09/06/2024
শ্রীলঙ্কাকে হারিয়ে সুপার এইটের স্বপ্ন বুনছে বাংলাদেশ।
তিন টেস্ট খেলুড়ে দেশের পাশাপাশি নেদারল্যান্ডস ও নেপাল থাকায় ‘ডি’ গ্রুপ থেকে সুপার এইটে যাওয়াটা বেশ কঠিনই দলগুলোর জন্য। শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে প্রথম ম্যাচটা তাই গুরুত্বপূর্ণ ছিল বাংলাদেশের জন্য। সেই লড়াইয়ে জিতে আশার পালে হাওয়া লেগেছে নাজমুল হাসান শান্তর দলের। বাংলাদেশ অধিনায়ক তো বলেই দিয়েছেন, পরের রাউন্ডে যাওয়ার ব্যাপারে তাদের আশা বেড়ে গেছে এখন।
টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে বাংলাদেশ কখনই ভালো দল নয়। নেই কোনো বড় অর্জন। শ্রীলঙ্কাকে শনিবার হারানোর আগে এই মঞ্চে শেষবার শীর্ষ স্থানীয় দলগুলোর মধ্যে কেবল ওয়েস্ট ইন্ডিজকে হারিয়েছিল ২০০৭ আসরে। সাথে যদি যোগ করা বাংলাদেশ দলের সাম্প্রতিক ফর্ম ও শ্রীলঙ্কার সাথে প্রতিদ্বন্দ্বিতার ইতিহাস, তাহলে প্রথম ম্যাচে জয়টা ভীষণ প্রয়োজনীয় ছিল তাওহীদ-রিশাদদের জন্য। সেটা ধরা দেওয়ায় দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে পরের ম্যাচ ও সুপার এইট নিয়েও স্বপ্নের পরিধি বেড়ে গেছে বাংলাদেশের।
ম্যাচের পর শান্তর কণ্ঠে তাই দেখা মিলেছে আত্মবিশ্বাসের সুর। “এই জয়টা পুরো বাংলাদেশ দলের, ১৫ জন খেলোয়াড়, সাথে কোচিং স্টাফ যারা ছিল, সবাই মিলে আমরা ম্যাচটা জিতেছি। অবশ্যই এই ধরনের ম্যাচ জিতলে সবাই কনফিডেন্ট থাকে। যেহেতু এই ম্যাচটা আমরা জিততে পেরেছি, সবার একটা বাড়তি আত্মবিশ্বাস তো থাকবেই। তাই এই বিশ্বাসটা নিয়ে আমরা যদি পরের ম্যাচে যেতে পারি, তাহলে আশা করব দ্বিতীয় ম্যাচেও ভালো কিছুই হবে।”
একদিন বাদে আগামী সোমবারই দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে মাঠে নামবে বাংলাদেশ। প্রোটিয়াদেরও প্রথম ম্যাচ ছিল শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে। দলটির শক্তিশালী পেস আক্রমণের সামনে মাত্র ৭৭ রানেই গুটিয়ে গিয়েছিল লঙ্কানরা। কাগিসো রাবাদা, আনরিখ নরকিয়াদের নিয়ে গড়া দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে তাই কঠিন চ্যালেঞ্জই অপেক্ষা করছে বাংলাদেশের ব্যাটারদের জন্য, যাদের কয়েকজন নেই আবার সেরা ছন্দে।
এই ম্যাচেও শ্রীলঙ্কা ম্যাচের মতোই নিজেদের উজাড় করে লড়তে চান শান্ত। “এটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ জয় ছিল। পরবর্তী ম্যাচ দক্ষিণ আফ্রিকার সাথে। ওই ম্যাচে আবার নতুন করে পরিকল্পনা করে আসতে হবে। আর যেটা বললাম, ভালো ক্রিকেট খেলা ছাড়া উপায় নেই। আর বিশেষ করে আমরা ব্যাটসম্যানরা যদি অবদান রাখতে পারি সবাই, তাহলে পরবর্তী ম্যাচেও ভালো কিছু হবে।”