Puran Dhaka

Puran Dhaka PuRaN dHaKa (OlD tOwN)
(585)

ব্রিটিশ আমলের সেই পুরনো দিনের সুইচ আর ফ্যান রেগুলেটর—কার কার ঘরে এমন সুইচবোর্ড ছিল?​এই গোল গোল সুইচের ‘টপ-ক্লিক’ শব্দ আর...
13/08/2026

ব্রিটিশ আমলের সেই পুরনো দিনের সুইচ আর ফ্যান রেগুলেটর—কার কার ঘরে এমন সুইচবোর্ড ছিল?

​এই গোল গোল সুইচের ‘টপ-ক্লিক’ শব্দ আর রেগুলেটর ঘুরিয়ে ফ্যানের গতি বাড়ানো-কমানোর স্মৃতিগুলো আজও অম্লান। প্রযুক্তির ভিড়ে এখন এগুলো জাদুঘরের অংশ হতে চললে....

"কিছুক্ষণ রেঁস্তোরা"তে কিছুক্ষণের জন্য নস্টালজিয়ায় ডুবে গিয়ে দারুন মজার সব খাবার উপভোগ করতে অনেকেই যান পুরান ঢাকার ঐতিহ্...
08/08/2026

"কিছুক্ষণ রেঁস্তোরা"তে কিছুক্ষণের জন্য নস্টালজিয়ায় ডুবে গিয়ে দারুন মজার সব খাবার উপভোগ করতে অনেকেই যান পুরান ঢাকার ঐতিহ্যবাহী এই রেস্তোরাঁয়।
গিয়েছিলাম কাটলেট আর চপ সাথে সুপ উপভোগ করতে।

দোকানের ভেতরে জায়গা ছোট সর্বোচ্চ ১৬/১৮ জন বসার মত জায়গা। আর এখানে ঢুকতেই চোখে পড়বে বিখ্যাত কিছু মানুষের ছবি। দোকানের প্রতিষ্ঠাতা নারায়ণ চন্দ্র ঘোষ ছিলেন শিল্পের ভীষণ অনুরাগী।
উত্তম কুমার, কাজী নজরুল ইসলাম, ড. মুহাম্মদ শহীদুল্লাহ, সুকান্ত ভট্টাচার্য্য, শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়, ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর, হাসন রাজা, জয়নুল আবেদীন, মাইকেল মধুসূদন দত্ত, লালন শাহ্, স্যার জগদীশ চন্দ্র বসুর মতো আরও অনেক মহান ব্যক্তিদের ছবি রেস্তোরাঁর দেয়াল জুড়ে সারিবদ্ধ সাজানো আছে।

ছোটবেলায় বিকেল বেলায় খেতে আসতাম এই কিছুক্ষণে, আবার বাসায় জামাই আপ্যায়নে বিকেলের নাস্তা দেয়া হতো এই কাটলেট, চপ, মোগলাই পরোটা ইত্যাদি।
❤️
৩৪/১ কেশব ব্যানার্জী রোড, লোহারপুল, গেন্ডারিয়া, ঢাকা ১২০৪।
প্রতিষ্ঠাকাল: ১৯৭৮ সাল।



"কিছুক্ষণ রেঁস্তোরা"তে কিছুক্ষণের জন্য নস্টালজিয়ায় ডুবে গিয়ে দারুন মজার সব খাবার উপভোগ করতে অনেকেই যান পুরান ঢাকার ঐতিহ্যবাহী এই রেস্তোরাঁয়।

আর্মানিটোলা এই বাড়িটি কে কে চিনেন??
05/08/2026

আর্মানিটোলা এই বাড়িটি কে কে চিনেন??

05/08/2026

আজ ৫ আগস্ট প্রতিটি সৈরাচার এবং তাদের দোসরদের বুকে কাপন ধরানো দিন।
যদি তুমি হেরে যাও তুমি শেষ,
যদি রুখে দারাও তুমি বাংলাদেশ। 🇧🇩✌️

স্পেন যদি বিশ্বকাপটা জয় করে এবং প্যালেস্টাইনের পতাকাটা উড়ায় তাহলে এর চাইতে সেরা বিশ্বকাপ আর হয় নাই এবং ভবিষ্যতেও হবে না।...
20/07/2026

স্পেন যদি বিশ্বকাপটা জয় করে এবং প্যালেস্টাইনের পতাকাটা উড়ায় তাহলে এর চাইতে সেরা বিশ্বকাপ আর হয় নাই এবং ভবিষ্যতেও হবে না।

স্বাধীন প্যালেস্টাইন ইস্যুতে স্পেনের মত কোন ইউরোপীয় দেশ সরকার এতটা সোচ্চার হয় নাই।

খেলা শেষে ইসরাইলের পতাকা মাঠে উড়ুক এটা দেখতে চাই না।
তাই আজকের জন্য হলেও স্পেনের সাপর্ট...
Congratulations spain 🇪🇦✌️

16/07/2026

||কেন এই রথযাত্রা হয়||

কখনো কি মনে প্রশ্ন জেগেছে, কেন এই রথযাত্রা হয়? কেন বিশ্বব্রহ্মাণ্ডের নাথ, স্বয়ং জগন্নাথ দেব তাঁর রাজকীয় গর্ভগৃহ ছেড়ে বড় ভাই বলরাম আর ছোট বোন সুভদ্রাকে নিয়ে রাজপথে বেরিয়ে আসেন? কেনই বা তিনি প্রতি বছর নিয়ম করে মাসির বাড়ি যান? চলুন আজ কোনো কৃত্রিম ছক ছাড়া, একেবারে মনের আঙিনা থেকে জেনে নেওয়া যাক এই উৎসবের আসল ইতিহাস আর গভীর তাৎপর্য।

রহস্যময় মূর্তি ও রথযাত্রার সূচনা

প্রাচীন ওড়িশার পুঁথি আর পুরাণ অনুযায়ী, এই রথযাত্রার সূচনা হয়েছিল বহু যুগ আগে, সত্যযুগে。 মালবদেশের পরম বিষ্ণুভক্ত রাজা ইন্দ্রদ্যুম্ন স্বপ্ন পেয়েছিলেন যে ভগবান বিষ্ণু সমুদ্রের জলে ভাসমান এক বিশেষ কাষ্ঠখণ্ড বা দারুবৃক্ষ রূপে আবির্ভূত হবেন। রাজা সেই পবিত্র কাঠ উদ্ধার করার পর মূর্তি গড়ার জন্য এক রহস্যময় বৃদ্ধ কাষ্ঠশিল্পী উপস্থিত হন, যিনি আসলে ছিলেন স্বয়ং দেবশিল্পী বিশ্বকর্মা। তবে তাঁর একটি কঠিন শর্ত ছিল—একুশ দিন তিনি বন্ধ ঘরের ভেতর একা কাজ করবেন, আর এই সময়ে কেউ যেন সেই ঘরের দরজা না খোলে।

কিন্তু ভেতরের ঠকঠক শব্দ হঠাৎ বন্ধ হয়ে যাওয়ায় রানীর চরম ব্যাকুলতায় ১৫ দিনের মাথায় ঘরের দরজা খুলে ফেলা হয়। দরজা খুলতেই দেখা গেল বৃদ্ধ শিল্পী উধাও, আর পড়ে আছে হাত-পা বিহীন, বড় বড় চোখ ওয়ালা তিনটি অর্ধসমাপ্ত মূর্তি। রাজা তো গভীর অনুশোচনায় ভেঙে পড়লেন। তখন ভগবান শ্রীকৃষ্ণ তাঁকে সান্ত্বনা দিয়ে বললেন, তিনি ভক্তের ভালোবাসার এই ব্যাকুল রূপেই জগতবাসীর কাছে প্রকাশ পেতে চান。 এই ভাবেই পুরীতে জগন্নাথ, বলভদ্র ও সুভদ্রার প্রতিষ্ঠা হলো এবং রাজা ইন্দ্রদ্যুম্নকে স্বয়ং ভগবান এই রথযাত্রা শুরু করার আদেশ দিয়েছিলেন。

উপরিউক্ত দৃশ্যটি লক্ষ্য করলে বুঝতে পারবেন, কীভাবে একটি উৎসব লাখো মানুষকে এক সুতোয় বেঁধে ফেলে। এই বিশাল কাঠের রথ এবং তাকে ঘিরে থাকা মানুষের এই আকুলতাই হলো রথযাত্রার মূল প্রাণশক্তি, যা বছরের পর বছর ধরে একই ভাবে জীবন্ত রয়েছে।

কেন এই মাসির বাড়ি যাত্রা?

রথযাত্রার মূল কারণটি যেমন পারিবারিক, তেমনই আবার আধ্যাত্মিক ভালোবাসায় মোড়া। লোকবিশ্বাস অনুযায়ী, রথযাত্রা হলো জগন্নাথ দেবের তাঁর জন্মস্থান বা মাসির বাড়ি যাত্রা। রাজা ইন্দ্রদ্যুম্নের রানী গুণ্ডিচার গভীর ভক্তির কারণে শ্রীকৃষ্ণ তাঁকে কথা দিয়েছিলেন যে তিনি বছরে একবার তাঁর প্রাসাদে আসবেন。 সেই রানী গুণ্ডিচার নামানুসারেই এই মন্দিরের নাম গুণ্ডিচা মন্দির。 জগন্নাথ দেব তাঁর ভাই ও বোনকে নিয়ে এই গুণ্ডিচা মন্দিরে মোট সাত দিন কাটান। যাওয়ার দিনটিকে আমরা বলি সোজা রথ আর সাত দিন পর নিজের মন্দিরে ফিরে আসার দিনটিকে বলি উল্টো রথ বা বাহুড়া যাত্রা।

আবার বৈষ্ণব দর্শনের দিকে তাকালে এর একটি চমৎকার মানবিক অর্থ খুঁজে পাওয়া যায়। দ্বারকার ঐশ্বর্য আর রাজকীয় জাঁকজমকের মাঝে থেকেও শ্রীকৃষ্ণের মন সবসময় পড়ে থাকত তাঁর ছোটবেলার দিনগুলোতে, সেই বৃন্দাবনের রাখাল বালক আর ব্রজবাসীদের নিটোল ভালোবাসার টানে。 রথযাত্রা হলো শ্রীকৃষ্ণের সেই দ্বারকার রাজপ্রাসাদ ছেড়ে শ্রীধাম বৃন্দাবনে ফিরে যাওয়ার এক পরম প্রতীকী রূপ। ভক্তরা যখন রথের দড়ি টানেন, তারা আসলে ভগবানকে তাঁদের নিজেদের হৃদয়ের বৃন্দাবনে টেনে নিয়ে যান。

সাম্য ও ঐক্যের এক অনন্য বার্তা

এই উৎসবের সবচেয়ে বড় বিউটি কিন্তু লুকিয়ে আছে এর সামাজিক বার্তার মধ্যে। প্রাচীন কালে সাধারণ মানুষের জন্য মন্দিরের গর্ভগৃহে প্রবেশ করার ক্ষেত্রে নানা সামাজিক বাধা ছিল। কিন্তু রথযাত্রার দিন ভগবান নিজেই মন্দির থেকে সাধারণ মানুষের ধুলোবালির রাস্তায় নেমে আসেন। তিনি তখন আর শুধু মন্দিরের বদ্ধ দেবতা নন, তিনি হয়ে ওঠেন পতিতপাবন—যিনি সবার দুঃখ হরণ করতে নিজে এগিয়ে আসেন。 এখানে কোনো ধনী-দরিদ্রের ভেদাভেদ নেই, কোনো জাত-পাতের বিচার নেই। লক্ষ লক্ষ মানুষ একসাথে একই দড়িতে টান দিয়ে রথ এগিয়ে নিয়ে যান。

এমনকি পুরীর পরম শক্তিশালী রাজাকেও এই বিশেষ দিনে সাধারণ সেবকের মতো রথের সামনে সোনার ঝাঁটা দিয়ে রাস্তা পরিষ্কার করতে হয়, যাকে বলা হয় ছেরা পহরা。 এই প্রথাটি আমাদের মনে করিয়ে দেয় যে, ঈশ্বরের দরবারে ক্ষমতা বা অহংকারের কোনো মূল্য নেই, সেখানে একজন রাজা আর একজন সাধারণ মানুষ একদম সমান。

ছোটবেলার সেই কাদা মাখা রাস্তায় আলতো করে কাঠের রথের দড়ি টানার আনন্দ আর আজকের দিনে পুরীর সেই লাখো মানুষের জনসমুদ্র, সবকিছুর মূলে রয়েছে ঈশ্বরের প্রতি মানুষের এক চিরন্তন টান। এই রথযাত্রার পুণ্যলগ্নে আপনার ছোটবেলার কোনো বিশেষ স্মৃতি কি খুব মনে পড়ছে? মেলা থেকে কেনা সেই মাটির আলতা-বাটি বা পাঁপড় ভাজার গল্প কমেন্ট বক্সে আমাদের সাথে শেয়ার করুন, আর এই সুন্দর ইতিহাসটি বন্ধুদের জানাতে পোস্টটি শেয়ার করতে ভুলবেন না।

আলু বাজারে একটি সেলুনে এয়ার কন্ডিশনার (এসি) বিস্ফোরণে অন্তত ১০ জন দগ্ধ হয়েছেন। আজ বুধবার (১৫ জুলাই) সকালে আলু বাজার এল...
15/07/2026

আলু বাজারে একটি সেলুনে এয়ার কন্ডিশনার (এসি) বিস্ফোরণে অন্তত ১০ জন দগ্ধ হয়েছেন। আজ বুধবার (১৫ জুলাই) সকালে আলু বাজার এলাকার একটি সেলুনে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

ঘটনার পরপরই স্থানীয় লোকজন দগ্ধদের উদ্ধার করে জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে নিয়ে যান। বর্তমানে তারা সেখানে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

বার্ন ইনস্টিটিউট ও স্থানীয় সূত্র জানায়, সকালে সেলুনটিতে হঠাৎ বিকট শব্দে এসি বিস্ফোরিত হয়। মুহূর্তের মধ্যে পুরো দোকানে আগুন ছড়িয়ে পড়ে। এতে ভেতরে থাকা ক্রেতা ও সেলুনকর্মীরা দগ্ধ হন।

দগ্ধদের মধ্যে কয়েকজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানা গেছে।

📍পুরান ঢাকার এই ঐতিহাসিক পুকুরটি কোথায় অবস্থিত? 🤔💙 #পুরানঢাকা    #ঢাকারইতিহাস
08/07/2026

📍পুরান ঢাকার এই ঐতিহাসিক পুকুরটি কোথায় অবস্থিত? 🤔💙
#পুরানঢাকা #ঢাকারইতিহাস

সকালে নাস্তা আনতে গিয়ে দেখি নেইমার পরোটা বানাচ্ছে, আর মেসি সেই পরোটা ভাজতেছে।এটাই বাংলাদেশের সম্প্রতি।। 🇧🇩🇧🇩
17/06/2026

সকালে নাস্তা আনতে গিয়ে দেখি নেইমার পরোটা বানাচ্ছে, আর মেসি সেই পরোটা ভাজতেছে।
এটাই বাংলাদেশের সম্প্রতি।। 🇧🇩🇧🇩

📍 Chankharpul Mor, ,Old Dhaka 🇧🇩কে কে আছেন এই এলাকার পেজ হাজিরা দিয়ে যান।।
17/06/2026

📍 Chankharpul Mor, ,Old Dhaka 🇧🇩
কে কে আছেন এই এলাকার পেজ হাজিরা দিয়ে যান।।

Address

Old Dhaka
Dhaka
1100

Telephone

+8801673681996

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Puran Dhaka posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Puran Dhaka:

Shortcuts

Share