কলেজ রোড খেলার মাঠ, ভবেরচর, গজারিয়া, মুন্সীগন্জ

  • Home
  • Bangladesh
  • Dhaka
  • কলেজ রোড খেলার মাঠ, ভবেরচর, গজারিয়া, মুন্সীগন্জ

কলেজ রোড খেলার মাঠ, ভবেরচর, গজারিয়া, মুন্সীগন্জ This is the biggest playground in Bhaberchar, Gazaria, Munshigonj.

10/09/2023
⚽💖
23/07/2023

⚽💖

দক্ষিণ আফ্রিকার বাবেম্বা গোত্রে কোনো ব্যক্তি কোনো অপরাধ বা ভুল করলে বাকি সবাই মিলে তাকে গ্রামের মধ্যিখানে একটি নির্দিষ্ট...
25/07/2022

দক্ষিণ আফ্রিকার বাবেম্বা গোত্রে কোনো ব্যক্তি কোনো অপরাধ বা ভুল করলে বাকি সবাই মিলে তাকে গ্রামের মধ্যিখানে একটি নির্দিষ্ট স্থানে নিয়ে যায়। সেখানে তারা সবাই মিলে টানা দুই দিন ওই ব্যক্তিকে চারপাশ থেকে ঘিরে রাখে এবং এপর্যন্ত করে আসা তার ভালো কাজ ও ভালো ব্যবহারগুলোর স্মৃতিচারণ করতে থাকে মুগ্ধ হয়ে।

অপরাধ করা সেই ব্যক্তিটিকে তারা তিরস্কার করে না, লাঞ্ছিত করে না, অপমান করে না। তারা বিশ্বাস করে: পৃথিবীর প্রতিটি মানুষই ভালো; কিন্তু মাঝেমধ্যে ভুল করে ফেলে মানুষ, যে-ভুলের অর্থ- মানুষটি আশেপাশের মানুষের সহযোগিতা আর ভালোবাসার অভাবে তীব্র যন্ত্রণায় কাঁদছে।

মানুষটিকে তারা তার অতীতের সমস্ত ভালো'র স্মৃতি স্মরণ করিয়ে দিয়ে সেই ভালোতে তার আশেপাশের অন্যদের জীবন কীভাবে পালটে গেছে, কতোটা উপকার হয়েছে অন্যের সেসব গল্প বলতে বলতে বুকে জড়িয়ে নেয় একে একে। ওসময় ভুল করা মানুষটি এতো মমতা, এমন প্রেম, মানবিকতার অমন রূপময়তা সহ্য করতে না পেরে ডুকরে ওঠে। সে তার ভুল বুঝতে পারে। সে শুধরে যায় মানুষের ভালোবাসায়।

মানুষের ভালোবাসা কী না পারে!

"মানুষকে অপমান কোরো না।"
- বাবেম্বা

22/07/2022

এন্টিবায়োটিক আবিষ্কার করেছিলেন স্যার আলেকজান্ডার ফ্লেমিং। ফ্লেমিং স্যার বলেছিলেন, "এই এন্টিবায়োটিকের কারণে আজ কোটি কোটি লোক বেঁচে যাবে। অনেক বছর পর এগুলো আর কাজ করবেনা। তুচ্ছ কারণে কোটি কোটি লোক মারা যাবে আবার।''

এন্টিবায়োটিক খাওয়ার কিছু নিয়ম আছে। একটা নির্দিষ্ট ডোজে, একটা নির্দিষ্ট মেয়াদ পর্যন্ত এন্টিবায়োটিক খেতে হয়। না খেলে যেটা হতে পারে সেটাকে বলা হয় "এন্টিবায়োটিক রেজিসটেন্স''।

ধরি, আমার দেহে এক লক্ষ ব্যাকটেরিয়া আছে। এগুলোকে মারার জন্য আমার ১০টা এম্পিসিলিন খাওয়া দরকার। এম্পিসিলিন এক প্রকার এন্টিবায়োটিক। খেলাম আমি ৭ টা। ব্যাকটেরিয়া মরলো ৭০ হাজার এবং আমি সুস্থ হয়ে গেলাম। ৩০ হাজার ব্যাকটেরিয়া কিন্তু রয়েই গেলো। এগুলো শরীরে ঘাপটি মেরে বসে জটিল এক কান্ড করলো নিজেরা নিজেরা।

তারা ভাবলো, যেহেতু এম্পিসিলিন দিয়ে আমাদের ৭০ হাজার ভাইকে হত্যা করা হয়েছে। অতএব আমাদেরকে এম্পিসিলিন প্রুফ জ্যাকেট পরতে হবে এবার। প্ল্যান করে থেমে থাকেনা এরা, বরং সত্যি সত্যি জ্যাকেট তৈরি করে ফেলে এই ব্যাকটেরিয়া গুলো। এরা বাচ্চা-কাচ্চাও পয়দা করে একই সময়ে। বাচ্চাদেরকেও সেই জ্যাকেট পরিয়ে দেয়।
এর ফলে যেটা হয়, পরের বার এম্পিসিলিন নামক এন্টিবায়োটিকটা আর কাজ করেনা।

সবচেয়ে ভয়ংকর বিষয় হচ্ছে, জ্যাকেট পরা ব্যাকটেরিয়া গুলো কেবল ঐ ব্যাক্তির শরীরেই বসে থাকেনা। তিনি হাঁচি দেন, কাশি দেন, ব্যাকটেরিয়া গুলো ছড়িয়ে পড়ে পুরো এলাকায়। এক সময় পুরো এলাকায়ই আর ঐ এন্টিবায়োটিক কাজ করেনা। যারা খুব নিয়ম করে ওষুধ খান তারাও বিপদে পড়ে যান সবার সাথে।

আমরা খুব ভয়ংকর একটা সময়ের দিকে এগিয়ে যাচ্ছি দ্রুত। ব্যাকটেরিয়া আর তাদের বিভিন্ন 'জ্যাকেট'এর তুলনায় এন্টিবায়োটিকের সংখ্যা খুব বেশি না। অনেক এন্টিবায়োটিক এখন আর কাজ করেনা, বাকিগুলোর ক্ষমতাও কমে আসছে। আমাদের বড় বড় হসপিটাল থাকবে, সেখানে এফসিপিএস, এমডি, পিএইচডি করা ডাক্তাররা থাকবেন কিন্তু কারোরই কিছু করার থাকবেনা। সামান্য সর্দীতেই রোগী মরে সাফ হয়ে যাবে।

উন্নত বিশ্বের চিকিৎসা ব্যবস্থা আলাদা। তারা নিয়ম মেনে ডাক্তারের পরামর্শ মতো ওষুধ খায়। বিপদে আছি আমরা। 'মেডিসিনের বাইবেল' নামে পরিচিত ডেভিডসের বইয়েও আমাদের এই উপমহাদেশের উল্লেখ আছে আলাদা করে। অনেক ট্রিটমেন্টে বলা হয়েছে,
"This organism is resistant against this Drugs in Indian subcontinen.

হ্যামেলিনের বাঁশিওয়ালা : সত্যি ঘটনা নাকি রুপকথা ?ইতিহাস:-শুরুতেই নাম সংক্রান্ত বিতর্ক নিয়ে বলে নিচ্ছি। জার্মান একটি শহর ...
09/05/2020

হ্যামেলিনের বাঁশিওয়ালা : সত্যি ঘটনা নাকি রুপকথা ?

ইতিহাস:
-শুরুতেই নাম সংক্রান্ত বিতর্ক নিয়ে বলে নিচ্ছি। জার্মান একটি শহর যার নাম hamelin। এর উচ্চারন কোথাও হ্যামিলিন কোথাও হ্যামিলন দেয়া হয়েছে। বেশকিছু যায়গায় দুটো উচ্চারনই দেয়া। যেহেতু ছোটবেলার গল্পের বইয়ে হ্যামিলন লেখা ছিল। আমরা সবাই সে শব্দের সাথেই পরিচিত তাই এখানে হ্যামিলনই লেখা হচ্ছে। আমাদের ছোটবেলার সে গল্পের নাম ছিল হ্যামিলনের বাঁশিওয়ালা। এই গল্পটি বেশ কয়েকটি রুপে রয়েছে । কিছুটা ঘষা মাজা করলে সব গল্পের মূল ভিত্তি সেই একই রকম এসে দাঁড়ায়। এতসময় ধরে যে গল্পের কথা বললাম, জানলে অবাক হবেন এটি নিছকই শুধু একটি গল্প না । বাস্তব এবং সত্যি ঘটনা। তবে গল্পের বেশ কিছু অংশে বিতর্ক রয়েই গিয়েছে।

-জার্মানির লোয়ার স্যাক্সনি প্রদেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলে ওয়েসার নদীর তীরে অবস্থিত হ্যামিলন শহর। আজকের জার্মানীর মত এতটাও উন্নত ছিলনা শহরটি। প্রায় ৭০০ বছরেরও বেশী আগে সুন্দর ছিমছাম গ্রামে শুরু হয় ইঁদুরের উপদ্রব। তারা এত পরিমাণে বেড়ে গেল যে ড্রয়ার, টেবিলের নিচে, চুলায় এমনকি চায়ের পাত্রেও দেখা মিলল তাদের। তারা আকারে এত বড় আর সংখ্যায় এত অধিক যে বিড়ালও ওদের দেখে ভয় পেয়ে পালিয়ে যেতে শুরু করল। হ্যামেলিনের লোকজন দুঃচিন্তায় পড়ে গেল। শেষ পর্যন্ত সব লোকজন একত্র হয়ে সিদ্ধান্ত নিল তারা মেয়র মল্ডিন এর কাছে যাবে। মেয়রের নেতৃত্বে সবাই মিলে একজোট করলেন, শহরকে ইঁদুরের হাত থেকে যে বাঁচাতে পারবে তাকে মোটা অঙ্কের পুরস্কার দেওয়া হবে। সেই ঘোষণায় সাড়া দিয়ে শহরে এসে হাজির হলো রহস্যময় এক বাঁশিওয়ালা। ভাল পারিশ্রমিকেই তাকে দায়িত্ব দেয়া হলো। লোকটি বাইরে বের হয়ে নিজের রঙিন আলখাল্লাটার মধ্য থেকে দারুণ একটি বাঁশি বের করলো। সেই বাঁশি বাজাতে বাজাতে ঘুরতে থাকলো হ্যামিলনের পথে৷ সে বাঁশির এক অচেনা সুরের আকর্ষণে শহরের হাজার হাজার ইঁদুর দলবেঁধে ছুটছে লোকটির পেছনে পেছনে৷। বাশিওয়ালা হাটতে হাটতে গেলো শহরের পাশের ওয়েজার নদীর বাঁকে। ইদুর গুলো ঝাপিয়ে পড়লো নদীতে। শহর হলো ইঁদুর মুক্ত।

-পারিশ্রমিক দেবার বেলায় বেকে বসলো শহরবাসী। রেগে গেলো বাঁশিওয়ালা। বের করলো এক নতুন বাঁশি। বাজাতে বাজাতে হেটে চললো শহরের বাইরে। সেই বাঁশির সুরে শহরের ঘর গুলো থেকে এবার বেড়িয়ে এলো ছোটবাচ্চারা। সবাই যেন সম্মোহিত। বাবা মা কারো ডাক শুনল না সবাই আনন্দে ছুটলো বাঁশিওয়ালার পেছনে। পাহাড়ের ওখান থেক সব বাচ্চা নিয়েই বাঁশিওয়ালা যেন হাওয়ায় মিলিয়ে গেলো। ফিরে এলো মাত্র দুইজন। একজন ছিলো বোবা যে সব দেখলেও কিছু বলতে পারলো না। অন্যজন ছিল অন্ধ যার বলার ক্ষমতা থাকলেও কোথায় গেল তা দেখতে পারলো না। কোনদিন আর বাঁশিওয়ালাকে দেখা যায়নি আর।

সত্যতা যাচাই:
-ইতিহাসবিখ্যাত এ ঘটনাটির সত্যতা নিয়ে বিতর্কের শেষ নেই। বলা হয়ে থাকে ১২৮৪ সালের ২২ জুলাই ঘটনাটি ঘটেছে। দীর্ঘদিন অমীমাংসিত এই রহস্যের বিস্তর গবেষণা হয়েছে। বর্তমানে হ্যামিলনে যে পৌরসভা রয়েছে, তার নামের অর্থ হল ‘ইঁদুর ধরা লোকের বাড়ি’। এটি নির্মিত হয় ১৬০২ সালে। এর দেয়ালে বিশ্ববিখ্যাত কাহিনীটির ছবি চমৎকারভাবে আঁকা আছে। হ্যামিলিন শহরে এ সংক্রান্ত একটি জাদুঘর রয়েছে। ওই জাদুঘরে সঞ্চিত পঞ্চদশ শতাব্দীতে লেখা কয়েকটি বইয়ে এ রহস্যময় কাহিনীর বর্ণনা রয়েছে। ফ্রাউ ভন লিউড নামের এক ১৩ বছরের বালিকার ১২৯৪ সালের রেকর্ডে লিপিবদ্ধ আছে যে সুদর্শন এ লোকটির বয়স ছিল আনুমানিক ৩০। তার বাঁশিটি ছিল রুপোর তৈরি। এক নথিতে পাওয়া যায় ১৩০০ শতাব্দীতে হ্যামিলনের বাজারে এক কাঠের ফলক ছিল। সেখানে এক বংশীবাদক ও অনেক শিশুর ছবি ছিল। সেটা ১৭০০ সালে ঝড়ে ধ্বংস হয়ে যায়। ১২৮৪ সালের ঘটনার পরেই চার্চে Stained-glass জানালা লাগানো হয় ১৩০০ সালের দিকে। সেখানে এই করুণ ঘটনা লেখা ছিল। জানালাটা বানাবার উদ্দেশ্যই ছিল শিশুদের স্মরণ করা। জানালাটা ধ্বংস হয়ে যায় ১৬৬০ সালে, পরে ইতিহাসবিদ হ্যান্স ডবারটিন ঐতিহাসিক লেখনী থেকে এই জানালা পুনঃনির্মাণ করেন। সেখানে দেখা যায় বাঁশিওয়ালা আর সাদা পোশাকে শিশুদের ছবি! বর্তমানের হ্যামেলিন শহরে যদি কখনো বেড়াতে যান তবে দেখবেন সেখানে বাঁশিওয়ালার মূর্তি, সাথে ইঁদুর। ২০০৯ সালে জার্মানিরা এক টুরিস্ট ফেস্ট আয়োজন করে শিশুদের প্রস্থানের করুণ ঘটনার ৭২৫তম বার্ষিকীতে। যে বাড়িতে খোদাই করা ছিল ইতিহাসটি, সেটিকে এখন “র‍্যাট ক্যাচার” এর বাড়ি বলে। প্রতি বছর ২৬ জুন পালন করা হয় র‍্যাট ক্যাচার দিবস। এবার একটি আকর্ষনীয় তথ্য দেয়া যাক, যে রাস্তায় সর্বশেষ বাঁশিওয়ালাকে দেখা গিয়েছিল বলে দাবী করা হয়, সে রাস্তার নাম হচ্ছে Bungelosenstrasse বা No Drum Street এ কোন মিউজিক বাজানো নিষিদ্ধ।প্রায় ৭০০ বছর ধরেই এমনটি চলে আসছে বলে জানা যায়।

মিথ্যার দাবি:
-অনেকে ব্যাপারটিকে মিথ্যা দাবি করে থাকে , কারন পুথিগত ভবে কোন নথি বা পত্র খুজে পাওয়া যায়নি। আর এর কোন ব্যাখ্যাও আসলে দেয়া কষ্টকর। প্রাচীন নথিতে আগেও শহরে ছেলে ধরার ব্যাপারে জানা গিয়েছে। ধারনা করা হয় বাঁশিওয়ালার গল্প নিছক সেই ছেলেধরার কাহিনী এর সাথে শুধু কিছু গল্প যুক্ত হয়েছে। এছাড়া ১২৮৪ এর দিকে জার্মানে প্লেগ রোগের প্রাদুর্ভাব বেড়ে যায়। ইঁদুর ছিল এ রোগের বাহক। সে সময় শহরে ইঁদুর ধরার বিশেষ লোক ছিল যারা বাঁশি বাজিয় ইঁদুর ধরতো। এমন বাঁশি জার্মান জাদুঘরেও রয়েছে। সেসময় প্লেগে অনেক শিশু মারা যায়। তাই অনেকের দাবি গীর্জার দেয়ালে বা পুথির পাতায় বর্নিত ঘটনা গুলো আসলে রূপক অর্থে তুলে ধরা হয়েছে।

দুপক্ষের বিচার বিশ্লেষন তুলে ধরা হলো। কালের বিবর্তনে সাধারন ঘটনা যেমন অসাধারন রূপ লাভ করে তেমনি দুনিয়াতে ঘটে অমিমাংশিত অনেক ঘটনা। তবে যাই হোক হ্যামিলনের বাঁশিওয়ালার ঘটনাটি জার্মান জনপ্রিয় একটি গল্প বা ঘটনা। শতাব্দীর পর শতাব্দী ধরে জার্মানবাসী এটি ধারন করে রেখেছে।

©️Charpoka

Address

College Road, Bhaberchar
Dhaka
1510

Telephone

+8801922449404

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when কলেজ রোড খেলার মাঠ, ভবেরচর, গজারিয়া, মুন্সীগন্জ posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share