Game On Flick

Game On Flick Game on Flick: Cricket and football news, analysis, features, and more for the die-hard fan.

29/09/2025

জার্সি নম্বর ১৮: বিরাট কোহলির জীবনের সেই রাত, যা তাকে বদলে দিয়েছিল চিরতরে

31/08/2025

🚨 বিগ ব্রেকিং নিউজ! 🚨
ফারমিন লোপেজ কি বার্সেলোনায় থাকবেন, নাকি চলে যাবেন চেলসি বা নিউক্যাসলে? সেই বিষয় নিয়ে আলোচনা করেছি ভিডিওতে। 💥

আপনারাও আপনাদের মতামত জানাবেন!

#ফারমিনলোপেজ #ব্রেকিংনিউজ #ফুটবল #বার্সেলোনা #ট্রান্সফার #ফুটবলআপডেট

29/08/2025

বার্সেলোনার চ্যাম্পিয়ন্স লিগ ড্র নিয়ে বিস্তারিত বিশ্লেষণ! বার্সার কঠিন পরীক্ষা নাকি সহজ পথ? ভিডিওটি দেখুন আর আপনার মতামত জানান!

#বার্সেলোনা #ফুটবল #চ্যাম্পিয়ন্সলিগ

শুরুটা করছি মেসিকে নিয়ে ম্যাড়াডোনা, লিনেকার এবং জিদানের করা তিনটি উক্তি দিয়ে।"আমি সেই খেলোয়াড়কে দেখেছি যে আর্জেন্টিনায় আ...
24/06/2024

শুরুটা করছি মেসিকে নিয়ে ম্যাড়াডোনা, লিনেকার এবং জিদানের করা তিনটি উক্তি দিয়ে।

"আমি সেই খেলোয়াড়কে দেখেছি যে আর্জেন্টিনায় আমার জায়গা দখল করেছে। সে হল মেসি এবং সে সেরা"
-ম্যারাডোনা।

"মেসি একটা জিনিয়াস ৷ বাকিদের সাথে অনেক ব্যবধানে সে সর্বকালের সেরা ফুটবলার ৷ আমি পেলেকে খেলতে দেখি নাই ৷ তবে সাউনেস, গুলিত, ভেনাবলস এবং বর্তমানে রুনি এরা সবাই মেসিকে সেরা মানে ৷ মেসির ফুটবল অদ্বিতীয় যার সাথে আমরা পরিচিত নই, এরকম অন্য কাউকে দেখা যায় না ৷"
-গ্যারি লিনেকার

"সে সর্বদা সামনে আগানোর কথা ভাবে ৷ সে কখনো ব্যাকপাস কিংবা সাইড পাস দিতে চায় না ৷ তার শুধু একটাই চিন্তা থাকে কিভাবে বল নিয়ে গোলের দিকে যাওয়া যায় ৷ তাই একজন ফুটবল ফ্যান হিসেবে আপনার শুধু তাকে উপভোগ করা উচিত ৷"
-জিদান

সিনেমা কখনো জীবন হয় না, হলেও খুব কম। সিনেমায় জীবনের রূপ দিতে পেরেছেন খুব সংখ্যাক পরিচালক। সিনেমায় মানুষের জীবনকে পোর্ট্রে করার জন্য বিখ্যাত ছিলেন স্টিভেন স্পিলবার্গ। বাঙালিদের মধ্যে এই কাজটা সবচেয়ে পারফেক্টভাবে করতে পেরেছেন একমাত্র সত্যজিৎ রায়। ঠিক তেমনিই জীবনকে সিনেমায় রূপ দিতে পেরেছেন গুটিকয়েক ব্যক্তি। কিছুকিছু ক্ষেত্রে তাঁরা সিনেমার গল্পকেও হার মানিয়েছেন। ঠিক তেমন-ই আর্জেন্টিনার বিখ্যাত শহর রোজারিওর বিস্ময়কর এক বালকের রয়েছে বিস্ময়কর গল্প, যে গল্প হার মানায় সিনেমার গল্পকে, রুপকথাও হার মানে যে গল্পের কাছে।

রোজারিওতে জন্ম, পাঁচ বছর বয়স থেকে ফুটবল খেলা শুরু, এগারো বছর বয়সে গ্রোথ হরমোনের সমস্যা ধরা পড়া, বাবার জমানো অর্থ দুই বছরের মাথায় চিকিৎসার পেছনে শেষ হয়ে যাওয়া, ব্যয়বহুল চিকিৎসার খরচ বহন করার সক্ষমতা না থাকা, বার্সেলোনার স্কাউট টিম তাঁর খেলায় মুগ্ধ হয়ে বার্সার একাডেমিতে সাইন করানো এবং তাঁর চিকিৎসার দায়িত্ব নেয়া, এরপর তো বার্সায় মেসি থেকে বিশ্বের সেরা ফুটবলার মেসি হয়ে উঠার শুরু।

গল্পের শেষ এখানেই নয়। বার্সায় যেভাবে সেরা হয়ে উঠেছিলেন তিনি, যেভাবে নিজের ব্যক্তিগত অর্জনের পাল্লা ভারি হচ্ছিলো, যেভাবে বার্সার একের পর এক সব সফলতার গল্প লিখাছিলেন তখন মুদ্রার ওই পিঠে লেখা হচ্ছিলো নিজ দেশ আর্জেন্টিনার হয়ে ব্যর্থতার গল্প। অনেক বছর ধরে আর্জেন্টিনা কোনো শিরোপা জিতছে না, সবার আশা মেসি সেই খরা থেকে উদ্ধার করবে আর্জেন্টিনাকে। কিন্তু হচ্ছিলো না। টানা দুইবার কোপার ফাইনালে হার, ১৪ বিশ্বকাপের ফাইনালে শেষ মুহূর্তে গিয়ে হার। নিজের দেশকে শিরোপা জেতাতে না পারার জন্য নিজের দেশেই প্রচণ্ডভাবে সমালোচনার সম্মুখীন। কোপার ফাইনালে হেরে তো অবসর-ই নিয়ে ফেলেছিলেন, সেখান থেকে তাঁকে আবার একপ্রকার জোর করে ফিরিয়ে আনা।

অবশেষে ২০২১ সালে এসে আর্জেন্টিনার অনেক বছরের শিরোপাহীন থাকার সমাপ্তি। কোপা আমেরিকা জিতে অবশেষে মেসি তাঁর দেশকে অনেক বছর পর শিরোপার স্বাদ দিলেন। এরপর জিতলেন ফিনালসিমা। এরপর ২০২২ সালে এসে সৃষ্টিকর্তা তাঁকে দু’হাত ভরে দিলেন। যেটার জন্য মেসি ডেস্পারেট ছিলেন, পৃথিবীর যেকোনো কিছুর বিনিময়ে যেটা জেতার আকাঙ্কা করেছিলেন তিনি, যেটার জন্য আর্জেন্টিনা এবং তার সমর্থকদের ২৮ বছরের অপেক্ষা, যেটা না জেতা পর্যন্ত মেসির শ্রেষ্ঠত্ব নিয়ে প্রশ্ন থেকে যায় সেই অধরা বিশ্বকাপ; অবশেষে মেসি এবং আর্জেন্টিনা বিশ্বকাপ জিতলেন। মেসি বিশ্বকে তাঁর পায়ের যাদুতে মুগ্ধ করে ১৮ ডিসেম্বর ২০২২ সালে জানিয়ে দিলেন- “হ্যা, আমিই বিশ্বের সেরা ফুটবলার!”

গল্পের শেষ কিন্তু এখনো হয় নি। মেসি তাঁর এই জীবনে অনেক কিছু দেখেছেন, অনেক ভালো কিছুর সাক্ষী হয়েছেন, অনেক ট্র্যাজেডির সাক্ষীও তিনি হয়েছেন। বিশ্বকাপের আগের বছর অর্থাৎ ২০২১ সালেই সবচেয়ে বড় ট্র্যাজেডির সাক্ষী হয়েছেন তিনি। হঠাৎ করেই তাঁর শৈশব-কৈশোর, তাঁর জীবনের অবিচ্ছেদ্য অংশ বার্সেলোন্সার খারাপ আর্থিক অবস্থার জন্য মেসিকে চলে যেতে হলো ক্লাব থেকে। মেসির জীবনে যে কয়টা ট্র্যাজেডি এসেছে তারমধ্যে সবচেয়ে বড় ট্র্যাজেডি হলো বার্সা থেকে চলে আসা। মেসির জীবনের সবচেয়ে কষ্টের দিন।

মেসির লাইফ সার্কেল হার মানাবে যেকোনো সিনেমার গল্পকে, হার মানাতে বাধ্য। তাঁর লাইফ সার্কেলে সব আছে, সব। সুখের গল্প আছে, কষ্টের গল্প আছে, আনন্দের গল্প আছে, আছে বেদনার সুর। ভালোবাসার গল্প আছে, আছে বিচ্ছেদের গল্প। আছে না পাওয়ার গল্প, আছে না পাওয়ার কারণে একেবারে ভেঙে পরার গল্প। সেখান থেকে আবার ঘুরে দাঁড়ানোর গল্পও আছে, ঘুরে দাঁড়িয়েছেন শক্তভাবেই। হাল ছাড়েন নি, কখনো লক্ষ্য থেকে পিছপা হোননি। একটা সিনামায় এতোকিছু একসাথে আপনি কখনো পাবেন না, কখনো না।

কিন্তু মেসির এতো এতো গুণের মধ্যে সবচেয়ে বড় গুণ হলো জীবনের সবকিছু পেয়েও, সেরা হয়েও কখন তিনি অহংকার করেন নি। অহমিকা তাঁকে গ্রাস করতে পারেন নি। সবসময় সাধারণের মধ্যেই থেকেছেন এবং থাকতে চেয়েছেন।

৩৭ বসন্ত শেষে মেসি আজ ৩৮-এ পা দিলেন। ১৭ বছর বয়সে ক্যারিয়ার শুরু করা মেসির বয়স আজ ৩৭। ক্যারিয়ারের শেষ সময়গুলো উপভোগ করছেন তিনি, সাথে আমরাও। ফুটবলকে এভাবে সম্পূর্ণ করতে পেরেছেন আর কে? ভাবতেই অবাক লাগে খুব শীঘ্রই বুটজোড়া তুলে রাখবেন, জাদুকরের জাদু আর দেখা হবে না। তবে আগামী প্রজন্মে গল্প শোনানোর জন্য রসদ দিয়ে গেলেন তিনি।

শুরুটা করেছিলাম মেসিকে নিয়ে ম্যারাডোনা, লিনেকার এবং জিদানের করা তিনটা উক্তি দিয়ে। শেষ করি মেসিকে নিয়ে আমার সবচেয়ে প্রিয় একটা উক্তি দিয়ে। উক্তিটি ছিলো পেপ গার্ডিওলার। গার্ডিওলা বলেছিলেন- "তাকে নিয়ে লিখো না। তাকে বর্ননা করার চেষ্টা করো না। শুধু দেখে যাও"

শুভ জন্মদিন ছোট “জাদুকর”। জাদুকর শব্দটায় আপনার জন্য নিখুঁট!

14/06/2024

একটা ফ্যাক্ট বা ইনফরমেশন বলি–

ইংল্যান্ড এখনো পর্যন্ত কোনো ইউরোপীয়ান দেশের সাথে আন্তর্জাতিক টি-২০ ম্যাচ জিততে পারে নি। এরমধ্যে নেদারল্যান্ডসের সাথে ২ ম্যাচে ২টাতেই হারে ইংল্যান্ড। এরমধ্যে ২০১৪ সালে একটা ম্যাচে ১৩৩ রানের টার্গেটে খেলতে নেমে ৮৮ রানে অলআউট হয় ইংল্যান্ড।

নেদারল্যান্ডস এখনো পর্যন্ত মোট আন্তর্জাতিক টি-২০ খেলেছে ১১০টি; ৫৪ ম্যাচে জয়, ৫০ ম্যাচে হার। দুইটা ম্যাচ টাই, বাকি ৪টা ম্যাচ পরিত্যক্ত। জয়ের রেশিও ১.০৮০।

বাংলাদেশ এখনো পর্যন্ত মোট আন্তর্জাতিক টি-২০ খেলেছে ১৭২টি; ৬৭ ম্যাচে জয়, ১০১ ম্যাচে হার। বাকি ৪টা ম্যাচ পরিত্যক্ত। জয়ের রেশিও ০.৬৬৩।

এই স্ট্যাটাস এবং স্ট্যাটাসে শো করা স্ট্যাটসগুলো মূলত যারা গতকাল বাংলাদেশ জিতার পর নেদারল্যান্ডসকে একেবারে পাড়ার টিম বানিয়ে দিয়েছেন তাদের জন্য। টি-২০ তে নেদারল্যান্ডসকে আপনারা যতটা পাড়ার টিম মনে করেন ততোটাও আসলে না - বরং বাংলাদেশ, শ্রীলঙ্কা, আফগানিস্তান টাইপ টিম।

সাইফুদ্দীনকে না নিয়ে তানজিম সাকিবকে নেয়ার ফলে ফেইসবুকে এবং মিডিয়া পাড়ায় যারা যুদ্ধ লাগাই দিছিলেন তারা কি এখনো সাইফুদ্দীন...
14/06/2024

সাইফুদ্দীনকে না নিয়ে তানজিম সাকিবকে নেয়ার ফলে ফেইসবুকে এবং মিডিয়া পাড়ায় যারা যুদ্ধ লাগাই দিছিলেন তারা কি এখনো সাইফুদ্দীনের জন্য কান্দেন? সাকিবকে নির্বাকরা দলে রেখেছে বোলিং কোটায়। তাসকিন-মুস্তাফিজ-শরিফুলের মধ্যে কেউ ইনজুরড হলে সাকিব রিপ্লেস করবে, এই চিন্তা থেকেই তাকে দলে রেখেছে।

লিপুর নেতৃত্বাধীন নির্বাচক প্যানেল যে দূরদর্শিতা দেখিয়েছে সেটা প্রশংসনীয়। সাকিব বোলিং অলরাউন্ডার। ৪ ওভার বল করার মতো এবিলিটি তার আছে এবং সবচেয়ে বড় কথা গতি আছে তার বলে, যেটা আমেরিকার পিচে ভালো কাজে দিয়েছে। ব্যাটিং হয়তো এখনো তেমন একটা ভালো না, তবে চেষ্টা করলে ক্যামিও টাইপ ইনিং খেলার সামর্থ্য স্র অর্জন করতে পারবে।

এখন সাকিবকে তো বোলার অথবা বোলিং অলরাউন্ডার বলতে পারছি। কিন্তু সাইফুদ্দীনের ক্ষেত্রে? সে আসলে কি টাইপ প্লেয়ার সেটাই তো ক্লিয়ার না। তাকে সবসময় দেখেছি স্টক বোলার হিসেবে ট্রিট করতে, যেটা সবচেয়ে বেশি করেছে মাশরাফি। কিন্তু সে আসলেও স্টক বোলার কিনা? তাকে দিয়ে টি-২০ তে ৪ ওভার বল করানো মানে প্রতিপক্ষ টিমকে রানের পাহাড় করতে সুযোগ করে দেয়া। তাহলে বোলার হিসেবে দলে খুব বেশি অবদান রাখার সুযোগ তার নেই। ব্যাটিংয়েও তো তেমন কিছু দেখে গেলো না। তাহলে একটা প্লেয়ারকে আপনি একটা ব্যাটসম্যান, বোলার, অলরাউন্ডার এইগুলোর কোনো একটা স্পেসিফিক ক্যাটাগরিতে ফেলতে পারছেন না, তাহলে আপনি কেনো তাকে দলে চাইবেন?

প্লেয়ার না থাকলে সেটা অন্য কথা, কিন্তু সাকিবের মতো নতুন একটা ছেলে আছে যে কিনা ভালো করছে। আপনি তাকে বাদ দিয়ে যে অলরেডি অনেক সুযোগ পেয়েও নিজের উদাসীনতার কারণে নিজের কোনো উন্নতি করতে পারেন নাই তাকে নিতে চাওয়া এটা কতটা যৌক্তিক ছিলো?

জানি, ওই সময় সাইফুদ্দিনের জন্য গলা ফাটানো ফেইসবুক এবং মিডিয়া যোদ্ধা কেউ এখন আর তার পক্ষে কথা বলবে না। আবেগ ওইখানেই শেষ হয়ে গেছে, এখন আবেগ থাকলেও সেটা প্রকাশের সুযোগ তানজিম সাকিব আর রাখে।

[পুনশ্চঃ এখানে বিপিএলের পারফরম্যান্স অগ্রহণযোগ্য]

সাকিব হেইডেনও না, গিলক্রিস্টও না। সাকিব সাকিব-ই। হেইডেন, গিলক্রিস্টরা যেমন নিজেদের আলাদা একটা স্ট্যান্ডার্ড তৈরি করেছে স...
14/06/2024

সাকিব হেইডেনও না, গিলক্রিস্টও না। সাকিব সাকিব-ই। হেইডেন, গিলক্রিস্টরা যেমন নিজেদের আলাদা একটা স্ট্যান্ডার্ড তৈরি করেছে সাকিবও ঠিক তেমনই নিজের একটা আলাদা স্ট্যান্ডার্ড তৈরি করেছে। আরেকটা সাকিব ক্রিকেট বিশ্ব সহজে দেখবে না, সহজে তৈরিও করতে পারবে না।

নিজেকে লাইম লাইটে রাখার জন্য এভাবে বেফাঁস মুখ খোলা সুন্দর দেখাই না। কই, আপনার স্বদেশী শচীন কিংবা গাঙ্গুলি তো এমন বেফাঁস কথা বলেন না। তাদের কি মানুষ ভুলে গেছে, নাকি যাবে? আপনি কেনো এতো ভয়ে থাকেন? তাহলে আপনি কি নিজের স্ট্যান্ডার্ড ক্রিয়েট করতে পারেন নি?

আজকের ম্যাচে শেখ মেহেদীকে প্রয়োজন, নিউ ইয়র্কের এই পিচে ভারতের সাথে সে ভালো করেছিলো। সাউথ আফ্রিকার কুইন্টন ডি কক এবং মিলা...
10/06/2024

আজকের ম্যাচে শেখ মেহেদীকে প্রয়োজন, নিউ ইয়র্কের এই পিচে ভারতের সাথে সে ভালো করেছিলো। সাউথ আফ্রিকার কুইন্টন ডি কক এবং মিলার দুইজনেই লেফট হ্যান্ড ব্যাটসম্যান। এই দুইজনের জন্য মেহেদীকে বেশি করে প্রয়োজন।

শান্ত যেহেতু ক্যাপ্টেন তাকে বাদ দেয়ার সুযোগ নেই, সেক্ষেত্রে সৌম্যকে বাদ দেয়া যেতে পারে৷ কিন্তু বাংলাদেশ একটা ব্যাটিং অপশন কমাবে কিনা সেটাই হচ্ছে আসল কথা।

বাংলাদেশ টিম ম্যানেজমেন্ট হয়তো উইনিং কম্বিনেশন ভাঙতে চাইবে না, খুব বেশি হলে শরিফুল ব্যাক করতে পারে তানজিম সাকিবের জায়গায়। শরিফুলের ব্যাক করাটাও খুব গুরুত্বপূর্ণ।

কিন্তু উইনিং কম্বিনেশনের চিন্তা না করে টেকনিক্যাল দিকটা চিন্তা করে যদি শেখ মেহেদীকে ইনক্লুড করে তাহলে এমন সাহসী সিদ্ধান্তের জন্য হেরে গেলেও অবশ্যই প্রশংসা করবো।

দেখা যাক বাংলাদেশের টিম ম্যানেজমেন্ট ট্রেডিশনাল চিন্তাভাবনা থেকে বের হতে পারে কি-না।

মোটামুটি বাংলাদেশ-শ্রীলঙ্কার রিপিটেড ম্যাচ। শুধুমাত্র একজন তৌহিদ হৃদয় এবং মাহমুদউল্লাহ মিসিং ছিলো পাকিস্তানের ব্যাটিংয়ে!...
09/06/2024

মোটামুটি বাংলাদেশ-শ্রীলঙ্কার রিপিটেড ম্যাচ। শুধুমাত্র একজন তৌহিদ হৃদয় এবং মাহমুদউল্লাহ মিসিং ছিলো পাকিস্তানের ব্যাটিংয়ে!

আনপ্রেডিক্টেবল টি-২০ ওয়ার্ল্ডকাপ, যেখানে ১০০ রানের টার্গেটও সহজে চেজেবল না!
08/06/2024

আনপ্রেডিক্টেবল টি-২০ ওয়ার্ল্ডকাপ, যেখানে ১০০ রানের টার্গেটও সহজে চেজেবল না!

"Nail-biter" match! 🙂
08/06/2024

"Nail-biter" match! 🙂

ছবিটা দেখে বোঝায় যাচ্ছে হাথুরুসিংহা মাহমুদুউল্লাহর উপর অত্যন্ত খুশি। আবার মাহমুদুল্লাহও হাথুরুর প্রতি কৃতজ্ঞ। এমনটাই হওয়...
08/06/2024

ছবিটা দেখে বোঝায় যাচ্ছে হাথুরুসিংহা মাহমুদুউল্লাহর উপর অত্যন্ত খুশি। আবার মাহমুদুল্লাহও হাথুরুর প্রতি কৃতজ্ঞ। এমনটাই হওয়ার কথা, কারণ মাহমুদউল্লার নিজেকে পরিবর্তন করে দলে ফিরে আসার পেছনে হাথুরুরও অবদান আছে।

মাহমুদউল্লাহ রিয়াদের দল থেকে বাদ পড়াটা ছিলো যৌক্তিক। দলে ফিরতে হলে তাকে কি কি করতে হবে সেটার ইন্সট্রাকশন এই হাথুরুসিংহায় দিয়েছিলেন। অর্থাৎ বাদ পড়ার পর তাকে ফিরে আসার মন্ত্র দিয়েই দিয়েছিলেন হাথুরু। মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ এরপর ফিরেছেন, চেকলিস্টের সব খালিঘরে ঠিক মার্ক দিয়ে তারপর ফিরেছেন। ফিরে আসার জন্য তিনি কোনো মিডিয়ায় একটা কথাও বলেন নি; শুধু নিজের কাজটা ঠিকমতো করে গিয়েছেন, নিজের সাথেই করেছেন যুদ্ধ, যথেষ্ট পরিশ্রম করেছেন। অবশেষে ফলাফল পেয়েছেন।

হাথুরুকে নিয়ে অনেক সমালোচনা হয়, কিন্তু এই যে মাহমুদউল্লার ফিরে আসার গল্প এটার জন্য কিছুটা ক্রেডিট হাথুরুও ডিজার্ভ করে। কারণ এই লোকটায় মাহমুদউল্লাহর জেদ বাড়িয়ে দিয়েছিলেন, সেই জেদ থেকেই নিজেকে পরিবর্তন করে মাহমুদউল্লার কাম ব্যক।

হাথুরু এরকম চেকলিস্ট আরো কয়েকজন প্লেয়ারকে দিয়েছেন। কারো সেটা ইগো-তে লেগেছে, আর কেউ কেউ অলসতার কারণে সেই চেকলিস্ট পূরণ করতে পারেন নি।

#বাংলাদেশ Mahmudullah Riyad

Address

Chittagong
4370

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Game On Flick posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share

Category