05/08/2025
আপনার মস্তিষ্ক তৈরি হয়েছিল hunt, explore, discover এবং নতুন কিছু আবিষ্কার করার জন্য। কিন্তু এখন আপনি কী করছেন?
খাবার খেতে খেতে স্ক্রিন দেখছেন। নেটফ্লিক্স দেখতে দেখতে ইনস্টাগ্রাম স্ক্রল করছেন। হাইপার-স্বাদযুক্ত খাবার খেতে খেতে রিপ্লাই দিচ্ছেন। all at the same time - a feast of artificial dopamine
আমি নিজেও এর ঊর্ধ্বে নই। এটাই আমাদের struggle
প্রযুক্তি আমাদের জ্ঞান, বিনোদন, আর সুবিধার অগাধ ভাণ্ডার দিয়েছে। কিন্তু সমস্যা হলো—এই প্রযুক্তিই এখন আমাদের পিছনে টেনে ধরছে। এটি আমাদের জীবনকে সহজ করার কথা ছিল, কিন্তু এখন সেটাই আমাদের নিয়ন্ত্রণ করছে।
আপনি যদি সবসময় অতিরিক্ত উদ্দীপনার মধ্যে ডুবে থাকেন, তখন মস্তিষ্ক তার মাশুল দিতে শুরু করে।
D2 ডোপামিন রিসেপ্টর—যেটা আনন্দ ও মোটিভেশনের সংকেত গ্রহণ করে—সেটা ওভারলোড হয়ে যায়। আর যখন আপনি কোনো অ্যান্টেনাকে ওভারলোড করেন, তখন কী হয়?
সেটা আর সিগন্যাল ধরতে পারে না। সেটা ব্যর্থ হয়ে যায়। তখন আর কিছুই আপনাকে আনন্দ দেয় না।
একটা বই পড়া? বিরক্তিকর। কঠিন কোনো কাজ করা? অসম্ভব। বাস্তব জীবন? একেবারে পানসে লাগে।
পৃথিবী তার সৌন্দর্য হারায়নি। আপনার মস্তিষ্ক বোধশূন্য হয়ে গেছে।
সমস্যা সিনেমা দেখা বা মাঝে মাঝে ভালো খাবার খাওয়ায় নয়। সমস্যা হলো যখন আপনি প্রতিনিয়ত এগুলো করেন। যখন চারপাশের সবকিছুই অতিরিক্ত উদ্দীপনায় ভরা, তখন আর কিছুই তৃপ্তি দেয় না।
উপায় কী? কনট্রোল
আবার একঘেয়েমি শেখা। ডোপামিন ডিটক্স করা বা ছোট ছোট জিনিসে আনন্দ খুঁজে পাওয়া। আপনার D2 রিসেপ্টরকে বিশ্রাম দিন।
কারণ, শেষ পর্যন্ত, এটাই তো একজন মানুষ হিসেবে আপনাকে বাঁচিয়ে রাখে।