Md Golam Rabbir

Md Golam Rabbir Md Golam Rabbir information good

আপনি যদি নিজেকে "মাছে ভাতে বাঙালি" বলে গর্ব করতে পারেন, তাহলে কোরবানির বিরোধিতা করার নৈতিক অবস্থান আর থাকে না। গবেষণায় দ...
06/06/2025

আপনি যদি নিজেকে "মাছে ভাতে বাঙালি" বলে গর্ব করতে পারেন, তাহলে কোরবানির বিরোধিতা করার নৈতিক অবস্থান আর থাকে না।

গবেষণায় দেখা গেছে, মাছও ব্যথা অনুভব করে এবং মৃত্যুর সময় প্রচণ্ড কষ্ট পায় (গবেষণার রেফারেন্স দেখুন কমেন্টে)। মাছের ধীরে ধীরে মারা যাওয়াটা একটা চরম যন্ত্রণাদায়ক প্রক্রিয়া।

আপনি যদি মাছ খেতে পারেন, তাহলে কোরবানিকে নিষ্ঠুর বলার অধিকার কোথায়? বরং সঠিক নিয়মে কোরবানি করার সময় পশু এর থেকে আর কম সময় ব্যথা অনুভব করে, নরমালি গড়ে ২০ সেকেন্ড।

ধরে নিচ্ছি, আপনি নিরামিষভোজী। তাহলে বলুন, প্রতি বছর শাকসবজি উৎপাদনের জন্য কোটি কোটি পোকামাকড় ও ইঁদুর মারা যায়। কীটনাশক, ইঁদুর মারার ফাঁদ এসব প্রাণঘাতী উপায়ে জমি রক্ষা করা হয়। যদি প্রাণীপ্রেম থাকেই, তবে সেটা শুধু গরু-ছাগলের জন্য কেন, পোকামাকড় বা ইঁদুরের জন্য নয় কেন?

মূলত, অন্য কোনো প্রাণীর ক্ষতি না করে মানুষের বেঁচে থাকা সম্ভব না। আমরা কেবল এই খাদ্যশৃঙ্খলের একটি অংশ মাত্র। জীবন মানেই অন্য প্রাণীর ওপর নির্ভরশীলতা।

আর কোরবানির সময়ই তো বহু দরিদ্র পরিবার মাংস খাওয়ার সুযোগ পায়। সারা বছর যে মানুষ মাংস কিনতে পারে না, কোরবানির মাধ্যমে তার ঘরেও তা পৌঁছে যায়। এছাড়া গোটা কোরবানির অর্থনীতি, যেমন গরু পালন, চিকিৎসা, পরিবহন, কসাই, চামড়াশিল্প, সবই হাজারো মানুষের জীবিকা।

সুতরাং প্রশ্ন হলো...

আপনি কি সত্যিই প্রাণীর কষ্ট নিয়ে উদ্বিগ্ন, নাকি মুসলমানদের ধর্মীয় অনুশীলনকে নিশানা করাই আপনার মূল উদ্দেশ্য?

আমি আপনাদের প্রাণীপ্রেমকে শ্রদ্ধা করি। তবে আক্রমণাত্মক বক্তব্যের জবাবে কিছু প্রশ্ন তুলতেই হলো।

প্রতি বছর কোরবানির সময় এলেই কিছু পশুপ্রেমী খুব সরব হয়ে ওঠেন।

মোঃ গোলাম রাবিবর

৮টি মারাত্মক স্বাস্থ্য সমস্যার সমাধান করবে প্রতিদিন মাত্র ১ কাপ পুদিনা চারাঁধুনিরা প্রায় সকলেই পুদিনা পাতার সাথে বেশ ভাল...
21/02/2025

৮টি মারাত্মক স্বাস্থ্য সমস্যার সমাধান করবে প্রতিদিন মাত্র ১ কাপ পুদিনা চা
রাঁধুনিরা প্রায় সকলেই পুদিনা পাতার সাথে বেশ ভালোই পরিচিত। খাবারে একটু ভিন্ন স্বাদ যোগ করতে এবং পুদিনার ফ্লেভারের জন্য এই পুদিনা পাতা অনেক খাবারে ব্যবহার করা হয়। অনেকেই পুদিনা পাতার তৈরি চা পান করতে পছন্দ করেন। কিন্তু আপনি জানেন কি এই পুদিনা পাতার চা আমাদের দেহের জন্য কতোটা স্বাস্থ্যকর? প্রতিদিন মাত্র ১ কাপ পুদিনা পাতার চা অনেক মারাত্মক রোগ প্রতিরোধে সহায়তা করে।
১) উচ্চ রক্ত চাপ দূর করে
পুদিনা পাতা পটাশিয়ামে ভরপুর, এতে করে উচ্চ রক্ত চাপের সমস্যা কমায় এবং হার্টবিটের মাত্রাও নিয়ন্ত্রণে রাখতে সহায়তা করে থাকে।
২) মুখের নানা ইনফেকশনের সমস্যা সমাধান করেঃ পুদিনা পাতার অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট মুখের ভেতরের ব্যাকটেরিয়া দূর করতে বিশেষ ভাবে সহায়ক। পুদিনা পাতার চা পানে মুখের ইনফেকশন জনিত সমস্যা দূর হয় এবং নিঃশ্বাসের দুর্গন্ধ থেকেও মুক্তি পাওয়া যায়।
৩) দেহের নানা অঙ্গের ব্যথা দূর করে
মাথা ব্যথা, মাংসপেশিতে ব্যথা এমনকি পেটে ব্যথার মতো সমস্যাও দূর করতে সহায়তা করে পুদিনা চা।
৪) বিষণ্ণতা দূর করে
পুদিনা পাতার চায়ের রয়েছে মানসিক চাপ দূর করে মস্তিষ্ক রিলাক্স করার জাদুকরী ক্ষমতা। মানসিক চাপের পাশাপাশি এটি দূর করে বিষণ্ণতার সমস্যাও।
৫) স্মৃতিশক্তি উন্নত করতে সহায়তা করে
গবেষণায় দেখা যায় পুদিনা পাতার সুঘ্রাণ মস্তিষ্ককে সজাগ, সচেতন রাখে এবং স্মৃতিশক্তি উন্নতিতে সহায়তা করে। শুধুমাত্র পুদিনা পাতার ঘ্রাণ নেয়াই মস্তিষ্কের জন্য বেশ ভালো।
৬) ক্যান্সার প্রতিরোধ করে
পুদিনার মেন্থল নামক উপাদান নানা ধরণের ক্যান্সারের কোষ দেহে গঠন হতে বাঁধা প্রদান করে, বিশেষ করে প্রোস্টেট ক্যান্সার।
৭) বমি বমি ভাব সমস্যার সমাধান করে
অনেকেই নানা কারণে বমি ভাবের সমস্যায় ভুগে থাকেন। এমন অবস্থায় খাওয়া দাওয়া করা যায় না একেবারেই। এই বমি ভাবের সমাধান করে দেবে পুদিনা চা।
৮) অ্যাজমা এবং অন্যান্য শ্বাস প্রশ্বাসের সমস্যা দূরে রাখেঃ পুদিনার অসাধারণ ঘ্রাণ শ্বাসপ্রশ্বাস নালীর নানা সমস্যা জনিত রোগ দূর করতে সহায়তা করে। প্রতিদিন পুদিনা চা পানে অ্যাজমা সহ শ্বাস প্রশ্বাসের সমস্যাও দূর হয়।
যেভাবে তৈরি করবেন পুদিনা চাঃ
– ২ কাপ পানিতে ১ মুঠো পুদিনা পাতা ধুয়ে সামান্য ছেঁচে দিয়ে ফুটাতে থাকুন।
– যখন পানি ফুটে ১ কাপ পরিমাণে হবে তখন ছেঁকে নামিয়ে নিন।
– এতে পছন্দ অনুযায়ী মধু মিশিয়ে পান করুন।

মোঃ গোলাম রাবিবর

13/02/2025

”রক্তস্বল্পতা নয়”
”থাকুক প্রাণশক্তি”
Anemia Awareness Day
February 2025

16/12/2024
টেস্টিং সল্ট হচ্ছে এক ধরনের লবণ, যা খাবারকে সুস্বাদু করার জন্য বিশেষ করে প্রক্রিয়াজাত খাবারে ব্যবহার করা হয়। বর্তমানে খ...
11/12/2024

টেস্টিং সল্ট হচ্ছে এক ধরনের লবণ, যা খাবারকে সুস্বাদু করার জন্য বিশেষ করে প্রক্রিয়াজাত খাবারে ব্যবহার করা হয়। বর্তমানে খাবারের স্বাদ বাড়াতে টেস্টিং সল্টের ব্যবহার প্রতিনিয়ত বেড়েই চলেছে। টেস্টিং সল্ট নামে পরিচিত উপাদানটির রাসায়নিক নাম মনোসোডিয়াম গ্লুটামেট, সংক্ষেপে এমএসজি। তবে এর স্বাস্থ্যঝুঁকি নিয়ে সংবাদমাধ্যম, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমসহ লোক মুখে আছে বিতর্ক।

টেস্টিং সল্ট বা মনোসোডিয়াম গ্লুটামেট (এমএসজি) সম্পর্কে যুক্তরাষ্ট্রের ফুড অ্যান্ড ড্রাগ অ্যাডমিনিস্ট্রেশন অথোরিটি (এফডিএ) জানায়, এমএসজি হচ্ছে গ্লুটামিক অ্যাসিড নামে নন-অ্যাসেনশিয়াল অ্যামিনো অ্যাসিডের (খাবারের মাধ্যমে গ্রহণ করা ছাড়াও আমাদের দেহ যে অ্যামিনো অ্যাসিড উৎপাদন করতে পারে) সোডিয়াম লবণ। বিভিন্ন খাবার যেমন: সামুদ্রিক শৈবাল, সয়া সস, পারমেসান পনির (ইতালীয় শক্ত দানাদার পনির), টমেটো এবং মাতৃদুগ্ধে প্রাকৃতিকভাবেই উচ্চমাত্রায় মনোসোডিয়াম গ্লুটামেট থাকে।

সামাজিক যোগাযোগসহ বিভিন্নভাবে দাবি করা হচ্ছে টেস্টিং সল্টের কারণে মাথাব্যথা, বুক জ্বালা, গ্যাস্ট্রাইটিস, গ্যাস্ট্রিক আলসার, কোলন ক্যানসার, রেক্টাল ক্যানসার ইত্যাদি রোগ হয়ে থাকে। এমন দাবির পরিপ্রেক্ষিতে দেশের জনপ্রিয় কিছু নুডলস কোম্পানি ভোক্তাদের আকৃষ্ট করতে এমন বিজ্ঞাপনও চালায় যে, তাদের নুডলসে টেস্টিং সল্ট ব্যবহার করা হয়নি।

টেস্টিং সল্ট ব্যবহার করা শরীরের জন্য সত্যিই ক্ষতিকর? এ বিষয়ে ইন্টারন্যাশনাল গ্লুটামেট ইনফরমেশন সার্ভিস জানায়, খাবারে নিরাপদে ও কার্যকরভাবেই টেস্টিং সল্ট ব্যবহার করা হচ্ছে শতাব্দীর বেশি সময় ধরে। খাদ্য উপকরণ হিসেবে গ্লুটামেটের ব্যবহার নিয়ে বিশ্বব্যাপী শত শত গবেষণা হয়েছে। এসব গবেষণার ফলাফল অনুযায়ী, খাদ্যে টেস্টিং সল্ট ব্যবহার নিরাপদ। যুক্তরাষ্ট্র, ইউরোপ, জাপানসহ এশিয়ার বিভিন্ন দেশ, উত্তর ও দক্ষিণ আমেরিকার বিভিন্ন দেশ, আফ্রিকা, অস্ট্রেলিয়া ও নিউজিল্যান্ডে টেস্টিং সল্টের ব্যবহার সরকারিভাবে অনুমোদিত।

এদিকে খাদ্যে টেস্টিং সল্ট ব্যবহার নিরাপদ বলে একই মত দিয়েছে দ্য ইউরোপিয়ান ফুড ইনফরমেশন কাউন্সিল। সংস্থাটি জানায়, শত শত গবেষণা এবং অসংখ্য বৈজ্ঞানিক মূল্যায়নে এই সিদ্ধান্তে পৌঁছানো যায় যে, টেস্টিং সল্ট স্বাস্থ্যর জন্য নিরাপদ।

টেস্টিং সল্টকে ‘জেনারেলি রিকোগনাইজড অ্যাজ সেফ’ বা সাধারণভাবে স্বীকৃত নিরাপদ হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের ফুড অ্যান্ড ড্রাগ অ্যাডমিনিস্ট্রেশন অথোরিটি। যদিও অনেকে নিজেদের টেস্টিং সল্টের প্রতি সংবেদনশীল মনে করেন, তবে বিজ্ঞানীরা এর কোনো প্রমাণ পাননি। একজন প্রাপ্তবয়স্ক মানুষ প্রতিদিন খাবারে প্রোটিন থেকে প্রায় ১৩ গ্রাম গ্লুটামেট গ্রহণ করে, যেখানে খাবারে ফুড অ্যাডেটিভ হিসেবে যোগ করা মনোসোডিয়াম গ্লুটামেট খাওয়ার পরিমাণ প্রতিদিন মাত্র প্রায় দশমিক ৫৫ গ্রাম।

টেস্টিং সল্টের সঙ্গে ক্যানসারের কোনো সম্পর্ক নেই উল্লেখ করে সিঙ্গাপুরের গ্রেনেয়াগ্লেস হসপিটাল জানায়, মাথাব্যথা থেকে ক্যানসারসহ নানা রোগের জন্য টেস্টিং সল্টকে দায়ী করা হয়। যদিও গবেষণায় এমন কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি, যার মাধ্যমে প্রমাণ করা যায় টেস্টিং সল্ট এসবের জন্য দায়ী।

এছাড়া ফুড স্ট্যান্ডার্ড অস্ট্রেলিয়া-নিউজিল্যান্ড (এফএসএএনজেড) টেস্টিং সল্টের নিরাপত্তা নিয়ে গবেষণায় টেস্টিং সল্টের সঙ্গে অসুস্থতা বা মৃত্যুর কোনো সম্পর্ক পাওয়া যায়নি। অস্ট্রেলিয়া এবং নিউজিল্যান্ডে এফএসএএনজেডের অনুমতি ছাড়া কোনো ফুড অ্যাডেটিভ ব্যবহার করা যায় না। যদিও কিছু মানুষ বিভিন্ন খাদ্যের প্রতি সংবেদনশীলতা দেখায়, বিশেষ করে হাঁপানির প্রতি। তারা সম্ভবত অন্যান্য গ্লুটামেটের প্রতি সংবেদনশীল। ২০০৩ সালে এই গবেষণা করা হয়।

এদিকে কানাডার সরকারি ওয়েবসাইট থেকে জানা যায়, অধিকাংশ মানুষই নিরাপদে উচ্চমাত্রার গ্লুটামেট গ্রহণ করতে পারে। কারও কারও ক্ষেত্রে মাথাব্যথা, বুকব্যথা, বমি বমি ভাব, দুর্বল বোধ, ঘাড়ের পেছনে অসারতা যা হাত এবং পিঠে ছড়িয়ে পড়তে পারে, ঘাড়ী বাহু এবং বুকের পেছনে জ্বালাপোড়াসহ বিভিন্ন উপসর্গ দেখা দিতে পারে। তবে এসব উপসর্গ সাময়িক এবং স্বাস্থ্যে বড় ধরনের কোনো প্রভাব ফেলে না। এসব উপসর্গ দেখা যাওয়ার ক্ষেত্রে দেখা গেছে, এই ব্যক্তিরা খালি পেটে সরাসরি ৩ থেকে ৫ গ্রাম টেস্টিং সল্ট খেয়েছিল। সর্বোপরি, মানুষের স্বাস্থ্যের ওপর টেস্টিং সল্টের কোনো প্রভাব নেই।

03/10/2024

রহস্যময় পুরুষ ইলিশ! যাকে দেখা যায় না, ধরা যায় না!

ইলিশের বিচরণ কেবল মেঘনার অববাহিকাতেই সীমাবদ্ধ নয়। সাগর থেকে তারা মিয়ানমারের ইরাবতী নদী এবং পশ্চিমবঙ্গের ভাগীরথী-হুগলী নদীতে প্রবেশ করে। তা ছাড়া ইলিশের উপস্থিতি রয়েছে আরও সুদূরে। পূর্বের মেকং বদ্বীপ থেকে শুরু করে পশ্চিমের পারস্য উপসাগরেও দেখা মেলে তাদের।


আপনি যখন নিজ শহরের স্থানীয় বাজার থেকে একটি ইলিশ কিনবেন, সম্ভাবনা অত্যন্ত প্রবল যে সেই মাছটি হবে নারী ইলিশ, যার পেটভর্তি ডিম। ইলিশের মৌসুমে আক্ষরিক অর্থেই দেশের কোণে কোণে প্রতিটি বাজার উপচে পড়ে নারী ইলিশে। অথচ পুরুষ ইলিশ যেন অমাবস্যার চাঁদের মতোই দুর্লভ।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, অক্টোবর মাসে যখন ইলিশের প্রধান প্রজনন মৌসুম চলে, তখন প্রায় সমপরিমাণ নারী ও পুরুষ ইলিশই নদীর উজান পেরিয়ে আসে মিঠাপানিতে। তাহলে এই পুরুষ ইলিশরা সব যায় কই? কীভাবে তারা লোকচক্ষুর অন্তরালে স্রেফ উধাও হয়ে যায়?

মধ্য-সেপ্টেম্বরে আমি যখন চাঁদপুরে দেশের সর্ববৃহৎ ইলিশের পাইকারি বাজারে হাজির হলাম, আমি এ ব্যাপারটা দেখে খুবই অবাক হলাম যে মাটিতে সারি বেঁধে থাকা সকল ইলিশই নারী ইলিশ।

যে প্রশ্নটিকে সামনে রেখে আমি আমার যাত্রা শুরু করেছিলাম, সেটিই ছুড়ে দিতে থাকলাম সকল ব্যবসায়ীর সামনে : সব পুরুষ ইলিশ কোথায় গেছে?

কিন্তু এত বড় বাজারের একটি লোকও আমাকে এই রহস্যের মীমাংসা সম্ভব এমন কোনো বিশ্বাসযোগ্য জবাব দিতে পারল না।

'আমরা পুরুষ ইলিশ নিয়ে মাথা ঘামাই না। আমরা এতেই খুশি যে সবগুলো মাছই নারী ইলিশ, আর তাদের পেটভর্তি ডিম। ক্রেতারাও এমন ইলিশই চায়, তাই এগুলোই বিক্রি হয়,' বলেন মাছ ব্যবসায়ী মিরাজ আহমেদ। হাজী সিরাজ এন্টারপ্রাইজ নামে তার একটি ট্রেডিং হাউজ আছে।


এদিকে মৎস্য সম্পদ সংরক্ষণ নিয়ে কাজ করে ওয়ার্ল্ডফিশ নামের একটি আন্তর্জাতিক সংস্থা। সেখানকার ইলিশ বিশেষজ্ঞ ড. আব্দুল ওয়াহাব বলেন, 'ইকোফিশ প্রকল্প থেকে পরিচালিত একটি গবেষণায় দেখা গেছে, প্রজনন মৌসুমে একটি ইলিশের ঝাঁকে নারী পুরুষের অনুপাত থাকে ৫৫:৪৫।'

তাহলে আমরা চারদিকে কেবল নারী ইলিশই দেখি কেন? কয়েক বছর আগে একই প্রশ্ন তাড়া করে বেড়ায় আব্দুল কাইয়ুম নামের আরেক সাংবাদিক ও পপুলার সায়েন্সের লেখককেও। তিনি চেষ্টা করেন রহস্যভেদের।

কাইয়ুম বলেন, 'বেশ কয়েকজন জেলে ও বিশেষজ্ঞের সঙ্গে কথা বলে আমি জানতে পারি, পুরুষ ইলিশ আসলে আমরা যতটা ভাবি ততটা বিরল নয়। জেলেরা তাদের জালে পুরুষ মাছও ধরে, কিন্তু কোন মাছটি পুরুষ আর কোনটি নারী, তা তারা আলাদা করতে পারে না, কেননা পুরুষ ইলিশের কোনো জননাঙ্গ নেই।'

ড. ওয়াহাব বলেন, 'নারী ইলিশরা যেভাবে পানিতে তাদের ডিম ছাড়ে, পুরুষ ইলিশরা পানি ঠিক সেভাবেই ছাড়ে তাদের বীর্য। আর এই দুটি জিনিস প্রায় একই রকম দেখতে। শুধু এটুকুই ব্যতিক্রম যে, পুরুষ ইলিশদের ভেতরে ডিম থাকে না, কিন্তু সে কথা ডিম ছাড়া নারী ইলিশদের বেলায়ও প্রযোজ্য।'

তাই কেবল একজন বিশেষজ্ঞের চোখই বলতে পারে কোন ইলিশ পুরুষ। ঠিক তেমনই একজন বিশেষজ্ঞ হলেন ইকোফিশের চাঁদপুরভিত্তিক গবেষণা সহযোগী কিঙ্কর সাহা।

কিঙ্কর বলেন, 'বেশ কয়েক বছর আগে একটি গবেষণার কাজে আমি ছিলাম চর ভৈরবের একটি মাছধরা নৌকায়। পানি থেকে জাল গোটানোর পর জেলেরা সবাই খুব মর্মাহত হয়ে পড়েন। জালে আটকা পড়া মাছগুলো ছিল আকারে ছোট এবং এরা দেখতেও ছিল তুলনামূলকভাবে দুর্বল, ক্ষীণকায় ও অনাকর্ষণীয়। একটু ভালোভাবে খেয়াল করতেই আমি বুঝলাম, সেখানকার প্রায় ৬২ শতাংশ মাছই ছিল পুরুষ। এটি ছিল প্রধানত একটি পুরুষ ইলিশের ঝাঁক, যা বেশ বিরল একটি ব্যাপার, কেননা একটি মাছের ঝাঁকে সাধারণত ৪০-৪৫ শতাংশ ইলিশ পুরুষ হয়ে থাকে।'

চাঁদপুরের মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউটের ড. আনিসুর রহমান বলেন, 'নারী ইলিশের মাঝে যে দীপ্তি দেখা যায়, পুরুষ ইলিশের ভেতর তা অনুপস্থিত। তারা দেখতে কদাকার না হলেও কিছুটা অনাকর্ষণীয় তো বটেই।'

গতানুগতিক মাছের বাজারে তাই আর এসব পুরুষ ইলিশের ঠাঁই হয় না। জেলেরা সেগুলোকে আলাদা করেন এবং পাঠিয়ে দেন লবণ মাখিয়ে শুকানোর জন্য। স্থানীয় কৌশলে সংরক্ষিত এসব ইলিশকে বলা হয় 'নোনা ইলিশ'।

ড. ওয়াহাব এভাবে ব্যাখ্যা করেন, স্যামন, স্মেল্ট, হিকরি শ্যাড, ল্যাম্প্রে এবং গালফ স্টার্জনের মতো ইলিশও একটি অ্যানাড্রোমাস মাছ, যারা একটি বিশেষ ধরনের জীবনচক্র অনুসরণ করে থাকে। তাদের জন্ম হয় মিঠাপানিতে। এরপর অভিবাসিত হয়ে আট মাস তারা সমুদ্রে চলে যায় এবং সেখানেই কৈশোর পেরিয়ে পরিণত মাছ হয়ে ওঠে। তারপর তারা আবার মিঠাপানিতে ফিরে আসে প্রজননের উদ্দেশ্যে।


ইলিশ যৌনকর্মে লিপ্ত হয় না। পুরুষ মাছ পানিতে তাদের ফোমের মতো শুক্রাণু ছেড়ে দেয় এবং নারী মাছ ওই ফোম-সদৃশ ব্রথের ওপর তাদের ডিম্বাণু ছেড়ে সেগুলোকে নিষিক্ত করে।

অক্লান্ত প্রচেষ্টার মাধ্যমে গবেষকেরা অবশেষে ইলিশের প্রজনন মৌসুমের দিনক্ষণ শনাক্ত করতে সক্ষম হয়েছেন। বাংলা আশ্বিন মাসের প্রথম চাঁদের আগে-পরে মেঘনা নদীসহ এর অসংখ্য শাখা-প্রশাখা ধরে ইলিশ মাছ উজান বেয়ে মিঠাপানিতে আসতে থাকে।

'নদীর শক্তিশালী স্রোতের ফলে নারী ও পুরুষ উভয় ইলিশের শিরদাঁড়া বেয়েই শিহরণ বয়ে যায়।' ড. আব্দুল ওয়াহাব ব্যাখ্যা করেন, 'এতে তারা তীব্র যৌন উদ্দীপনা অনুভব করে, ফলে তুমুল বেগে উজান বেয়ে সাঁতরাতে থাকে।'

ইলিশের বিচরণ কেবল মেঘনার অববাহিকাতেই সীমাবদ্ধ নয়। তারা মিয়ানমারের ইরাবতী নদী এবং পশ্চিমবঙ্গের ভাগীরথী-হুগলী নদীতে প্রবেশ করে। তা ছাড়া ইলিশের উপস্থিতি রয়েছে আরও সুদূরে। পূর্বের মেকং বদ্বীপ থেকে শুরু করে পশ্চিমের পারস্য উপসাগরেও দেখা মেলে তাদের। এমনকি ইউফ্রেটিস নদীতেও খুঁজে পাওয়া যেতে পারে ইলিশকে।

'কিন্তু মেঘনার মোহনায় যে পরিমাণ ইলিশ দেখা যায়, আর কোথাও এই মাছকে এত বেশি দেখা যায় না,' বলেন ওয়ার্ল্ডফিশের ইকোফিশ প্রকল্পের প্রধান ড. ওয়াহাব।

'তা ছাড়া সব ইলিশের পেটভর্তিও ডিম থাকে না,' যোগ করেন তিনি।


ড. আনিসুর রহমান বলেন, 'আমরা বাজারে ডিমহীন নারী ইলিশও পাব। ডিম ছাড়ার পর ফিরতি যাত্রায় নারী মাছদের খুব ক্লান্ত দেখায়। তখন তাদেরকে পুরুষ ইলিশের মতোই অনাকর্ষণীয় দেখায়। ফলে একজন সাধারণ জেলের পক্ষে একটি ইলিশ নারী না পুরুষ, তা শনাক্ত করা আরও দুরূহ ব্যাপার হয়ে দাঁড়ায়। স্থানীয় ভাষায় জেলেরা তাদের ডাকে "পাইক মাছ" বলে।'

মেঘনার এক জেলে মানিক দেওয়ান বলেন, 'আমরা জানি এবং শুনেছিও আমাদের ধরা মাছের মধ্যে পুরুষ ইলিশ আছে। কিন্তু আমরা তাদের শনাক্ত করার ব্যাপারে মাথা ঘামাই না। আমাদের একমাত্র চিন্তার বিষয়- মাছের আকার ও চেহারা। আমাদের জন্য মাছ দুরকম, ভালো মাছ ও পাইক মাছ।'

হাইমচরের কাছাকাছি মেঘনার মোহনা ইলিশ ধরার জন্য খুবই বিখ্যাত এলাকা। সেখানে ঘুরতে ঘুরতে আমি একটি গুজব শুনতে পাই। পানিতে বীর্য ছাড়া এবং বাহ্যিকভাবে ডিম নিষিক্ত করার পর পুরুষ ইলিশ একধরনের লিঙ্গ রূপান্তরের মধ্য দিয়ে যায়। তারা পরিণত হয় নারী ইলিশে।

ড. ওয়াহাব বলেন, 'আমাদের কাছে এমন কোনো প্রমাণ নেই। এখন পর্যন্ত কোনো গবেষণাই আমাদেরকে এ ধরনের মেটামরফোসিসের ইঙ্গিত দেয়নি।'

(লেখাটি প্রথম প্রকাশিত হয় দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ডে, ২০১৯ সালের ৯ অক্টোবর)

Collected
অনুবাদ: জান্নাতুল নাঈম পিয়াল
মূল লেখা: The illusive male hilsha

22/06/2024

শিশুদের হরমোনজনিত সমস্যার কিছু গুরুত্বপূর্ণ লক্ষণ~~~

*যে কোন বয়সের শিশুর সঠিক শারীরিক বৃদ্ধি ও মানসিক বিকাশ না হওয়া।
*জন্মের পর স্বাভাবিকভাবে মলত্যাগ না করলে বা ২ সপ্তাহের মধ্যে কোষ্ঠ-কাঠিন্য দেখা দিলে।
*জন্মের ২ সপ্তাহ পরও যদি জন্ডিস ভাল না হয়।
*শিশু যদি অস্বাভাবিক যৌনাঙ্গ নিয়ে জন্মগ্রহণ করে।
*ছেলে শিশুর অণ্ডকোষ নির্দিষ্ট স্থানে/স্বাভাবিক না থাকলে। *পুরুষাঙ্গ ছোট হলে।
*নবজাতকের (১ মাসের নীচের শিশু) যদি অস্বাভাবিক ভাবে খাওয়া কমে যায়, বমি-পায়খানা করে দূর্বল হয়ে যায়।
*মানসিক ভাবে আপাত সুস্থ শিশুর যদি হঠাৎ হাত পা বেঁকে আসে বা খিচুনী দেখা দেয় বা অজ্ঞান হয়ে যায়।
*শিশুর যদি দীর্ঘদিন ধরে হালকা বা কারণ ছাড়া হাত-পা বা মাথা ব্যথা করে।
*দীর্ঘদিন ধরে হালকা পেটে ব্যথা, বমি, পাতলা পায়খানা অনেক সময় হরমোনের সমস্যা নির্দেশ করে।
*শিশু যদি অস্বাভাবিক পরিমাণ পানি খায় বা খুব বেশী প্রস্রাব করে।
*ঠিক মত খাওয়া দাওয়া করার পরও যদি শিশুর ওজন না বাড়ে বা কমতে থাকে।
*শিশু যদি খুব বেশী খাবার খায় এবং দ্রুত ওজন বাড়তে থাকে।
*শিশু যদি হঠাৎ করে বেশী ঘুমোতে থাকে, লেখা পড়ার মনোযোগ কমে যায়, চঞ্চলতা কমে যায়, পায়খানা কষা হতে থাকে।
*শিশু যদি হঠাৎ করেই অস্বাভাবিক ভাবে লম্বা হতে থাকে। চঞ্চলতা বেড়ে যায়, ঘুম কমে যায়, বুক ধড়ফড় করে।
*শিশুর যদি গলার সামনে ফুলে যায় বা টিউমার জাতীয় কিছু দেখা যায় (থাইরয়েড সমস্যা)।
*মায়ের যদি থাইরয়েড হরমোনের সমস্যা থাকে।
*যৌবন প্রাপ্তির বয়স (মেয়েদের ৮ ও ছেলেদের ৯ বছর) আগেই যদি শিশুর যৌবনের কোন লক্ষণ দেখা যায়।
*যৌবন প্রাপ্তির বয়স শেষ হবার (মেয়েদের ১৩ ও ছেলেদের ১৪ বছর) পরও যদি শিশুর যৌবনের কোন লক্ষণ দেখা না যায়।
*শিশুর পা বেঁকে যাওয়া, পায়ে ব্যথা অনুভূত হওয়া।
*দেরীতে দাঁত উঠা, দাঁতে দাগ পড়ে যাওয়া।
*শিশু যদি অস্বাভাবিক মোটা হয়ে যায়, ঘাড়ের পিছে কালো দাগ হয়।
*ছেলেদের যদি অস্বাভাবিক ভাবে স্তন বড় হতে দেখা যায়।
*মেয়েদের যদি অস্বাভাবিক স্থানে লোম দেখা যায়।
*ছেলে শিশু যদি মেয়েলি আচরণ করে।
*শিশুর শরীরের বর্ণ বা রং ক্রমশঃ কালো হতে থাকলে।
*শিশুর উচ্চ রক্তচাপ দেখা দিলে বা রক্ত চাপ কমে গেলে।
*শিশু যদি যে কোন ক্ষেত্রে হঠাৎ সমসাময়িক অন্যদের তুলনায় পিছিয়ে যেতে থাকে।
*শিশু ঠিকমত লম্বা না হওয়াও বিশেষ কোন রোগের লক্ষণ, হতে পারে তা কোন হরমোনজনিত সমস্যা।

17/05/2024

যে ১০ খাবার খালি পেটে খাবেন না ,সম্প্রতি একটি গবেষণায় বলা হয়েছে, কিছু খাবার রয়েছে যা খালি পেটে খাওয়া একদম ঠিক নয়। এই খাবারগুলো এসিড তৈরি করে এবং অন্ত্রে সমস্যা তৈরি করতে পারে। লাইফস্টাইল ওয়েবসাইট বোল্ডস্কাই জানিয়েছে এ খাবারগুলোর কথা।

১. সোডা:-সোডার মধ্যে রয়েছে উচ্চ পরিমাণ কাবোর্নেটেট এসিড। খালি পেটে সোডা খাওয়া হলে এই এসিড স্বাস্থ্যের সমস্যা তৈরি করে এবং বমিবমি ভাব তৈরি করে।

২. টমেটো:-টমোটো খালি পেটে খাওয়া হলে এর মধ্যে বিদ্যমান এসিড গ্যাস্ট্রোইনটেস্টাইনাল এসিডের সাথে মিশে পাকস্থলির মধ্যে বিক্রিয়া করে এক ধরনের অদ্রবণীয় জেল তৈরি করে; যা পাকস্থলিতে পাথর হওয়ার কারণ হতে পারে।

৩. ওষুধ:-কিছু কিছু গ্যাসট্রিকের ওষুধ খাওয়ার আগে খেতে বলা হয়। তবে অধিকাংশ ওষুধ ভরা পেটে খাওয়ার পরামর্শ দেন চিকিৎসকরা। যখন খালি পেটে ওষুধ খাওয়া হয় এটা পাকস্থলিতে অস্বস্থিকর অবস্থার তৈরি করে।

৪. মদ্যপান:-মদ্যপান শরীরের জন্য ক্ষতিকর। আর খালি পেটে মদ্যপান আরো ক্ষতিকর। মদের মধ্যে যেসব উপাদান রয়েছে সেগুলো অন্ত্রের জ্বালাভাব তৈরি করে।

৫. ঝাল জাতীয় খাবার:-আমরা অনেকেই ঝাল জাতীয় খাবার খেতে ভালোবাসি, তবে খালি পেটে ঝাল জাতীয় খাবার খাওয়া ঠিক নয়। এর ফলে এসিডিক বিক্রিয়া হয়ে পেট জ্বালাভাব তৈরি হয়।

৬. কফি:-খালি পেটে কফি খাওয়া খুবই ক্ষতিকর। কফির মধ্যে থাকা ক্যাফেইন পাকস্থলির জন্য ভালো নয়। তাই খেতে হলে আগে অন্তত একগ্লাস পানি খেয়ে নিন।

৭. চা:-চা-ও কফির মতো, খালি পেটে খাওয়া ঠিক নয়। চায়ের মধ্যে রয়েছে উচ্চ মাত্রায় এসিড যা পাকস্থলির আবরণকে ক্ষতিগ্রস্ত করে।

৮. দই:-দইয়ের প্রোবায়োটিক উপাদান স্বাস্থ্যকর। তবে যদি এটা খালি পেটে খাওয়া হয় তবে স্বাস্ব্যকর নয়। দইয়ে থাকা ভালো ব্যাকটেরিয়া পাকস্থলির আবরণের রসের সাথে মিশে পেটকে খারাপ করতে পারে।

৯. কলা:-খালি পেটে কলা খাওয়া হঠাৎ করে শরীরে ম্যাগনেসিয়াম বাড়িয়ে দেয়। এর ফলে রক্তে ম্যাগনেসিয়াম এবং ক্যালসিয়ামের ভারস্যাম্য নষ্ট করে। তাই কলা খালি পেটে না খাওয়ার পরামর্শই দেন বিশেষজ্ঞরা।

১০. মিষ্টি আলু:-আপনি কি জানেন মিষ্টি আলুর মধ্যে রয়েছে ট্যানিন এবং পেকটিন? এটা বেশি পরিমাণে এসিড নিঃসরণ করে পাকস্থলির দেয়ালকে সংকুচিত করে। এর ফলে বুক জ্বালাপোড়া হয়।

13/12/2023

যে সকল কারণে কার্ডিওলজিস্ট এর কাছে গিয়ে চেকআপ করানো আবশ্যকঃ

১। তীব্র বুকে ব্যথা
২। পরিবারে আগে কারো হৃদরোগ হয়ে থাকলে
৩। কোলেস্টেরলের মাত্রা ২০০এমজি/ডিএল বা এর বেশি হলে
৪। উচ্চ রক্তচাপ
৫। ধূমপায়ী হয়ে থাকলে
৬। ডায়াবেটিক হলে
৭। প্রিক্ল্যাম্পসিয়া হলে
৮। ৪০ বছর বয়স পার করার পরে নতুন করে কোনো ব্যায়াম শুরু করার আগে

Address

Dhaka
1000

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Md Golam Rabbir posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Md Golam Rabbir:

Share