28/08/2019
বেসরকারি এনজিও এর তথ্যমতে রোহিঙ্গার সংখ্যা ১২-১৫ লক্ষ হলেও, রোহিঙ্গা বর্তমানে দেশে ৩০ লক্ষের মতো। কারণ গত ২ বছরে তারা কয়েক লক্ষ সন্তান জন্ম দিয়েছে এই দেশে। পৃথিবীর উর্বর জনগোষ্ঠীর মধ্যে রোহিঙ্গারা অন্যতম।
"ক্যাম্প দিনের বেলায় বাংলাদেশের আর রাতের বেলায় সশস্ত্র গোষ্ঠীর। এটা এখন ওপেন সিক্রেট।"--বিবিসি
কক্সবাজার এর সৌন্দর্য নষ্ট হবে কিছুদিন পর। বিদেশী পর্যটকরা আর আসবে না। কারণ কিছুদিনের মধ্যেই তারা ক্যাম্প শাসন করবে। ক্যাম্পে যৌথ অভিযান পরিচালনাও হয়তো সম্ভব হবে না আন্তর্জাতিক চাপ কিংবা নেতিবাচক প্রভাবের আশংকায়।
বাংলাদেশে প্রবেশ এর ২ বছর পূর্তিতে ২ লক্ষ রোহিঙ্গারা বিক্ষোভ করে গত ২৫ আগষ্ট ২০১৯। রোহিঙ্গারা এখন জমায়েত হচ্ছে, পুলিশের গায়ে হাত দিচ্ছে, কাল হত্যা করবে। লক্ষাধিক চাপাতি তৈরী করছে। কিছুদিন পরে স্বাধীন দেশের ঘোষণা দিবে। জাতিসংঘ অন্যান্য দেশের সমর্থন নিয়ে হয়তো স্বাধীন দেশ এর প্রস্তাব পাশ করে দিবে। আমাদের একটা ভূ-খন্ড তারা দখলে নিয়ে নেবে। ইতিহাস এভাবেই তৈরী হয়।
সর্বশেষ রোহিঙ্গাদের আচরণ বিশ্লেষণ করলেই পাওয়া যায়। তারা বেশ মারমূখী ভূমিকায় আছে। আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলো তাদের পাশে থাকবে। মিয়ানমারও এখন তাদের পাশে থাকবে। কারণ তারা দেশে ফিরিয়ে না নেওয়ার ষড়যন্ত্রে লিপ্ত রয়েছে। আমাদের জনসংখ্যার চাপ সামলানোই কঠিন, সেখানে ৩০ লক্ষের চাপ সামলানো এতো সহজ নয়। আর ২/৩ বছর হলে তাদের সংখ্যা হবে কোটি ছাড়াবে যা পৃথিবীর ১০০ টি দেশের জনসংখ্যার চেয়েও বেশি। ভাবতে পারেন?
যারা ধর্ম এবং মানবতা নিয়ে বুলি আওড়াচ্ছে, তারা টেবিল পর্যন্তই সুশীল, ব্যবহারিক ক্ষেত্রে নয়। রোহিঙ্গাদেরকে এখনই মায়ানমারে স্বসম্মানে ফেরত পাঠাতে হবে তা না হলে কোটি রোহিঙ্গাদেরকে নিয়ন্ত্রণ করা কষ্টসাধ্য হবে।এখনই ভাবতে হবে। তা না হলে দেশ ইয়াবা এবং মাদক এর স্বর্গভূমি হবে। পরিচ্ছন্ন বাংলাদেশ চাই। সুন্দর বাংলাদেশ চাই।