30/09/2023
এখানে মেসি, রোনালদো কিংবা নেইমারের মত কেউ ই সাকিব তামিম এর ফ্যান না দেশের জন্য আবেগে কেউ সাকিব আর কেউ তামিম এর পক্ষে।
প্রায় ৯৯% দেশি ফ্যান সবাই কিন্তু প্রতিটা ম্যাচ হারার পরে শপথ করে আর জিবনে বাংলাদেশের খেলা দেখবোনা কিন্তু ম্যাচের দিন হয় তার উল্টো ভাতের প্লেট হাতে নিয়ে খেলা দেখা শুরু করে আর স্কুল কলেজ মিস দিয়ে কত খেলা নিজেই দেখেছি।
কোন কারন ছাড়া ছূটি চেয়েছি স্যার বরাবর কারন নাকি দেশের খেলা।
শাহরিয়ার নাফিজ আর জাবেদ ওমর এর খেলা দেখতেও টিভির সামনে বসে থাকতাম যেই জাবেদ ওমর একদিনের খেলাকে টেষ্টের পর্যায়ে নিয়ে গেছেন। তারও খেলা দেখার জন্য বসে থাকতাম সেই ২০০৪-৫ থেকে এখনো আর খেলা দেখবোনা দেখবোনা করে দেখতে হচ্ছে।
তামিম ছাড়া দেখবোনা, মাহমুদউল্লাহ ছাড়া হবেনা সব সাইটে রেখে ঠিকি বিশ্বকাপের সব ম্যাচ হারলেও লাস্ট ম্যাচ এই আশায় দেখবো যদি একটা ম্যাচ জিতে যাই। সবাই এমনি করে গালি দেয় আবার দেখে, আবার দেখে দেখেও গালি দেয়। কিছু করার নাই আবেগ।
সাকিব, তামিম দ্বন্দ্বে এখনো যারা ভাবছেন আনফিট আর ডট বল প্লাস স্কোর ভাল না তামিম এর সেজন্য থাকে সরানো আসলেই আপনি ভুদাই।
ওয়ান ম্যান আর্মি সাকিব যা বলবে তাই হবে সেটার ই প্রমান আর ইগো চলে আসছে দুজনের মধ্যে সেই ইগোতে একজন হারছে একজন জিতছে।
ইঞ্জুরি নিয়ে খেলা দেশের সাথে গাদ্দারি এগুলা ভুলবাল কথা দেখাইয়া লাভ নাই তাহলে মাশরাফি পুরো ক্রিকেট ক্যারিয়ার ই দেশের সাথে গাদ্দারি করেছে, ইঞ্জুরি নিয়ে লিও তার ওয়ার্ল্ডকাপ নিয়ে নিলো, ডিমারিয়া কয়েক বছর থেকেই ইঞ্জুরি ৯০ মিনিট খেলাতে পারেনা। তো কি? কাজত তারা করেই নিছে।
অতীত যা হবার হয়েগেছে সামনে বিশ্বকাপ সেটা সবাই দেখবে তামিম ফ্যান হলেও সাকিব কে পছন্দ করেনা হলেও।
গতকাকের ওয়ার্ম আপ ম্যাচের টপ অর্ডারের স্কোর দেখে অনেকেই খুশি এরকম ডজন ডজন ম্যাচ বাংলাদেশের আছে তামিম ছাড়া তামিম সহ কেউ সেই ম্যাচগুলার ধারাবাহিকতা ধরে রাখতে পারেনি বলে ৩৬-৩৭ এভারেজ আর ৭৭ বা ৭৮ স্ট্যাইক রেট নিয়েও তামিমকে দেশ সেরা অপেনার বলতে হয় কারন মধ্যের ভালো।
প্রায় ই দেখে যায় নতুন নতুন অপেনার সেই শামসুর রাহমান, নাজিমউদ্দি, ইমরুল জোনায়েদ সিদ্দিকি এনামুল হক, মিঠুন, সৌম্য, লিটন কিংবা বর্তমান শান্ত আর জুনিয়র তামিম সবাই ই প্রথম প্রথম শতক অর্ধ শতকে মুদ্ধ করে টানা সিরিজ খেলার আগেই হারিয়ে যায়। সেই হিসাবে তামিম কিংবা লিটন,বা শান্ত মোটামুটি মান আছে লিটন ৮ বছর থেকে নিয়মিত আর তামিমও ছিলেন।
তো এইগুলা বিবেচনা করলে তামিম ই সেরারের সেরা কিন্তু ম্যাচিউরিটি বা ইগো কন্ট্রোল করতে পারলেই আজ স্কুয়াডে তার নামও থাকতো। সব কিছু ভুলে গিয়ে ক্রিকেট এর মাঠে টিম বাংলাদেশ আরেকটা বিশ্বকাপ আরেকটা স্বপ্ন হয়তোবা শেষ ওয়ান্ডে বিশ্বকাপ সাকিব, মুশফিক, মাহমুদউল্লাদের আশা থাকবে এমন কিছু করার যাতে সারা ক্রিকেট বিশ্ব মনে রাখে আর আফসোসের অনেক জায়গা থাকবে তা নয় আবেগের সাথেই থাকুক মনে।
তবে এইবার খেলা হবে অন্য রকম কারন ক্যাপ্টেন ওয়ান ম্যান আর্মি চাইবেন নিজ এবং দলের সেরাটা অনেক কথা শুনতে হবে দিন শেষে প্লাস কেউ ছাড়া যে আমরা পারি কারোর দরকার নাই এমন একটা মনোভাব টি-স্পোর্টসে দেওয়া মন্তব্যে বুঝাই যায় তিনি এমন চাইবেন। আর ঘাড় ত্যারামিত আছেই জুনিয়র যারাই খারাপ করবে ড্রেসিং রোমে খবর আছে এইবার।
শুভ কামনা টিম বাংলাদেশ, শুভকামনা ক্যাপ্টেন।