14/10/2024
১.মুসলমান বা মুসলিম (আরবি শব্দ :مسلم-অর্থ: স্ব ইচ্ছায় আত্মসমর্পণকারী।
২ ইসলাম" আরবি শব্দের অর্থ "আত্মসমর্পণ"।
এমন অন্য ধর্মের শব্দের অর্থ কিন্ত সুন্দর..! এবং সৃষ্টিকর্তা এবং তার সৃষ্টির প্রতি অনুগত স্বীকার করাকে বুঝিয়েছেন..
এটাই মান্যকরা আমাদের জন্য বড় ইবাদত” (মঙ্গল)আর এটার মধ্যে সকল শান্তি নিহীত, জোরে মাইক বাজিয়ে শব্দ করে, যত্রতত্র নোংরা করে একে অন্যকে বিরক্ত করে যে ধর্ম আমরা মেনে প্রতিষ্ঠিত করে চলেছি সেটা মোটেও কোন সৃষ্টি কর্তার দেখানো শান্তির পথ হতে পারে না।
দু:খের বিষয়! আমরা গোড়া মুসলিমরা আসল ইসলাম বুঝিনা, বুঝি শুধু নিজেদের সুবিধা, হুজুরদের ইউটিউব ভিডিও এবং ছবি যায়েজ হয় কিভাবে যদি কোরানে ছবি-ভিডিও, মিডিয়া হারাম হয়ে থাকে?
তারপর আবার সকল মিডিয়া ইহুদিদের প্লাটফরম সেটাও বা তারা ব্যবহার কিভাবে করে ?
যদি ইহুদিদের এতই ঘৃনা করেই থাকে তাহলে তাদের জিনিষের ব্যবহার এত কেন?
এই নেটওয়ার্ক বা মোবাইলও কিন্ত ইহুদিদের কিন্ত ব্যবহারের বেলায় তারা কোন কথা বলছে না..! কেন?
মহান আল্লাহ তাহলে কি ইসলামে মোবাইল বা নেটওয়ার্ক, মহাকাশ স্যাটেলাইট পারমানবিক শক্তি বানাতে নিষেধ করেছেন?
তাহলে কেন তাদের এত বুদ্ধিমত্বা থাকতে অন্যের প্লাটফরম ব্যবহার করবে অন্য ধর্মের যারা আর অমুসলিমরা মনে হচ্ছে আলাদা কোন রক্ত মাংসের তৈরি।
তাদের চালচলন ব্যবহার উপস্হাপন দেখে তাই মনে হচ্ছে।
যেটা পবিত্র কোরআন নাজিলের ১৪০০ বছর পর থেকে হারাম ছিল এখন সেই ছবি ভিডিও হালাল কি ভাবে হয়?
নাকি হাদিস তাদের ইচ্ছামত তৈরি হয় ? যেটা করলে দাংগাহংগামা বাড়বে এক ধর্মের সাথে অন্য ধর্মের।
যে ইসলাম ব্রিটিশরা সৃষ্টি করেছিল সেটাই তারা চর্চা করে চলেছে এখনও, কিন্ত সেই রাজনৈতিক ধর্মকেই আমরা পালন করে চলেছি এখনও।
আল্লাহ সুবহানাঅতায়ালা পরিস্কার করে বলেছেন নবীজির বিদায় হ্বজের ভাষনের মাধ্যমে, এবং বারবার উচ্চারন করেছেন “হে মানব..॥ সারা পৃথিবীর মানবকুলকে বুঝিয়েছেন ।অথচ সেটা পাল্টিয়ে তারা বলেছেন“হে মুসলমান”আরও বলেছেন তোমরা ধর্ম নিয়ে বাড়াবাড়ি করোনা কিন্ত তারা সেটা করছে..! আরও বলেছেন তোমাদের মাঝে আমি একটা জিনিস রেখে গেলাম সেটা আমার কিতাব” (আল-কোরআন) কিন্ত আমরা সেটাকে দুইটা বানিয়েছি ২. রসুলের বানী…(হাদীস) যুক্ত করেছি, আসলে বোকার দলেরা না বুঝে আল্লাহর যে প্রতিনিধি মোহাম্মদ (সা:)এর জীবন ধারনকে আলাদা করে মানুষকে বুঝিয়ে হাজার হাজার কিতাব তৈরি করে বিভ্রান্ত সৃষ্টি করে চলেছেন। আসলে রসুল (সা:) জীবনি যে আল্লাহর কোরানের এক অংশও বাহিরে নয় সেটা তারা বোঝাতে অক্ষম।
এটা আল্লাহর সাথে কতবড় “শিরক”(বিরোধিতা)তারা করে চলেছে চিন্তা করা যায়..! আল্লাহ সবাইকে সঠিক বুঝ দান করুন।আমিন॥