24/03/2022
একজন শিশুর বয়স ৭ বছর হবার পর থেকে তাদের একটা গুরুত্বপূর্ণ নিউট্রিশন হ্যাক শেখাতে হয়, যা প্রায় কোন বাবা মা শেখান না।
এই লাইফ হ্যাক হল, শুধুমাত্র স্পষ্ট ক্ষুধা লাগলেই খাওয়া, ক্ষুধা না লাগলে না খাওয়া।
স্পষ্ট ক্ষুধা বলতে আমি কি বুঝিয়েছি??
স্পষ্ট ক্ষুধা বলতে বুঝিয়েছি, যখন সে অনুভব করবে তার পেটে আর কিছুই নেই এবং যাই দেখবে তাই খেতে ইচ্ছা করবে।
এটা প্রথম প্রথম তৈরি হতে সময় লাগে, কিন্তু এটা তৈরি করিয়ে নিতে হয়। একবার এটা হয়ে গেলে পরে অটোমেটেড মেকানিজমের মত চলতে থাকে।
বাচ্চাদের চেয়েও এটা এখন বেশি প্রয়োজন হয়ে উঠেছে বড়দের জন্য।
দেখুন, বড়রা এখন স্বভাবের দিক দিয়ে শিশুসুলভ হয়ে যাচ্ছে। জ্ঞান এবং প্রাজ্ঞতা আমাদের মধ্যে এখন প্রায় দুর্লভ।
বড়রা কথায় কথায় খায়। ঢাকায় যারা সারাদিন ঘরের বাইরে থাকেন তারা অনেকেই দিনে ৭-১০ বার খান।
এত খাওয়ার কারন কি??
আমি বোঝাই।
১)আপনি আসলে পুষ্টিকর খাবার খেলে এত বেশি ক্ষুধা লাগবে না, এত ঘনঘন খেতেও পারবেন না। ব্রেইন নিজেই তখন ক্ষুধাকে রেগুলেট করবে।
২)সোশ্যাল প্রতিটা এনগেজমেন্টে আপনাকে কিছু একটা খেতে হচ্ছে। ফলে, আপনি ক্ষুধা না থাকার পরেও খাচ্ছেন।
আপনি যদি সুস্পষ্টভাবে ক্ষুধা না লাগা পর্যন্ত না খান, আমার ধারনা, এক বছরের মধ্যে সমস্ত শহরের মানুষের ওজন ৩-৬ কেজি এমনিতেই কমে যাবে। আমি একটা সময় দিনে ১০-১২ বার খেতাম। সামনে যা পেতাম তাই খেতাম। এখন আমি দিনে ৩ বারের বেশি খাই না, অধিকাংশ দিন কেবল ২ বার খাই। আমার খাবার খরচ কমে গেছে অনেক, আর সেই সাথে, কারো সাথে বাইরে খাওয়ার কথা থাকলে সেটা মেইন মিল টাইমেই খাই। কোন আফটারনুন ট্রিট বা প্রি ডিনার ট্রিট হিসেবে না। কোথাও দাওয়াত খেলে সকালে খাই, যেন তা সারাদিনে শরীরের কাজে লাগে। রাতের বেলা দাওয়াত খাওয়া মানে পুরোটা ক্যালরি শরীরে জমানো।
দিনে ২-৩ বারের বেশি খাওয়ার কোন প্রয়োজন নেই। মগজকে প্রশিক্ষন দিন, আপনার শরীর আপনার অনুগত হয়ে যাবে।
সংগ্রহ - 's_Diet_Falsafa