10/03/2026
লাইলাতুল কদর বা কদরের রাত হলো অত্যন্ত মহিমান্বিত একটি রাত, যা হাজার মাসের চেয়েও উত্তম। নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এই রাতের গুরুত্ব এবং ইবাদত সম্পর্কে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশনা দিয়েছেন!
রাসূলুল্লাহ (সা.) কদরের রাত সম্পর্কে যা বলেছেন, তার মূল বিষয়গুলো নিচে তুলে ধরা হলো:
১. শেষ দশকে অনুসন্ধান করাঃ
নবীজি (সা.) কদরের রাতটিকে রমজানের শেষ দশকে খুঁজতে বলেছেন। তিনি বলেন:
> "তোমরা রমজানের শেষ দশকে লাইলাতুল কদর অনুসন্ধান করো।" (সহীহ বুখারী)
>
২. বেজোড় রাতগুলোতে তালাশ করাঃ
নির্দিষ্ট করে কোনো একটি রাতের কথা না বলে রাসূল (সা.) বেজোড় রাতগুলোর ওপর বেশি জোর দিয়েছেন। তিনি বলেন:
> "তোমরা রমজানের শেষ দশকের বেজোড় রাতগুলোতে লাইলাতুল কদর তালাশ করো।" (সহীহ বুখারী)
> (অর্থাৎ ২১, ২৩, ২৫, ২৭ ও ২৯তম রাত)
>
৩. কদরের রাতে ইবাদতের ফজিলতঃ
এই রাতে ইবাদত করলে পূর্বের সব গুনাহ মাফ হয়ে যায়। রাসূল (সা.) বলেছেন:
> "যে ব্যক্তি ঈমানের সাথে এবং সওয়াব লাভের আশায় কদরের রাতে ইবাদত করবে, তার পূর্ববর্তী সকল গুনাহ ক্ষমা করে দেওয়া হবে।" (সহীহ বুখারী ও মুসলিম)
>
৪. আম্মাজান আয়েশা (রা.)-কে শেখানো দোয়াঃ
হযরত আয়েশা (রা.) যখন নবীজিকে জিজ্ঞাসা করলেন যে, কদরের রাত পেলে তিনি কী দোয়া করবেন, তখন নবীজি (সা.) এই দোয়াটি শিখিয়েছিলেন:
>👉 "আল্লাহুম্মা ইন্নাকা আফুউন, তুহিব্বুল আফওয়া ফা'ফু আন্নি।"👈
> (অর্থ: হে আল্লাহ! আপনি ক্ষমাশীল, আপনি ক্ষমা করতে ভালোবাসেন; অতএব আমাকে ক্ষমা করুন।)
>
৫. গাফেল না হওয়াঃ
নবীজি (সা.) এই রাতের কল্যাণ থেকে বঞ্চিত হওয়াকে চরম দুর্ভাগ্য হিসেবে গণ্য করেছেন। তিনি বলেছেন, যে ব্যক্তি এই রাতের কল্যাণ থেকে বঞ্চিত হলো, সে মূলত সকল কল্যাণ থেকেই বঞ্চিত হলো।
সংক্ষেপে করণীয়:
* শেষ দশ দিনের প্রতি রাতে ইবাদত করা (বিশেষ করে বেজোড় রাতগুলো)।
* বেশি বেশি তওবা ও ইস্তেগফার করা।
* কুরআন তিলাওয়াত ও নফল নামাজ পড়া।
゚viralシviralシfypシ゚viralシalシ