Self Development Training Center - SDTC

Self Development Training Center - SDTC দক্ষ উদ্যোক্তা তৈরীতে আমরা বদ্ধ পরিক?

20/08/2020

“বইন,ধৈর্য ধইরা সংসার কইরা খা! দাঁতে কামড় দিয়া থাক, মাইয়াগো কপাল এমনই! সোয়ামির বাড়িতে জায়গা না হইলে আমাগো তো আর যাওয়ার জায়গা নাই......!
স্বামীর কতৃক নির্যাতিত গৃহবধূকে পাশের বাড়ির আরেক বধূর এই সান্ত্বনা বাণী গ্রামের মানুষের কাছে অপরিচিত নয়!
স্বামীর হাতে আহত,রক্তাক্ত,চরিত্র নিয়ে মিথ্যা অপবাদ,এমনকি পা ভাঙ্গার পরেও উপায়ান্তর না থাকায় সেই স্বামীরই সংসার করছে এমন নারীকে দেখার সুযোগ আমার হয়েছে! শত কষ্ট সহ্য করে শুধু সন্তানের মুখ চেয়ে সংসার টেকানোর আমরণ চেষ্টা করে যাচ্ছে অসংখ্য নারী!
কর্মজীবী নারীরা এদিক থেকে একটু এগিয়ে। আর্থিক স্বাবলম্বিতা থাকায় চরম বা ঠুনকো কারণে ডিভোর্স দিয়ে স্বামী থেকে রেহাই পেলেও নতুন করে সংসার বাঁধা হয়না অনেকেরই!
ধরেই নিলাম রাষ্ট্র ডিভোর্সী বা বিধবাদের যথাযথ আর্থিক সহায়তা নিশ্চিত করছে। কিন্তু একজন নারী হিসেবে সে চায় ভালোবেসে কেউ তার হাতটা ধরুক,সারাদিনের পরিশ্রম শেষে রাতে মাথার নিচে দরদভরা একটা শক্ত বুক থাকুক, পূর্বের স্বামীর সন্তানকে কেউ পিতার মতো বুকে টেনে নিক কিংবা শেষ জীবনে কারও সেবার পরশে তার হৃদয় ছুঁয়ে যাক!
সরকার কি হাজার কোটি টাকা দিয়ে নারীর এই শূন্যস্থান পূরণ করতে পারবে? যদিও বর্তমান বিশ্বে এমন সরকারব্যবস্থা আছে কিনা আমার জানা নেই!
এবার রাসূলের যুগের গল্প শুনুন! হাবীবা বিনতে সাহলের স্বামী সাবিত বিন কায়েস (রাঃ) এতটাই কুৎসিত ছিলেন যে হাবীবা সরাসরি রাসূলকে (সাঃ) বলেছেন “আমি যদি আল্লাহকে ভয় না করতাম তাহলে তার মুখে থুথু দিতাম!! ”। অতঃপর রাসূল তার এই অভিযোগের প্রেক্ষিতে হাবীবার তালাক কার্যকর করলেন! (ইবনে মাজাহঃ ২০৫৭)
চিন্তা করুন তিনি কিভাবে সামান্য কারণেই স্বামীকে ছাড়ার সাহস করলেন! কারণ সে সমাজে তাঁর পুনরায় বিয়ে খুবই সহজ ছিলো! তিনি ডিভোর্সি হলেও সমাজে তাকে বিয়ে করার মতো পুরুষের অভাব ছিলোনা! রাসূল (সাঃ) নিজেও বিধবা উম্মে সালামা(রাঃ) কে সন্তান সহ বিয়ে করেছিলেন। শুধু তাই নয় তার সন্তানের পিতার অভাবও পূরণ করেছিলেন ! সে যুগে বিধবা/ডিভোর্সী মুসলিম নারীকে সন্তান সহ বিয়ে করা সওয়াবের কাজ হিসেবে বিবেচিত হতো! আর নারীরাও অত্যাচার সহ্য করে বা অসুখী হয়ে কারও একক স্ত্রী হওয়ার চেয়ে ব্যক্তিত্বসম্পন্ন ও সুপুরুষের ২য় স্ত্রী হতে পছন্দ করতেন! বর্তমান সমাজের মতো দ্বিতীয়বার বিয়ে না হওয়ার ভয়ে সবকিছু মুখ বুজে সহ্য করতেন না! সেক্ষেত্রে প্রথম স্ত্রী সতীনের প্রতি ঈর্ষান্বিত থাকলেও আরেকজন বিপদাপন্ন মুসলিম নারীর কথা ভেবে স্বামীকে ২য় বিয়ে করতে বাঁধা দিতেন না,কারণ তার স্বামী মারা/ডিভোর্স দিলে তারও একই অবস্থাই হতো!
সুতরাং পরোক্ষভাবে একাধিক বিবাহ প্রথা কমে যাওয়া, পুরুষদের বিধবা/ডিভোর্সী নারীদের (সন্তান সহ বা ছাড়া) বিবাহের প্রতি অনিহা, নারীদের কারও ২য় স্ত্রী হওয়ার প্রতি অনীহা ও প্রথম স্ত্রী কতৃক স্বামীকে একাধিক বিয়ে করতে বাধা দেয়া..... নারী নির্যাতন ও তাদের সামাজিক দুর্বলতার ‘অন্যতম’ কারণ!

02/05/2020

বুঝলাম তিনি হ্যামিলনের বাঁশিওয়ালা
আমরা কেন ইঁদুর হবো?
---- রশীদ জামীল

মাঝেমধ্যেই তিনি উলটা-পালটা কথা বলেন। তারপরেই খেলা শুরু। গুরুর মুরিদান আদাজল খেয়ে নেমে পড়েন গুরুকে ডিফেন্স করতে। বাকিদের কাজ প্রতিবাদে ঝাপিয়ে পড়া। একজন লোক একটি কথা বললে হাজার হাজার মানুষ যদি সেটার প্রতিবাদ করতে থাকেন, তাহলে তাঁকে কোথায় নিয়ে তোলা হয়?

সাম্প্রতিক সময়ে তার দুটি কথা নিয়ে অনেক কথা হচ্ছে। এই অর্থে তাকে সফল বলতে হবে। কিছু বললেই হটকেক। কেউ সমর্থনের নামে, কেউ বিরোধিতার নামে; যেভাবেই হোক- তাকে নিয়েই মজে থাকতে হয়!

কেন থাকতে হয়?
বিরোধিতা করতে হয় কেন?
সমান উচ্চতায় নিজের কথা বলা যায় না?
বিভ্রান্তির নিরসনে নিজের কথা তুলে ধরা যায় না?

-‼️ তারাবির নামাজে কোরআন শরিফ দেখে পড়া যাবে'- এটি অর্ধেক সত্য। অর্ধেক সত্য মিথ্যা থেকেও ভয়ংকর। তিনি সেই ভয়ংকর কাজটি করেছেন। অর্ধেক সত্য কারণ, আহলুস সুন্নাত ওয়াল জামাতের অন্তর্ভুক্ত কোনো কোনো ইমামের মতেও তারাবিতে কোরআন শরিফ দেখে পড়া যাবে। ভয়ংকর কারণ, তিনি যে অডিয়েন্সে কথাটি বলেছেন তার ৯০% মুসলমান হানাফি মাজহাবের অনুসারী। আর কোরআন-হাদিসের আলোকে ইমামে আজমের সিদ্ধান্ত হল, তারাবিতেও কোরআনে কারিম দেখে পড়া যাবে না। তার উচিত ছিল কথাটি ব্যাখ্যা করে বলা। এককথায় বলে দিয়ে তিনি নিশ্চিত করেই মানুষকে বিভ্রান্ত করেছেন।

এখন কথা হলো, বড়দের হাঁটুর বয়েসী তরুণ একজন আলেম কিছু একটা বললেই সেটা নিয়ে সবাইকে এতো ব্যতিব্যস্ত হয়ে যেতে হবে কেন?

মানুষকে গোমরাহী থেকে বাঁচাতে?
মানুষকে ভুল ব্যাখ্যা থেকে রক্ষা করতে?

কাজটি তো অন্যভাবেও করা যেতো। উলামায়ে কেরামের পক্ষ থেকে এসব বিভ্রান্তির নিরসনমূলক বক্তব্য বা মাসআলা তো আগেই ক্লিয়ার করে বলে দেওয়া আছে। সেগুলোকে ব্যাপকভাবে প্রচার করা যেতো। তার নাম না নিয়েই মানুষকে সঠিক মাসআলাটি বুঝিয়ে বলা যেতো। এতে লাভ হতো দুটি।

১. মানুষকে বিভ্রান্তি থেকে রক্ষা করা হতো।
২. তাকেও প্রমোট করা হতো না।

আফসোস! লাভ-ক্ষতির হিসাবটাও আমরা ঠিকমতো করতে পারি না।

‼️ চৈত্রমাসের রিক্সাওয়ালা...। তার বক্তব্যের পুরো ক্লিপটি শুনলাম। কথাটি তিনি যেভাবে বলেছেন, জবাব দিতে হলে সেভাবেই দেওয়া দরকার ছিল। কাউকে খণ্ডিতভাবে উদ্ধৃত করাও তো বেইনসাফি।

তিনি বলেছেন, 'আসহাবুল আ'মাল আল শাক্কাহ, যারা খুব হার্ড ওয়ার্কিং করে, এবং ঐ কাজ ছাড়া তাদের উপার্জনের আর কোনো মাধ্যম নেই, এবং তাদের পক্ষে রোজা রাখাও সম্ভব হচ্ছে না, এই ধরণের লোকের জন্য শরিয়াহ ছাড় দিয়েছে। যেমন চৈত্র মাসের রিক্সাওয়ালা...। তারা পরবর্তীতে কাজা করে নেবে।'

অর্থাৎ,,চৈত্রের রোদে রোজা রেখে একজন রিক্সাচালকের পক্ষে যদি রিক্সা চালানো সম্ভব না হয়, আর জীবিকার জন্য যদি অলটারনেটিভ না থাকে, এবং কোনোভাবেই রোজা রাখার মতো শারীরিক সামর্থ না থাকে, তাহলে সে রোজা ছেড়ে দিতে পারবে। পরে কাজা করে নেবে। এ প্রসঙ্গে তিনি সফরের কষ্টজনীত কারণে রোজা ছেড়ে দেওয়ার বিধানকে সামনে এনে বলেছেন, আল্লাহপাক চান না তার বান্দা কষ্ট করে মরে যাক।

এখন প্রশ্ন হলো, বেঁচে থাকার জন্য যে কাজ করতেই হবে, সেই কাজটি যদি রোজা রেখে করা কোনোভাবেই সম্ভব না-হয়, তাহলে তার জন্য (পরে কাজা করার শর্তে) রোজা ছেড়ে দেওয়ার সুযোগ আছে কি না- এই ফতওয়া অত্যন্ত সুস্পষ্ট। তবুও যদি কথা থাকে, তাহলে যথাযোগ্য মুফতিগণ কথা বলবেন। আমরা তাদের কাছ থেকে ব্যাখ্যা শোনা পর্যন্ত অপেক্ষা করতে পারি।

ফতওয়া দেওয়ার অথরিটি নাই- এমন কারো ফতওয়া দেওয়া অন্যায়। আবার আমি সেই ফতওয়ার জবাবে সমান তালে ফতওয়া দিতে থাকলাম। তাহলে আমার কথা ও কাজে মিল থাকল কই?

‼️ কথা হতে পারে সময় এবং সাময়িকতা নিয়ে। কোন বক্তব্য কোথায় দেওয়া উচিত আর কোথায় উচিত না- কথা হতে পারে সেই পয়েন্টে।। তিনি যেভাবে ঢালাওভাবে যেকোনো কথা পাবলিকলি বলে বেড়াচ্ছেন, সেটির কারণে মানুষের কাছে ভুল ম্যাসেজ যাচ্ছে কি না- প্রশ্ন তুলা যেতে পারে সেখানে। কিন্তু কাজটি করতে হবে টু দ্য পয়েন্ট। আবেগতাড়িত হয়ে নয়। একইসাথে তার ছবি ভিডিওসহ নাম ধরে তাকে প্রমোট করে নয়।

তিনি তার কথা বলুন। আমি আমার কথা বলি। আপনি আপনার কথা বলুন। অথরাইজড মুফতিগণ শরয়ী মাসাইল ব্যাখ্যা করুন-আমরা সেটা ফলো করি, ব্যস। এই আল্লাহর বান্দা কী বললেন, অথবা যাই বলুন- অভারলোক করা যায় না?

24/09/2019

পুরুষদের বাধ্যতামূলক দুই বিয়ে করতেই হবে,আ’পত্তি করলে শা’স্তি হবে যাব’জ্জীবন জে’ল

আফ্রিকার ছোট্ট দেশ এরিত্রিয়ার সমস্ত পুরুষকে ন্যূনতম দু’টি বিবাহ করতেই হবে , যা আইনে স্পষ্ট করে বলা হয়েছে। যদি দেশের কোনো পুরুষ বা নারী এই সিদ্ধান্তে আ’পত্তি করে, তা হলে শা’স্তি হবে যাব’জ্জীবন জে’ল।

একে চন্দ্র, দুয়ে পক্ষ। এক্ষেত্রে প্রথম পক্ষ এবং দ্বিতীয় পক্ষ, দুটোই বাধ্যতামূলক। এমনই আজব আইনে সিলমোহর দিল এরিত্রিয়া সরকার।

আরবিক দেশগু’লির মধ্যে এরিত্রিয়াতেই শুধুমাত্র এমন আজব আইন জারি করা হয়েছে। রীতিমতো ধ’র্মীয় আইনের মাধ্যমে এই নির্দেশকে মান্যতা দিলেন গ্র্যান্ড মুফতি।

সরকারি সূত্রে জানানো হয়েছে, দেশে পুরুষের আকাল পড়েছে। এর আগে দীর্ঘদিন ইথিওপিয়ার সঙ্গে যু’দ্ধের কারণে অনেক পুরুষ হারিয়েছে এরিত্রিয়া। ক্রমশ পুরুষশূন্য হয়ে পড়ছে এই দেশ। তাই দেশের স্বার্থেই এই আইন বলবৎ করল সরকার।

প্রসঙ্গত, এরিত্রিয়ার জনসংখ্যা চৌষট্টি লক্ষেরও কিছু কম। এর এক দিকে সুদান আর ইথিওপিয়া, এক দিকে জিবুতি এবং অন্য এক দিকে লোহিত সাগর। দেশটি ইথিওপিয়া থেকে আলাদা হয়ে স্বাধীন রাষ্ট্র জন্ম হয় ১৯৯৩ সালে।

মেয়ে নরম হচ্ছে না? তাকে দাম দিন। প্রশংসা করুন- তবে মেপে মেপে। শরীর নিয়ে ভুলেও প্রশংসা করবেন না। করলে বিপুল মাইনাছ!! তার কাজকে গুরুত্ব দিন। কোন গুণ থাকলে তার প্রশংসা করুন। পোষা প্রাণী থাকলে ওটারও প্রশংসা করুন(আপনার পছন্দ না হলেও!) শরীর গরম করার গল্প (ছোটদের জন্য নয়)

২. আপনি কি ভাই খুব ফিটফাট/ গোছালো? প্রথমেই মাইনাছ! কিছুটা অগোছালো, এলোমেলো ছেলেই নাকি সুন্দরী মেয়েদের বেশি পছন্দ! তবে সাবধান! উদ্ধত্যপূর্ণ কিংবা ছেঁড়া-ফাঁড়া পোশাক বাদ দিন। ভালো পারফিউম ব্যবহার করুন।

৩. মেয়ে ভাবলেশহীন ভাবে তাকিয়ে আছে? আপনি উদাসী হউন। নিজের ব্যাপার গুলো ভুলে যান বেশী করে। জ্ঞান ফলান। তবে হ্যাঁ, আঁতলামি কইরেন না আবার!

৪. মেয়ে বেশি ভাব-গম্ভীর? ঘন ঘন তাকান। বাছাই করা জোক্‌স দিয়ে রসিকতা করুন। হাসুন– হাসতে দিন। হাসি মুখ যে কাউকে আকর্ষণ করে।

৫. কাজ হচ্ছে না? দৃষ্টি আকর্ষণ করতে পারছেন না?? কথার ফাঁকে আপনার চুলে হাত বোলান। আপনার দিকে তাকালে জিভ্‌ দিয়ে ঠোঁট চাটুন (বেশী করা যাবে না।) পশমী বুক থাকলে জামা’র দু’একটা বোতাম খুলে দিন। ভদ্র ভাবেৃৃৃ নরম হবেই!

৬. মেয়ে অ’তিরিক্ত কঠিন? একেবারেই কাজ হচ্ছে না?? উলটো পথে হাঁটুন। জানেন তো, মাইনাছে মাইনাছে পিলাচ! এইবার দাম কিছুটা কম দেন। অন্য কারো সাথে ক্ষীর খান(মেয়ে হইলে ভালো)!! হঠাৎ দাম কমে গেলে সে কিছুটা জ্বলবেই। জ্বলে পু’ড়ে অঙ্গার হতে দিন। পড়ে আ’গুন নিভে গেলে বুঝবেৃৃৃ আপনি ছাড়া গতি নাই! এগুলোতে কোন কাজই হলো না? ভয় পাবেন না। ভাত হাত দিয়ে খাওয়া যায়, আবার চামুচ দিয়াও খাওয়া যায়! অর্থাৎ ঘুরপথে আন্টির কাছে যান। মনে রাখবেন, পরিবারও অনেক সময় পছন্দে প্রভাব ফেলে।

৭. আন্টিকে কদমবুচি করেন। শরীর-স্বাস্থ্যের খবর নেন। পারিবারিক বিষয় নিয়ে আলাপ করেন। তবে সাবধান! এতক্ষণ মেয়ের সাথে যা যা করছেনৃৃৃ আন্টির সাথে আবার রিপিট মাইরেন না! তাইলে আমা’র লেখা পুরাই ব্যর্থ!
মা মেয়ের চেয়ে আরো বেশী কঠিন? কিন্তু মেয়েটা যে বেশী জটিল! এর সাথেই ভাঁজ খাইতে মনে চায়!
তাইলে আর কি? শেষ ভরষাৃৃৃ তাহার পিতা!

৮. এইবার ভুলেও উদাসী পাট লইয়েন না। ফিটফাট হয়া যান। কদমবুচি রিপিট লন। শরীরের খবরও লন। এরপর ইঞ্জিন স্টার্ট দেওয়ার মত পিতার পছন্দের কোন বিষয়ে কথার আরম্ভ কইরা দেন। সামনে নাশতা আসছে? খাওয়ার কথা ভুলে যান! খালি উৎসাহী বদনে শুনে যান। গাম্ভীর্য বজায় রাখু’ন। পরবর্তীতে ঘরে আপনার প্রশংসা হবেই। এতে যদি মেয়ে কিছুটা গলে!

12/09/2019

" ফ্রিল্যান্সিং এর কাজ শিখুন
ক্যারিয়ার নিয়ে দুশ্চিন্তা ভুলে থাকুন "

বিদ্রঃ থাকা খাওয়ার সুব্যবস্থা রয়েছে

08/04/2018

ধর্ষণরত অবস্থা থেকে ঋতুকে উদ্ধার করল রবিন ও রফিক। ঋতু ভাবল সে মুক্তি পেল। খুশিতে নতুন করে বাঁচার স্বপ্ন দেখল। রফিক একটু সৎ লোক। সে ঋতুকে উদ্ধার করার পর নিজের ঠিকানায় চলে গেল। কিন্তু রবিন বলল,"আমি উদ্ধার না করলে সারাজীবন ঐ লোকের কাছে তোমাকে ধর্ষিত হতে হত। তুমি আমার প্রতি কৃতজ্ঞ থাক। এছাড়াও কৃতজ্ঞতা স্বরুপ তোমাকে ধর্ষণ করার অধিকার আমি আইন করে নিলাম। যদি এই নতুন ধর্ষণের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ কর, তাহলে তুমি অকৃতজ্ঞ, বেইমান স্বাব্যস্ত হবে।" এই বলে এবার রবিন নিজেই ঋতুকে ধর্ষণ শুরু করে মানব প্রেমের গর্ব অনুভব করতে লাগল। আইন হল। রবিনের উত্তরাধিকারীরাও রবিনের মতই ধর্ষণের সুযোগ পেয়ে গর্ব করবে।
ঋতু কৃতজ্ঞ হবে নাকি প্রতিবাদ করে তথাকথিত অকৃতজ্ঞ হবে কিছুই বুঝতে না পেরে ফ্যালফ্যাল করে আকাশের দিকে চেয়ে রইল। অসহায় ঋতু কিন্তু এখনো ধর্ষণ থেকে মুক্তি পায়নি।
অন্যদিকে,
রফিক বয়সের ভারে দুর্বল। রবিনের হাত থেকে ঋতুকে উদ্ধার করার মত শক্তি এখন তার নেই। রফিকের মন্তব্য হল নিজে ধর্ষণ করার জন্য সে অন্য ধর্ষকের কবল থেকে ঋতুকে উদ্ধার করেনি। বরং তার উদ্দেশ্য ছিল ঋতু যাতে নির্যাতন থেকে মুক্তি পেয়ে শান্তিতে বাঁচতে পারে।
মিলিয়ে নিন। ঋতু হল আমজনতা, প্রথম ধর্ষক হল তৎকালীন পাকিস্তান সরকার, রফিক হল প্রকৃত দেশপ্রেমিক মুক্তিযোদ্ধা।
আর রবিন হল মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ব্যবসায়ী সুবিধাবাদি কোটাবাজ (বর্তমান ধর্ষক)।
মন্তব্যঃ ভূখণ্ড বহিঃশক্তির হাত থেকে স্বাধীন হলেও
এই ভূখণ্ডের
সাধারণ মানুষ বৈষম্য থেকে মুক্তি পায়নি। সাধারণ মানুষ অভ্যন্তরীণ কিছু স্বার্থান্বেষী কুলাঙ্গারের হাতে জিম্মি। এই কুলাঙ্গারেরা আর তৎকালীন পাকিস্তানি প্রেতাত্মা একই মুদ্রার দুই পিঠ।
by Motiur Rahman

21/08/2017
15/08/2017

জীবনে বড় হতে হলে স্বপ্নবাজ হওয়া খুবই জরুরী। অনেকে আমার মতের সাথে ভিন্নমত পোষন করতেই পারেন। তারপরও বলি বাবার টাকায় বড় হওয়া আর শুন্য হাতে স্বপ্ন লালন করে বড় হওয়া ভিন্ন ব্যাপার। সমাজের শ্রেনী বিভক্তির জায়গা থেকে একটি নিন্মবিত্ত বা মধ্যবিত্ত ঘরের সন্তানকে কতটা বেশী ভাল থাকার অভিনয় করতে হয় তা একমাত্র সেই জানে। আবার সবচেয়ে হতাশার মধ্যে তারাই ডুবে থাকে।

সোনার চামচ মুখে নিয়ে যাদের জন্ম নয় তারা যে জীবনে বড় কিছু করবে না তাও কিন্তু নয়। যারা জীবনে বড় হয়েছে তারা তাদের স্বপ্নকে লক্ষ ধরে নিয়েই কাজ করেছে। সেই সাথে পরিশ্রম আর লেগে থাকার বিনিময়ে সফলতাও পেয়েছে। জীবনে বড় হতে হতে হলে অনেক শিক্ষিত হতে হবে এমন কথাও নেই। অনেক সল্প শিক্ষিত ঝরে পড়া ষ্টুডেন্টও জীবনে বড় কিছু করেছে। কারন তাদের স্বপ্ন আর আত্মবিশ্বাস ছিল আকাশের ওপারে। copy

11/08/2017

দেশে চাকরী নাই; কেউ চাকরী পায় না। কিন্তু বিডিজবসের মত সাইটে হাজারে ৫/৬টার বেশী কম্প্লিট প্রোফাইল পাইবেন না। ফেসবুকে আইসা বেকার বেকার কইরা কাইন্দালায়, কিন্তু লিঙ্কডইনে কারও প্রোফাইল রেডি না! কই খাইতে গেলাম, কই ঘুরতে গেলাম, কই আড্ডা দিলাম, কার বিয়ার বৌভাতে গেলাম সবই আপডেট আছে, নিজের সিভিটা আপডেট হয় না। ৫টা মেয়েকে পটানোর ট্রাই করতে ৫০ রকম ফন্দি আটে, কিন্তু ৫টা আলাদা প্রতিষ্ঠানে আলাদা ৫টা আলাদা জবের জন‍্য সেই একটাই ক‍্যারিয়ার অবজেক্টিভ।
ছেলে পেলে বিবিএ পড়ে, নেয় মার্কেটিং আর হিউম‍্যান রিসোর্স। কেন? ফ‍াইন‍্যান্স ন‍িবে না; কারণ ম‍্যাথে দূর্বল! কে যানি তাকে বুঝাইছে যে ফাইন‍্যান্স পড়তে সাইন্সের হায়ার ম‍্যাথের মাষ্টার্স শেষ করে আসা লাগে। একাউন্টিং পড়বে না কারণ তার ব‍্যাকগ্রাউন্ড হয় আর্টস না হয় সাইন্স ছিলো! কে জানি তারে বুঝাইছে এসএসসি বা এইচএসসিতে কমার্সের স্টুডেন্ট না হইলে একাউন্টিং এ পড়া যায় না! আবার কারা জানি ছড়াইছে দেশে নাকি একাউন্টেন্টের কোন দরকারই নাই; সব নাকি কম্পিউটারে করা যায়।
এদিকে মার্কেটিং এ পড়ে মার্কেটিং এর কাজ করবে না; হতে চায় মার্কেটিং ম‍্যানেজার, এসির বাতাসে বসে বসে কাজ করবে। কিন্তু তারে ধরেন মার্কেটিং এর সংগা কি, সে সুন্দর করে উত্তর দিবে, মার্কেটিং করতে গেলে কি কাষ্টমার সংগা জিগাইবো?
এইচআর এ পড়ে কিন্তু বলতে পারে না এইচআর এর কাজ কি; খালি মানুষের চাকরী দেওয়া আর চাকরী খাওয়ার জন‍্য দুইটা কাগজে সাইন করতে হয় এইটুকুই জানে।
যে কাউরে জিগান কি চাকরী করতে চায়, হয় বলবে ব‍্যাংকে কাজ করবো, না হয় বলবে মাল্টিন‍্যাশনালে কাজ করবো। কিন্তু ব‍্যাংকে কি কাজ আছে বা মাল্টিন‍্যাশনালে কি কাজ আছে জিগান, কোন ধারণাই নাই। ব‍্যাংকে বসে মানুষের টাকা গোনা আর সিল মারা আর মাল্টিন‍্যাশনাল মানে ম‍্যালা টাকা এইটুকুর বাইরে কোন ধারণাই নাই কি কি থাকতে পারে।
চাকরী দিতে যাইবেন, কোন যোগ‍্যতার বলে চাকরী পেতে চাও বললেই উত্তর আসবে গোল্ডেন গোল্ডেন ৩.৭৫ ৩.৫! আপনি গো বেচারা কিচ্ছু বুঝবেন না; কিছু সময় পর বুঝবেন এসএসসি এইচএসসিতে সে গোল্ডেন কইরা পাইছে, আর বিশ্ববিদ‍্যালয়ে পাইছে ৩.৭৫ এবং ৩.৫। কিন্তু এই রেজাল্ট কি করে আপনার প্রতিষ্ঠানের কাজে আসবে সে কথা জিগাইলেই ধরা! ইন্টাভিউ বোর্ড থেকে বের হয়ে এসে বলবে মামা-চাচা ছাড়া কিছু হয় না!
অনর্স পাশ করে বসে আছে, চাকরী পাচ্ছে না; কোথায় স্কিল বাড়াবে, তা নয় একটা মাস্টার্স করে। তারপরও চাকরী পাচ্ছে না, বেকার বসে আছে, আরও একটা করে; এবারও চাকরী নাই; তারপর আর একটা মাস্টার্স! ৩টা মাস্টার্স ওয়ালা লোক সমাজে যে কত পরিমান, তা একটা ব‍্যাংকের সিভি সর্টিং এর কাজ করলেই বুঝবেন।
এদিকে দেশে যোগ‍্য লোক পাওয়া কঠিন। আমাদেরই এক শ্রদ্ধেয় স‍্যার একজনকে বলেছিলেন ইন্ডিয়ানদের চাকরী না দিয়ে আমাদের দেশের ছেলেকে দাও, উত্তর পেয়েছিলেন একটা এমন স্কিল ওয়ালা দেশী ছেলেকে দেখায় দেও না, আমি তাকে চাকরী দিচ্ছি। স‍্যারকে হতাশ হতে হয়েছে।
শিক্ষার কাজ চোখের পর্দা উঠায় দেওয়া, মানুষকে অহংকার মুক্ত করা, কোনটা সঠিক কোনটা সঠিক নয় বুঝতে শেখানো; কিন্তু হয় উল্টা। এমবিএ করছে, এখন আর সে রিক্সার গ‍্যারেজের মালিক হতে পারবে না। অনার্স শেষ করে ফেলছে, বাপের যে ছোট্ট খামার দিয়ে ৩/৪ ভাইবোনকে লেখাপড়া শিখেয়ে বের করেছে সেই খামারকে নিজের বুদ্ধিতে বাড়াতে চেষ্টা করবে না।
দেশে একজন এমবিএ পাশ লোক চাকরীতে জয়েন করে ১০-১২হাজার টাকা বেতনে, আর একজন ইলেক্ট্রিক মিস্ত্রি মাসে ৩০-৪০ হাজার টাকা ইনকাম করে শহরে একটা গ্রামে একটা, মোট দুইটা সংসার চালায়। কিন্তু আমি যেহেতু এমবিএ করে ফেলছি, আমি কি আর ঐ ইলেক্ট্রিক মিস্ত্রি হতে পারবো? কিন্তু কোন লোক বুঝে না যে ইলেক্ট্রিক মিস্ত্রি না হই, ৫জন মিস্ত্রির সরদার হলেও কিন্তু ইনকাম খারাপ হয় না!
এখন চলতেছে CEO এর যুগ, আমিও ছিলাম এই ট্রেন্ডে। ১,০০০ টাকায় একটা ডোমেইন, ৫০০ টাকায় হোস্টিং, ৩০০ টাকায় ৪রং এর ভিজিটিং কার্ড, আর ঠেকায় কে, আমি এখন CEO। কম্পানিতে লোক জয়জন? মাত্র একজন; তাইলে বাবা তুমি CEO হইলা ক‍্যামনে? উত্তর নাই।
কাজের স্কিল নাই; কমিটমেন্ট ঠিক নাই; বিজনেসের প্লান নাই; টাকার কথাতো বাদই দিলাম। দুইদিন পর শ‍্যাষ! ওমনি শুরু হয়ে যাবে আম্রিকায় সিলিকন ভ‍্যালি আছে, কিকস্টার্টার আছে আমাদের কিচ্ছু নাই। আরে বাবা আকিজ সাহেব কোন ভ‍্যালিতে ছিলেন? স্কয়ার গ্রুপের লোকজন ক‍্যামনে আগাইছে?
খালি নাই নাই নাই নাই আর নাই! সত‍্য কথা বলতে, সমাজে এমন সব মানুষেরও খুব একটা দরকার নাই!
( নেট থেকে সংগ্রহ করা )

10/08/2017

Address

Dhaka
1216

Telephone

01791506031

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Self Development Training Center - SDTC posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Self Development Training Center - SDTC:

Share