01/09/2026
টানা দুই মৌসুম প্রিমিয়ার লিগে ১৭তম স্থানে শেষ করলেও এবং সাম্প্রতিক সময়ে ইউরোপীয় প্রতিযোগিতা থেকে উল্লেখযোগ্য আয় না থাকলেও টটেনহ্যাম হটস্পার কীভাবে দলবদলে বিপুল অর্থ খরচ করছে?
এর পেছনে সবচেয়ে বড় কারণ ক্লাবটির মালিকানার কৌশলে পরিবর্তন। দীর্ঘদিন তুলনামূলকভাবে মিতব্যয়ী নীতি অনুসরণ করা ইএনআইসি ও লুইস পরিবার সম্প্রতি বিনিয়োগ বাড়িয়েছে। গত ১৮ মাসে ক্লাবে প্রায় ২৩ কোটি ৫০ লাখ পাউন্ড নগদ অর্থ বিনিয়োগ করা হয়েছে। এর মধ্যে ২০২৬ সালের জুনে ১০ কোটি পাউন্ডের শেয়ার ইস্যুও রয়েছে।
আর্থিক ক্ষতি ও নগদ অর্থের পরিস্থিতি নিয়ে প্রশ্ন থাকলেও টটেনহ্যাম বর্তমানে আর্থিক নিয়মকানুন মেনে চলার অবস্থায় রয়েছে। পুরোনো প্রফিটেবিলিটি অ্যান্ড সাসটেইনেবিলিটি রুলস বা পিএসআরের পরিবর্তে নতুন স্কোয়াড কস্ট রুলস চালুর পথে রয়েছে। এই নিয়ম অনুযায়ী ক্লাবগুলোর আয়কে বিবেচনায় নিয়ে দল পরিচালনায় ব্যয়ের সীমা নির্ধারণ করা হবে।
ইউরোপীয় ফুটবল থেকে আয় না করলেও টটেনহ্যামের রাজস্বের ভিত্তি শক্তিশালী। ২০২৪-২৫ মৌসুমে ক্লাবটির বার্ষিক আয় ছিল ৫২ কোটি পাউন্ডের বেশি। ফলে অন্যান্য অনেক ক্লাবের তুলনায় খেলোয়াড়দের পেছনে খরচ করার ক্ষেত্রে টটেনহ্যামের বেশি সুযোগ রয়েছে।
তবে এত বিনিয়োগের পরও মাঠের পারফরম্যান্সে তার প্রতিফলন দেখা যায়নি। ভবিষ্যতে শুধু মালিকদের অর্থের ওপর নির্ভর না করে খেলোয়াড় বিক্রি করেও আয় বাড়াতে হবে টটেনহ্যামকে। সফল দলবদল নীতি এবং মাঠের ফলাফল—এই দুই ক্ষেত্রেই উন্নতি করাই এখন ক্লাবটির বড় চ্যালেঞ্জ।