16/07/2025
#আব্দুল_কাইয়ুম_সেন্টু (ফুটবলার থেকে দেশসেরা কোচ)
২০০৩ সাফ চ্যাম্পিয়ন #বাংলাদেশ জাতীয় দলের গর্বিত ফুটবলার আব্দুল কাইয়ুম সেন্টুর বাড়ি #কিশোরগঞ্জে। পিতার চাকুরীর সুবাদে জন্ম ও বেড়ে উঠা বরিশাল জেলায়। সেখানেই তাঁর ফুটবলে হাতেখড়ি।জন্ম ১৯৭৯ সালের ১লা সেপ্টেম্বর।
ছোটবেলা থেকেই সেন্টুর স্বপ্ন ছিলো ফুটবলার হওয়ার। শুরুটা হয়েছিলো ১৯৯২ সালে তৎকালীন ধানমন্ডি ক্লাবের হয়ে। তারপর ১৯৯৫ সালের দলবদলে যোগ দেন অফিস দল অগ্রণী ব্যাংকে। দুই বছর অগ্রণী ব্যাংকে সুনামের সাথে খেলে ঢাকার ফুটবলে ক্রিয়েটিভ মিডফিল্ডার হিসেবে সকলের নজর আসেন। ঐবছরই সেন্টু আবাহনীর কর্তাদের নজরে আসেন । ১৯৯৭ সালে আবাহনী লিমিটেডে যোগ দেন। ২০০০ সাল পর্যন্ত তিনি আবাহনীতে খেলেন। আবাহনীর টানা তিনবার ফেডারেশন কাপ শিরোপা জয়ে অসাধারণ ভূমিকাও পালন করেন #সেন্টু।
২০০২ সালে যোগ দেন আবাহনীর চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী ঐতিহ্যবাহী ঢাকা মোহামেডান স্পোর্টিং ক্লাবে। মোহামেডানের হয়ে ২০০২ সালে ফেডারেশন কাপ শিরোপা ও লিগ শিরোপা, ২০০২-০৩ সালে নিটল টাটা জাতীয় লিগ শিরোপা এবং ২০০৩ সালে ফেডারেশন কাপে রানার্স আপ ট্রফি জয়ে অসামান্য অবদান রাখেন।
দর্শক নন্দিত এই মিডফিল্ডার ২০০৭-০৮ মৌসুমে আবারো জার্সি বদল করে যোগ দেন মুক্তিযোদ্ধা সংসদে। মধ্যমাঠের নিপুণ কারিগর সেন্টু মুক্তিযোদ্ধা সংসদে খেলেই তার খেলোয়াড়ি জীবনের ইতি টেনেছিলেন।
সেন্টু তাঁর খেলোয়াড়ী জীবনে ক্লাব ফুটবলের পাশাপাশি অনূর্ধ্ব-১৬, অনূর্ধ্ব-১৯ জাতীয় দলে চমৎকার নৈপুণ্য দেখিয়ে মূল জাতীয় দলে নিজ সুনামের সাথে খেলেছেন, দেখিয়েছেন নান্দনিক নৈপুণ্য। দূর্দান্ত খেলোয়াড়ি জীবনে ২০০৩ #সাফ_চ্যাম্পিয়ন শিরোপা জয় তাঁর খেলোয়াড়ি জীবনে স্মরণীয় এক ঘটনা।
সেন্টু খেলোয়াড়ি জীবনের ইতি টেনে দেশের ফুটবলকে ভালো কিছু দেওয়ার তাগিদ অনুভব করেন। পর্যায়ক্রমে তিনি সম্পন্ন করেন এএফসি-সি, এএফসি-বি লাইসেন্স। ২০১৯ সালে তিনি এএফসি-এ লাইসেন্স সম্পন্ন করেন।
বর্ণাঢ্য কোচিং ক্যারিয়ারে ২০০৯-১০ সালে বাফুফের কোচ হিসেবে, ২০১১-১২ সালে ঢাকা মোহামেডানে, ২০১৩-১৪ সালে মুক্তিযোদ্ধা সংসদে, ২০১৫ সালে ঢাকা মোহামেডানে, ২০১৬-১৭ সালে মুক্তিযোদ্ধা সংসদে, ২০১৮ সালে আরামবাগে, ২০১৯-২০ সালে মুক্তিযোদ্ধা সংসদে, ২০২১ সালে ব্রাদার্সে, ২০২২ সালে চট্টগ্রাম আবাহনীতে, ২০২৩ সালে শেখ জামাল ও ঢাকা মোহামেডানে কোচিং করান।
কোচ #সেন্টু বিভিন্ন বয়স ভিত্তিক জাতীয় দলে দক্ষতার সাথে কাজ করেছেন। দেশের ফুটবল ইতিহাসে স্বনামধন্য কোচ #সেন্টু বর্তমানে মোহামেডানের সহকারী কোচ হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। পাশাপাশি #বাফুফে তে কর্মরত আছেন।
ব্যাক্তিগত জীবনে সজ্জন, সদা হাস্যোজ্জ্বল সদালাপী #সেন্টুর জন্য Kishoreganj sports পরিবারের পক্ষ থেকে রইলো অভিনন্দন ও শুভকামনা।