19/10/2026
সৌদি আরবে চু/মু খাওয়ার অ/ভিযোগে দুই বাংলাদেশি প্রবাসী—নজরুল ইসলাম ও সিতি আক্তারের মৃ **দণ্ড
কা/র্যকর করা হয়েছে। খবরটা শুনেছেন নিশ্চয়ই?
খবর পাওয়ার পর সোশ্যাল মিডিয়ায় একাংশের মধ্যে যেন আনন্দের জোয়ার! তারা মহা উৎসাহে 'আলহামদুলিল্লাহ' বলছেন। কিন্তু একটু থমকে দাঁড়িয়ে নিজেকে প্রশ্ন করেছেন কি—এই দ/ণ্ড কি আসলেই সুবিচারের খাতিরে, নাকি আমরা গরীব এবং দুর্বল দেশের প্রবাস বলে আমাদের জীবনের কোনো দাম নেই?
চলুন, পর্দার পেছনের কটু সত্যগুলো একটু সহজ ভাষায় বুঝে নিই:
১. মৃ**দণ্ড কিসের ভিত্তিতে?
যে অপ/রাধের কথা বলা হচ্ছে, ইসলামি ফিকাহ অনুযায়ী তা 'হদ' (কুরআন-সুন্নাহ দ্বারা নির্ধারিত শা/স্তি) নয়, ছিল 'তা’যির' (বিচারকের ইচ্ছাধীন শা/স্তি)। পবিত্র স্থানের মর্যাদা ন/ষ্ট করার অভিযোগ আনা হয়েছে, কিন্তু তা কি আদৌ মৃ**দণ্ড পাওয়ার মতো অ/পরাধ ছিল? নাকি অন্য কোনো দেশের নাগরিক হলে শা/স্তি হতো স্রেফ দেশে পাঠিয়ে দেওয়া?
২. দূতাবাস তখন কী করছিল?
সবচেয়ে ল/জ্জাজনক বিষয় হলো—আমাদের দুই নাগরিকের বিচার হলো, ফাঁ ** হয়ে গেল, অথচ সৌদিতে থাকা বাংলাদেশ দূতাবাস নাকি কিচ্ছু জানতেই পারল না! কোনো নোটিশ নাই, কোনো আইনি সহায়তা নাই।
আন্তর্জাতিক ভিয়েনা প্রটোকল অনুযায়ী কোনো বিদেশি নাগরিক গ্রে/প্তার হলে তার দূতাবাসকে জানানোর নিয়ম। অন্য দেশের প্রবাসীরা বিপদে পড়লে তাদের সরকার
ঝাঁ/পিয়ে পড়ে সা/জা মওকুফ করায় (যেমন শ্রীলঙ্কা বানিয়ে দেখিয়েছে), আর আমাদের প্রবাসীরা ম/রে যাওয়ার পর দূতাবাস খবর পায়! হায়রে দেশ!
৩. আইনের এই দ্বিমুখী নীতি কার জন্য?
আজ পবিত্রতার দোহাই দিয়ে দুই বাংলাদেশির জীবন
কে/ড়ে নেওয়া হলো। অথচ বছরের পর বছর ধরে শত শত বাংলাদেশি নারী গৃহকর্মী সেখান থেকে পা/শবিক নি/র্যাত* ও ধর্ষ** শি/কার হয়ে দেশে ফিরছেন, অনেকে ফিরছেন কফিনে ব/ন্ধি হয়ে। সেইসব অ/পরাধীদের ক্ষেত্রে সৌদি আইনের ওই কঠোরতা কোথায় গিয়ে লুকায়? তখন কি শরিয়াহ আইন কাজ করে না?
স্বদেশী প্রবাসীদের র/ক্তের ঘামে আমাদের অর্থনীতির চাকা ঘোরে, অথচ বিদেশে তাদের কোনো নিরাপত্তা নাই, দেশে তাদের কোনো মূল্যায়ন নাই। এমনকি মৃ**র পরও তারা পায় কেবল অন্যায্য বিচার আর নিজের দেশের মানুষের বি/দ্রূপ!
আইন ও বিচার সবার জন্য সমান হওয়া উচিত—তা সে ধনী হোক বা গরীব, সৌদি হোক বা প্রবাসী বাংলাদেশি।
আপ/নার কী মনে হয়? আমাদের সরকারের কূটনৈতিক ব্য/র্থতা আর এই দ্বিমুখী নীতি নিয়ে কি আমাদের চুপ থাকা উচিত?