Bangladesh Bera Pabna fcb

Bangladesh Bera Pabna fcb Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Bangladesh Bera Pabna fcb, Sports, Chittagong, Dhaka.

24/08/2022

হতাশ 🙄

বাবা হওয়ার সুসংবাদ দিলেন রুবেল  স্পোর্টস ডেস্ক ০১ সেপ্টেম্বর ২০১৯, ১৬:০৬ | অনলাইন সংস্করণবাবা হওয়ার সুসংবাদ দিলেন রুবেলব...
01/09/2019

বাবা হওয়ার সুসংবাদ দিলেন রুবেল

স্পোর্টস ডেস্ক ০১ সেপ্টেম্বর ২০১৯, ১৬:০৬ | অনলাইন সংস্করণ
বাবা হওয়ার সুসংবাদ দিলেন রুবেল

বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দলের সিমার রুবেল হোসেন বাবা হয়েছেন। তার স্ত্রী ইসরাত জাহান দোলার কোলজুড়ে পৃথিবীতে এসেছে তাদের প্রথম সন্তান। রোববার সকালে রাজধানীর একটি হাসপাতালে পুত্রসন্তানের জন্ম দিয়েছেন দোলা।

ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে এ সংবাদ দিয়েছেন রুবেল নিজেই। নবজাতকের সঙ্গে মায়ের ছবি দিয়ে এ সুখবর দেন জাতীয় দলের এ পেসার। ফেসবুকে মা-ছেলেসহ পরিবারের জন্য দোয়া চেয়েছেন রুবেল।

ফেসবুকে দুটি ছবি পোস্ট করেছেন তিনি। যেখানে দেখা যায় সদ্য জন্ম নেয়া সন্তান ও তার স্ত্রীকে।

সন্তানের ছবি দিয়ে ক্যাপশনে রুবেল হোসেন লিখেছেন- ‘আলহামদুলিল্লাহ। আল্লাহর অশেষ রহমতে পুত্রসন্তানের বাবা হলাম। বাচ্চা ও মা উভয়ই সুস্থ আছে। সবাই দোয়া করবেন।’

বাবা হচ্ছেন, এমন সুখবর গত মাসের ১০ তারিখে দিয়েছিলেন রুবেল হোসেন। সেদিন স্ত্রী দোলার সঙ্গে একটি ছবি আপলোড করে রুবেল লিখেন- ‘আলহামদুলিল্লাহ। অত্যন্ত আনন্দের সঙ্গে জানাচ্ছি যে, আল্লাহর অশেষ রহমতে আমি সন্তানের বাবা হতে যাচ্ছি এবং আমার স্ত্রী মা হতে চলেছে।’

এদিকে নিজের সন্তানসম্ভবা স্ত্রীর পাশে থাকার জন্য জাতীয় দলের ক্যাম্প থেকে ছুটি নিয়ে রেখেছিলেন রুবেল। যে কারণে তাকে আফগানিস্তানের বিপক্ষে দুদিনের প্রস্তুতি ম্যাচ কিংবা একমাত্র টেস্ট স্কোয়াডে রাখা হয়নি। তবে ত্রিদেশীয় টি-টোয়েন্টি সিরিজে খেলবেন রুবেল।

২০১৬ সালে বাগেরহাটের মুনিগঞ্জের মেয়ে ইসরাত জাহান দোলাকে বিয়ে করেন রুবেল হোসেন। এ দম্পতির ঘরে এটিই প্রথম সন্তান। copy post

মেসিকে ডিনারের আমন্ত্রণ রোনাল্ডোর  স্পোর্টস ডেস্ক ৩০ আগস্ট ২০১৯, ১৪:৫৯ | অনলাইন সংস্করণ এক দশকের বেশি সময় ধরে একে অপরের ...
31/08/2019

মেসিকে ডিনারের আমন্ত্রণ রোনাল্ডোর
স্পোর্টস ডেস্ক ৩০ আগস্ট ২০১৯, ১৪:৫৯ | অনলাইন সংস্করণ

এক দশকের বেশি সময় ধরে একে অপরের সঙ্গে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন লিওনেল মেসি ও ক্রিশ্চিয়ানো রোনাল্ডো। আজ একজন এক রেকর্ড গড়ছেন তো কালই অপরজন তা ভেঙে দিচ্ছেন। স্বাভাবিকভাবেই ফুটবল রোমান্টিকদের ধারণা, খেলার বাইরেও দুজনের মধ্যে দ্বৈরথ রয়েছে।
তবে রোনাল্ডো বলছেন ভিন্নকথা। মেসির সঙ্গে তার রয়েছে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক। চিরপ্রতিদ্বন্দ্বীকে ডিনারের আমন্ত্রণ জানিয়েছেন তিনি।
জাঁকজমকপূর্ণ অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে বৃহস্পতিবার মোনাকোয় হয়ে গেল চ্যাম্পিয়নস লিগের ড্র অনুষ্ঠান। এতে গেল মৌসুমের ইউরোপসেরা খেলোয়াড়ের পুরস্কারও দেয়া হয়। স্বভাবতই সেখানে উপস্থিত ছিলেন হালের দুই ক্রেজ মেসি-রোনাল্ডো। তবে তাদের পেছনে ফেলে এ খেতাব জেতেন লিভারপুলের রক্ষণসেনা ভার্জিল ফন ডাইক। কিন্তু ফুটবলের দুই মহাতারকাকে নিয়ে আগ্রহে ছেদ পড়েনি।
অনুষ্ঠানের একপর্যায়ে রোনাল্ডোর সাক্ষাৎকার নেন বিটি স্পোর্টের সাংবাদিক। মেসির সঙ্গে সম্পর্ক নিয়ে তাকে খোলা মনে সব কথা বলেন তিনি।
সিআর সেভেন বলেন, অবশ্য আমাদের মধ্যে ভালো সম্পর্ক আছে। তবে আমরা এখন পর্যন্ত একসঙ্গে ডিনার করিনি। কিন্তু আমি আশা করছি, অদূর ভবিষ্যতে তা করব।
পর্তুগিজ যুবরাজ বলেন, ফুটবলে আমাদের প্রতিদ্বন্দ্বিতা উপভোগ্য। সে আমাকে ছাড়িয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেছে। আমি তাকে টপকে যাওয়ার প্রচেষ্টা চালিয়েছি। ও আমাকে ভালো ফুটবলার বানিয়েছে। ফুটবল ইতিহাসের অংশ হতে পেরে আমি গর্বিত। আমার মতে, সেও তাই। তার কারণেই আজ আমি অনেক ভালো জায়গায় আছি। মনে করি, সেও শক্ত অবস্থানে আছে।
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই বার্সেলোনায় আছেন মেসি। আর জুভেন্টাসে পাড়ি জমানোর আগে ১০ বছরের বেশি সময় রিয়াল মাদ্রিদে ছিলেন রোনাল্ডো। মূলত এ সময়েই দুজনের যুদ্ধটা ছিল দেখার মতো। এ এক দশকে ফুটবল বিশ্বকে অগণিত স্মরণীয় মুহূর্ত উপহার দিয়েছেন তারা। ভেঙে গড়েছেন অসংখ্য কীর্তি। সেই সূত্র ধরে তাদের কাছে ঋণী ফুটবল।

বিশ্বের সবচেয়ে দামি একাদশে নেই রোনালদো-মেসিকালের কণ্ঠ অনলাইন   ৬ আগস্ট, ২০১৯ ১৩:০১ | পড়া যাবে ২ মিনিটে Share অ- অ অ+ বর্...
06/08/2019

বিশ্বের সবচেয়ে দামি একাদশে নেই রোনালদো-মেসি
কালের কণ্ঠ অনলাইন
৬ আগস্ট, ২০১৯ ১৩:০১ | পড়া যাবে ২ মিনিটে
Share


অ- অ অ+
বর্তমান ফুটবল বিশ্বের সেরা দুই ফুটবলার ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো এবং লিওনেল মেসি। কিন্তু ট্রান্সফার ফিকে ধরা হলে বিশ্বের সবচেয়ে দামী একাদশে এবার স্থান হয়নি মেসি বা রোনালদোর। আছেন নেইমার এমবাপ্পেদের মতো তরুণ তারকারা।
ক্যারিয়ারের শুরু থেকে এখনও পর্যন্ত দলবদলের বাজারে মেসির মূল্য কার্যত শূন্য। কারণ তিনি কখনও দলবদল করেননি।
অন্যদিকে গত মৌসুমে ১১২ মিলিয়ন ইউরোর বিনিময়ে রিয়াল ছেড়ে জুভেন্টাসে নাম লিখিয়েছিলেন রোনালদো। এর পরও দামী একাদশে নেই তিনি। কারণ তাঁর চেয়ে বেশি মূল্যে দলবদল করেছেন নেইমার, এমবাপে, কৌতিনহো।
সম্প্রতি ক্লাব ফুটবলে সবচেয়ে দামী ডিফেন্ডার হ্যারি মাগুইরে। তিনি ৮৮ মিলিয়ন ইউরোর বিনিময়ে লিস্টার সিটিকে বিদায় জানিয়ে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডে নাম লেখালেন।
বিশ্বের সবচেয়ে দামি একাদশ
গোলরক্ষক: কেপা আরজিবালাগা (চেলসি, ৮০ মিলিয়ন ইউরো)
রক্ষণভাগ: কাইল ওয়াকার (ম্যানচেস্টার সিটি, ৫৬.৭ মিলিয়ন ইউরো), ভার্জিন ফন ডাইক (লিভারপুল, ৮৫ মিলিয়ন ইউরো), হ্যারি মাগুইরে (ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড, ৮৮ মিলিয়ন ইউরো), লুকাস হার্নান্দেজ (বায়ার্ন মিউনিখ, ৮০ মিলিয়ন ইউরো)
মধ্যমাঠ: রদ্রি (ম্যানচেস্টার সিটি, ৭০ মিলিয়ন ইউরো), পল পগবা (ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড, ১০৫ মিলিয়ন ইউরো), ফ্রেঙ্কি ডি ইয়ং (বার্সেলোনা, ৭৫ মিলিয়ন ইউরো)
আক্রমণভাগ: ফিলিপে কৌতিনহো (বার্সেলোনা, ১২০ মিলিয়ন ইউরো), নেইমার (প্যারিস সেইন্ট জার্মেই, ২২২ মিলিয়ন ইউরো), কাইলিয়ান এমবাপে (প্যারিস সেইন্ট জার্মেই, ১৮০ মিলিয়ন ইউরো) COPY POST

ইনস্টাগ্রাম পোস্টে কত করে পান রোনালদো-মেসি নেইমার ?খেলা ডেস্ক ২৮ জুলাই ২০১৯, ১২:৫৮আপডেট: ২৮ জুলাই ২০১৯, ১৪:৪৫১আয়ের একটা ...
04/08/2019

ইনস্টাগ্রাম পোস্টে কত করে পান রোনালদো-মেসি নেইমার ?
খেলা ডেস্ক
২৮ জুলাই ২০১৯, ১২:৫৮
আপডেট: ২৮ জুলাই ২০১৯, ১৪:৪৫


আয়ের একটা বড় অংশ আসে ইনস্টাগ্রাম থেকে! ছবি : এএফপি

ইনস্টাগ্রামে ক্রীড়া তারকাদের উপস্থিতি নতুন কিছু নয়। নিজের দৈনন্দিন জীবনে কী হচ্ছে না হচ্ছে সে সম্পর্কে সামাজিক যোগাযোগের এই মাধ্যমে আজকাল পোস্ট করতে বেশ পছন্দ করেন মেসি-রোনালদোরা। শুধু তা–ই নয়, নিজেরা যেসব পণ্যের দূতিয়ালি করেন, সেসব পণ্যের প্রচারমূলক পোস্টও দেন। আর বিনিময়ে নেন কাঁড়ি কাঁড়ি টাকা।

ইনস্টাগ্রাম এখন আর শুধুই ব্যক্তিগত পোস্টের জায়গা নয়; অন্তত ক্রীড়া তারকাদের জন্য তো নয়ই। তারা নিজেদের ছবি পোস্ট করার পাশাপাশি বিভিন্ন পণ্যের প্রচারণামূলক পোস্ট দেন এখন সেখানে। বিনিময়ে পকেটে ঢুকে যায় অর্থ। ইনস্টাগ্রামে একেকটা পোস্ট করার জন্য কত করে কামান মেসি-রোনালদোরা? এর একটা হিসাব বের করেছেন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের বিশেষজ্ঞ প্রতিষ্ঠান হপার এইচকিউ।

হপার এইচকিউয়ের মতে, ইনস্টাগ্রামে পণ্যের দূতিয়ালি করার জন্য প্রতি পোস্ট বাবদ ৯ লাখ ৭৫ হাজার ডলার আয় করেন রোনালদো। ইনস্টাগ্রামে রোনালদোর অনুসারীর সংখ্যা মাথা ঘুরিয়ে দেওয়ার মতোই—১৭ কোটি ৭০ লাখের মতো। রোনালদোর বর্তমান ও সাবেক তিন ক্লাবের (জুভেন্টাস, রিয়াল মাদ্রিদ ও ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড) অনুসারী যোগ করলেও এত হবে না। যাকে এত মানুষ অনুসরণ করছে, তাকে দিয়ে কোনো পণ্যের প্রচার ও প্রসারের সুযোগ কেন নেবে না নির্দিষ্ট প্রতিষ্ঠান? মার্কেটিংয়ের এক অব্যর্থ কৌশল হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে এখন এই পদ্ধতি। বিশ্বের নামীদামি সব ব্র্যান্ডও এখন এই পদ্ধতিতে ঝুঁকেছে। আর লাভ হচ্ছে রোনালদোদের।

ওদিকে তালিকার দ্বিতীয় স্থানে থাকা নেইমার প্রতি পোস্ট বাবদ নিজের দূতিয়ালি করা ব্র্যান্ডগুলোর কাছ থেকে নেন ৭ লাখ ২২ হাজার ডলার করে। ইনস্টাগ্রামে নেইমারের অনুসারী ১৭ কোটি ২০ লাখ। তালিকার তৃতীয় স্থানে থাকা লিওনেল মেসির অনুসারী আবার নেইমারের চেয়ে ৩০ লাখ বেশি। তা সত্ত্বেও প্রতি পোস্ট বাবদ মেসি নেন প্রায় ৬ লাখ ৫০ হাজার ডলার করে।

খেলা ছেড়েছেন আজ থেকে অর্ধ যুগ আগে, তাও এই ‘ব্যবসা’য় ডেভিড বেকহামের স্থান বেশ ওপরে। চিরযৌবনা এই খেলোয়াড় ইনস্টাগ্রামে প্রতি পোস্ট বাবদ ব্র্যান্ডগুলোর কাছে ৩ লাখ ৫৭ হাজার ডলার করে হাঁকেন। তালিকার পঞ্চম স্থানে আছেন যুক্তরাষ্ট্রের বাস্কেটবল কিংবদন্তি লেব্রন জেমস। ওদিকে শীর্ষ দশে থাকা খেলোয়াড়দের একমাত্র ক্রিকেটার বিরাট কোহলি, প্রতি পোস্ট বাবদ যিনি নেন দুই লাখ ডলার করে।

কিচ্ছু নেই পকেটে, এই দেখো!’খেলা ডেস্ক০৪ আগস্ট ২০১৯, ১২:৫২আপডেট: ০৪ আগস্ট ২০১৯, ১২:৫৫স্লেজিংকে হেসেই উড়িয়ে দিলেন ওয়ার্নার...
04/08/2019

কিচ্ছু নেই পকেটে, এই দেখো!’
খেলা ডেস্ক
০৪ আগস্ট ২০১৯, ১২:৫২
আপডেট: ০৪ আগস্ট ২০১৯, ১২:৫৫

স্লেজিংকে হেসেই উড়িয়ে দিলেন ওয়ার্নার। ছবি: টুইটার
বল টেম্পারিং কাণ্ডে নিষেধাজ্ঞা কাটিয়ে দলে ফেরা অস্ট্রেলিয়ার ‘কলঙ্কিত ত্রয়ী’ ডেভিড ওয়ার্নার, স্টিভেন স্মিথ ও ক্যামেরন ব্যানক্রফটকে নিয়ে ইংলিশ সমর্থকদের খোঁচানো শেষই হচ্ছে না যেন। গতকাল অ্যাশেজে এজবাস্টন টেস্টের তৃতীয় দিনে ওয়ার্নারকে আবারও দুয়ো দিয়েছে ইংলিশ সমর্থকেরা। তবে ব্যাপারটাকে ওয়ার্নার স্বাভাবিকভাবেই নিয়েছেন। উল্টো ইংলিশ সমর্থকদের সঙ্গে রসিকতা করেছেন তিনি।

ইংল্যান্ডের কুখ্যাত ‘বার্মি আর্মি’র স্লেজিং থেকে অস্ট্রেলিয়ার ‘কলঙ্কিত ত্রয়ী’ যে রক্ষা পাবে না, সেটা অ্যাশেজ শুরু আগেই বোঝা গিয়েছিল বেশ। আর সেটাই হচ্ছে। বল টেম্পারিং কাণ্ডে নিষেধাজ্ঞা কাটিয়ে দলে ফেরা ডেভিড ওয়ার্নার, স্টিভেন স্মিথ ও ক্যামেরন ব্যানক্রফটকে যখনই সুযোগ পাচ্ছে, দুয়ো দিচ্ছে ইংলিশরা। ওয়ার্নাররাও বুঝে গেছেন, দুয়ো শুনে মন খারাপ করে থাকলে বা উল্টো আক্রমণ করে লাভ নেই, বরং ব্যাপারটাকে হালকাভাবে নিলেই নিজের জন্য ভালো। গতকাল এই কৌশলই খাটিয়েছেন ওয়ার্নার। প্যান্টের দুই পকেট খুলে দেখিয়ে দিয়েছেন, পকেটে কিচ্ছুটি নেই!

দেড় বছর আগে দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে কেপটাউন টেস্টে অভিনব উপায়ে সিরিশ কাগজ দিয়ে বল টেম্পারিং কেলেঙ্কারি করে নিষিদ্ধ হয়েছিলেন এই তিনজন। ওয়ার্নার-স্মিথদের এই কেলেঙ্কারির একটা গালভরা নামও দিয়েছে গণমাধ্যম—‘স্যান্ডপেপার গেট’। নিষেধাজ্ঞা কাটিয়ে বিশ্বকাপেই ফিরেছিলেন ওয়ার্নার আর স্মিথ, তবে টেস্টে ফিরলেন এই অ্যাশেজ দিয়েই। অ্যাশেজে ফিরেছেন ব্যানক্রফটও। ঐতিহ্যগতভাবে যেখানে অ্যাশেজে একে অপরকে ‘স্লেজ’ করার জন্য বিখ্যাত অস্ট্রেলিয়া আর ইংল্যান্ড, অস্ট্রেলিয়ার তিন গুরুত্বপূর্ণ খেলোয়াড়কে পচানোর এমন সুবর্ণ সুযোগ ইংলিশরা ছাড়বে কেন?

ছাড়েওনি। গত বৃহস্পতিবার ম্যাচ শুরু আগে অস্ট্রেলিয়ার মূল একাদশে স্টিভেন স্মিথের নাম ঘোষণা করার সঙ্গে সঙ্গে দুয়োধ্বনিতে মুখরিত হয়ে ওঠে এজবাস্টনের চারপাশ। প্রথম ইনিংসে ২ রান করে ওয়ার্নার যখন ফেরত যাচ্ছিলেন, গ্যালারির এক অংশে থাকা ইংলিশ সমর্থকেরা উঠে দাঁড়িয়ে সঙ্গে করে আনা সিরিশ কাগজ দেখাতে থাকে তাঁর দিকে। সমর্থকদের এই কাণ্ড ভিডিও করে আবার টুইট করে ইংল্যান্ড ক্রিকেটও!

কেপটাউন-কাণ্ডের মূল হোতা দেখেই কিনা, ইংলিশদের প্রিয় লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হয়েছেন ওয়ার্নার। ওদিকে স্মিথের ব্যাট তুলনামূলকভাবে বেশি হাসছে দেখে বলে হয়তো স্মিথ অতটা বিদ্রূপের শিকার হচ্ছেন না। এদিকে গতকাল ফিল্ডিং করার সময়েও দুয়োর শিকার হয়েছেন ওয়ার্নার। বাউন্ডারি লাইনের পাশে ফিল্ডিং করছিলেন তিনি। কাছেই ছিল ইংলিশদের গ্যালারি। ব্যস, আর পায় কে! ওয়ার্নারকে কাছাকাছি দেখে সমানে দুয়ো দেওয়া শুরু করে ইংলিশরা, জিজ্ঞেস করে, পকেটে সিরিশ কাগজ আছে কি না। ওয়ার্নারও হাসতে হাসতে দুই পকেট উলটে বের করে দেখিয়ে দেন, আর অনুচ্চারে যেন বলে ওঠেন, ‘কিচ্ছু নেই পকেটে, এই দেখো!’

বাকি অ্যাশেজেও পার্শ্বকাহিনি হিসেবে অস্ট্রেলিয়ার তিন খেলোয়াড়ের সঙ্গে ইংলিশ দর্শকদের এই ‘স্লেজিং’ চলতে থাকবে—এ কথা বলেই দেওয়া যায়!

2019 point table
03/08/2019

2019 point table

এবারের কোপা আমেরিকা শিরোপার সবচেয়ে বড় দাবিদার ছিল ব্রাজিল। সেভাবে খেলেই টুর্নামেন্টের ফাইনালে নাম লিখিয়েছিল তারা। ফাইনাল...
08/07/2019

এবারের কোপা আমেরিকা শিরোপার সবচেয়ে বড় দাবিদার ছিল ব্রাজিল। সেভাবে খেলেই টুর্নামেন্টের ফাইনালে নাম লিখিয়েছিল তারা। ফাইনালি লড়াইয়েও ছন্দময় ফুটবল উপহার দিলেন সেলেকাওরা। পেরুকে ৩-১ গোলে উড়িয়ে কোপা চ্যাম্পিয়ন হলেন তারা।

এ নিয়ে ল্যাতিন আমেরিকার শ্রেষ্ঠত্বের লড়াইয়ে নবমবার শিরোপা ঘরে তুললো ব্রাজিল। নেপথ্য নায়ক গ্যাব্রিয়েল জেসুস। নিজে গোল করে এবং সতীর্থকে দিয়ে করিয়ে ২০০৭ সালের পর দলকে কোপা ট্রফি জেতালেন তিনি। যদিও আনন্দের দিনে বিষাদময় অভিজ্ঞতা হয়েছে তার। একপর্যায়ে লালকার্ড দেখে মাঠ ছাড়তে হয় তাকে।

রিও ডি জেনিরোর মারাকানা স্টেডিয়ামে রোববার স্থানীয় সময় সন্ধ্যায় শিরোপা নির্ধারণী ম্যাচে মুখোমুখি হয় ব্রাজিল-পেরু। শুরু থেকেই শৈল্পিক ফুটবল উপহার দেয় সাম্বা দল। ১৫ মিনিটে প্রথম সুযোগেই এগিয়ে যায় তারা। পায়ের কারিকুরিতে দুজনকে ফাঁকি দিয়ে ডান দিক থেকে ক্রস বাড়ান জেসুস। অরক্ষিত অবস্থায় থাকা এভারটন দারুণ দক্ষতায় তা ধরে বল পাঠান জালে। এই আসর দিয়েই পাদপ্রদীপের আলোয় উঠে আসা এ ফরোয়ার্ডের এটি তৃতীয় গোল।

পিছিয়ে পড়ে আক্রমণের গতি বাড়ায় পেরু। স্বাগতিক শিবিরে আক্রমণের ঝড় তোলে তারা। মুহুর্মুহু আক্রমণে ব্রাজিলিয়ানদের ব্যতিব্যস্ত রাখেন পেরুভিয়ানরা। এবার সাফল্যও পেয়ে যায় তারা। ৪৪ মিনিটে পাওলো গেররেরোর সফল স্পট কিকে সমতায় ফেরে পেরু। ডি-বক্সে থিয়াগো সিলভার হাতে বল লাগলে সঙ্গে সঙ্গে পেনাল্টির বাঁশি বাজান রেফারি। পরে ভিএআর প্রযুক্তিতে যাচাই করেও সিদ্ধান্ত অপরিবর্তিত রাখেন তিনি। ২০১৯ কোপা আসরে ব্রাজিলের জালে এটাই প্রথম গোল।

পেরুর সমতায় ফেরার স্বস্তি অবশ্য বেশিক্ষণ থাকেনি। প্রথমার্ধের ইনজুরি টাইমে আর্থারের পাস ধরে ডি-বক্সে ঢুকে কোনাকুনি শটে তাদের গোলরক্ষককে পরাস্ত করেন জেসুস। আসরে এটি তার দ্বিতীয় গোল।

দ্বিতীয়ার্ধে আক্রমণ-পাল্টা আক্রমণে এগিয়ে চলে খেলা। গোল পরিশোধে ঝটিকা অভিযান চালায় পেরু। হন্য হয়ে গোলের খোঁজে/সন্ধানে থাকে তারা। তবে গোলমুখ খুলতে পারেনি। কিন্তু সেই রেসে ৭০ মিনিটে বড় ধাক্কা খায় ব্রাজিল। পেরু ডিফেন্ডার কার্লোস সামব্রানোকে ফাউল করে দ্বিতীয় হলুদ কার্ড দেখে মাঠ ছাড়েন জেসুস। ফলে ১০ জনের দলে পরিণত হয় ব্রাজিলিয়ানরা।

অবশ্য প্রতিপক্ষের একজন কম থাকার সুযোগ কাজে লাগাতে পারেনি পেরু। স্বার্থ হাসিল করতে ব্যর্থ হয় তারা। উল্টো নির্ধারিত সময়ের শেষ মিনিটে গোল হজম করে রিকার্দো গারেসার শিষ্যরা। রক্ষণসেনা সামব্রানো ডি-বক্সে এভারটনকে ধাক্কা দিয়ে ফেলে দিলে পেনাল্টি দেন রেফারি। সফল স্পট কিকে স্কোরলাইন ৩-১ করেন ফিরমিনোর বদলি নামা রিশার্লিসন।

এর আগে সবশেষ ২০১৩ সালে কোনো শিরোপা জিতেছিল ব্রাজিল। একই ভেন্যুতে ফিফা কনফেডারেশন্স কাপের ফাইনালে স্পেনকে ৩-০ গোলে হারায় তারা। ৫ বছর পর কোনো বড় টুর্নামেন্টের শিরোপায় চুমু আঁকলেন তিতের শিষ্যরা।

03/07/2019

প্রতিবন্ধী সন্তানের - ‘ভাই জানালাটা টান দেন তো। পার্কে শুইয়া আছে, ওইটা আমার ছেলে নাকি, দেখি তো।’ জ্যামে দাঁড়িয়ে থা.....

01/07/2019

Address

Chittagong
Dhaka

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Bangladesh Bera Pabna fcb posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share

Category