Ghorashal Youth Football Academy

Ghorashal Youth Football Academy sports All football lovers suport us to grow..

03/10/2025

ঘোড়াশাল যুব ফুটবল একাডেমীতে জরুরী ভিত্তিতে কিছু খেলয়ার নেওয়া হবে। বয়স সীমা:-১২ বছর থেকে ১৮ বছর মধ্যে হতে হবে। যোগাযোগের ফোন নাম্বার:-মো:-সিয়াম-01881722004,মো:আজিম-01405702043,মো:সোরাফ-01917915190,মো:সবুজ-01966255782,মো:নিরজন-01407700889,মো:হিমেল-01777993777

আমার ভালবাসা আবেগ,,,,,, কিছু বলাল মতন না।
26/09/2025

আমার ভালবাসা আবেগ,,,,,, কিছু বলাল মতন না।

শ্রীলঙ্কা যখন অর্থনৈতিক সমস্যায় দেউলিয়া তখন সম্ভবত লিওনেল স্ক্যালোনির মত কেও প্রেসিডেন্ট থাকলে ঠিক বাঁচিয়ে আনতেন লাইক...
16/05/2024

শ্রীলঙ্কা যখন অর্থনৈতিক সমস্যায় দেউলিয়া তখন সম্ভবত লিওনেল স্ক্যালোনির মত কেও প্রেসিডেন্ট থাকলে ঠিক বাঁচিয়ে আনতেন লাইক আর্জেন্টিনা ফুটবল টিম কে যেভাবে এনেছিলেন...

পাকিস্তানে ও মাঝে দেখছিলাম পরিকল্পনা ও দাঙ্গা নিয়ে লিডারের অভাবে একটা আটার বস্তা নিয়ে কি বিক্ষোভ অবস্থা, মজার ছলে বলি সম্ভবত স্ক্যালনীর মত পরিকল্পনা কারি কেও থাকলে তাদের ডিফেন্স থেকে অফেন্স সামলে নিতেন অবশ্যই।

ক্লদিও তাপিয়া .... একজন প্রেসিডেন্ট হিসেবে একজন পার্টটাইমার কোচ হিসেবে স্ক্যালোনো কে আনার যে সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন সেই চাকরি টা কে অমরত্ব দিয়ে দেবেন স্বয়ং স্ক্যালোনি সম্ভবত ধারণা করে নি।

সে তার ইউনিট চেয়েছিল.
যেখানে ডিফেন্স ভাগ দায়িত্বে ওয়াল্টার স্যামুয়েল কে দিয়েছিল। পাবলো আয়মার কৃতিত্ব অনেক ..
এরা প্রত্যেকে একটা জীবন মরণ চ্যালেঞ্জ নিয়েছিল। স্বয়ং ডিয়েগো ম্যারাডোনা সমালোচনা করে বলেছিল এদের একটা রেলিগেশন টিম এর পরিচালনা যোগ্যতা নেই এরা কিভাবে আর্জেন্টিনার মত দল কে পরিচালনা করবে... ঠিক সেখান থেকে আজকের তারিখ পর্যন্ত সৌদি আরব ম্যাচ টা বাদ দিলে প্রায় ৪,৫ বছর আর্জেন্টিনা হারে নি। হ্যা অবাক লাগলেও এটাই সত্যি।

মেসি যখন আর্জেন্টিনা জার্সি বিদায় দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল তার একটা পোস্ট ব্যাপক ভাইরাল হয়েছিল পোস্ট টা ক্যাপশন লেখা ছিল
" ডোন্ট গো লিও " স্ক্যালোনি আমার আপনার মতই একজন মেসি ফ্যান হিসেবেও গোটা দল কে লালন পালন করেছেন।

যে অবস্থায় তিনি দল কে টেনে তোলার সাহস দেখিয়েছিলেন সেই কনফিডেন্ট দলের খেলোয়াড়ের নাম এমি মার্টিনেজ, রদ্রিগো ডি পল, Paredes, ক্রিস্টিয়ান রোমেরো, গুইড রদ্রিগেস, প্যালাসিওস, পাপু গোমেজ, মন্তিয়েল, মলিনা , তাগলিয়াফিকো, লাউতারো মার্টিনেজ , আলভারেজ , ডি মারিয়া আরো অনেকে এটা হবে স্বাভাবিক।

আমি প্রয়াত " সাবেল্লা " কে দেখেছি স্ক্যলোনি মাথায় আশীর্বাদ করতে, হইতো তার ২০১৪ একটুর জন্যে না পাওয়া সফলতা টা কে পূর্ণতা দেওয়ার বিশ্বাস দিয়েছিলেন তাকে।

আমি লিওনেল স্ক্যালোনি কে কখনোই আলাদা করে শো অফ করতে দেখি নি।
প্রত্যেকটা ম্যাচ ধরে ধরে কাজ করেছে, ম্যাচ শেষ হয়েছে ওয়ার্ক বোর্ড গিয়েছে পরিকল্পনা করতে বসে পড়েছে পরের প্রতিপক্ষ কে নিয়ে।
এবং প্যাভিলিয়নে ফিরে এসেছে একই ট্রাক সুট পরে নিজের ইউনিট নিয়ে। তার কাছে চ্যালেঞ্জ ছিল শুধু ম্যাচ জেতার অভ্যাস করা কিন্তু সে কোপা আমেরিকা জয়ের জন্যে প্রিপেয়ার ছিল...
সেটা জয়ের পর সবাই উল্লাসে থাকলেও সে অলরেডি কাজ শুরু করেছিল ফিনালসিয়েমা ফাইনালের ইতালির বিপক্ষে পরিকল্পনা নিয়ে।

তার পরিকল্পনার সিম্পিল ফান্ডা দলে মেসি ও ডি মারিয়া ছাড়া কেও পার্মানেন্ট নয়.. ১ শতাংশ আনফিট হলে রিজার্ভ ও জায়গা নেই... নতুন রক্ত যারা আর্জেন্টিনার ঐতিহ্য ফিরিয়ে আনার জন্যে প্রস্তুত তারাই স্কোয়াড জায়গা পাবে। এবং ডোমেস্টিক পলিটিক্স থেকে তার স্কোয়াড এর যেন কোনো ধরনের সম্পর্ক না থাকে...

তাকে কালো সুট পরে ফিফা দ্যা বেস্ট পুরস্কার নিয়ে সেরা কোচ হওয়ার থেকেও বেশি খুশি দেখেছিলাম মেসিকে অনেকক্ষণ জড়িয়ে ধরে থাকার মাঝে... তার সফলতা অর্জন তাকে মাস্টারমাইন্ড করলেও সে যেনো এসেছিল শুধুই মেসির হারিয়ে যাওয়া গ্রেটেস্ট শব্দ টা কে পোক্ত করতে। সে এসেছিল একটা উপন্যাস রচনা করতে যার নাম হইতো লেখা হত " সাধারণের বিশ্ব জয় "

আজ ম্যারাডোনা জীবিত থাকলে নিশ্চই স্ক্যালোনি পিঠ চাপড়ে বলত... ওয়েল ডান মাই বয়..

শুভ জন্মদিন কোটি আর্জেন্টিনা ভক্তের স্বপ্ন পূরণ করার অন্যতম লিও কে..

অনেক ধন্যবাদ প্রফেসার। ❤️

কালেক্টেড

বার্সেলোনার কোচ থাকা অবস্থায় ইয়োহান ক্রুইফ একটা কথা বলেছিলেন, " বার্সেলোনায় সব ভদ্র খেলোয়াড় ছিলো, সব ভদ্র খেলোয়াড়...
29/04/2024

বার্সেলোনার কোচ থাকা অবস্থায় ইয়োহান ক্রুইফ একটা কথা বলেছিলেন, " বার্সেলোনায় সব ভদ্র খেলোয়াড় ছিলো, সব ভদ্র খেলোয়াড় দিয়ে ট্রফি জেতা যায়না। পজেটিভ অ্যাগ্রেশন দরকার হয় মাঝেমধ্যে, স্টইচকভ এই অ্যাগ্রেশন নিয়ে এসেছিল বার্সেলোনায়। বল লুজ করলেই ও চার্জ করতো, বল পেলেই শ্যুট নিতো।"

ক্রুইফের ড্রিম টিমে স্ট্রাইকারের কথা উঠলে রোমারিও বন্দনা হয় প্রায়ই কিন্তু রোমারিও আসার আগে স্টইচকভ না থাকলে নিশ্চিতভাবে বার্সেলোনার টানা ৪ টা লা লিগা কিংবা প্রোথ ইউরোপিয়ান কাপই জেতা হতোনা।

ষাড়ের মতো তেজ আর গায়ের জোর ছিলো ৫ ফুট ১০ ইঞ্চির স্টইচকভের। প্রথম সিজনে এসেই স্পেনে বুত্রাগুয়েনো - সানচিজদের মাদ্রিদের ডমিনেন্স ব্রেক করার গেমে ক্রুইফের তুরুপের তাস ছিলো এই বুলগেরিয়ান, ফ্যান ফেভারিট হয় যান আর নামের পাশে লিগে যায় "দ্যা গানস্লিঙ্গার" ট্যাগ।

স্টইচকভ সমসাময়িক স্ট্রাইকারদের চেয়ে ভিন্ন ছিলো। বক্সে বসে থাকতোনা , নিচে ড্রপ করতো আর অ্যাটাকিং মিডফিল্ডারের মতো থ্রু পাস দিতে পারতো আর স্পিডি হওয়ার সাথে সাথে ভালো ড্রিবলার হওয়ার কারণে টাইট স্পেস থেকে বল নিয়ে বেরিয়ে আসতে পারতো বল লুজ না করেই, আর যদিওবা বল লুজ করে ফেলতো.. প্রেসিং তো জানতোই। ডিফেন্ডারদের জন্য স্টইচকভ ছিলো একটা দুঃস্বপ্নের নাম।

১৯৮৯/৯০ সিজনে ইউরোপিয়ান গোল্ডেন বুট জিতেছিল স্টইচকভ। ক্যারিয়ারের সেরা বছর ছিলো ১৯৯৪। লা লিগায় রোমারিওর সাথে মিলে ফর্ম করেছিলো বিধ্বংসী স্ট্রাইকার পেয়ারিং। বিশ্বকাপেও বুলগেরিয়াকে প্রায় একার নৈপুণ্যে নিয়ে গিয়েছিল সেমিফাইনালে, ওই আসরের সর্বোচ্চ গোলদাতা হয়ে গোল্ডেন বুট জেতার পাশাপাশি জিতেছিলেন ব্রোঞ্জ বলও।

সিজন শেষে রবার্তো বাজ্জিও আর পাওলো মালদিনিকে হারিয়ে ব্যালন ডি অর জেতে স্টইচকভ। ইয়োহান ক্রুইফ বার্সেলোনায় লাউড্রপের সাথে ঝামেলা বাঁধিয়ে ফেলেন, এদিকে হাগি এসেও খুব একটা সুবিধা করতে পারছিলেন না, স্টইচকভ নিজেও এসবের মধ্যে ১৯৯৫ তে বার্সেলোনা ছেড়ে ইতালিতে পাড়ি জমালেন।

ক্রুইফের ড্রিম টিমের ফ্রন্টলাইনের লিডারের ক্যরিয়ার শেষটা হয় ছোটখাটো ক্লাবে ঘুরেফিরে কিন্তু বার্সেলোনায় সবই জিতে ফেলেছিলেন ততদিনে, সুদূর বুলগেরিয়া থেকে আসা লোকটা ক্রুইফের ড্রিম টিমে অ্যাগ্রেশন, উইনিং মেন্টালিটি নিয়ে এসেছিলেন আর লয়ালটির এক অনন্য নজির রেখে গিয়েছেন। কাতালুনিয়াকে ভালোবেসেছিলেন, ব্লাউগ্রানাকে ধারণ করেছিলেন নিজের মধ্যে।

এজন্যেই কাতালোনিয়ার জনসাধারণের কাছে তিনি ভালবাসার এল পিস্তলেরো/ দ্যা গানস্লিঙ্গার , বুলগেরিয়ান বুল।

Author: Muhammed Hasibul Islam Jihad
Poster: Samin Yasir Tanim
Collected

২০০১, ক্যাম্প ন্যু। কাতালানে তখন থমথমে পরিবেশ। লিগে বার্সার অবস্থানটা নড়বড়ে, সিজনের শেষ ম্যাচ। চ্যাম্পিয়নস লিগে জায়গ...
21/04/2024

২০০১, ক্যাম্প ন্যু। কাতালানে তখন থমথমে পরিবেশ। লিগে বার্সার অবস্থানটা নড়বড়ে, সিজনের শেষ ম্যাচ। চ্যাম্পিয়নস লিগে জায়গা করে নেয়ার ভাগ্য সুতোয় ঝুলছে তখনো। ভ্যালেন্সিয়ার বিপক্ষে ম্যাচটা জিততেই হতো, কিন্তু জয়ের কাটাটা বার্সার বিপক্ষে! ঘড়ির কাঁটা সেদিন পাল্লা দিয়ে বাড়ছিল সময়ের সঙ্গে। ম্যাচ এগিয়ে চলছে ড্রয়ের দিকে। ভ্যালেন্সিয়া সমর্থকরা উল্লাসের প্রস্তুতি নিচ্ছে।

কিন্তু বিপত্তি বাঁধলো তখনি, কাতালানদের ত্রাতা হয়ে এলেন একজন। নাম তার রিভালদো। ম্যাচের ৮৬ মিনিট চলছে, বক্সের একটু বাইরেই বল পেলেন। গোলবার উল্টো দিকে, অমন পজিশন থেকে তার থেকে যে গোল আশা করা দায়! তবে নামটা যখন রিভালদো, তখন তো আশা করাই যায়। বুক দিয়ে ঠেকিয়ে নিলেন ওভারহেড কিক। এক মুহূর্তের জন্য পুরো ক্যাম্প ন্যু স্তব্ধ হয়ে গেলো। বার্সাকে যে টেনে তুলেছেন খাদের কিনারা থেকে! ততক্ষণে তিনি জার্সি খুলে ফেলেছেন, সতীর্থরা জড়িয়ে ধরেছে তাকে। রাতটা হয়তো হ্যাট্রিকহিরো রিভালদোময় হয়েই থাকবে কাতালানদের মাঝে।

রিভালদোর গল্পটাও আর দশটা ব্রাজিলিয়ানদের মতই। অযত্ন অবহেলা দারিদ্র্যের মাঝেই শৈশবটা কেটেছে তার। অপুষ্টি, অনাহারে কাটিয়েছেন অনেকদিন, তার কোনো ইয়াত্তা নেই। তবে ফুটবলের প্রতিটা ভালোবাসাটা ছিল প্রখর। পলিস্টানো ফুটবলের ক্লাব কোচ ছোট্ট রিভালদোর খেলা দেখে মুগ্ধ হয়েছিলেন, দলে টেনে নিলেন তাকে। রিভালদোর উত্থান এখান থেকেই। পেশাদারী হাতেখড়ি টা হয়েছিল সান্তা ক্রুজের হয়ে। তবে তার ইউরোপ ক্যারিয়ারটা বেশ দেরিতেই শুরু হয়। ডিপোর্টিভা লা করুণাতে যোগ দিতে দিতে তার জীবনের দুই যুগ ততদিনে কেটে গেছে।

পরের মৌসুমেই তাকে দলে ভেড়ায় বার্সা, দলবদলের বিশ্ব রেকর্ড গড়ে। বার্সার ডগআউটে তখন ভ্যান গাল। তার অধীনে রিভালদোর শুরুটাও হলো দুর্দান্ত। এসেছিলেন স্বদেশী রোনালদোর রিপ্লেসে, অভাবটাও বুঝতে দেননি দলকে। প্রথম মৌসুমেই তার কাঁধে ভর করে ডোমেস্টিক ডাবল জিতে বার্সা। পরের মৌসুমগুলোতে পারফর্ম করে গেছেন সমান্তর ধারায়। বার্সা তাকে খেলতে দিয়েছিল তার প্রিয় পজিশনে। পাঁচ বছরে ক্লাবকে দুহাত ভরে দিয়েছেন তিনি। রোনালদোর শূন্যতা পূরণ করেছেন, নিজেকে আরও ভয়ংকরভাবে উপস্থাপন করেছেন বারবার।

ক্যারিয়ারে যেমন সাফল্য পেয়েছেন, তেমনি মুদ্রার উল্টো পিঠ ও দেখতে হয়েছে তাকে। ১৯৯৬ সালের অলিম্পিক, শিরোপা জেতার জন্য মুখিয়ে সেলেসাওরা। কিন্তু ম্যাচে তার ভুল পাস থেকেই প্রথম গোল কনসিড করে ব্রাজিল। ব্যর্থতার ষোলোকলা পূর্ণ করেন গোলকিপারকে একা পেয়েও গোল করতে না পেরে। তার কারণেই বিদায় নেয় সেলেসাওরা, তিনি বনে যান ভিলেন। মরার উপর খাড়ার ঘা হয়ে আসা মিডিয়ার জন্য আরো সমালোচিত হতে হয় তাকে।

তবে নিজের সেরাটাও বোধহয় এই আন্তর্জাতিক মঞ্চে দিয়েছিলেন রিভালদো। ফ্রান্সের কাছে বিশ্বকাপ খোয়ালেও দলের অন্যতম সেরা পারফর্মার ছিলেন তিনি। পরের বছরটা তার কাছে ছিল স্বপ্নের মতো। ব্রাজিলকে জিতিয়েছিলেন কোপা আমেরিকা, নিজেও জিতেছেন ব্যালন ডি অর। ব্রাজিলের পঞ্চম বিশ্বকাপ জয়েও রেখেছেন সর্বোচ্চতম অবদান। সতীর্থ রোনালদোর সঙ্গে পাল্লা দিয়ে গোল করেছেন। ফাইনালেও দুই গোলেই অবদান ছিল তার। ব্রাজিলিয়ানরা কাউকে আপন করে নিতে সময় নেয় না। রিভালদোকেও তারা ভালোবাসতে শুরু করলো। খলনায়ক থেকে ব্রাজিলের জাতীয় হিরো বনে গেলেন তিনি। স্বপ্নের মতো বিশ্বকাপ কাটিয়েছিলেন, ক'জনই বা পারে!

পুরোদস্তুর স্ট্রাইকার না হলেও গোলের ব্যাপারে রিভালদোর মোটেই অনীহা ছিলো না। দারুণ গতির সাথে চোখ-ধাঁধানো ড্রিবলিং আর বলের উপর অসামান্য নিয়ন্ত্রণ – লম্বাটে খেলোয়াড়দের ক্ষেত্রে এই তিনের সমন্বয়টা সহজে চোখে পড়ে না। তার রোনালদোর মত গোলস্কোরিং কিংবা বেকহ্যাম জিদানের মত প্রতিভা ছিল না। তবে এসবের মিশ্রণ ছিলেন তিনি। ক্যারিয়ারেও কোনো অপূর্ণ ছিল না তার। বিশ্বকাপ, চ্যাম্পিয়নস লিগ, ব্যালন ডি অর সবই জিতেছেন ঝলমলে ক্যারিয়ারে। রোনালদো, রোনালদিনহোর সাথে মিলে 'ট্রিপল আর' জুটি গড়েছিলেন। রেসিফের বস্তি থেকে করেছেন বিশ্বজয়। ধৈর্য আর খেলা দিয়ে ব্রাজিলিয়ানদের বৈমাত্রেয় আচরণকেও পরিণত করেছেন ভালোবাসায়। সর্বজয়ী রিভালদো জয় করেছেন শিরোপা, দারিদ্র্য, প্রতিকূলতাকেও। ভালবাসতে তো সবাই পারে, হিংসাকে জয় করতে পারেই বা কয়জন?

১৯৭২ সালের আজকের এই দিনেই ব্রাজিলের রেসিফে জন্মগ্রহণ করেছিলেন এই কিংবদন্তী। আজ তিনি ৫২ বছরে পা দিলেন।

শুভ জন্মদিন রিভালদো!

Author: সৈয়দ ইসতিয়াক বাশার নাবিল

আপনি রূপকথায় বিশ্বাস করেন না? এমির গল্পটা আপনাকে তাহলে শুনতে হবে। আপনি জীবন-সমুদ্রের উথালপাথাল ঝড়ে দিশেহারা নাবিক? এমির ...
21/04/2024

আপনি রূপকথায় বিশ্বাস করেন না? এমির গল্পটা আপনাকে তাহলে শুনতে হবে। আপনি জীবন-সমুদ্রের উথালপাথাল ঝড়ে দিশেহারা নাবিক? এমির গল্পটা আপনাকে শুনতে হবে। শত চেষ্টার পরও ভাগ্য মুখ তুলে চাইছে না দেখে হাল ছেড়ে দিতে চাইছেন? এমির গল্পটা আপনাকে শুনতেই হবে!

আজ চারদিকে এমি মার্টিনেজ নামে জয়ধ্বনি। অথচ নিজের ক্যারিয়ার নিয়ে এই এমিকেই লড়াই করে যেতে হয়েছে বছরের পর বছর। ভাগ্যের নিরেট দেয়ালে বারবার মাথা কুটেছেন। কাঁটা বিছানো পথে রক্তাক্ত হয়েছেন। তবু থামেননি। হতাশার ভারী পাথর বয়ে পাহাড়চূড়ায় উঠেছেন, সিসিফাসের মতো।

মাত্র ২০ বছর বয়সে আর্জেন্টিনা থেকে তাকে দলে ভিড়িয়েছিল আর্সেনাল। ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগের সেরা ক্লাবগুলোর একটিতে যোগ দিয়ে রোমাঞ্চিত ছিলেন। কিন্তু তার স্বপ্নের আয়নায় বাস্তবতার পাথর ছুড়ে মেরেছিল আর্সেনালই। দীর্ঘ আট মৌসুম এই ক্লাবে থাকলেও আর্সেনাল কখনোই আস্থা রাখতে পারেনি। বরং অক্সফোর্ড, রদারহামের মতো নিচু সারির অখ্যাত ক্লাবে লোনে পাঠিয়ে দিয়েছে।

এমি তবু হাল ছাড়েননি। ২০১৭ সালে সামাজিক মাধ্যমে নিজের ছবি পোস্ট করে লিখেছিলেন: মাই টাইম উইল কাম।

সেই সময় অবশেষে এল ২০২০ সালে, দুর্দান্ত কিছু সেভ করে এমি আর্সেনালকে এফএ কাপের ফাইনাল জেতালেন। সেই ফাইনালের পর কান্নায় ভেঙে পড়া এমির ছবিটা দেখলে আপনার চোখেও অজান্তে গড়িয়ে পড়বে অশ্রুবিন্দু।

এত দিনের যন্ত্রণাকাতর অপেক্ষা, এত অপমানবিদ্ধ রক্তাক্ত হৃদয়ের বিনিময়ে অবশেষে বড় কোনো অর্জন! পরের মৌসুমের শুরুতে প্রথম দেখালেন নিজের পেনাল্টি শ্যুটআউটের জাদু। আর্সেনালকে জেতালেন কমিউনিটি শিল্ডের ট্রফি।

এমি জানতেন, আর্সেনাল তবু প্রতিদান দেবে না। ঠিকানা বদলে চলে গেলেন অ্যাস্টন ভিলায়। আর ভিলার হয়ে প্রথম ম্যাচেই পেনাল্টি ঠেকিয়ে হয়ে গেলেন নায়ক!

২০২০-২১ মৌসুমটাই তার জীবনের গল্প বদলে যাওয়ার সেই রূপকথা। নিতান্তই সাধারণ দর্শক হিসেবে ২০১৮ বিশ্বকাপে এসেছিলেন খেলা দেখতে। গ্যালারি থেকে চোখের সামনে দেখেছেন, আর্জেন্টিনার গোলপোস্টের নিচে অপমানজনক পারফরম্যান্স। এমি নিশ্চয়ই উশখুশ করছিলেন! পারলে তক্ষুনি যেন নেমে যান মাঠে!

২০২১ সালেই প্রথম সুযোগ পেলেন আর্জেন্টিনার জার্সি গায়ে চড়ানোর। লিওনেল স্কালোনির জহুরি চোখ খুঁজে পেয়েছিল আসল রত্ন। অভিষেকের বছরেই এমি আর্জেন্টিনাকে জেতালেন কোপা আমেরিকা। লিওনেল মেসির প্রথম জাতীয় দলের ট্রফি! পরের বছরই বিশ্বকাপ!

এমি বলেছিলেন, মেসিকে আমি কথা দিয়েছি। ওর জন্য কেউ আমাকে পারেনাতে (আর্জেন্টিনার খরস্রোতা নদী) ঝাঁপ দিতে বললেও চোখ বন্ধ করে ঝাঁপ দেব।
আর্জেন্টিনার বিশ্বকাপ জয়ে এমি-বীরত্ব নিয়ে নতুন করে লেখার কিছুই নেই। ফাইনালে শেষ বাঁশি বাজার আগে পা দিয়ে ঠেকানো তার সেভটা ফুটবলীয় রূপকথারই অংশ।

সেই এমি এবার জাদু দেখিয়ে চলেছেন অ্যাস্টন ভিলার হয়ে। উয়েফা কনফারেন্স লিগের গত ম্যাচে আবারও পেনাল্টি শ্যুটআউটের নায়ক। ঠেকিয়ে দিয়েছেন দুটি শট। তাও সেই ফ্রান্সে, যেখানে তিনি রীতিমতো এক খলচরিত্র। পুরো ম্যাচে লিলের সমর্থকেরা তাকে দুয়োধ্বনিতে অত্যাচারের স্টিম রোলার চালিয়েছে।

এই এমি সর্বশেষ ৫টি পেনাল্টি শ্যুটআউট জিতেছেন। ২৪টি শটের ১০টিই ঠেকিয়েছেন। অথচ পেনাল্টি শ্যুটআউট গোলরক্ষকদের সবচেয়ে কঠিন পরীক্ষা। আর পেনাল্টি এলেই যেন এমি খুশি হন। চোয়ালবদ্ধ প্রতিজ্ঞায় চোখের আগুনে প্রতিপক্ষকে ভস্ম করে দিয়ে বলে ওঠেন: ব্রিং ইট অন!

এমির এই মানসিক দৃঢ়তার উৎস কী? এখন পেছন ফিরে তাকালে মনে হয়, ক্যারিয়ারের প্রথম ৯টা বছর যে আগুনে পুড়েছেন, সেটাই তাকে করেছে খাঁটি সোনা। আপনি এমির ভক্ত হোন বা না-ই হোন, তার জীবন থেকে একটা জিনিস শিখতে পারেন: জীবন কঠিন পরীক্ষা নিচ্ছে? নিতেই থাকুক। হাল ছেড়ো না বন্ধু, বরং কণ্ঠ ছাড়ো জোরে!

এক এক করে বারোটা বছর। শিরোপা আর অ্যলিয়াঞ্জ অ্যরেনা যেনো একটা প্রেমকাব্য।প্রেমকাব্যে ডর্টমুন্ড ফাঁটল ধরাতে চেয়েছে বহুবার।...
15/04/2024

এক এক করে বারোটা বছর। শিরোপা আর অ্যলিয়াঞ্জ অ্যরেনা যেনো একটা প্রেমকাব্য।প্রেমকাব্যে ডর্টমুন্ড ফাঁটল ধরাতে চেয়েছে বহুবার। তবে শেষে এসে হৃদয়ভঙ্গের যন্ত্রণায় নিজেরাই করেছে অশ্রুস্লান।

একটা সময় বুন্দেসলীগা সম্রাজ্যে নতুন কোনো 'মহাকালের' আবির্ভাব মনে হচ্ছিলো অসম্ভব। অতঃপর একজন এলেন। হ্যামিলিওনের বাশিওয়ালার মতো।

তিনি দু-কাঁধে নিয়ে ছুটলেন স্বপ্ন রাশিরাশি। তার পেছন পেছন ছুটলো লেভারকুসেন। মুগ্ধতা, ভালোবাসা কিংবা রক্ত সব ছড়িয়ে দিলেন সবুজ ময়দানে। বুঁধ হলো বিশ্ব!

অবশেষে তারা উপহার দিলো সেই মাহেন্দ্রক্ষণ। বায়ার্নের থেকে ছিনিয়ে নিলো সেই "জার্মান শ্রেষ্ঠত্ব"।

Congratulations Alonso & Co. You guys deserve it 💥

Happy birthday kaka ❤️💖💖 many many happy retruns of this day ❤️❤️ i pray u always happy in your life 🤲🤲🤲🤲🤲
27/12/2023

Happy birthday kaka ❤️💖💖 many many happy retruns of this day ❤️❤️ i pray u always happy in your life 🤲🤲🤲🤲🤲

Address

Ghorashal

Telephone

+8801749121684

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Ghorashal Youth Football Academy posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Ghorashal Youth Football Academy:

Share

Category