Glamour Sports

Glamour Sports Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Glamour Sports, রাসেল স্কয়ার, নাথপট্টি লেকের দক্ষিণ পাশে, Kakchira.

সবাই কয় অশাধারন জয়। রেন্ডিয়া অঘটন কয়। হলারা জীবনে ভালো হইবেনা
03/06/2019

সবাই কয় অশাধারন জয়। রেন্ডিয়া অঘটন কয়। হলারা জীবনে ভালো হইবেনা

যেভাবে ২০৩০ সালে বিশ্বকাপ ফুটবল খেলতে পারে বাংলাদেশগায়েতা। ইতালির একটি ছোট্ট শহর। নিরিবিলি এ শহর ঘিরে আছে ফুল আর ফল, সঙ...
10/07/2018

যেভাবে ২০৩০ সালে বিশ্বকাপ ফুটবল খেলতে পারে বাংলাদেশ

গায়েতা। ইতালির একটি ছোট্ট শহর। নিরিবিলি এ শহর ঘিরে আছে ফুল আর ফল, সঙ্গে তার চারপাশে সাগরের জলের স্পর্শ এবং কিছু পুরাতন ঐতিহ্য। যার আদলে তৈরি হয়েছে এক মনোরম পরিবেশ।
এক মানব বাসস্থান। সারাদিন ঘুরাঘুরি ও ছেলের টেনিস খেলার শেষে সাগর পাড়ে চলাফেরা সঙ্গে লবণাক্ত নীল জলে সাঁতরে বেড়িয়ে সত্যিই এক আনন্দদায়ক সময় কেটে যাচ্ছে ইতালির শহরতলী গায়েতায়।
প্রতিদিনকার সকালে আমার ছেলে টেনিস খেলোয়াড় জনাথনকে নিয়ে টেনিস কোটের দিকে যাওয়ার সময় সাগর পাড়ে কিশোর বয়সী ছেলেটাকে ফুটবল নিয়ে তার ব্যস্ততার এমন দৃশ্য দেখতে দেখতে যায়।
যখন ফিরছি তখনও তাকে ও তার সঙ্গে আরও বন্ধুর জটলা বল নিয়ে দৌড়াদৌড়িতে চোঁখ আটকে যায়! একদিন সন্ধায় সাগরে সাঁতার কেটে ফেরার পথে এগিয়ে গেলাম। তাদের সঙ্গে কথা হলো কিশোর বয়সী সেই ফুটবল নিয়ে সারাদিন সময় কাটানো ছেলেটার সাথে।
সে জানালো তার নাম লুকা। লুকার বয়স ১৪ বছর। সারাদিন ফুটবল খেলছে সাগরের পাড়ে মনের আনন্দে। নানা ধরনের টেকনিক স্কিলসের ওপর চলছে তার প্রশিক্ষণ ও শিক্ষা।
যেন সেই 'লার্নিং ফর্ম লার্নার কনসেপ্ট' এর এক মনরম দৃশ্য। লুকা এবং তার বন্ধুরা স্বপ্ন দেখছে একদিন বিশ্বকাপ ফুটবল খেলার, তাই প্রতিদিন তারা সাগরের পাড়ে স্কুল শেষে ফুটবল খেলে।

লুকার এক বন্ধুকে এই শহরের সাগর পাড় থেকে এভাবে করেই খুঁজে পেয়েছিল ফুটবল জহূরীরা। এখন সে ইতালীর জাতীয় দলে খেলছে।

অনুশীলন ও অধ্যবসায় একটি মানুষকে নিখুঁত করে তোলে জানায় এই লুকা এবং তার বন্ধুরা। তারা তাদের স্বপ্নের সাথে এমন গতিতে ছুটে চলছে যেন স্বপ্ন আর স্বপ্ন থাকবে না, তা সত্যি হয়ে যাবে।

সে আশাবাদী যে তাদেরও কপাল খুলে যাবে। সাগরের পাড়ে, নদীর ধারে, রাস্তায় চলতে চলতে খেলতে খেলতে কবে একদিন শোনা যাবে এসব লুকা নামের একটি রত্নের নাম যা ছড়িয়ে পড়বে ফুটবল গ্যালারীজুড়ে এমনকি দেশ ও দেশান্তরে।

এমনটিই ঘটে এবং ঘটেও ছিল। সুইডেনের বিয়োন বোর্গ, স্লাতান ইব্রাহিমোভিচ, আর্জেন্টিনার মেসি, স্পেনের রাউল, আরো কত নাম, যারা ভালোবেসেছিল তাদের হৃদয় দিয়ে এই খেলাকে এবং তাদের ধ্যানে, জ্ঞানে, মনে ও প্রাণে একটিই চিন্তা ছিল তা হল ফুটবল দিয়েই একদিন জয় করবে তারা বিশ্বকে সত্যি করবে বুণে চলা স্বপ্নকে।

পৃথিবীর সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ মানব বিশ্বনবী হযরত মুহাম্মদ (সা.) এর জীবন খুঁজলে একই শিক্ষা বা জলন্ত উদাহরণ দেখতে পাই। তা হলো বাবা-মা ছাড়া সেই রাখাল বালকটি ভালবাসার সেতু তৈরি করেছিলেন মহান স্রষ্টার সঙ্গে খুবই অল্প বয়সে।

শেষে হলেন তিনি সারা বিশ্বের এক অনুকরণীয় ব্যক্তি মুসলিম নেতা এবং মহান আল্লাহর প্রেরিত রাসুল।

পৃথিবীর যা চিরকল্যানকর তার সব কিছুর মূলে যাঁরা রয়েছেন তাদের কেউই রাজপরিবারের সন্তান ছিল না, তাঁরা সাধারণ পরিবারের সন্তান এবং তাঁরাই অসম্ভবকে সম্ভব করে দেখিয়েছে।

তাই আমি বিশ্বাস করি বাংলাদেশকে, বাংলার মানুষকে, তাঁরাও করতে পারবে অসম্ভবকে সম্ভব।
যে দেশের মানুষ নিজের সবকিছু বিক্রয় করে দেয় ৫.৫ কিলো মিটার জার্মানির পতাকা বানাতে, যে দেশের মানুষ আর্জেন্টিনা আর ব্রাজিলের সমর্থনে মারামারি করে ১০ জন আহত হয় এবং এমনকি আর্জেন্টিনা দলের পরাজয়ের দুঃখে নিজের জীবনকে উৎসর্গ করতে পারে, সেই দেশ কেন বিশ্ব কাপ ফুটবল খেলায় নিজেদের দল পাঠানোর স্বপ্ন দেখতে পারবে না ।

আমরা প্রস্তাব করছি তৈরি হোক “FHFB- Footballer Hunt Foundation Bangladesh”। বেসরকারি উদ্যোগেই ১২ বছরের পরিকল্পনায় ২০৩০ ফিফা বিশ্বকাপে বাংলাদেশ দলের উপস্থিতি নিশ্চিত করা।

তিন ভাগে করা যেতে পারে এই কর্মসূচি। প্রাথমিক বাছাই: ৬-৭ বৎসরের বালকের যাচাই বাছাই করা হবে সারা বাংলাদেশ থেকে। মোট ৩০ জনের মত এবং প্রতি বছর এভাবে কর্মসূচি অনুযায়ী এ ধরনের বিশেষায়িত শিক্ষা প্রশিক্ষণ স্পোর্টস একাডেমীতে নতুন প্রজন্মদের সুযোগ দিতে হবে।

৫-৮ বছরের মধ্যে দেখা যাবে বাংলাদেশ একটি সুন্দর দল তৈরি করতে সক্ষম হয়েছে। বাছাই করার অনেক পদ্ধতি রয়েছে যা সহজেই দেখা যেতে পারে বিশ্বের অন্য দেশ গুলো কি ভাবে তা করে থাকে।

প্রাথমিক বাছাইকৃত খেলোয়ারদের ক্যাডেট কলেজের মত করে প্রাথমিক শিক্ষার সাথে খেলাধুলার প্রতি বিশেষভাবে দক্ষ প্রশিক্ষণ দিতে হবে এবং দেশের এবং বিদেশি ফুটবল কোর্সদের সক্রিয় সাহায্য নিতে হবে।

সরকারের সাহায্য ছাড়াই পৃথিবীর বেশির ভাগ দেশে এ ধরনের বিশেষায়িত শিক্ষা প্রশিক্ষণ স্পোর্টস একাডেমি গড়ে উঠেছে এবং বেসরকারিভাবে তা পরিচালনা হচ্ছে আশাপূর্ণ ফলাফলসহ যা বাংলাদেশেও সম্ভব হতে পারে।

মানুষ অনুশীলন করলে কিনা পারে আর যেখানে চারা থেকে পরিকল্পিতভাবে ট্রেনিং দেয় হবে, সেখানে বিশ্ব ফুটবল, টেনিস, ক্রিকেট,বাস্কেট খেলোয়াড় তৈরি হওয়া মনে হয় কঠিন হবে না।

বাংলাদেশে সার্কাসে দেখা যায় ছোট্ট বেলা থেকে ট্রেনিং নিয়ে কি অসাধারণ বিনোদনের মত কাজে তাদেরকে ব্যাবহার করা হয়।

আমাদের দেশের সন্তানেরা বিশ্বকাপ একবারে আনতে না পারলেও আমরা অংশ গ্রহণ করে আশে পাশের অনেক দেশের থেকেও ভাল করতে পারব এবং মাথা উঁচু করতে পারবো।

পারবো সোনার বাংলার পতাকাকে তুলে ধরতে সারা বিশ্বের মাঝে, যেন- বল বীর বল চির উন্নত মম শিড়...।

ফান্ড: দেশের মানুষের দ্বারা এই ফাউন্ডেশন চলবে। ফিফা বিশ্বকাপের সময় বিভিন্ন দেশের পতাকা কিনতে দেশের মানুষ যে টাকা খরচ করে সেই অর্থ এই ফাউন্ডেশনের জন্য দিলে নিজেদের জন্য একটা জায়গাসহ কমপ্লেক্স তৈরি করা সম্ভব হবে।
এছাড়াও কিছু ফল আসতে থাকলে দাতাদের থেকে ডোনেশন পাওয়া বা দেওয়ার মানুষের বা কোম্পানির অভাব হবে না বলে মনে করি।

শিক্ষা মানেই যে শুধু পুঁথিগত বিদ্যা হতে হবে তা নয়, হতে পারে এ শিক্ষা বিনোদনের ওপর, স্পোর্টসের ওপর, মানব কল্যাণের ওপর। যা কিছু মানব জাতির জন্য কল্যানকর তা অবশ্যই সুশিক্ষা।'

চলছে বিশ্বকাপ ফুটবল, সারা পৃথিবীর চোখ পড়েছে রাশিয়ার ওপর। শেষ হলো কিছুদিন আগে রোলান্ড গারর্স গ্র্যান্ডস্লাম টেনিস, সত্বর শুরু হবে উইম্বেল্ডন, চলছে ভাল ক্রিকেট খেলা বাংলাদেশে।

তাই নতুন চিন্তা ধারার এক আগমন, তৈরি করবে নতুন চিন্তার উদয়। ভালো কাজে বা সুশিক্ষার জন্য ঝাপিয়ে পড়ার মত মানসিকতার থাকতে হবে। তা পেতে হলে বা দিতে হলে দরকার সকলের সমন্বয় ও সর্বজন নিবেদিত প্রচেষ্টা।

যেমন পৃথিবীর সবচেয়ে বড় পতাকা তৈরির প্রতিযোগিতা! ভাবছি এমনটি প্রতিযোগিতা কি হতে পারে না নিজের দেশকে নিয়ে? এসো হে বন্ধু শুধু বাংলা নয় সারা বিশ্বে এ পতাকা উড়াই। এমনটি প্রত্যাশা।
আর্টিকেল র্শট- গ্লামার স্পোর্টস।
সংগ্রহীত
লেখক- রহমান মৃধা

খেলায় হার জিত আছে । আর্জেন্টিনা হারছে তাই বলে সমর্থকরা ভেঙ্গে পরবেন না এবার পারে নি সামনে ভালো করবে ......
30/06/2018

খেলায় হার জিত আছে । আর্জেন্টিনা হারছে তাই বলে সমর্থকরা ভেঙ্গে পরবেন না এবার পারে নি সামনে ভালো করবে ......

Well Played Congregation Argentina
26/06/2018

Well Played Congregation Argentina

26/06/2018

আপনি কি জানেন, কেন গ্রুপ পর্বের শেষ দুটি ম্যাচ একই সময়ে হয়?

চলমান রাশিয়া বিশ্বকাপ ২০১৮ এর গ্রুপ পর্বের ম্যাচের খেলা। প্রতিটি দলই দুটি করে ম্যাচ খেলেছে এবং তৃতীয় ম্যাচটি শুরু হচ্ছে আজ থেকে। আর গ্রুপ পর্বের আগের দুটি ম্যাচই ভিন্ন ভিন্ন সময়ে হলেও শেষ ম্যাচটি একই গ্রুপের চারটি দলই একই সময়ে খেলতে নামবে। আপনি কি জানেন, কেন গ্রুপ পর্বের শেষ দুটি ম্যাচ একই সময়ে হয়?
কিন্তু কেন এই নিয়ম? কেন গ্রুপ পর্বের শেষ দুই ম্যাচ একই সময়ে হয়? এর পেছনে রয়েছে আর্জেন্টিনার কলঙ্কিত এক ইতিহাস। সময়টা ১৯৭৮ সাল। বিশ্বকাপের আয়োজক দেশ আর্জেন্টিনা। সেবার বিশ্বকাপে অংশ নিয়েছিল ১৬টি দেশ। চারটি গ্রুপে ভাগ হয়ে অনুষ্টিত খেলা শেষে প্রতিটি গ্রুপের ২টি করে দল উঠেছিল দ্বিতীয় পর্বে।
দ্বিতীয় পর্বে উঠা আটটি দলকে নিয়ে তখন বর্তমান সময়ের কোয়ার্টার ফাইনালের মত হয়নি। এই আটটি দলকে আবার ২টি গ্রুপে ভাগ করা হয়েছিল। সেখানে আর্জেন্টিনার গ্রুপে ছিল ব্রাজিল, পেরু ও পোল্যান্ড।
প্রথম ম্যাচে ব্রাজিল পেরুকে হারিয়েছিল ৩-০ গোলে। অপর দিকে প্রথম ম্যাচে আর্জেন্টিনা পোল্যান্ডকে হারায় ২-০ গোলে। দ্বিতীয় ম্যাচে আর্জেন্টিনা ও ব্রাজিলের মধ্যকার ম্যাচটি গোল শুন্য ড্র হয়।
তৃতীয় ম্যাচে ব্রাজিলের ম্যাচটি ছিল আর্জেন্টিনার আগেই। আর সেই ম্যাচে ব্রাজিল পোল্যান্ডকে ৩-১ গোলে হারিয়েছিল। ফলে ব্রাজিল সব মিলিয়ে প্রতিপক্ষকে ৩ গোল দেয় এবং ১ গোল হজম করে। গোল ব্যবধান হয় ৫। অন্যদিকে আর্জেন্টিনা প্রতিপক্ষকে ২ গোল দেয়ায় ব্রাজিলকে টপকাতে হলে শেষ ম্যাচে অন্তত ৪-০ গোলে হারাতে হত পেরুকে। কথিত আছে, আর্জেন্টিনার সামরিক বাহিনীর হাতে আটক পেরুর রাজবন্দিদের মুক্তি ও অন্যান্য কিছু শর্তে সেই ম্যাচটি একরকম কিনেই নেয় আর্জেন্টিনা এবং ম্যাচটি আর্জেন্টিনা জিতে নেয় ৬-০ গোলে।
আর ১৯৭৮ সালের এই ঘটনা থেকেই শিক্ষা পেয়ে বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্বের দল গুলোর শেষ ম্যাচটি একই সময়ে আয়োজনের সিদ্ধান্ত নেয় ফিফা ........

গ্লামার স্পোর্টস এর ১ম বর্ষপূর্তিতে সকল শুভাকাঙ্ক্ষিকে যানাই শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন :D :D
23/06/2018

গ্লামার স্পোর্টস এর ১ম বর্ষপূর্তিতে সকল শুভাকাঙ্ক্ষিকে যানাই শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন :D :D

যেভাবে দ্বিতীয় রাউন্ডে উঠতে পারে আর্জেন্টিনাআইসল্যান্ডের বিপক্ষে ১-১ গোলে ড্র করার পর আজ ক্রোয়েশিয়ার বিপক্ষে ৩-০ গোলে হে...
22/06/2018

যেভাবে দ্বিতীয় রাউন্ডে উঠতে পারে আর্জেন্টিনা

আইসল্যান্ডের বিপক্ষে ১-১ গোলে ড্র করার পর আজ ক্রোয়েশিয়ার বিপক্ষে ৩-০ গোলে হেরেছে আর্জেন্টিনা। আজকের জয়ের মাধ্যমে দ্বিতীয় রাউন্ডে উঠে গেছে ক্রোয়েশিয়া। আর আজকের হারের মাধ্যমে গ্রুপ পর্ব থেকে বিদায়ের শঙ্কা তৈরি হয়েছে আর্জেন্টিনার। কিন্তু তাদের যে দ্বিতীয় রাউন্ডে খেলার সুযোগ একেবারে শেষ হয়ে গিয়েছি তা না। তাদের এখনও দ্বিতীয় রাউন্ডে ওঠার সুযোগ রয়েছে।
শুক্রবার আইসল্যান্ড ও নাইজেরিয়ার মধ্যকার ম্যাচ রয়েছে। এই ম্যাচটি যদি ড্র হয় এবং ২৬ জুন আইসল্যান্ডের বিপক্ষে ক্রোয়েশিয়া জয় পায় এবং নাইজেরিয়াকে আর্জেন্টিনা হারায় তাহলে আর্জেন্টিনা দ্বিতীয় রাউন্ডে উঠবে। তাছাড়া কাল যদি নাইজেরিয়া জয় পায় এবং ২৬ জুন ক্রোয়েশিয়ার কাছে আইসল্যান্ড হারে এবং নাইজেরিয়ার বিপক্ষে আর্জেন্টিনা জয় পায় তাহলে আর্জেন্টিনা দ্বিতীয় রাউন্ডে উঠে যাবে।
আবার কাল যদি আইসল্যান্ড নাইজেরিয়াকে হারায় এবং ২৬ জুন ক্রোয়েশিয়ার কাছে আইসল্যান্ড হারে এবং নাইজেরিয়াকে আর্জেন্টিনা হারায় তখন আইসল্যান্ড ও আর্জেন্টিনার পয়েন্ট সমান হবে। সেক্ষেত্রে গোল ব্যবধানে যারা এগিয়ে থাকবে তারাই দ্বিতীয় রাউন্ডে উঠবে।
আইসল্যান্ড যদি তাদের বাকি দুইটি ম্যাচে জয় পায় তাহলে এই গ্রুপ থেকে বিদায় নিবে আর্জেন্টিনা ও নাজেরিয়া। আর নাইজেরিয়া যদি তাদের বাকি দুইটি ম্যাচে জয় পায় তাহলে বাদ পড়বে আর্জেন্টিনা ও আইসল্যান্ড। আবার আইসল্যান্ড-নাইজেরিয়া, ক্রোয়েশিয়া-আইসল্যান্ড ও নাইজেরিয়া-আর্জেন্টিনা এই তিনটি ম্যাচই ড্র হয় তাহলে ‘ডি’ গ্রুপ থেকে ক্রোয়েশিয়ার সঙ্গে দ্বিতীয় রাউন্ডে উঠবে আইসল্যান্ড।

সকল ব্রাজিল সমর্থক এভাবে আর্জেন্টিনার সমর্থকের পাশে এগিয়ে আসুন :'(
21/06/2018

সকল ব্রাজিল সমর্থক এভাবে আর্জেন্টিনার সমর্থকের পাশে এগিয়ে আসুন :'(

বাংলাদেশের সমর্থকদের কৃতজ্ঞতা জানালেন মেসি | ডেইলি সানফুটবল বিশ্বকাপ নিয়ে বাংলাদেশের মানুষের উন্মাদনা-উত্তেজনার শেষ নেই।...
21/06/2018

বাংলাদেশের সমর্থকদের কৃতজ্ঞতা জানালেন মেসি | ডেইলি সান

ফুটবল বিশ্বকাপ নিয়ে বাংলাদেশের মানুষের উন্মাদনা-উত্তেজনার শেষ নেই। বাংলাদেশ বিশ্বকাপে খেলে না।

কোনোদিন খেলতে পারবে কি না তারও নিশ্চয়তা নেই। তবে বিশ্ব আসর এলেই প্রিয় দলের পতাকা, খেলোয়াড়ের ছবি, জার্সি নিয়ে পাগলামিতে মেতে ওঠেন বাংলাদেশিরা। আর্জেন্টিনাকে নিয়েই বেশি মাতামাতি করতে দেখা যায় তাদের।

এবারও এর ব্যতিক্রম ঘটেনি। বিশাল দৈর্ঘ্যের পতাকা বানিয়ে, হাতে মেসির ছবি নিয়ে, জার্সি পরে আর্জেন্টিনাকে সমর্থন দিচ্ছেন তারা। বিষয়টি নজর এড়ায়নি লিওনেল মেসির। কৃতজ্ঞতা জানাতেও ভুল করেননি তিনি।

নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে ১ মিনিট ৫ সেকেন্ডের একটি ভিডিও পোস্ট করেছেন মেসি। সেখানে বিভিন্ন সময়ে বাংলাদেশের আর্জেন্টাইন সমর্থকদের আর্জেন্টিনার পতাকা এবং মেসির ছবি নিয়ে র‌্যালি করার ভিডিও তুলে ধরেছেন তিনি।

মেসির পোস্ট করা সেই ভিডিও ক্যাপশনে লেখা আছে, রাশিয়া-২০১৮ বিশ্বকাপে মেসিকে সমর্থন দিয়ে করা ভিডিওগুলো আমাদের এসএমএস করে পাঠান এবং মেসি.কম এ ভিজিট করুন।

যেসব টিভি চ্যানেলে দেখা যাবে বিশ্বকাপঅবশেষে ক্ষণ গণনা শেষ। জমজমাট উদ্বেধনী অনুষ্ঠানের মধ্যে দিয়ে মস্কোর লুঝনিকি স্টেডিয়া...
14/06/2018

যেসব টিভি চ্যানেলে দেখা যাবে বিশ্বকাপ

অবশেষে ক্ষণ গণনা শেষ। জমজমাট উদ্বেধনী অনুষ্ঠানের মধ্যে দিয়ে মস্কোর লুঝনিকি স্টেডিয়ামে আজ পর্দা উঠবে ফিফা বিশ্বকাপের। বিশ্বসেরা হওয়ার এই প্রতিযোগীতায় অংশগ্রহণ করবে বিশ্বের ৩২টি দল। ম্যাচ হবে মোট ৬৪ টি। এই ম্যাচ গুলো দেখা যাবে বিভিন্ন বাংলাদেশের টেলিভিশনের পর্দায়।

এবারের বিশ্বকাপের প্রতিটি ম্যাচ দেখা যাবে বাংলাদেশের মাছরাঙা টিভি ও নাগরিক টিভিতে। তাছাড়া বাংলাদেশ টেলিভিশনও কিছু কিছূ ম্যাচ সম্প্রচার করা হবে।

মাছরাঙা টিভিতে প্রতিটি ম্যাচ শুরুর আগে থাকবে ম্যাচ বিশ্লেষণ, পরিসংখ্যানসহ নানা তথ্য নিয়ে সরাসরি অনুষ্ঠান ‘কিক অফ’। আর খেলা শেষ হওয়ার পর হাইলাইটস তো থাকছেই।

আর নাগরিক টিভি সরাসরি সম্প্রচার করবে ৫৬টি খেলা। বাকি খেলাগুলো ধারণ করে সম্প্রচার করা হবে। এর বাইরে খেলোয়াড়দের বিশ্লেষণ ও বিভিন্ন খেলার আপডেট থাকবে।

ফিফার ২১তম আসরের প্রথম দিনে স্বাগতিক রাশিয়ার মুখোমুখি হবে এশিয়ার প্রতিনিধি সৌদি আরব। ম্যাচটি শুরু হবে বাংলাদেশ সময় রাত ৯ টায়।

প্রথম ম্যাচটি মাঠে গড়ানোর আধা ঘন্টা আগে অর্থাৎ রাত সাড়ে ৮টায় ম্যাচের উদ্বোধনী অনুষ্ঠান শুরু হবে। উদ্বোধনী কনসার্টে বিখ্যাত তারকা রবি উইলিয়ামস থাকছেন। এছাড়াও রাশিয়ান গায়িকা এইডা গরিফুল্লিনা থাকছেন। এছাড়াও থাকছেন ব্রাজিলকে দুবার বিশ্বকাপ জেতানো তারকা ফুটবলার রোনালদো।

রাত পোহালেই রাশিয়া বিশ্বকাপ, দেখবেন যেসব চ্যানেলেদরজায় কড়া নাড়ছে ফুটবল বিশ্বকাপ। আগামীকাল ১৪ জুন বৃহস্পতিবার পর্দা উঠ...
13/06/2018

রাত পোহালেই রাশিয়া বিশ্বকাপ, দেখবেন যেসব চ্যানেলে

দরজায় কড়া নাড়ছে ফুটবল বিশ্বকাপ। আগামীকাল ১৪ জুন বৃহস্পতিবার পর্দা উঠবে বহুল প্রতিক্ষীত রাশিয়া ফুটবল বিশ্বকাপের। মাসব্যাপী সেই উন্মাদনায় মেতে উঠতে প্রস্তুত পুরো বিশ্ব। ইতিমধ্যেই রাশিয়ায় বিশ্বকাপের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের সকল প্রস্তুতি প্রায় শেষের দিকে। নিজের দেশের সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যকে পুরোপুরি তুলে ধরতে এখন ব্যস্ত রাশিয়া।

১৪ জুন মস্কোর লুঝনিকি স্টেডিয়ামে উদ্বোধন হবে রাশিয়া বিশ্বকাপ। বিশ্বকাপের উদ্বোধনী ম্যাচেই স্বাগতিক দেশ রাশিয়ার বিপক্ষে মাঠে নামবে সৌদি আরব। মোট ১১টি শহরে অনুষ্ঠিত হবে ৬৪টি ম্যাচ। এবারও অংশ নিচ্ছি ৩২টি দল।

সারা বিশ্বের দর্শকের নজর থাকবে টেলিভিশনের দিকে। ফিফার কাছ থেকে মুল সম্প্রচার স্বত্ব কিনেছে সনি। তাদের কাছ থেকে দুবাই ভিত্তিক এলএসডি মিডিয়ার হাত বদল হয়ে বাংলাদেশের সম্প্রচার স্বত্ব কিনেছে স্কয়ার গ্রুপের মিডিয়া কম, কে স্পোর্টস, জিরো মিডিয়া ও জাদু মিডিয়া লিমিটেড। এই চার কোম্পানির কনসোর্টিয়ামে বিশ্বকাপ ফুটবল বাংলাদেশে দেখাবে মাছরাঙ্গা, নাগরিক টিভি ও বাংলাদেশ টেলিভিশন।

বিশ্বকাপের ৬৪ ম্যাচের মধ্যে এ তিনটি টেলিভিশন সরাসরি সম্প্রচার করবে উদ্বোধনী ম্যাচ, সেমিফাইনাল ও ফাইনালসহ ৫৬ টি ম্যাচ।

বাংলাদেশে প্রিয় দলের ভক্ত ও সমর্থকদের আয়োজনের শেষ নেই। প্রিয় দলের পতাকা ও জার্সি কিনতে ভিড় দোকানগুলোতে। বিশ্ব সেরা হতে লড়াইয়ে নামবেন
মেসি-রোনালদো-নেইমাররা। পুরো বিশ্বের চোখ থাকবে রাশিয়ার দিকে।

পছন্দের দলকে সমর্থন জানাতে প্রস্তুত দেশের ফুটবলপ্রেমীরা। বাড়ির ছাদগুলো এরই মধ্যে ছেয়ে গেছে প্রিয় দলের পতাকায়। বিশ্ব ফুটবলের এই উন্মাদনাকে কেন্দ্র করে চলছে পতাকা আর জার্সির বাণিজ্য। দোকানে দোকানে ক্রেতা-ভক্তদের ভিড়। রাস্তার ফেরিওয়ালা থেকে শুরু করে ফুটপাতের দোকান সর্বত্রই পতাকা ও জার্সির সমারোহ। বিভিন্ন শ্রেণি পেশার মানুষও কিনছেন প্রিয় দলের পতাকা ও জার্সি।

রাজধানীর অভিজাত শপিংমলেও সমর্থকরা ভিড় জমান প্রিয় দলের জার্সি কিনতে। বিশ্বকাপ ফুটবলের এই উন্মাদনা থাকবে পুরো জুন-জুলাই মাস জুড়েই।

বাংলাদেশ থেকে বিদায় নিয়েছেন অসম্মানের সঙ্গে। কিন্তু অটো ফিস্টার যে কত উঁচু মানের কোচ ছিলেন সেটা তিনি চোখে আঙুল দিয়ে দেখি...
11/06/2018

বাংলাদেশ থেকে বিদায় নিয়েছেন অসম্মানের সঙ্গে। কিন্তু অটো ফিস্টার যে কত উঁচু মানের কোচ ছিলেন সেটা তিনি চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিয়েছেন ১৯৯৮-তে সৌদি আরবকে বিশ্বকাপে নিয়ে যেয়ে। ২০০৬ সালেও তিনি ছিলেন টোগোর কোচ। এমন একজন কোচকে কাজে লাগাতে না পারার ব্যর্থতা সব সময়ই পোড়ায় বাংলাদেশের ফুটবলকে

অটো ফিস্টারকে ভুলে যায়নি বাংলাদেশ।

বাংলাদেশের ফুটবল ইতিহাসে যতজন বিদেশি কোচ এসেছেন, তাদের মধ্যে নিঃসন্দেহে এই জার্মান কোচ ছিলেন অন্যতম সেরা। ১৯৯৫ সালে ফিস্টার বাংলাদেশ-জার্মানি সাংস্কৃতিক বিনিময় চুক্তির অধীনে জাতীয় দলের কোচ হয়ে এসেছিলেন একেবারেই বিনে পয়সায়। অবশ্য বাংলাদেশে আসার আগেই তিনি বিখ্যাত হয়েছিলেন বিশ্ব যুব ফুটবলে ঘানাকে শিরোপা জিতিয়ে।

তাঁর অধীনেই পচানব্বইয়ের শেষের দিকে মিয়ানমারে চার জাতি ফুটবল টুর্নামেন্টের শিরোপা জেতে বাংলাদেশ। কিন্তু বাংলাদেশ থেকে এই কোচের বিদায়টা হয়েছিল যথারীতি অসম্মানজনকভাবে। অথচ, বাংলাদেশ থেকে বিদায় নিয়ে এই জার্মানই সৌদি আরবকে নিয়ে গিয়েছিলেন ১৯৯৮ ফ্রান্স বিশ্বকাপে।

বাংলাদেশের পর ফিস্টারকে নিয়োগ দেয় সৌদি আরব ফুটবল ফেডারেশন। বিশ্বকাপ বাছাইপর্বের শেষের দিকে দায়িত্ব নিয়েই বাজিমাত করেছিলেন ফিস্টার। মজার ব্যাপার হচ্ছে ফিস্টার বাছাইপর্বের শুরুতে ছিলেন বাংলাদেশেরই কোচ।

মালয়েশিয়া, সৌদি আরব ও চীনা তাইপের সঙ্গে খেলে বাংলাদেশ খুব ভালো করতে পারেনি। ৬ ম্যাচ খেলে বাংলাদেশ জয় পেয়েছিলে কেবল একটি (চীনা তাইপে)। ফিস্টার সৌদি আরবের দায়িত্ব নেন সাতানব্বইয়ের শেষ দিকে। কাঠমান্ডু সাফ চ্যাম্পিয়নশিপে বাংলাদেশ প্রথম রাউন্ড থেকে বিদায় নেওয়ার পরপরই ফিস্টারের চাকরি চলে গিয়েছিল। এর কিছুদিনের মধ্যেই তিনি যোগ দেন সৌদি আরবের কোচ হিসেবে।

বাংলাদেশে থাকতে ফিস্টারের অনেক ক্ষোভ ছিল। সবচেয়ে বড় ক্ষোভ ছিল, নিজের কর্ম হীনতা নিয়েই। দুই বছরের মেয়াদে জাতীয় দলের দায়িত্বের বাইরে তাঁকে কোনো কিছুতেই সেভাবে কাজে লাগাতে পারেনি বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন। এক প্রকার শুয়ে-বসেই তিনি বাংলাদেশের দুই বছর কাটান।

অথচ, এই কোচের সুনাম ছিল দারিদ্র্য-পীড়িত আফ্রিকান ফুটবলের খোলনলচে পাল্টে দেওয়ার। ঘানাকে বিশ্ব যুব ফুটবলে শিরোপা জেতানোর কথা তো আগেই বলা হয়েছে। পাশাপাশি তিনি কাজ করেছেন রুয়ান্ডা, সেনেগাল, আইভরি কোস্ট, জায়ার, ঘানা, টোগো ও ক্যামেরুনের কোচ হিসেবে। ১৯৯৮ সালে সৌদি আরবকে বিশ্বকাপে নিয়ে গেলেও চূড়ান্ত পর্বে ডাগ আউটে দাঁড়ানোর সৌভাগ্য হয়নি ফিস্টারের। সেই আফসোসটা তিনি মেটান ২০০৬ সালের জার্মানি বিশ্বকাপে টোগোর কোচ হিসেবে দায়িত্ব পালন করে।

আরও একবার কোচ হিসেবে বিশ্বকাপের যেতে পারতেন ফিস্টার। ২০১০ সালে তাঁর অধীনেই বিশ্বকাপ বাছাইপর্বে দুর্দান্ত খেলেছিলেন ত্রিনিদাদ ও টোব্যাগো। কিন্তু শেষ পর্যন্ত বিশ্বকাপে যাওয়া হয়নি তাদের। তবে সম্প্রতি তিনি আফগানিস্তানের কোচের দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন। চ্যালেঞ্জ হাতে নিয়েছেন যুদ্ধ-বিধ্বস্ত খেলাপাগল এই দেশটির ফুটবলকে অন্য উচ্চতায় নিয়ে যাওয়ার।

৮১ বছর বয়সেও এখন দারুণ সুস্থ ও সতেজ ফিস্টার। সম্প্রতি আলাপে তিনি জানিয়েছেন বাংলাদেশ থেকে যাওয়ার পর সৌদি আরবকে বিশ্বকাপে নিয়ে যাওয়াটা তাঁর কোচিং ক্যারিয়ারের বড় ঘটনা, ‘ওটা দারুণ একটা সিদ্ধান্ত ছিল আমার। বাংলাদেশ থেকে বিদায় নেওয়ার প্রায় সঙ্গে সঙ্গেই সৌদি আরব আমাকে প্রস্তাব দেয়, সেটা সাতানব্বইয়ের শেষ দিকে। আমি সেই চ্যালেঞ্জটা গ্রহণ করি। সে সময় কোচের চাকরি হিসেবে সৌদি আরব খুব ভালো জায়গা ছিল না। খুব ঘন ঘন তারা কোচ বরখাস্ত করত।’

যে বয়সে মানুষ অবসরে চলে যান। সে বয়সে ফিস্টার একটা জাতীয় ফুটবল দলের কোচের দায়িত্ব পালন করছেন। ৮০ বছর বয়সেও যাকে কোচ হিসেবে নিয়োগ দিতে সবাই উন্মুখ, যিনি বিশ্বকাপে দায়িত্ব পালন করেছেন, তাঁকেই কিনা কর্মহীন বসিয়ে বিদায় করে দিয়েছিল বাংলাদেশের ফুটবল-কর্তারা!

ফুটবলের এই অবস্থা আসলে দীর্ঘ দিনের অনাচারেরই ফসল!
-প্রথম আলো

Address

রাসেল স্কয়ার, নাথপট্টি লেকের দক্ষিণ পাশে
Kakchira
৮৭০০

Telephone

8801737133180

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Glamour Sports posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share