05/11/2021
আবেগে কথার ঝড় তুলেছিলেন রিয়াদ !
বাংলাদেশ যে মিথ্যা আত্মবিশ্বাস নিয়ে বিশ্বকাপ খেলতে এসেছিল ওমান আর আরব আমিরাতে সেটি প্রমাণ হয়ে গেছে। ঘরের মাঠে মন্থর আর টার্নিং উইকেট বানিয়ে অস্ট্রেলিয়া আর নিউজিল্যান্ডকে উড়িয়ে দিয়েই যে বিশ্বকাপের জন্য আত্মবিশ্বাস সঞ্চার করেছিল সেটি বলার বাকি রাখে না।
ওমানে পা রাখতেই ধাক্কা লাগে সেই আত্মবিশ্বাসে। স্কটল্যান্ডের বিপক্ষে বিশ্বকাপের প্রথম পর্বের প্রথম ম্যাচেই হেরে যায় টাইগাররা। এর আগে প্রস্তুতি ম্যাচে শ্রীলঙ্কা আর আয়ারল্যান্ডের কাছেও হারতে হয় টাইগারদের।
বিশেষ করে স্কটিশদের কাছে হারের পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম থেকে শুরু করে বোর্ড প্রধানও মেতে ওঠেন বাংলাদেশ দলের সমালোচনায়। তবে ওমানের বিপক্ষে আর পাপুয়া নিউগিনির বিপক্ষে জয় তুলে জবাব দেন সেসব সমালোচনার।
মাহমুদউল্লাহ বলেছিলেন, ‘আমরা মানুষ, আমরা ভুল করি। এ কারণে একেবারে ছোট করে ফেলা ঠিক নয়। আমাদের পরিবার আছে। আমাদের বাবা-মায়েরাও বসে থাকে টিভির সামনে। বাচ্চারাও বসে থাকে। তারাও মন খারাপ করে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম তো এখন মানুষের হাতের নাগালে। সবার মোবাইলে আছে। সমালোচনা তো হবেই। আমরাও আশা করি, সমালোচনা হোক। খারাপ খেলেছি, অবশ্যই সমালোচনা হবে। কেন হবে না? কিন্তু সমালোচনার মাধ্যমে যদি কেউ কাউকে ছোট করে ফেলে, তখন সেটা খারাপ লাগে।’
প্রথম পর্ব শেষে মূল পর্বে উঠতেই আবারও শ্রীলঙ্কার কাছে হারতে হয় টাইগারদের। এরপর তো সব ম্যাচেই হেরেছে। শ্রীলঙ্কা আর উইন্ডিজের বিপক্ষে জয়ের সম্ভাবনা গড়লেও ইংল্যান্ড, দক্ষিণ আফ্রিকা আর অস্ট্রেলিয়ার কাচে পাত্তাই বাংলাদেশ।
সবশেষ অজিদের কাছে ৮ উইকেটে হেরে বিশ্বকাপ মিশন শেষে মাহমুদউল্লাহ বলেছেন আবেগ আপ্লুত হয়েই বলেছিলেন সেসব কথা।
‘সোশ্যাল মিডিয়ার যে জিনিসটা আমি স্পেশালি বলি, হয়তো-বা আমি ইমোশনাল ছিলাম, তাই ওভাবে রিয়েক্ট করেছিলাম, এটার জন্য আর কী। ওমানের ওই সংবাদ সম্মেলনে বলেছিলাম সেটা আমি আবেগী হয়ে বলেছিলাম। অনেক সময় আমার ভেতর অনেক আবেগ করে।’
মাহমুদউল্লাহ আরও বলেছেন, ‘সমালোচনা সবসময়ই হবে, আমি কখনোই বলিনি যে সমালোচনা হবে না। সমালোচনা হবে এবং এটা আমাদের মানিয়ে নিতে হবে। কারণ, দেশ ও দলের জন্য পারফর্ম করা আমাদের দায়িত্ব। যখন আপনি পারফর্ম করবেন না তখন আপনাকে সমালোচিত হতে হবে। সবকিছুরই একটা নির্দিষ্ট পয়েন্ট থাকে। অনেক কিছু অনেক সময় বুঝি আবার হয়তো ইগনোরও করি।’