Abid Hasan

Abid Hasan আবিদ ( عابد ) শব্দটি একবচন। বহুবচনে - عبدة، عباد، عابدون । অর্থ - এবাদতকারী, উপাসনাকারী, উপাসক,

07/03/2026
11/02/2026

আল্লাহ চাইলে সবকিছুই পারে।

11/01/2026

Sister, why is "Khadijah (R.A) was a businesswoman” the only thing you remember about her?

You forget that she was:

• A righteous woman with modesty
• A woman with noble manners.
• She was a wonderful mother.
• A loving wife.
• She obeyed her husband.
• She had no trouble following him.
• She was his biggest supporter.
• She suffered hardship after hardship, but remained faithful to her dīn and to her husband.
• She made her home righteous!

Next time you mention Khadijah bint Khuwaylid radiallahu ‘anha, try to mention these qualities and characteristics as well.

01/11/2025

*"হয়তো তুমি ভাবছো—তুমি এত পাপ করেছো যে আল্লাহ আর কখনো ক্ষমা করবেন না।"*

তুমি নামাজের, ইবাদতের, ক্ষমা চাওয়ারও অযোগ্য। কিন্তু জেনে রেখো, আল্লাহ পরম দয়ালু,
*তিনি ক্ষমা করতে ভালোবাসেন।*
যত পাপই করো না কেন, যদি তুমি সত্য মন থেকে তাওবা করো, আল্লাহ নিশ্চয়ই ক্ষমা করবেন। এখনই ফিরে এসো আল্লাহর দিকে। ইন শা আল্লাহ, তিনি তোমার অপেক্ষাতেই আছেন।"

• নোমান আলী খান

"তুমি মানুষটা এতো সুন্দর!""কি সুন্দর করে নামাজ পড়ো!""তোমার কাজ দেখলে মনটা জুড়িয়ে যায়।""তুমি এতো মেধাবী মাশাআল্লাহ, ত...
28/09/2025

"তুমি মানুষটা এতো সুন্দর!"
"কি সুন্দর করে নামাজ পড়ো!"
"তোমার কাজ দেখলে মনটা জুড়িয়ে যায়।"
"তুমি এতো মেধাবী মাশাআল্লাহ, তোমার মতো মেধাবী খুব কমই হয়।"

এই জাতীয় প্রশংসাগুলো শুনতে আমাদের কারই না ভালো লাগে, তাই না? নিজের গুণগান কমবেশি সব মানুষই পছন্দ করে। কিন্তু একজন মুমিনের পছন্দ অপছন্দের মাপকাঠি হবে আলাদা। কোনো কিছু পছন্দ করার আগে নিজেকে জিজ্ঞেস করতে হবে এটা আমার রবের পক্ষ থেকে অনুমোদিত কি না, আমার নবীজি ﷺ এটা পছন্দ করেছেন কি না। এখন এই যে সামনাসামনি কারোর প্রশংসা করাটা আমরা পছন্দ করি এটাকে কি আমার রাসুলও ﷺ পছন্দ করেছেন?

উত্তর হচ্ছে, না। একেবারেই না! এমনকি রাসুলুল্লাহ ﷺ কারোর সম্মুখে প্রশংসা করাকে তাকে জ* বাই করার সমতুল্য বলেছেন! যে এইভাবে সম্মুখে প্রশংসা করবে তার মুখে মাটি ছুড়ে মারতে বলেছেন! বিশ্বাস হচ্ছে না? তাহলে চলুন এই সংক্রান্ত হাদিসটা একটু চোখ বুলিয়ে নিই ইনশাআল্লাহ—

মু’আবিয়া (রা.) থেকে বর্ণিত তিনি বলেন:
আমি রাসূলﷺ কে বলতে শুনেছি যে, তিনি বলেন:

إِيَّاكُمْ وَالتَّمَادُحَ فَإِنَّهُ الذَّبْحُ

‘‘তোমরা একে অপরের প্রশংসা করা থেকে দূরে থাকো। কারণ, সম্মুখ প্রশংসা হচ্ছে কাউকে জবাই করার শামিল’’[১]

আবু বাক্রাহ্ (রা.) থেকে বর্ণিত তিনি বলেন:

জনৈক ব্যক্তি নবীজির ﷺ সম্মুখে অন্যজনের প্রশংসা করছিলো। তখন নবীজি ﷺ প্রশংসাকারীকে উদ্দেশ্য করে বলেন:

وَيْحَكَ! قَطَعْتَ عُنُقَ صَاحِبِكَ ، قَطَعْتَ عُنُقَ صَاحِبِكَ مِرَاراً ، إِذَا كَانَ أَحَدُكُمْ مَادِحاً صَاحِبَهُ لاَ مَحَالَةَ ، فَلْيَقُلْ: أَحْسِبُ فُلاَناً ، وَاللهُ حَسِيْبُهُ ، وَلاَ أُزَكِّيْ عَلَى اللهِ أَحَداً ، أَحْسِبُهُ ، إِنْ كَانَ يَعْلَمُ ذَلِكَ كَذَا وَكَذَا

‘‘তুমি ধ্বংস হও! তুমি ওর ঘাড় ভেঙ্গে দিয়েছো। তুমি ওর ঘাড় ভেঙ্গে দিয়েছো। এ কথা রাসূল ﷺ কয়েকবার বলেছেন। তবে যদি তোমাদের কেউ অবশ্যই কারোর প্রশংসা করতে চায় তাহলে সে যেন বলে, আমি ধারণা করছি, তবে আল্লাহ তা’আলাই ভালো জানেন। আমি তাঁর উপর কারোর পবিত্রতা বর্ণনা করতে চাই না। আমি ধারণা করছি, সে এমন এমন। সে ঐ ব্যক্তির ব্যাপারে ততটুকুই বলবে যা সে তার ব্যাপারে ভালোভাবেই জানে’’[২]

এমনকি রাসূল (সা.) কাউকে কারোর সম্মুখে প্রশংসা করতে দেখলে তার চেহারায় মাটি ছুঁড়ে মারতে নির্দেশ দিয়েছেন!

হাম্মাম (রাহিমাহুল্লাহ্) থেকে বর্ণিত তিনি বলেন:

একদা জনৈক ব্যক্তি ’উসমান (রা.) এর সম্মুখে তাঁর প্রশংসা করলে মিক্বদাদ (রা.) তার চেহারায় মাটি ছুঁড়ে মারেন এবং বলেন:

রাসূল ﷺ ইরশাদ করেন:

إِذَا رَأَيْتُمُ الْـمَدَّاحِيْنَ فَاحْثُوْا فِيْ وُجُوْهِهِمُ التُّرَابَ

‘‘যখন তোমরা প্রশংসাকারীদেরকে দেখবে তখন তোমরা তাদের মুখে মাটি ছুঁড়ে মারবে’’[৩]

আচ্ছা তাহলে এর মানে কি এই যে আমরা সবার সাথে কড়া কড়া কথা বলবো? উঁহু, এমন না। যদি আমাদের কারোর গুণ ভালো লাগে তাহলে আমরা তার জন্য দুআ করবো, প্রশংসা নয়। আবার দেখা যায় সামনাসামনি প্রশংসা না করে তার অগোচরে প্রশংসা করতে গেলাম পাশ থেকে একজন আবার তার বা অন্য কারোর গীবত শুরু করে দিল। সেও আরেক বিপত্তি।

রাসূল (সা.) কারোর সম্মুখে তার ভূয়সী প্রশংসা করতে এজন্যই নিষেধ করেছেন যেন তার প্রশংসায় কোনো রকম অমূলক বাড়াবাড়ি করা না হয় এবং সেও ব্যক্তিগতভাবে নিজ আত্মঅহমিকা থেকে বেঁচে থাকতে পারে। আবার বদনজরের আশঙ্কাও তো উড়িয়ে দেওয়া যায় না।

তাই এখন থেকে কারোর সম্মুখে প্রশংসা করার আগে সতর্ক থাকবো তো বোনেরা, তাই না?
________

তথ্যসূত্র:

১.(ইবনু মাজাহ্, হাদীস ৩৮১১)
২.(বুখারী, হাদীস ২৬৬২, ৬০৬১ মুসলিম, হাদীস ৩০০০ আবু দাউদ, হাদীস ৪৮০৫ ইবনু মাজাহ্, হাদীস ৩৮১২)

৩.(মুসলিম, হাদীস ৩০০২ আবু দাউদ, হাদীস ৪৮০৪ ইবনু মাজাহ্, হাদীস ৩৮১০)
_______________________
|| সম্মুখে প্রশংসা নয় ||
জিলফাত ফারহা

নাহজ-Nahj

12/09/2025

────── ❁ ﷽ ❁ ──────

*আমার প্রিয় নবী ﷺ — যিনি ছিলেন চরিত্রে শ্রেষ্ঠতম ও ভারসাম্যপূর্ণ এক মানুষ।*

🌸 *তিনি রাগ করতেন,*
কিন্তু *গালি দিতেন না।*

🌸 *তিনি মজা করতেন,*
কিন্তু *মিথ্যা বলতেন না।*

🌸 *অকৃত্রিমভাবে সবার সাথে মিশতেন,*
তবে *আত্মমর্যাদাহীন ছিলেন না।*

🌸 *গম্ভীর থাকতেন,*
তবে *অহংকারী ছিলেন না।*

🌸 *তিনি পরতেন দামি পোশাক,*
কিন্তু *শো-অফ করতেন না।*

🌸 *তিনি তালিযুক্ত (মর্যাদাপূর্ণ) জামা পরতেন,*
তবুও *অকৃতজ্ঞ ছিলেন না।*

🌸 *দূর থেকে কেউ দেখলে ভয় পেত,*
কিন্তু *কাছাকাছি এলে সেই ভয় মুহাব্বতে রূপ নিতো।*

🌸 *পরিবারকে শাসন করতেন,*
তবে *বদমেজাজী ছিলেন না।*

🌸 *পরিবারকে ভালোবাসতেন,*
কিন্তু *দ্বীনের ব্যাপারে কোনো ছাড় দিতেন না।*

🌸 *তিনি ছিলেন ধৈর্যের মূর্তপ্রতিক।*
দ্বীনের কোনো বিষয়ে অবহেলা দেখলে
*তিনি হয়ে উঠতেন সবচেয়ে কঠোর।*

🌸 *সাহাবীরা তাকে সর্বোচ্চ সম্মান করতেন,*
তার সামনে *উঁচু আওয়াজে কথা বলতেন না।*
তবুও তারা *অকপটে তার কাছে কষ্টের কথা বলতেন।*

─────── ❁ ───────

*তিনি ছিলেন এমন একজন মানুষ—*
যাকে একইসাথে
*ভালবাসা, শ্রদ্ধা, ভয় ও মুহাব্বতের সাথে গ্রহণ করা যেত।*

*ব্যালেন্সড ও সর্বোত্তম আখলাকের জীবন্ত আদর্শ ছিলেন তিনি।*
*সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম।* 🤍

──────────
*اللهم صل على محمد وعلى آل محمد ﷺ*

*আল্লাহুম্মা সাল্লি ওয়া সাল্লিম আলা নাবিয়্যিনা মুহাম্মাদﷺ*

> —NASIHA-نصيحة–

❝ বুঝে নাও, আমরা নিজেরাই খুব দুর্বল। রোগকে ঠেকাতে পারি না, নিজের রিজিক আনতেও পারি না। তবুও আমরা আল্লাহকে ভুলে থাকি! অথচ ...
30/08/2025

❝ বুঝে নাও, আমরা নিজেরাই খুব দুর্বল। রোগকে ঠেকাতে পারি না, নিজের রিজিক আনতেও পারি না। তবুও আমরা আল্লাহকে ভুলে থাকি! অথচ আল্লাহ তার কোনো বান্দা থেকে এক ইঞ্চিও দূরে হন না। তুমি যত দূরই যাও না কেন, আল্লাহ সবসময় তোমার নিকটে। ফিরে এসো তাঁর দিকে।❞

আমি তার গলার শিরা থেকেও নিকটবর্তী। 📖 — (সূরা ক্বাফ: ১৬)

*হে অন্তরসমূহের পরিবর্তনকারী, আপনি আমার অন্তরকে আপনার দ্বীনের উপর অবিচল রাখুন।* — তিরমিজি, হাদিস : ২১৪০
24/08/2025

*হে অন্তরসমূহের পরিবর্তনকারী, আপনি আমার অন্তরকে আপনার দ্বীনের উপর অবিচল রাখুন।*

— তিরমিজি, হাদিস : ২১৪০

19/08/2025

*হেদায়েত কেন হারিয়ে যায়?*

আল্লাহ তায়ালা কেবল তাঁর বাছাইকৃত বান্দাদেরই হেদায়েত দান করেন। হেদায়েত আল্লাহ তায়ালার অনুগ্রহ। হেদায়েত পাওয়ার পর তা ধরে রাখা আমাদের দায়িত্ব। দুর্ভাগ্যজনকভাবে, আল্লাহর কিছু বান্দাকে দেখা যায় হঠাৎ খুব ইবাদত বন্দেগী করছেন। কিছুদিন যাওয়ার পর তিনি হেদায়েত হারিয়ে ফেলেন, ইবাদতে আগের মত স্পৃহা পান না। এর উল্লেখযোগ্য কিছু কারণ নিম্নরূপ:

(১) ফিতনা:
হেদায়েত পেলেই কারো জান্নাত নিশ্চিত নয়। হেদায়েতপ্রাপ্তকে আল্লাহ তায়ালা বিভিন্নভাবে পরীক্ষা করেন। নানারকম ফিতনা তার সামনে আসে। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি ফিতনা হলো বিপরীত লিঙ্গের ফিতনা। এসব ফিতনা থেকে বাঁচতে চোখের হিফাজত করা ও ফিতনায় পড়লে আল্লাহর দেওয়া শিক্ষার অনুযায়ী আচরণ করা জরুরি।

(২) দ্বীনদারদের সান্নিধ্যে না থাকা:
অনেকে হেদায়েত পাওয়ার পর ব্যক্তিজীবনে কেবল নামাজকে ধরে রাখেন। ইসলামের ফরজ জ্ঞানার্জনের চেষ্টা করেন না, দ্বীনি মাজলিসগুলোতে যান না, আলেমদের সাথে থাকেন না। সরাসরি আলেমদের থেকে জ্ঞানার্জন করতে না পারলে অনলাইনে বিষয়ভিত্তিক আলোচনা শোনা যেতে পারে।

(৩) সঠিক পদ্ধতিতে জ্ঞানার্জন না করা:
সদ্য হিদায়াতপ্রাপ্ত অনেককে দেখা যায় ইসলামের মৌলিক বিষয়গুলো বাদ দিয়ে অনেক গভীর বা ইখতিলাফি বিষয় নিয়ে পড়ে আছেন যেগুলো সম্পর্কে তার প্রাথমিক জ্ঞান নেই। কেউ হয়তো নাস্তিকদের সাথে তর্কে জড়াচ্ছে, কেউ বা শিয়া রাফেজিদের নিয়ে পড়াশোনা করে বিভ্রান্ত হচ্ছে। অথচ প্রত্যেকের জন্য জরুরি হলো দ্বীনের মৌলিক বিষয় যেমন : ঈমান, আকীদা, সালাত, পবিত্রতা, কুরআন, হাদীস, আখলাক ইত্যাদি বিষয়ে জ্ঞানার্জন করা।

(৪) অহংকার করা:
অনেকেই হিদায়াত পেয়ে অহংকারী হয়ে ওঠেন, অন্য মুসলিম ভাইবোনকে তুচ্ছতাচ্ছিল্য করেন। পোশাক, চলাফেরা, গুনাহ কিংবা ইবাদতের দৈন্যতা নিয়ে তাদের সমালোচনা করেন, খাটো চোখে দেখেন, জাহান্নামী বলে কটাক্ষ করেন। কে হাফপ্যান্ট পরে মসজিদে এলো, কে কানে দুল পরে মসজিদে এলো, কার হিজাব পরিপূর্ণ না ইত্যাদি দোষত্রুটি ধরা শুরু করেন। এতেও হেদায়েত হারিয়ে যায়।

(৫) দুআ না করা:
অনেকেই ভাবেন হেদায়েত চিরস্থায়ী। কিন্তু আল্লাহ তায়ালা পবিত্র কুরআনে দোয়া শিখিয়েছেন,
رَبَّنَا لَا تُزِغْ قُلُوبَنَا بَعْدَ إِذْ هَدَيْتَنَا وَهَبْ لَنَا مِن لَّدُنكَ رَحْمَةً ۚ إِنَّكَ أَنتَ الْوَهَّابُ
অর্থ: হে আমাদের প্রতিপালক, হেদায়েত দেওয়ার পর আমাদের অন্তরকে পুনরায় বাঁকা করে দেবেন না এবং আমাদেরকে আপনার পক্ষ থেকে রহমত দান করুন। নিশ্চয় আপনি মহাদাতা। (সুরা আলে ইমরান, আয়াত ৮)
নবীজী সাঃ ও হেদায়েত ধরে রাখার জন্য অনেক দোয়া করতেন যেমন: يا مقلب القلوب ثبت قلبي على دينك
অর্থাৎ, হে অন্তরসমূহের পরিবর্তনকারী, আমার অন্তরকে আপনার দ্বীনের উপর অবিচল রাখুন।
সুতরাং হেদায়েত ধরে রাখতে অধিক পরিমাণে দোয়া করা জরুরি।

(৬) নিয়মিত তাওবাহ ইস্তিগফার না করা:
মানুষ হিসেবে নিজের অজান্তেই আমাদের অনেক গুনাহ হয়ে যায়। এসব গুনাহ থেকে বাঁচতে ও নিজের হেদায়েতকে নবায়ন করতে নিয়মিত তাওবাহ ইস্তিগফার করা জরুরি। গুনাহের জন্য নিয়মিত ক্ষমা প্রার্থনা না করলে গুনাহ জমতে জমতে মানুষ একসময় হেদায়েত থেকে ছিটকে পড়ে।

হারিকেনের মৃদু আলোকে যেমন বাতাস থেকে রক্ষা করতে হয়, চিমনির ভেতর অনেক যত্ন আগলে রাখতে হয়, তেমনি হেদায়েত ধরে রাখার জন্য এর যত্ন ও পরিচর্যা করা জরুরি।

(আবু মুহাম্মাদ রাফিউজ্জামানের বক্তব্য থেকে অনুলিখন)

09/08/2025

#দোয়া

Address

Gopalganj
8130

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Abid Hasan posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share