Free hit

Free hit We love sports especially cricket in deep of heart from childhood. Cricket is our life.

ইশ, সেঞ্চুরিটা পেয়ে গেলেই ইয়ানসেন একই টেস্টে 'সেঞ্চুরি আর ফাইফার' এর এলিট লিস্টে ঢুকে যেতেন। ইয়ানসেন ভারতের মাটিতে এসে ব...
24/11/2025

ইশ, সেঞ্চুরিটা পেয়ে গেলেই ইয়ানসেন একই টেস্টে 'সেঞ্চুরি আর ফাইফার' এর এলিট লিস্টে ঢুকে যেতেন। ইয়ানসেন ভারতের মাটিতে এসে ব্যাট হাতে শুধু ৯৩ রানই করেননি, ফাইফারও নিয়েছেন (ছয় উইকেট)।

একটা পরিসংখ্যান দেই এইটা নিয়ে, নাকি? যে প্রতিপক্ষের মাটিতে একই টেস্টে 'নার্ভাস নাইন্টিজ' স্কোরে আটকে পড়া আর ফাইফার নেওয়া প্লেয়ার কে কে? এত বছরের ক্রিকেট ইতিহাসে মার্কো ইয়ানসেন মাত্র চতুর্থ ব্যক্তি, যিনি প্রতিপক্ষের মাটিতে একই টেস্টে 'নার্ভাস নাইন্টিস' স্কোরে আটকে গেছেন, এবং ফাইফার নিয়েছে।

🚨 প্রতিপক্ষের মাটিতে একই টেস্টে 'নার্ভাস নাইন্টিস' (৯০-৯৯ স্কোর) এবং 'ফাইফার':

১. সুনীল যোশী: ৯২ ও ৫/১৪২ বনাম বাংলাদেশ, ২০০০
২. সাকিব আল হাসান: ৯৬* ও ৫/৭০ বনাম উইন্ডিজ, ২০০৯
৩. নোমান আলি: ৯৭ ও ৫/৮৬ বনাম জিম্বাবুয়ে, ২০২১
৪. মার্কো ইয়ানসেন: ৯৩ ও ৬/৪৮ বনাম ভারত, ২০২৫

*

উল্লেখ্য, শুধু প্রতিপক্ষের মাঠে নয়, ঘরের মাঠেতেও একবার সাকিব 'নার্ভাস নাইনটিস' ও ফাইফার পেয়েছেন, সেটা শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ২০০৮ সালে৷ ৯৬ রানের পাশাপাশি ৫/৭০ ছিলো সাকিবের।

প্রতিপক্ষের মাটিতে দেখলেনই ইয়ানসেন চতুর্থ ব্যক্তি হিসেবে এই লিস্টে প্রবেশ করেছেন, নিজেদের মাটিতে এমন কীর্তি আছে ৫ জনের — লেওলিম, সিম্পসন, হ্যাডলি, সাকিব এবং ব্রেসনান। অর্থাৎ সব মিলিয়ে ৯ বার এই রেকর্ডে আছে, ইয়ানসেন তার মাঝে নবম যে একই টেস্টে 'নার্ভাস নাইন্টিস' স্কোরের পাশে ফাইফার পেয়েছেন। এই ৯ বারের মাঝে নাম মূলত ৮ জনের, কারণ সাকিব আছেন ২ বার।

বলা যায়, এই অক্যাশনগুলোতে অল্প একটুর জন্য 'সেঞ্চুরি আর ফাইফার' মিস করেছেন

✅ First 🇧🇩-i to take 50 Test Wickets: Mohammad Rafique

✅ First 🇧🇩-i to take 100 Test Wickets: Mohammad Rafique

✅ First 🇧🇩-i to take 150 Test Wickets: Shakib Al Hasan

✅ First 🇧🇩-i to take 200 Test Wickets: Shakib Al Hasan

✅ First 🇧🇩-i to take 250 Test Wickets: Taijul Islam

If the pattern goes as expectations, Taijul Islam probably will be the First 🇧🇩-i to take 300 Test Wickets! 💞

মিরপুর টেস্টে ২১৭ রানে আয়ারল্যান্ডকে হারিয়ে সিরিজের দ্বিতীয় টেস্টেও জয় তুলে নিয়েছে নাজমুল হোসেন শান্তর দল। এর মাধ্যমে দু...
23/11/2025

মিরপুর টেস্টে ২১৭ রানে আয়ারল্যান্ডকে হারিয়ে সিরিজের দ্বিতীয় টেস্টেও জয় তুলে নিয়েছে নাজমুল হোসেন শান্তর দল। এর মাধ্যমে দুই ম্যাচের টেস্ট সিরিজে সফরকারীদের হোয়াইটওয়াশ করেছে বাংলাদেশ। বড় এই জয় জায়গা করে নিয়েছে বাংলাদেশের টেস্ট ইতিহাসে রানের ব্যবধানে সর্বোচ্চ জয়ের সেরা পাঁচের তালিকায়।

বাংলাদেশের টেস্ট ইতিহাসে সবচেয়ে বড় জয়ের রেকর্ড অবশ্য ২০২৩ সালের। সে বছর একমাত্র টেস্টে আফগানিস্তানকে ৫৪৬ রানে বিধ্বস্ত করেছিল টাইগাররা—যা বাংলাদেশের টেস্ট ইতিহাসে সর্বোচ্চ রানের জয়ই নয়, এই শতাব্দীতে টেস্ট ক্রিকেটে সবচেয়ে বড় জয়েরও রেকর্ড।

এ তালিকায় পরের স্থানগুলোতে রয়েছে জিম্বাবুয়ে ও আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে বড় জয়গুলো। ২০০৫ সালে চট্টগ্রামে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে ২২৬ রানে জয় ছিল বাংলাদেশের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ। এরপর বিভিন্ন সময়ে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষেই এসেছে আরও দুটি বড় জয়।

🇧🇩 বাংলাদেশের টেস্ট ইতিহাসে রানের ব্যবধানে সর্বোচ্চ পাঁচ জয়ঃ

🆚 🇦🇫 আফগানিস্তান — ৫৪৬ রান (২০২৩)
🆚 🇿🇼 জিম্বাবুয়ে — ২২৬ রান (২০০৫)
🆚 🇿🇼 জিম্বাবুয়ে — ২২০ রান (২০২১)
🆚 🇿🇼 জিম্বাবুয়ে — ২১৮ রান (২০১৮)
🆚 🇮🇪 আয়ারল্যান্ড — ২১৭ রান (২০২৫)

এক ম্যাচে তিন খেলোয়াড়ের শততম টেস্ট! ক্রিকেট ইতিহাসের এক বিরল অধ্যায়টেস্ট ক্রিকেটে কোনো খেলোয়াড়ের ১০০তম ম্যাচ সবসময়ই একটি...
21/11/2025

এক ম্যাচে তিন খেলোয়াড়ের শততম টেস্ট!
ক্রিকেট ইতিহাসের এক বিরল অধ্যায়

টেস্ট ক্রিকেটে কোনো খেলোয়াড়ের ১০০তম ম্যাচ সবসময়ই একটি বিশেষ মাইলফলক। নিজেদের দেশের জার্সিতে দীর্ঘসময় ধরে পারফর্ম করার স্বীকৃতি থেকে শুরু করে ব্যক্তিগত ক্যারিয়ারের এক গৌরবময় অধ্যায়। শততম টেস্ট প্রতি ক্রিকেটারেরই স্বপ্ন। কিন্তু ক্রিকেট ইতিহাসে এমন ঘটনাও আছে, যেখানে একই ম্যাচে তিনজন খেলোয়াড় উদযাপন করেছেন তাঁদের শততম টেস্ট!

এই বিরল দৃশ্য দেখা গিয়েছিল ২০০৬ সালের এপ্রিলে, দক্ষিণ আফ্রিকা ও নিউজিল্যান্ডের মধ্যকার টেস্ট সিরিজে। ঐ ম্যাচে স্টিফেন ফ্লেমিং, জ্যাক ক্যালিস এবং শন পোলক। তিনজনই একসঙ্গে খেলেছিলেন তাঁদের ১০০তম টেস্ট।

একই ম্যাচে দুই ব্যাটারের দুই মাইলফলক—একজনের শততম টেস্টে সেঞ্চুরি, অন্যজনের শততম ফার্স্ট–ক্লাস ম্যাচে সেঞ্চুরি ।বিশ্বের ম...
20/11/2025

একই ম্যাচে দুই ব্যাটারের দুই মাইলফলক—একজনের শততম টেস্টে সেঞ্চুরি, অন্যজনের শততম ফার্স্ট–ক্লাস ম্যাচে সেঞ্চুরি ।

বিশ্বের মাত্র ১১তম ক্রিকেটার হিসেবে নিজের শততম টেস্টে সেঞ্চুরি করেছেন মুশফিকুর রহিম। এটি তাঁর ক্যারিয়ারের ১৩তম টেস্ট সেঞ্চুরি। ২১৪ বলে ৫ চারে ১০৬ রান করে সাজঘরে ফিরেন মুশফিক ।

অন্যদিকে প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে নিজের ১০০তম ম্যাচে ব্যাট হাতে দারুণ দায়িত্ব পালন করে ক্যারিয়ারের ৫ম টেস্ট সেঞ্চুরি তুলে নেন লিটন দাস । শেষ পর্যন্ত ১৯২ বলে ৪ ছক্কা ৮ চারে ১২৯ রান করে ফিরেন লিটন দাস ।

কার ইনিংসটি আপনার বেশি ভালো লেগেছে ?

সেঞ্চুরি দিয়েই রাঙালেন মুশফিক। সেই সঙ্গে রাঙালেন বাংলাদেশের ক্রিকেট সমর্থকদের সকালও! শতক থেকে এক রান দূরে থেকে প্রথম দিন...
20/11/2025

সেঞ্চুরি দিয়েই রাঙালেন মুশফিক। সেই সঙ্গে রাঙালেন বাংলাদেশের ক্রিকেট সমর্থকদের সকালও! শতক থেকে এক রান দূরে থেকে প্রথম দিন শেষ করেছিলেন তিনি। সেই ১ রান নিতে বেশি সময় লাগেনি অভিজ্ঞ এই ব্যাটারের।

বাংলাদেশের প্রথম ক্রিকেটার হিসেবে শততম টেস্টে সেঞ্চুরি—এমন অর্জন মুশফিককে দাঁড় করিয়েছে বিশ্বের মাত্র ১১ জন ক্রিকেটারের কাতারে। টেস্ট ইতিহাসে শততম ম্যাচে সেঞ্চুরি করার ঘটনা যে মাত্র ১২ বার ঘটেছে, সেটিই বলে দেয় কীর্তিটি কতটা বিরল।

সেই তালিকায় আছেন রিকি পন্টিংও, যিনি নিজের শততম টেস্টে খেলেছিলেন জোড়া সেঞ্চুরি।

ওডিআই ক্রিকেটে সব থেকে বেশি সেঞ্চুরি করার তালিকা করলে টপ তিনজনই কিন্তু ভারতীয় ক্রিকেটার।• বিরাট কোহলি ৫১ টি• সচিন টেন্ড...
16/11/2025

ওডিআই ক্রিকেটে সব থেকে বেশি সেঞ্চুরি করার তালিকা করলে টপ তিনজনই কিন্তু ভারতীয় ক্রিকেটার।
• বিরাট কোহলি ৫১ টি
• সচিন টেন্ডুলকার ৪৯ টি
• রোহিত শর্মা ৩৩টি
• রিকি পন্টিং ৩০টি
আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে সব থেকে বেশি ম্যান অব দ্যা সিরিজ হয়েছে
•বিরাট কোহলি ২১টি
• শচীন টেন্ডুলকার ২০টি
• সাকিব আল হাসান ১৭টি
•জ্যাক ক্যালিস ১৩টি
>>>>
সর্বাধিক টি টোয়েন্টি হাফ সেঞ্চুরি করার ক্রিকেটার
•বিরাট কোহলি ৩৮ টি
• বাবর আজম ৩৬ টি
•রোহিত শর্মা ৩২ টি
• মহম্মদ রিজওয়ান ৩০ টি
>>>>
এক বিশ্বকাপে সর্বাধিক রান করার কথা বলতে গেলে
•২০২৩ বিশ্বকাপে বিরাট কোহলির ৭৬৫ রান
•২০০৩ বিশ্বকাপে শচীনের ৬৭৩ রান
• ২০০৭ বিশ্বকাপে ম্যাথু হেডেনের ৬৫৯ রান
• ২০১৯ বিশ্বকাপে রোহিত শর্মার ৬৪৮ রান
>>>>
দ্রুততম ১০ হাজার রান করা ক্রিকেটার
• ২০৫ ইনিংসে, বিরাট কোহলি ১০ হাজার রান করেন।
• ২৪১ ইনিংসে রোহিত শর্মা ১০ হাজার রান করেন।
•২৫৯ ইনিংসে শচীন টেন্ডুলকার ১০ হাজার রান করেন
•২৬৩ ইনিংসে সৌরভ গাঙ্গুলী ১০ হাজার রান করেন।

টেস্ট ক্রিকেটে বাংলাদেশকে এখন পর্যন্ত নেতৃত্ব দিয়েছেন ১৪ জন অধিনায়ক, এই ১৪ জনের মাঝে ৪ জন টেস্ট অধিনায়ক হিসেবে হাজার রান...
16/11/2025

টেস্ট ক্রিকেটে বাংলাদেশকে এখন পর্যন্ত নেতৃত্ব দিয়েছেন ১৪ জন অধিনায়ক, এই ১৪ জনের মাঝে ৪ জন টেস্ট অধিনায়ক হিসেবে হাজার রান করেছেন — হাবিবুল বাশার, সাকিব আল হাসান, মুশফিকুর রহিম এবং নাজমুল হোসেন শান্ত।

সর্বশেষ সংযোজন শান্ত অধিনায়ক হিসেবে নিজের ২৭তম ইনিংসে ১০০০ টেস্ট রান পূর্ণ করেন, সাকিব যেটা করেছিলেন ২৯ ইনিংসে এবং বাশার করেছিলেন ৩২ ইনিংসে। তবে, অধিনায়ক হিসেবে এই রেকর্ডে সবচেয়ে সফল মুশফিকুর রহিম, তিনি মাত্র ২৫ ইনিংস নিয়েছিলেন অধিনায়ক হিসেবে হাজার রান পূর্ণ করতে।

🚨 বাংলাদেশের টেস্ট অধিনায়ক হিসেবে সবচেয়ে বেশি রান: (১৩ নভেম্বর, ২০২৫ অনুযায়ী)

১. মুশফিকুর রহিম: ২৩২১ রান (৬১ ইনিংস, ৪১ গড়)
২. সাকিব আল হাসান: ১২৫৯ রান (৩৬ ইনিংস, ৩৬ গড়)
৩. হাবিবুল বাশার: ১০৪৪ রান (৩৫ ইনিংস, ৩০ গড়)
৪. নাজমুল শান্ত*: ১০০৬ রান (২৭ ইনিংস, ৩৯ গড়)
৫. মুমিনুল হক: ৯১২ রান (৩১ ইনিংস, ৩১ গড়)
৬. মোহাম্মদ আশরাফুল: ৫৪২ রান (২৫ ইনিংস, ২৩ গড়)
৭. মাহমুদউল্লাহ: ৫৩৫ রান (১২ ইনিংস, ৫৯ গড়)
৮. খালেদ মাসুদ: ৩৪৫ রান (২৪ ইনিংস, ২০ গড়)
৯. নাইমুর রহমান: ২০৪ রান (১৩ ইনিংস, ১৬ গড়)
১০. খালেদ মাহমুদ: ২০১ রান (১৮ ইনিংস, ১২ গড়)
১১. মেহেদী হাসান মিরাজ: ১৪৬ রান (৪ ইনিংস, ৩৬.৫ গড়)
১২. লিটন দাস: ৭৫ রান (২ ইনিংস, ৭৫ গড়)
১৩. মাশরাফি মর্তুজা: ৩৯ রান (২ ইনিংস, ১৯.৫ গড়)
১৪. তামিম ইকবাল: ১৩ রান (২ ইনিংস, ৬.৫ গড়)
(* বর্তমান অধিনায়ক)

মাহমুদুল্লাহর গড় বেশ ভালো; তবে সর্বোপরি পারফরম্যান্স বিবেচনা করলে ৪০+ গড় রেখে মুশির ২০০০+ রানটাকেও প্রশংসনীয় বলতেই হয়৷ তাছাড়া, শুরুতে যে রেকর্ডটার কথা বললাম, ২৫ ইনিংসেই ১০০০ রান পূরণ করেছিলেন 'টেস্ট কাপ্তান' মুশফিক; এই রেকর্ড শান্ত তো ভাঙতে পারলেন না,

আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে সিলেট টেস্টে টেস্ট ক্যারিয়ারের অষ্টম সেঞ্চুরি তুলে নিয়েছেন নাজমুল হোসেন শান্ত। এই ইনিংসের মধ্য দিয়...
14/11/2025

আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে সিলেট টেস্টে টেস্ট ক্যারিয়ারের অষ্টম সেঞ্চুরি তুলে নিয়েছেন নাজমুল হোসেন শান্ত। এই ইনিংসের মধ্য দিয়েই তিনি পৌঁছে গেছেন টেস্ট ইতিহাসের এক বিরল কৃতিত্বে।

এখন পর্যন্ত শান্তর ফিফটি ৫টি, কিন্তু সেঞ্চুরি ৮টি। অর্থাৎ ১৩ বার ৫০ রানের গণ্ডি পেরিয়ে ৮ বারই সেটাকে রূপ দিয়েছেন শতকে—যার কনভারশন রেট ৬১.৫৪%।

অন্তত ২০০০ রান করা ব্যাটারদের মধ্যে শান্তর ওপরে আছেন কেবল দুই কিংবদন্তি—অস্ট্রেলিয়ার স্যার ডন ব্র্যাডম্যান ও উইন্ডিজের জর্জ হেডলি।

টেস্ট ক্রিকেটে ৫০→১০০ কনভারশন রেট (ন্যূনতম ২০০০ রান):
🇦🇺 স্যার ডন ব্র্যাডম্যান — ৬৯.০৫%
🏝 জর্জ হেডলি — ৬৬.৬৬%
🇧🇩 নাজমুল হোসেন শান্ত — ৬১.৫৪%
🇮🇳 শিখর ধাওয়ান — ৫৮.৩৩%
🇮🇳 শুভমান গিল — ৫৫.৫৬%

Most wickets on debut test match for Bangladesh:•Sohag Gazi 9-219 (70.2) vs West Indies at Mirpur in 2012 •Mahmdullah 8-...
14/11/2025

Most wickets on debut test match for Bangladesh:

•Sohag Gazi 9-219 (70.2) vs West Indies at Mirpur in 2012

•Mahmdullah 8-110 (34.4) vs West Indies at Kingstown in 2009

•Elias Sunny 7-128 (29) vs West Indies at Chattogram in 2011

•Mehidy Hasan Miraz 7-138 (59.5) vs England at Chattogram in 2016

•Manjural Islam 6-81 (35) vs Zimbabwe at Bulawayo in 2001

•Hasan Murad 6-107 (34) vs Ireland at Sylhet this year

•Naimur Rahman 6-154 (48.3) vs India at Dhaka in 2000

•Hasan Mahmud 6-157 (39) vs Sri Lanka at Sylhet in 2024

•Nayeem Hasan 5-90 (21) vs West Indies at Chattogram in 2018

•Taijul Islam 5-139 (48) vs West Indies at Kingstown in 2014

আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষেও 'ছয়শো' করতে পারলো না দেখে একটু আক্ষেপই হলো। অবশ্য 'করতে পারলো না' বলার চেয়ে 'ছয়শো হলো না' বলা বেট...
13/11/2025

আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষেও 'ছয়শো' করতে পারলো না দেখে একটু আক্ষেপই হলো। অবশ্য 'করতে পারলো না' বলার চেয়ে 'ছয়শো হলো না' বলা বেটার, কারণ বাংলাদেশ তো ডিক্লেয়ার দিয়েছে।

কিন্তু মাত্র ১ বার ৬০০+ স্কোর করলো বাংলাদেশ, ব্যাপারটা কেমন যেন? যদিও বাংলাদেশের হাইয়েস্ট টেস্ট স্কোর ৬৩৮, এই ছয়শো আটত্রিশ শব্দটা আমাদের কাছে আইকোনিক হয়ে আছে, মুশি আর আশরাফুলের যথাক্রমে ২০০ ও ১৯০ এর জন্য, সাথে নাসিরের সেঞ্চুরি। ৫৭০/৪ করে শ্রীলঙ্কা ডিক্লেয়ার দেওয়ার পরেও আমাদের লিড নেওয়ার স্মৃতিটা সবসময় অমলিনই থাকবে।

*

তবে তাই বলে আর ৬০০ দেখতে চাইবো না! ১৩ বার ৫০০ পেরিয়ে মাত্র ১ বার ৬০০ হলো, অথচ এই সংখ্যাটা একবার না হয়ে তিন-চারবার হতে পারতো! তার মাঝে একটা উদাহরণ তো আজকেই, ৫৮৭তে থামলাম।

তবে সবচেয়ে হৃদয় বিদারক ডিক্লেয়ার মেবি ৫৯৫/৮; কিউইদের বিপক্ষে খুবই সাহসী সিদ্ধান্ত হিসেবে ৫৯৫/৮ এ ডিক্লেয়ার করেছিলো বাংলাদেশ, কিন্তু শেষমেশ দ্বিতীয় ইনিংসে নিজেদের ব্যাটিং ব্যর্থতায় ম্যাচটা হেরে আসতে হলো।

২০২০ সালে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে ৫৬০/৬ এ ডিক্লেয়ার, অথচ তখন ডিক্লেয়ার না হলে মুশি হয়তো তার ২০৩* কে আরো অনেকদূর নিতে পারতেন! বাংলাদেশও ৬০০ হয়তো করতে পারতো!

পাকিস্তানের বিপক্ষে ২০১৫ সালের সেই খুলনা টেস্ট তো আইকোনিক হয়ে আছে তামিম-ইমরুলের জন্য, দিনটা শেষ হয়ে যাওয়ায় ৫৫৫/৬ এই থামে ম্যাচ, অথচ সাকিব তখনো ৭০ এর ঘরে অপরাজিত! ওইখানেও একটা ৬০০ দেখলেও দেখতে পারতাম!

এছাড়াও দুইবার ডিক্লেয়ার দেওয়া হয়েছে, সেগুলো অবশ্য রেজাল্ট যেনো পাওয়া যায়, সেই ইচ্ছা থেকেই। তাই ডিক্লেয়ারেশানের উদ্দেশ্য ঠিকঠাকই ছিল।

তবু মাত্র একবার ৬০০ করেছে বাংলাদেশ, এটা মানতে একটু খারাপ লাগে। আজকের ম্যাচটায় ৬০০ হলে বলাবলি হতো আয়ারল্যান্ডকে পেয়ে ৬০০ মে'রে'ছে, কথা ভুল না, আসলেই আয়ারল্যান্ডকে পেয়েই মে'রেছে। কিন্তু ৫৮৭ পর্যন্ত যেতে পারলে ৬০০ পর্যন্ত যাওয়া আর এমন কি ছিল!

সেই ২০১৩ সালে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে বাংলাদেশের ৬০০

গতকাল কুইন্টন ডি কক তার ওয়ানডে ক্যারিয়ারের ৭০০০ রান স্পর্শ করেন, এটা নিয়েই ২-৪টা পরিসংখ্যান দেই, দেশি বিদেশি মিলিয়ে। তার...
12/11/2025

গতকাল কুইন্টন ডি কক তার ওয়ানডে ক্যারিয়ারের ৭০০০ রান স্পর্শ করেন, এটা নিয়েই ২-৪টা পরিসংখ্যান দেই, দেশি বিদেশি মিলিয়ে। তার আগে কুইন্টন ডি ককের ৭০০০ রানটা কতটা মাহাত্ম্যপূর্ণ সেটা বলি, ডি ককের চেয়ে দ্রুততম সময়ে কেবল হাশিম আমলা-ই ৭০০০ রান পূর্ণ করেছেন। দুনিয়ার আর কোনো ব্যাটার তা পারেননি, না কোহলি, না শচীন। কোহলি-শচীনের সাথে তুলনা দেওয়ার জন্য লাইনটা বলিনি, বললাম ডি কক কতটা ফাস্টেস্ট! অনেকে হয়তো ডি ককের ওয়ানডের ক্যালিবারটা আন্দাজ করতে পারি না৷ যাই হোক, পরিসংখ্যানে চলে যাই। শুরুতে ব্যাসিক তথ্য, এরপর বাংলাদেশিদের, লাস্টে একটা স্পেশাল।

🚨 ইনিংসের বিচারে দ্রুততম ৭০০০ ওডিআই রানের মালিক:
১. হাশিম আমলা: ১৫০ ইনিংস
২. কুইন্টন ডি কক: ১৫৮ ইনিংস
৩. কেইন উইলিয়ামসন: ১৫৯ ইনিংস
৪. ভিরাট কোহলি: ১৬১ ইনিংস
৫. এবি ডি ভিলিয়ার্স: ১৬৬ ইনিংস
৬. জো রুট: ১৬৮ ইনিংস
৭. সৌরভ গাঙ্গুলি: ১৭৪ ইনিংস
৮. রোহিত শর্মা: ১৮১ ইনিংস
৯. ব্রায়ান লারা: ১৮৩ ইনিংস
১০. মার্টিন গাপটিল: ১৮৬ ইনিংস

এত বিদেশি নাম দেখে কি হবে, একটু বাংলাদেশি দেখা যাক এবার! বাংলাদেশের তিনজনই ৭০০০ রান ক্রস করেছেন, সেই ৩ জন কয় ইনিংস নিয়েছেন ৭০০০ রান করতে, দেখা যাক।

🚨 ইনিংসের বিচারে বাংলাদেশিদের মাঝে দ্রুততম ৭০০০ ওডিআই রানের মালিক:
১. তামিম ইকবাল: ২০৪ ইনিংস
২. সাকিব আল হাসান: ২১৬ ইনিংস
৩. মুশফিকুর রহিম: ২২৯ ইনিংস

এবার একটা স্পেশাল স্ট্যাট, সেটা হচ্ছে নন-ওপেনারদের মাঝে কারা দ্রুততম? উল্লেখ্য এখানে 'নন-ওপেনার' এর ক্রাইটেরিয়াতে তাদেরকেই ইনক্লুড করেছি, যারা তাদের ওডিআই ক্যারিয়ারের কখনোই ওপেন করতে নামেননি।

🚨 ইনিংসের বিচারে 'নন-ওপেনার'দের মাঝে দ্রুততম ৭০০০ ওডিআই রানের মালিক:
১. কেইন উইলিয়ামসন (নিউজিল্যান্ড): ১৫৯ ইনিংস
২. রস টেলর (নিউজিল্যান্ড): ১৮৮ ইনিংস
৩. মোহাম্মাদ ইউসুফ (পাকিস্তান): ১৯৯ ইনিংস
৪. সাকিব আল হাসান (বাংলাদেশ): ২১৬ ইনিংস
৫. মোহাম্মাদ আজহারউদ্দিন (ভারত): ২৩৩ ইনিংস

আবারও বলছি এই ৫ জন কখনই ওপেন করেননি ওয়ানডেতে। আপনাদের মনে প্রশ্ন আসতে পারে, মুশফিক ২২৯ ইনিংসে ৭০০০ পূর্ণ করেও এই লিস্টে কেনো নেই? সেই প্রশ্নের উত্তরটা আশা করি করি প্রশ্নটা তোলার সাথে সাথে বুঝে গেছেন যে মুশিও তার ওডিআই ক্যারিয়ারে ওপেনিংয়ে নেমেছিলেন, আর সেখানে একটা ৯৮ রানের ইনিংসও খেলেন।

টেস্ট ক্রিকেটে একই ইনিংসে দুজন বাংলাদেশী ওপেনার সেঞ্চুরি করার রেকর্ড আছে ২টি। 😍দুটো রেকর্ডই তামিম-ইমরুল জুটির দখলে। ২০১৪...
12/11/2025

টেস্ট ক্রিকেটে একই ইনিংসে দুজন বাংলাদেশী ওপেনার সেঞ্চুরি করার রেকর্ড আছে ২টি। 😍

দুটো রেকর্ডই তামিম-ইমরুল জুটির দখলে।
২০১৪ সালে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে এবং ২০১৫ সালে পাকিস্তানের বিপক্ষে একই ইনিংসে সেঞ্চুরি করার নজির দেখান ওপেনার তামিম ইকবাল এবং ইমরুল কায়েস।🤯

২০১৪ সালে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে সিরিজের তৃতীয় টেস্টের প্রথম ইনিংসে ২২৪ রানের ওপেনিং জুটি গড়ার দিনে দুজনেই সেঞ্চুরি করেন; ইমরুল করেন ১৩০ রান এবং তামিম করেন ১০৯ রান।😍

পাকিস্তানের বিপক্ষে(দ্বিতীয় ইনিংসে) ২০১৫ সালে রেকর্ড ৩১২ রানের পার্টনারশীপ গড়ার দিনে জোড়া সেঞ্চুরি করেন তামিম,ইমরুল। তামিম খেলেন ক্যারিয়ার সেরা ২০৬ রানের ইনিংস এবং ইমরুলও খেলেন ক্যারিয়ার সেরা ১৫০ রানের ইনিংস 😍

Address

Sarulia, Demra
Dhaka
1361

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Free hit posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Free hit:

Share