য; যেমন- রাজ্য
জ্র = জ + র; যেমন- বজ্র
ঞ্চ = ঞ + চ; যেমন- অঞ্চল
ঞ্ছ = ঞ + ছ; যেমন- লাঞ্ছনা
ঞ্জ = ঞ + জ; যেমন- কুঞ্জ
ঞ্ঝ = ঞ + ঝ; যেমন- ঝঞ্ঝা
ট্ট = ট + ট; যেমন- চট্টগ্রাম
ট্ব = ট + ব; যেমন- খট্বা
ট্ম = ট + ম; যেমন- কুট্মল
ট্য = ট + য; যেমন- নাট্য
ট্র = ট + র; যেমন- ট্রেন (মন্তব্য: এই
যুক্তাক্ষরটি মূলত ইংরেজি/
বিদেশী কৃতঋণ শব্দে ব্যবহৃত)
ড্ড = ড + ড; যেমন- আড্ডা
ড্ব = ড + ব; যেমন- অন্ড্বান
ড্য = ড + য; যেমন- জাড্য
ড্র = ড + র; যেমন- ড্রাইভার, ড্রাম
(মন্তব্য: এই যুক্তাক্ষরটি মূলত ইংরেজি/
বিদেশী কৃতঋণ শব্দে ব্যবহৃত)
ড়্গ = ড় + গ; যেমন- খড়্গ
ঢ্য = ঢ + য; যেমন- ধনাঢ্য
ঢ্র = ঢ + র; যেমন- মেঢ্র (ত্বক) (মন্তব্য:
অত্যন্ত বিরল)
ণ্ট = ণ + ট; যেমন- ঘণ্টা
ণ্ঠ = ণ + ঠ; যেমন- কণ্ঠ
ণ্ঠ্য = ণ + ঠ + য; যেমন- কণ্ঠ্য
ণ্ড = ণ + ড; যেমন- গণ্ডগোল
ণ্ড্য = ণ + ড + য; যেমন- পাণ্ড্য
ণ্ড্র = ণ + ড + র; যেমন- পুণ্ড্র
ণ্ঢ = ণ + ঢ; যেমন- ষণ্ঢ
ণ্ণ = ণ + ণ; যেমন- বিষণ্ণ
ণ্ব = ণ + ব; যেমন- স্হাণ্বীশ্বর
ণ্ম = ণ + ম; যেমন- চিণ্ময়
ণ্য = ণ + য; যেমন- পূণ্য
ৎক = ত + ক; যেমন- উৎকট
ত্ত = ত + ত; যেমন- উত্তর
ত্ত্ব = ত + ত + ব; যেমন- সত্ত্ব
ত্ত্য = ত + ত + য; যেমন- উত্ত্যক্ত
ত্থ = ত + থ; যেমন- অশ্বত্থ
ত্ন = ত + ন; যেমন- যত্ন
ত্ব = ত + ব; যেমন- রাজত্ব
ত্ম = ত + ম; যেমন- আত্মা
ত্ম্য = ত + ম + য; যেমন- দৌরাত্ম্য
ত্য = ত + য; যেমন- সত্য
ত্র = ত + র যেমন- ত্রিশ, ত্রাণ
ত্র্য = ত + র + য; যেমন- বৈচিত্র্য
ৎল = ত + ল; যেমন- কাৎলা
ৎস = ত + স; যেমন- বৎসর, উৎসব
থ্ব = থ + ব; যেমন- পৃথ্বী
থ্য = থ + য; যেমন- পথ্য
থ্র = থ + র; যেমন- থ্রি (three) (মন্তব্য: এই
যুক্তাক্ষরটি মূলত ইংরেজি/
বিদেশী কৃতঋণ শব্দে ব্যবহৃত)
দ্গ = দ + গ; যেমন- উদ্গম
দ্ঘ = দ + ঘ; যেমন- উদ্ঘাটন
দ্দ = দ + দ; যেমন- উদ্দেশ্য
দ্দ্ব

29/09/2016

Greetings,
Tomorrow morning 10:30am Friday (30-09-16) will be held an orientation program on IT training, IT job career, Online outsourcing.
Admission is going on:
1. Hardware-1500,
2. Networking: 1500,
3.Office package: 1500,
4. Graphics: 6500,
5.Web Dgn: 5000 and many more courses.

Visit our office to get discount.
Address:
CUBIC IT training center, Jagat Shaha Bari, Karimgonj, near- KPI.
Mob: 01744 201 201

18/07/2016

After Semester final exam we start our next Training Batch.
Courses are as following:
A+ CERTIFICATION
RESPONSIVE WEB DESIGN
ADVANCE WEB DESIGN & DEVELOPMENT COURSE
Graphics Design
DATABASE ADMINISTRATION (DBA)
Search Engine optimization SEO-Course
Outsourcing / Freelancing.
For any query please visit CUBIC IT office. Next Friday (22-07-16) I will there.

24/03/2016

1. Start the Windows operating system that you want to keep.
2. To determine the Windows folder that you want to keep, click Start, click Run, type %windir%, and then click OK. Remember the folder that is opened. For example, the folder may be C:\Windows.

Note This is your "working" Windows folder. Do not delete or remove this folder from the partition.
3. In Windows Explorer, find the Windows folder that you want to remove.

Important Make sure that this folder is not the folder that you identified as your "working" Windows folder in step 2.
4. Right-click the Windows folder that you want to remove, and then click Delete.
5. Click Yes to confirm the deletion of the folder.
6. Click Start, right-click My Computer, and then click Properties.
7. On the Advanced tab, under Startup and Recovery, click Settings. The Startup and Recovery dialog box appears.
8. Under System startup, click Edit to modify the Boot.ini file.

The Boot.ini file opens in Notepad and looks similar to the following:
9. [boot loader]
10. timeout=30
11. default=multi(0)disk(0)rdisk(0)partition(1)\WINDOWS
12. [operating systems]
13. multi(0)disk(0)rdisk(0)partition(1)\WINDOWS="Microsoft Windows XP Professional"
14. /fastdetect
15. multi(0)disk(0)rdisk(0)partition(1)\WINDOWS.0="Microsoft Windows XP Home"
/fastdetect
16. On the File menu in Notepad, click Save As, and then save a backup copy of the Boot.ini file that is named Boot.old.
17. On the File menu, click Exit to close the backup copy of the Boot.ini file.
18. In the Startup and Recovery dialog box, under System startup, click Edit to reopen the Boot.ini file.
19. In the [boot loader] section of the Boot.ini file, identify and then delete the line of text for the Windows operating system that you want to remove. For example, if the Windows folder that you removed in step 4 was for the Microsoft Windows XP Home Edition operating system, remove the following line of text from the Boot.ini file:
20. multi(0)disk(0)rdisk(0)partition(1)\WINDOWS.0="Microsoft Windows XP Home"
/fastdetect
21. On the File menu, click Save to save your changes to the Boot.ini file.
22. On the File menu, click Exit to close the Boot.ini file.
23. Click OK to close the Startup and Recovery dialog box.
24. Restart your computer.

Address

Jafrabad, Karimganj
Kishoreganj
2300

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Cubicit posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Cubicit:

Share