25/03/2025
বাংলাদেশের ফুটবল ধ্বংসের মূল কারিগরদের চিনে রাখুন। লীগের ইন-ফর্ম RB তাজ উদ্দিন ও CB পাপন সিংকে স্কোয়াডে রাখা হয়নি, অথচ আগের ম্যাচে মালদ্বীপের বিপক্ষে ড্র করার পেছনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছিল পাপন সিংয়ের গোল।
পরিকল্পিতভাবে ফাহমিদুলকে ইতালি পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে। দলের অধিনায়ক জামাল ভূঁইয়া একাদশে সুযোগ পাননি। বর্তমান দলে সবচেয়ে অভিজ্ঞ ডিফেন্ডার ইসা ফয়সালকে বেঞ্চে বসিয়ে রাখা হয়েছে, শুধুমাত্র বসুন্ধরার খেলোয়াড়দের একাদশে জায়গা দিতে।
এখন সাবস্টিটিউশনগুলো দেখুন—
চন্দন রায়কে সুযোগ দিতে লীগের সেরা মিডফিল্ডার কাজেম শাহকে আজ ৪ ঘণ্টা আগে একাদশ থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে।
ফরোয়ার্ড ফাহিমকে নামানো হয়েছে, যে এখনো জাতীয় দলের হয়ে গোলের খাতা খুলতে পারেনি (পেলেও হয়তো ১টা গোল করেছে, আর অ্যাসিস্ট সংখ্যা শূন্য)। অথচ লীগে ১০ ম্যাচে ৭ গোল করা ইন-ফর্ম ও স্কোয়াডের একমাত্র স্ট্রাইকার আল-আমিনকে নামানো হয়নি।
নামানো হয়েছে সোহেল রানাকে!
এইভাবে আর যাই হোক, ফুটবলে উন্নতি সম্ভব নয়।
বসুন্ধরা এখন যে সিন্ডিকেট করছে, একসময় ঠিক একই কাজ করেছে আবাহনী— ক্লাবে খেললেই অটো জাতীয় দলে সুযোগ! দিনশেষে শুধু এক স্টেডিয়ামের স্বপ্ন দেখিয়ে বাঙালির ফুটবল-আবেগকে তুচ্ছ করেছেন ইমরুল হাসান ও তার গ্যাং। আগের দশকে একই কাজ করেছেন আবাহনীর টিম ম্যানেজার সত্যজিৎ দাশ রূপু।
আজকের ঘটনা দেখে আমি সত্যিই বিস্মিত! মূল কথা— কোচকে আগেই বলে দেওয়া হয়েছিল, যেভাবেই হোক এই নির্দিষ্ট খেলোয়াড়দের মাঠে নামাতে হবে।
ফুটবলের উন্নতি চান? তাহলে সিন্ডিকেটের ফুটবলার ও তাদের ম্যানেজমেন্টকে যেখানে পাবেন, সেখানেই প্রতিরোধ গড়ে তুলুন!
অনেক দিন পর ফুটবলে গণজাগরণ শুরু হয়েছে, এখনই উপযুক্ত জবাব দেওয়ার সময়।
আরেকটা দিক দেখুন— বসুন্ধরা কিভাবে দেশের প্রতিভা ধ্বংস করছে:
দেশসেরা অ্যাটাকিং মিডফিল্ডার মোরসালিন ১০ ম্যাচে খেলেছে মাত্র ৭৪ মিনিট!
আবাহনীর অধিনায়ক টুটুল হোসেন বাদশাকে নিয়ে যাওয়া হলো তপু বর্মনের ব্যাকআপ হিসেবে, তারপর দিনের পর দিন বেঞ্চে বসিয়ে রাখা হলো। ফলাফল? আজ তপুর কোনো ব্যাকআপ নেই!
একইভাবে হারিয়ে গেল মাহবুবুর রহমান সুফিল, বিপলু, মোহাম্মদ ইব্রাহীমরা।
ফুটবলের পুনর্জাগরণ তখনই সম্ভব, যখন নিয়ম হবে— কোনো ক্লাবের কর্তা বাফুফের কোনো পোস্টে থাকতে পারবে না!
স্যালুট ইমরুল স্যার,সযালুট মামুন ভাই,স্যালুট আলফাজ ভাই, স্যালুট এমিলি— জিতে গেছেন আপনারা, হেরে গেছে বাংলার কোটি কোটি ফুটবল ভক্ত, যারা হৃদয়ের সবটুকু ভালোবাসা উজাড় করে এই লাল-সবুজের জার্সিটাকে ভালোবাসে।
📍Polash Mahbub, From Football Tong House Of Bangladesh.