Md sumon khan

Md sumon khan Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Md sumon khan, Amateur Sports Team, Jamirdia.

16/05/2026

Bike ride # @

15/05/2026
04/05/2015

গল্পটি পড়ুন চোখে পানি চলে
আসবে **আমেরিকার
এক শহরে এক নামকরা Businessman
ছিলো।
টাকা পয়সা, নামে, দামে,কোনো
কিছুরই তারঅভাব
ছিলো না। কিন্তু তার
মডার্নসোসাইটিতে
মুখদেখাতে
পারতোনা শুধুতার মায়ের জন্য।
কারন তার মা ছিলো
অন্ধ। মায়ের মুখে ছিলো আগুনে
পোড়া দাগ।
আরমাথায় কোনো চুল ছিলো না ।
তাই
মডার্নসোসাইটিতে নিজের মান
সম্মান বজায়
রাখারজন্য মা কে বাসা থেকে বের
করে দিলো।
বেচারি অন্ধ মা কেদে কেদে
রাস্তায় রাস্তায়ঘুরে
বেড়াচ্ছিলেন। হঠাতএকটি
গাড়িতে ধাক্কা খেয়ে
বৃদ্ধা
মা মারা গেল। ছেলে শুনে কষ্ট
পেলো না, ভাবলো
আপদবিদায়হয়েছে । কিছুদিন পর
কোনো
Documentsখুজতে খুজতে মায়ের ঘরে
মায়েরলেখা
একটা ডাইরি পেলো । ডাইরিতে
লেখা ছিলো- #
০৫-১২-১৯৮০=আজ আমি সুন্দরি মিস
আমেরিকা এর Awardপেয়েছি। #০
২-০৫-১৯৮৩আজ আমার Pregnant
এরAbortion না করার জন্য
আমারস্বামী
আমাকে Divorce দিয়েছে। #
০৭-০৩-১৯৮৫আজ আমার বাড়িতে
আগুন
লেগেছিলো। আমি বাহিরে ছিলাম।
আর আমার
কলিজারটুকরা ছেলে বাড়ির
ভিতরে ছিলো।নিজের
জীবন বাজি রেখে শুধু
ছেলেরজীবনবাচাতে গিয়ে
আগুন
লেগে আমার চুল এবং মুখপুড়ে
আমার সম্মস্ত
সৌন্দর্য ছাই হয়ে গেছে। তাতে
আমারকোন দুঃখ
নেই।কিন্তু তবু আমার কলিজার
টুকরা ছেলের
চোখদুটো আমি বাচাতে পারিনি ।
#
০৭-৫-১৯৮৫আজ আমার নিজের চোখ
দুটো
আমারছেলে কে দিতে যাচ্ছি । The
End of my
Lifedairy ............ডাই রিটি পড়ে ছেলে
পাগলেরমতো কাদতে কাদতে
দেওয়ালে মাথা
আছড়াতে
লাগলো । আমার আর বলার কিছু নেই।
সমস্ত
পৃথিবীরমা জাতীর প্রতি রইলো
আমার সালাম। ।
(যারা মাকে ভালবাসেন এবং মাকে
কষ্টদিতে
চাননা
কেবলমাত্র তারাই Like এবং
কমেন্টকরবেন

04/05/2015

রোজ নামে একটি মেয়ে ছিল যে
গোলাপ ফুল খুব পছন্দ করত।।
তার স্বামী তাকে প্রতিটি
ভ্যালেন্টাইন্স ডে তে গোলাপের
তোড়া পাঠাতো আর সাথে থাকতো
একটি করে কার্ড,যেখানে লেখা
থাকতো সে তাকে কতোটা
ভালবাসে।..
কিন্তু হঠাত্ একদিন রোজের স্বামী
মারা যায় ।কিন্তু রোজের স্বামী
মারা যাওয়ার এক বছর পরের
ভ্যালেন্টাইন্স ডে তেও রোজ একি
ভাবে কার্ড সহ গোলাপের তোড়া
পেল, কার্ডে লেখা ছিল“আমি গত
বছরের এই দিনে তোমাকে যতটুকু
ভালবাসতাম, এখন তার থেকে আরও
বেশি ভালবাসি। প্রতিটি বছর পার
হয়ে যাওয়ার সাথে সাথে তোমার
জন্যে আমার এই ভালবাসা আরো
বাড়বে”।
রোজ ভাবল, তার স্বামী হয়ত মারা
যাওয়ার অনেক আগেই তার জন্যে
গোলাপের অর্ডার দিয়ে রেখেছিল
আজকের দিনটির জন্যে। সে মন খারাপ
করে ভাবলো এটাই তার শেষ
ভ্যালেন্টাইন্স ডে তে স্বামীর কাছ
থেকে পাওয়া গোলাপের তোড়া।
সে ফুলগুলিকে সুন্দর করে সাজিয়ে
রাখল আর তার স্বামীর ছবি দেখেই
দিনটি কাটিয়ে দিল।
এভাবে দেখতে দেখতে এক বছর কেটে
গেল। এই এক বছর ভালবাসার
মানুষটিকে ছাড়া একা একা থাকা
রোজের জন্য ছিল খুবই কষ্টের।
ভ্যালেন্টাইন্স ডে এর দিন সকালে
তার বাসায় কে জানি বেল
বাজালো। সে দরজা খুলে দেখতে
পেল দরজার সামনে কার্ডসহ
গোলাপের তোড়া রাখা। সে অবাক
হয়ে কার্ডটিপড়ে দেখল এটা তার
স্বামী পাঠিয়েছে। এবার সে রেগে
গেল কেউ তার সাথে মজা করছে
ভেবে। সে ফুলের দোকানে
সাথেসাথে ফোন করে জানতে
চাইলো এই কাজ কে করেছে।
দোকানদার তাকে যা বলল তা হল
“আমি জানি আপনার স্বামী এক বছর
আগে মারা গেছেন, আমি এও জানি
আপনি আজকে আমাকে ফোন করে সব
জানতে চাইবেন। আপনারস্বামী আগে
থেকেই সব পরিকল্পনা করে রাখতেন।
তিনি অনেক আগেই আমাকে বলে
রেখেছিলেন আপনাকে যেন প্রতি
ভ্যালেন্টাইন্স ডে তে আমার দোকান
থেকে গোলাপ ফুল পাঠানো হয়।তিনি
আগাম টাকা পরিশোধ করে গেছেন।
আরওএকটি জিনিষ আছে, যা আপনার
জানা দরকার। আপনার স্বামী আমার
কাছে আপনার জন্যে একটিবিশেষ
কার্ড লিখে রেখে গেছেন, তিনি
বলেছিলেন যদি আমি কখনো জানতে
পারি যে তিনি মারা গেছেন, শুধু
তাহলেই যেন কার্ডটি আপনাকে
দেয়া হয়। আমি আপনাকে কার্ডটি
পাঠিয়ে দিব”।
রোজ যখন কার্ডটি হাতে পেল তখন সে
কাঁপা কাঁপা হাতে কার্ডটি খুলে
দেখতে পেল, সেখানে তার স্বামী
তার জন্যে কিছু লিখে গেছে।
সেখানে লিখা ছিল “আমি জানি
আমার চলে যাওয়ার এক বছর পূর্ণ হয়েছে,
এই এক বছরে তোমার অনেক কষ্ট হয়েছে।
কিন্তু মনে রেখ আমি তোমাকে সব সময়
সুখী দেখতে চেয়েছি, তোমার
চোখের পানি নয়। তাই প্রতি বছর তুমি
আমার কাছ থেকে ফুল পাবে।
যখনই তুমি ফুলগুলো পাবে, তখন
ফুলগুলোকে দেখে আমাদের
ভালবাসার কথা মনে করবে, মনেকরবে
আমাদের একসাথে কাটানো সুন্দর
মুহূর্তগুলোকে। সবসময় হাসিখুশি থাকতে
চেষ্টা করবে, আমি জানি এটা অনেক
কঠিন হবে তবুও আমি আশাকরি তুমি
পারবে। প্রতি বছর তোমাকে গোলাপ
পাঠানো হবে একবার করে। তুমি যদি
ফুলগুলোকে কোন একদিন না নাও,
তাহলে দোকানী সেদিন তোমার
বাসায় পাঁচবার যাবে দেখার জন্যে
যে তুমি বাইরে গেছো কিনা।
শেষবার দোকানী অবশ্যি জানবে তুমি
কোথায়। সে তখন ফুলগুলোকে সেখানে
পৌছে দিয়ে আসবে যেখানে আর
তুমি আবার একবারের মত একসাথে হব
চিরদিনের জন্যে। তুমি সবসময় মনে
রাখবে আমি তোমাকে অনেক অনেক
ভালবাসি।প্রতিবিম্বে প্রতিবিম্বে
শুধুই তুমি।”
***আপনার জীবনে কখনো না কখনো এমন
একজন আসে যে আপনার জীবন কে পুরো
বদলে দেয় আপনার জীবনের একটা অংশ
হয়ে। যে আপনাকে উপলব্ধি করতে
শেখায় যে পৃথিবীটা অনেক সুন্দর।।***
গল্পটি আপনার হৃদয়কে স্পর্শ করলে এবং
ভাল লাগলে লাইক দিন এবং শেয়ার
করুন

03/05/2015

এক মেয়ে তার বয়ফ্রেন্ডের
সাথে ঘুরতেছে। এমন সময় তার
স্বামী এসে বয়ফ্রেন্ড'কে
মারতে
লাগল।
তা দেখে মেয়েটি তার
স্বামীকে বলতে লাগলঃ "মার
সালাকে,
নিজের
বউকে নিয়ে না ঘুরে আরেক জনের
বউয়ের
সাথে ঘুরতে বের হয়েছে।"
মেয়ের মুখে এ কথা শুনে
বয়ফ্রেন্ড
প্রচন্ড
রেগে গিয়ে মেয়েটির
স্বামীকে মারতে লাগল।
এটা দেখে মেয়েটি তার
বয়ফ্রেন্ড'কে বললঃ
"মার সালাকে,
নিজে তো ঘুরতে নিয়ে আসেইনা,
আরেক
জনের
সাথেও আসতে দেয় না.....।"
হা হা হা যাবি কোন দিকে?
!![ভাই/বোনেরা তখনই খুব
খারপলাগে যখন জোক্সটি পড়ে
লাইক
না দিয়ে চলে যান। লাইক পাইলে
নতুন নতুন
জোক্স লিখতে উৎসাহ পাওয়া
যায়।]
√ বিঃদ্রঃ- পোষ্টটা কেমন
লেগেছে আপনার? কমেন্ট
(Comment) করতে ভূলবেন না। আপনার
যদি লিখতে কষ্ট হয়,
তাহলে সংক্ষেপে
T=(thanks).
G=(good).
B=(bad).
N=(nice).
O=(osthisr).
লিখে কমেন্ট করবেন। তাহলে পরে
আরও
ভাল
পোষ্টে নিয়ে হাজির হব । ধন্যবাদ।

03/05/2015

বিল্টু গ্রামে তার
মায়ের কাছে ফোন
করেছে—বিল্টু: মা,
একটা সুখবর আছে।
মা: বলিস কি!
তাড়াতাড়ি বলে ফেল।
বিল্টু: এখন থেকে
আমরা দুই জন থেকে
তিন জন হয়ে গেছি,
মা।
মা: এই সুখবরটা এত
দেরিতে বললি কেন?
তা ছেলে না মেয়ে
হয়েছে রে?
বিল্টু: ওসব কিছু না।
আমার বউ আরেকটি
বিয়ে করে ফেলেছে,
মা!

03/05/2015

ভালোবাসাটা আসলেই অদ্ভুদ।
যদি বলো ভালোবাসা কি?
উত্তর হবে একটাই..... ভালোবাসা হলো মধু-
সুদনের
চতুর্দশপদী কবিতা।
যার দুই লাইন ভালোবাসা,,
চার লাইন আবেগ,,,
আর বাকি আট লাইন "কষ্ট"...!!

Address

Jamirdia

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Md sumon khan posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share