My head is, ever risen.

My head is, ever risen. Good.

বৃটিশ আমলে, লুটেরা ইংরেজরা সব নিয়ে গেল, উলঙ্গ রেখে গেল শুধু এই দেশটাকে। ১৯৪৭ থেকে ১৯৭১ সাল, মানে ২৪ বছর ( ২ যুগ ) সময়ে, ...
09/12/2025

বৃটিশ আমলে, লুটেরা ইংরেজরা সব নিয়ে গেল, উলঙ্গ রেখে গেল শুধু এই দেশটাকে। ১৯৪৭ থেকে ১৯৭১ সাল, মানে ২৪ বছর ( ২ যুগ ) সময়ে, কৃষি-প্রধান এই দেশে তখন এখনকার মতো বৈদেশিক আয় ছিলোনা। বৃটিশ কর্তৃক লুটপাটে উলংগ এই বাংলাদেশে, তখন কি ক'রে নিম্নে বর্ণিত স্হাপনা নির্মাণ হ'লো, তাহা আমার বোধগম্য নয়। যতগুলি বৈষম্যের জন্যে, ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধ হয়েছিলো ও ৩০ লক্ষ মানুষ শহীদ হয় ও অগণিত নারী নির্যাতিতা হয়।

তার অনেক গুলি বৈষম্যের মধ্যে উল্লেখযোগ্য ছিলোঃ

(১) 'শিক্ষা' ক্ষেত্রে বৈষম্যের কথা বলা হ'য়েছে :

ফৌজদারহাট ও টাঙ্গাইলের মির্জাপুর ক্যাডেট কলেজ, রাজশাহী ও চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় এবং বাংলা, তিতুমীর (জিন্নাহ্), তেঁজগাও, নটরডেম, রেসিডেন্সিয়াল মডেল, সেন্ট জোসেফ, শাহীন, আদমজী ক্যান্টনমেন্ট ও টেকনিক্যাল কলেজ (মিরপুর), পিজি হাসপাতাল ইত্যাদি অনেক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান পাকিস্তান আমলে নির্মিত ও চালু হয়।

(২) 'চিকিৎসা' ক্ষেত্রে বৈষম্যের কথা বলা হ'য়েছে :

রংপুর, বরিশাল, রাজশাহী, সিলেট, চট্রগ্রাম মেডিকেল কলেজ পাকিস্তান আমলে নির্মিত ও চালু হয়।

(৩) আরেক বৈষম্য হচ্ছে 'কর্মসংস্থান' :

মেজর জিয়া মেজর ছিলেন, কর্ণেল ওসমানী কর্ণেল ছিলেন। ৭ জন বীরশ্রেষ্ঠ সহ সবগুলো বীর উত্তম ও বিক্রমই ছিলো সরকারী চাকুরীরত।
কর্ণফুলি পেপার মিল, আদমজী জুট মিল, হাজারীবাগে সরকারী উদ্যোগে ট্যানারী প্রভৃতি শিল্প গ'ড়ে উঠেছিলো পাকিস্তান আমলেই আর ঠিক তখন থেকেই শুরু হয় রপ্তানী খাতে, বৈদেশিক মুদ্রা বা, রেমিট্যান্স আসার এই চলন।

(৪) টাকা লুটপাট প্রসঙ্গে বৈষম্য :

প্রথম সারির উল্লেখযোগ্য অল্প কিছুর মধ্যে পূবালী ব্যাংক ( সাবেক বা, পূর্ব নাম ইস্টার্ন মার্কেন্টাইল ব্যাংক ), অগ্রনী ব্যাংক ( সাবেক বা, পূর্ব নাম 'হাবিব ব্যাংক' এবং সাবেক 'কমার্স ব্যাংক' একত্রে ), সোনালী ব্যাংক ( সাবেক বা, পূর্ব নাম 'ন্যাশনাল ব্যাংক অব পাকিস্তান', 'ব্যাংক অব বাহওয়ালপুর' এবং 'প্রিমিয়ার ব্যাংক' একত্রে ), জনতা ব্যাংক ( সাবেক বা, পূর্ব নাম 'ইউনাইটেড ব্যাংক লিমিটেড' এবং 'ইউনিয়ন ব্যাংক' একত্রে ), বাংলাদেশ টেলিভিশন, কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশন, ঢাকা গভঃ নিউ মার্কেট, জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররম, ঢাকা-আরিচা মহাসড়ক, আজও বিশ্বের সর্ব বৃহৎ ব্যায়বহুল জাতীয় সংসদ ভবন ইত্যাদি পাকিস্তান আমলেই নির্মিত হয়। এগুলি ছাড়াও আরো অনেক অনেক প্রতিষ্ঠান আছে যাহার বর্ণনা লিখতে গেলে এই প্রতিবেদনটি আরো কয়েক গুন বড় হ'য়ে যাবে। ১৯৪৭ থেকে ১৯৭১ পর্যন্ত মাত্র এই ২৪ বছরে, তৎকালীন কৃষি প্রধান দেশ থেকে কত টাকা আয়কর অর্জনের মাধ্যমে উপরে বর্ণিত প্রতিষ্ঠান সহ আরো অনেক প্রতিষ্ঠান নির্মান করলো তাও আবার অসন্তুষ্ট বিরোধী দলের নানান দফা দাবী প্যারার মধ্যে ???

সূত্র:
'গুগল' থেকে উপরে উল্লেখিত প্রতিটি প্রতিষ্ঠান তৈরীর সময় কালের ইতিহাস ( উইকিপিডিয়া ) বের ক'রে ও পড়ে এই তথ্য সমূহ সংগ্রহ করা হ'য়েছে।

যদি পাকিস্তান সরকার এই সকল প্রতিষ্ঠানে কোটা ভিত্তিতে পশ্চিম পাকিস্তানের লোক নিয়োগ ক'রতে চাইতো, তাহলে এই সকল প্রতিষ্ঠান পশ্চিম পাকিস্তানে নির্মাণ ক'রলে তাদের বাধা দেওয়ারও কেউ ছিলোনা বা, কারণও ছিলোনা। কারণ পূর্ব পাকিস্তান থেকে অর্জিত আয়ে, এত এত এত প্রতিষ্ঠান নির্মাণ সম্ভব ছিলো না, যদি না পশ্চিম পাকিস্তানের অর্জিত টাকা এই দেশে ব্যয় করা না হ'তো।

আরেকটি রিউমার তখন ছড়ানো হ'য়েছিলো যে, তখনকার সময়ে বাংলাদেশ থেকে 'শ্রম সময়' ব্যয় ক'রে নানান পণ্যাদি পাকিস্তানে নিয়ে গিয়ে, পাকিস্তানের সিল মেরে, আবার তা' বাংলাদেশে এনে, বেশী দামে বিক্রি করা হ'তো। এখন প্রশ্ন হ'লো, "যদি সিল মারারই প্রয়োজন ছিলো তাহ'লে, পণ্য নিয়ে গিয়ে সিল কেন মারবে ?, সিল তো' এতো ভারী কোনও বস্তু নয় ! সিল কেন বাংলাদেশে নিয়ে এসে পণ্যের উপর মারা গেলোনা ??"

এমন কোন রেকর্ড নাই যে, গ্রামে বা, শহরে স্হানীয় সরকার ব্যাবস্হার কোন চেয়ারম্যান ও মেম্বারে পশ্চিম পাকিস্তানের লোক ছিলনা। তখন এ দেশের মানুষই এই দেশটিকে শাসন ক'রতো।

রিমোট কন্ট্রোলের প্রসংগে পরেই আসছি। তখনকার সংঘাত ছিলো সরকারী দল এবং বিরোধী দলের মধ্যে। তবে, পরে তা' এই স্বাধীনতার ঘোষণা প্রদানের কারণে আরো বেশী হিংস্রতা লাভ করে। তৎকালীন সময়ে সরকারী ও বেসরকারী সকল অফিস, আদালত ও বাজারই চালু ছিলো,খাদ্য পণ্য এবং পরিবহনও চালু ছিলো। পুরাতন ঢাকার তাঁতীবাজার, শাঁখারী বাজার এই এলাকায় গিয়ে আমি অনেক অনেক হিন্দুদের কাছ থেকে কথা ব'লে ও শুনে জানতে পারি যে, '৭১ সালে তারা সবাই এখানেই ছিলো, এবং দেশ ত্যাগ ক'রে পালিয়ে গিয়ে, আবার ফিরে এসেছে - এমনটি হয়নি।৷

'৭১-এ যতগুলি দফা ছিলো, তার মধ্যে রাষ্ট্রপ্রধানের পদত্যাগ বা, আলাদা রাষ্ট্র প্রাপ্তির কোনও দফা ছিলনা, দাবী আদায়ে ৭ই মার্চের ভাষণেও বর্তমানের মতো অসহযোগ আন্দোলনের ডাক দেওয়া হয় :
( plan -1) যারা দফা গুলো দিলো, তাদের অন্যতম সমন্নয়ক জেলে ছিল, বাকীরাও ছিলো পলাতক বা, এক কথায় তারা চুপ ছিল।
( plan-2 ) পাকিস্তান সেনাবাহিনীর মেজর জিয়া, কেন এবং কার অনুপ্রেরণায় আলাদা একটি রাষ্ট্র হিসাবে 'দেশ স্বাধীন' ব'লে ঘোষণাটি দিলেন ?
কিভাবে পাসপোর্ট ও ভিসা ছাড়াই সকল সেক্টর কমান্ডারগণ ভারতে অনুপ্রবেশ ক'রতে পারলো এবং ট্রেনিং ক্যাম্পও চালু ক'রলো ?
সাধারণ জনগনের কাছে কখনোই অশ্ব, রসদ ও গোলাবারুদ থাকেনা। মুক্তিযোদ্ধাগন এইসব ভারী অস্ত্রসমূহ তাহ'লে এতো দ্রুত পেলো কোথায় ?
আর,
যুদ্ধের পর 'বংগবীর' কাদের সিদ্দিকীসহ সবাই যখন তাদের অস্ত্রাদি জমা দিলো, সেই সব অস্ত্র আবার হঠাৎ ফেরত গেল ঠিক কোথায় ?
কেন, ভারত - এতটা উৎসাহিত ছিলো ?
কেন, ভারত - ১৬ই ডিসেম্বরে 'বিজয় দিবস' পালন করে ?

ভৌগলিক দিক দিয়ে ৩ দিকে ভারত এবং তার মাঝখানে বাংলাদেশ, পশ্চিম পাকিস্তান থেকে পূর্ব পাকিস্তান আলাদা হলে কে বেশী লাভবান হবে ?
পাকিস্তান, না-কি ভারত ?

ধরুন,
গাবতলি থেকে সাভার আসতে সময় লাগে ২০ মিনিট এবং বাসভাড়াও ২০ টাকা।
যদি আমিনবাজারের ব্রীজটি ভেংগে যায় তাহলে বেড়িবাঁধ দিয়ে আশুলিয়া হ'য়ে সাভার বা, বেড়িবাঁধ দিয়ে ভাকুর্তা হেমায়েতপুর হ'য়ে সাভার আসতে ভাড়া এবং সময় লাগবে কয়েকগুন বেশী এবং পচনশীল কাঁচা মালের জন্যেও ঝুঁকি পুর্ণ। রোড সুবিধা পেয়ে বাংলাদেশ ভারতের দখলে নিয়ন্ত্রণে আসলে, ভারতে পণ্যের দাম কমা স্বাভাবিক, এতে জনগণ খুশী আর, তাদের সরকারও খুশী।

রচনা :
সরকার মোহাম্মদ আবু তাসেক।

🔴১৯৭১সালের ২১ নভেম্বর বাংলাদেশ মুক্তিবাহিনী ও ভারতীয় সেনাবাহিনীর সমন্বয়ে গঠিত হয় যৌথবাহিনী ( Allied forces) , যা যুদ্...
09/12/2025

🔴১৯৭১সালের ২১ নভেম্বর বাংলাদেশ মুক্তিবাহিনী ও ভারতীয় সেনাবাহিনীর সমন্বয়ে গঠিত হয় যৌথবাহিনী ( Allied forces) , যা যুদ্ধক্ষেত্রের একটি কৌশল। বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের যুদ্ধ শুধু পাকিস্তানের বিরুদ্ধে ছিলো না।এই যুদ্ধে পাকিস্তানের পাশে অস্ত্র ও অর্থ নিয়ে দাঁড়িয়েছিল পৃথিবীর দুই পরাশক্তি আমেরিকা ও চীন।
বাংলাদেশের পক্ষে কখনোই একা এই যুদ্ধে জেতা সম্ভব ছিলো না। বাংলাদেশ ও ভারতের মিত্রবাহিনীর নেতৃত্বে ছিলেন লেফটেন্যান্ট জেনারেল জগজিৎ সিং অরোরা। তাই পাকিস্তান অরোরার কাছে আত্মসমর্পণ করেছে প্রটোকল অনুযায়ী।

🔴 ১৯৭১ সালের ১৬ ই ডিসেম্বর পাকিস্তানীদের আত্মসমর্পণের দলিল ( INSTRUMENT OF SURRENDAR) এ স্পষ্ট লেখা আছে, " পূর্ব পাকিস্তান ( তথা বাংলাদেশ) এর সামরিক কমান্ড লেফটেন্যান্ট জেনারেল অরোরার নির্দেশের অধীন হবে। নির্দেশ না মানলে আত্মসমর্পণের শর্তের লঙ্ঘন বলে গণ্য হবে এবং তার ফলে যুদ্ধের স্বীকৃত আইন ও রীতি অনুযায়ী ব্যবস্থা নেয়া হবে। লেফটেন্যান্ট - জেনারেল জগজিৎ সিং অরোরার সিদ্ধান্ত হবে চূড়ান্ত।

🔴 আর্মি প্রোটোকল বিষয়ে যাদের ধারণা আছে তারা অন্তত বাংলাদেশের গাণ্ডুদের প্রোপাগান্ডায় বিভ্রান্ত হবেন না। কর্ণেল ওসমানী আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত কোন দেশের সেনাপ্রধান ছিলেন না। তিনি তখনও জেনারেল হননি। অপরদিকে পাকিস্তানের লেফটেন্যান্ট জেনারেল নিয়াজীর পক্ষে কখনোই একজন কর্ণেলের কাছে আত্মসমর্পণ করা সম্ভব নয় সেনাবাহিনীর প্রোটোকল অনুযায়ী। মুক্তিযুদ্ধের সময় তাজউদ্দীন আহমদ কর্ণেল ওসমানীকে প্রধান সেনাপতি হিসেবে নিয়োগ দিয়েছিলেন। সেনাবাহিনীর উপ সেনাপ্রধান ছিলেন এ কে খন্দকার। পাকিস্তানের আত্মসমর্পণের সময় সেনাবাহিনীর উপপ্রধান উপস্থিত থাকলেও সিলেটে থাকার কারণে উপস্থিত থাকতে পারেননি কর্ণেল ওসমানী। এই প্রসঙ্গে জ্যাকব বলেন ,

" There is a lot of propaganda about it. The fact is , he was in Sylhet.He was in a helicopter that was shot at by the Pakistan army.I had ordered everyone on the Bangladesh side to stay Kolkata.But he rood the chopper.got shot and couldn't attend the ceremony.Its not our fault.He should have been there.We wanted him there .Khandker (deputy commander -in - chief AK khandker ) attend in his absence."
উপরোল্লেখিত কথাগুলো না বুঝলে নিজ নিজ দায়িত্বে গুগল ট্রান্সলেট করে নিবেন।

এই প্রসঙ্গে ওসমানী বলেন, " আন্তর্জাতিক রীতিনীতি অনুযায়ী পাকিস্তানের সেনাবাহিনী আমার কাছে আত্মসমর্পণ করতে পারে না।এটা দেমাগের বিষয় নয়।এটা প্রটোকলের ব্যাপার।

🔴 ভারতীয় সেনাবাহিনীর জেনারেল নাগরা নিয়াজীর সেনাবাহিনীকে জেনেভা কনভেনশন অনুযায়ী আত্মসমর্পণ করতে চাপ প্রয়োগ করলে ৯৩ হাজার সৈন্য নিয়ে জেনারেল নিয়াজী লেফটেন্যান্ট জেনারেল জগজিৎ সিং অরোরার কাছে আত্মসমর্পণ করতে রাজি হয়েছেন।

🔴১৯৭১ সালের ১৬ ই ডিসেম্বর ঢাকা যৌথবাহিনীর নিয়ন্ত্রণে ছিলো। যৌথবাহিনীর প্রধান ছিলেন জগজিৎ সিং অরোরা।তাই ( INSTRUMENT OF SURRENDER) আন্তর্জাতিক নিয়ম মেনে জগজিৎ সিং অরোরার কাছেই হয়েছে।

🔴 ১৯৪৯ সালের জেনেভা কনভেনশন অনুযায়ী যুদ্ধ পরবর্তী মানবিক নিরাপত্তার জন্য ভারতীয় সেনাবাহিনী বাংলাদেশে ছিল।

🔴 হেগ কনভেনশন এর ( International Humanitarian Law) অনুযায়ী যতদিন পর্যন্ত বাংলাদেশে স্বাভাবিক পরিস্থিতি সৃষ্টি না হয় ততদিন পর্যন্ত ভারতীয় সেনাবাহিনী বাংলাদেশে অবস্থান করতে পারে, তা পাঁচ কিংবা দশ বছর থেকে শুরু করে অনির্দিষ্টকালের জন্যও হতে পারতো।

🔴 হেগ কনভেনশন জেনেভা কনভেনশন এর সাথে সম্পর্কিত।এই আওতায় বাংলাদেশের সামরিক অস্ত্র থেকে শুরু করে অর্থনীতি ও খনিজ সম্পদ সব ভারতীয় সেনাবাহিনীর আওতাভুক্ত ছিলো।এটা একটি আন্তর্জাতিক আইন , যা পৃথিবীর প্রায় ১৯৬ টি রাষ্ট্র কর্তৃক স্বীকৃত।

🔴 বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর ভারতীয় সেনাবাহিনী যদি বাংলাদেশ না ছাড়তো তবে যুদ্ধবিধ্বস্ত বাংলাদেশের কিছুই করার ছিলো না। ইউএনও , সার্ক ( International court of justice - ICJ) যেখানেই বাংলাদেশ প্রতিকারের জন্য যেতো সেখানেই হেরে আসতো। কথায় আছে, " দখল যার , ভুমি তাঁর।" এভাবেই আফগানিস্তানে আর কায়দা ও তালেবানের ধুয়ো তুলে আমেরিকার সেনাবাহিনী আফগানিস্তানে দীর্ঘ ২০ বছরের অধিক শাসন করেছে। কোন আন্তর্জাতিক আইনে মামলা করে আফগানিস্তান আমেরিকার একটি চুল পর্যন্ত ছিড়তে পারেনি।এতক্ষণে নিশ্চয়ই আপনি আবেগী দুনিয়া থেকে বের হয়ে এসেছেন।

🔴 বাংলাদেশের প্রায় এক কোটি শরণার্থীর ভরণ - পোষণে ভারতের খরচ হয়েছে ৩৯০ মিলিয়ন পাউন্ড।তারা সহযোগিতার আশ্বাস পেয়েছিল মাত্র ১০৩ পাউন্ড।আর সহযোগিতা পেয়েছে মাত্র ৩০ পাউন্ড।যার ফলে বাংলাদেশের এক কোটি শরণার্থীকে আশ্রয় দিতে গিয়ে মুক্তিযুদ্ধের সময় ভারতের অর্থনীতি কার্যত পঙ্গু হয়ে গিয়েছিল। পৃথিবীর বিভিন্ন রাষ্ট্রে শরণার্থী সমস্যা সমাধানে গিয়ে বারবার হতাশ হয়ে দেশে ফিরছিলেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধী। পৃথিবীর ইতিহাসে এত অধিক সংখ্যক শরণার্থী পৃথিবীর অন্য কোন দেশ দেয়নি।যে উপকার সেদিন প্রতিবেশী হিসেবে ভারত করেছিল তা আমৃত্যু ভুলার নয়। বাংলাদেশের এক কোটি শরণার্থীকে আশ্রয় দিতে গিয়ে ভারতের অর্থনীতির বারোটা বেজে গিয়েছিল। মুক্তিযুদ্ধের দুই মাস আগেও দুই কাপ চা - দুটি দোসা ও দুটি ইডলি তিন টাকায় পাওয়া যেতো তা হয়ে গিয়েছিল আট টাকা। অর্থাৎ দ্রব্যমূল্যের দাম বেড়ে গিয়েছিল দ্বিগুণেরও বেশি। এরপরও একদল অকৃতজ্ঞ পাকিস্তান প্রেমী ভারত বিদ্বেষের ঘ্রাণ খুঁজে।শুধু শরণার্থীদের ভরণ- পোষণ ও চিকিৎসার জন্য ভারত সরকারের ব্যয় হয়েছিল ১৭৬ মিলিয়ন মার্কিন ডলার। ভারতের এই অর্থ বাংলাদেশ ফিরিয়ে দিয়েছে এমন নজির কোথাও দেখাতে পারবেন? তৎকালীন ১৭৬ মিলিয়ন মার্কিন ডলার আজকের বাজারে কত তা কল্পনা করতে পারবেন? শুধুমাত্র বাংলাদেশের শরণার্থীদের জন্য বিশ্বব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী তৎকালীন ৭০০ মিলিয়ন ডলার খরচ করেছে ভারত সরকার, যা আজকের বাজারে প্রায় ৫.৫ বিলিয়ন ডলার। ভারতকে এই অর্থ কি ফিরিয়ে দিয়েছে বাংলাদেশ?

🔴 আরাকানের রোহিঙ্গাদের প্রতিবেশী হয়েও ২০১৭ সালে ভারত যে আশ্রয় দেয়নি ঠিক একই কায়দায় বাংলাদেশের শরণার্থীদের যদি ভারত আশ্রয় না দিতো তবে পৃথিবীর কোন দেশ ভারতের চুল ছিড়তো। ভারতের মানবিকতা কিছু বাঙালি দূর্বলতা ভেবে গত ৫৫ বছর ধরে পটুতে আঙ্গুল দিয়ে পাকিস্তান জিন্দাবাদ দেয়ার চেষ্টা করে যাচ্ছে যা পুরাই হাস্যকর।

🔴 বাংলাদেশের পক্ষে মুক্তিযুদ্ধ করতে গিয়ে ভারতীয় বিমান বাহিনীর অসংখ্য যুদ্ধ বিমান , ট্যাঙ্ক, এমনকি সাবমেরিন পর্যন্ত ধ্বংস হয়েছে। তৎকালীন সময়ে গড়ে ২০ হাজার মুক্তিযোদ্ধার জন্য ভারত সরকার ১০০ মিলিয়ন ডলার করে খরচ করেছে। প্রতিদিন বাংলাদেশের এক কোটি শরণার্থীকে চিকিৎসা সেবা দিতে কাজ করতো ভারতের ১৭ হাজার চিকিৎসক।২০১০ সালে ফাঁস হওয়া মার্কিন নথিতে দেখা যায়, বাংলাদেশ স্বাধীনের পরে শিশুদের জন্য দুধ, চিনি, নুন ও ওষুধ সহ ৩৪ মিলিয়ন ডলার সাহায্য পাঠায় ভারত ।
বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর থেকে গত ৫৫ বছরে ভারত থেকে বাংলাদেশ সর্বমোট ১২২.৪৭২ বিলিয়ন ডলার সহযোগিতা পেয়েছে।২০১৬ সালে বাংলাদেশের রেল , সড়ক ও অবকাঠামো খাতে ভারত ৮ বিলিয়ন মার্কিন ডলার সহযোগিতা করেছে।আর এখন ইউনূস ডলারের জন্য বিশ্বব্যাংকের কাছে ভিক্ষা করছে।জবাবে বিশ্বব্যাংক বলেছে, " নির্বাচিত সরকার ছাড়া ইউনূসকে আর কোন ঋণ দেয়া হবে না।" মাথায় মগজ না থাকলে মুখে ফডর ফডর করে বহু কিছু বলা যায় কিন্তু রাষ্ট্র চালানো এত সহজ নয়।

🔴 বঙ্গবন্ধু ও ইন্দিরা গান্ধীর সহযোগিতায় বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ ও বঙ্গবন্ধুকে সম্মান জানিয়ে তিন মাসেরও কম সময়ে ভারতীয় সেনাবাহিনী বাংলাদেশ ছেড়ে চিরদিনের জন্য চলে গিয়েছে। বঙ্গবন্ধু ও ইন্দিরা গান্ধীর এই সফলতা সারা বিশ্বে একটি নজীর স্থাপন করেছে। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় স্বাধীন হওয়া জাপানে এখনও আমেরিকার সামরিক ঘাঁটি রয়েছে।১৯৪৫ সালে জাপান আত্মসমর্পণ করার প্রায় ৭ বছর পর ১৯৫২ সালে জাপান একটি স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেছিল। মুখে ভারত বিদ্বেষী বড় বড় গালগল্প প্রচার করা যায় কিন্তু স্বাধীনতা অর্জন ও স্বাধীনতা রক্ষা দুটোই খুব কঠিন বিষয়। সুদানের দিকে তাকালেই অনেক কিছু পরিস্কার হয়ে যাবে। পৃথিবীর ইতিহাসে ভারত যেভাবে বাংলাদেশকে সহযোগিতা করেছে পৃথিবীর অন্য কোন দেশ আর কোন দেশকে এইভাবে সহযোগিতা করার নজির এই পৃথিবীতে আর একটিও নেই। আর যেসব আহম্মক বলে , মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে বাংলাদেশেকে ভারতের অঙ্গরাজ্য বাননো হয়েছে তাদের বলবো , ১৯৬৫ সালের পাক - ভারত যুদ্ধের ৫ ই সেপ্টেম্বরের ইতিহাস পড়ে দেখ। সেদিন বাংলাদেশকে অরক্ষিত রেখে সকল পাকিস্তানী সৈন্যরা পাকিস্তান চলে গিয়েছিল। সেইদিন ইচ্ছে করলেই চিরদিনের জন্য ভারত বাংলাদেশকে দখল করে নিতে পারতো। কিন্তু ভারত কখনোই তা করেনি। ভারতের মহানুভবতাকে দুর্বলতা ভাবলে বাংলাদেশের ক্ষতি ছাড়া আর কোন লাভ নেই। এসব আহম্মকরা না বুঝলেও সারা বিশ্ব বুঝে।

🔴ক্যাকটাস ফিঞ্চ ডায়েরি 🔴
সত্য সবসময় সুন্দর
লুসিড ড্রিম
০৮-১২-২০২৫

আজ থেকে বহু বছর আগে চার্লস ডারউইনের " অন দি অরিজিন অফ স্পিসিস" বইটি পড়ার পর ধর্ম দেবতাদের উপর আমার বিশ্বাস উঠে গিয়েছিল...
22/09/2025

আজ থেকে বহু বছর আগে চার্লস ডারউইনের " অন দি অরিজিন অফ স্পিসিস" বইটি পড়ার পর ধর্ম দেবতাদের উপর আমার বিশ্বাস উঠে গিয়েছিল। মনের মধ্যে তখন থেকেই অসংখ্য প্রশ্ন জেগেছে।আমার প্রশ্নের উত্তর দিতে গিয়ে রিচার্ড ডকিন্স তার " সেলফিশ জিন" এর ২১ নম্বর পৃষ্ঠায় বলেছেন, " সেলফিশ জিনের তত্বটাই হচ্ছে ডারউইনের তত্ত্ব। ডারউইন বেঁচে থাকলে সেলফিশ জিন পড়ে তার ন্যাচারাল সিলেকশন তাৎক্ষণিকভাবে শনাক্ত করতে পারতেন এবং তৃপ্তিবোধ করতেন। " মানব শরীর নিয়ে আমার মনের অজানা এক গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নের উত্তর হচ্ছে সেলফিশ জিন।

কিছু কাঠমোল্লা ছোটবেলায় আমাদের ভুতের গল্প পড়িয়ে ঘুম পাড়াতে চাইতো। রাক্ষস ও পেত্নীর ভয়ে আমরা ঘুমিয়ে যেতাম।বড় হতে হতে জানলাম ভুত ও প্রেত বলতে আসলে কিছুই নেই। আমাদের মনে ভয়ের খোরাক তৈরি করতে কিছু ধর্মগ্রন্থ এসব কাল্পনিক অবতারের গল্পের অবতারণা করেছিল। আমাদের কখনোই শেখানো হয়নি শিম্পাঞ্জি ও মানুষ বিবর্তনের ইতিহাসের ৯৯.৫ শতাংশ ভাগাভাগি করে।এই মহাবিশ্বের এখন পর্যন্ত সবচেয়ে বুদ্ধিমান প্রাণী হচ্ছে মানুষ। মানুষের চেয়ে বুদ্ধিমান কোন প্রাণী মহাবিশ্বের কোন গ্রহেই মিলেনি। মানুষ পৃথিবীতে শুধু ধর্মগ্রন্থ তৈরি করেনি , পৃথিবীর আইন কানুন সব মানুষের তৈরি। যদিও কিছু মানুষ এগুলোকে ঈশ্বরের তৈরি আইন বলে প্রচারের চেষ্টা করেছে। প্রতিটি ধর্মের ইতিহাসের দিকে তাকালেই দেখবেন, এরা প্রায় প্রত্যেকে জ্ঞান ও বিজ্ঞানের বিপক্ষে অবস্থান নিয়েছে।

১৯৭৪ সালে কবি দাউদ হায়দারের " কালো সূর্যের কালো জোস্নায় কালো বন্যায়" কবিতাটি নিষিদ্ধ করে দাউদ হায়দারকে হত্যা করতে চাওয়া হয়। ধর্ম এতোই ঠুনকো যে মাত্র একটা কবিতা লেখার অপরাধে একজন মানুষকে হত্যা করতে হবে ?

১৯৯৩ সালে প্রকাশনার মাত্র ছয় মাসের মাথায় তসলিমা নাসরিনের " লজ্জা " বইটি নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয় এবং আজ প্রায় ৩২ বছর ধরে তসলিমা নাসরিন একজন নির্বাসিত লেখিকা।তার কল্লা কাটা ইসলাম ধর্মে যায়েয হয়ে গেছে!

১৯৯৫ সালে হুমায়ূন আজাদের " নারী " বইটিকে ইসলাম ধর্ম ও ধর্ম বিদ্বেষী আখ্যা দিয়ে নিষিদ্ধ করা হয় ও পরবর্তীতে তাকে নৃশংসভাবে হত্যা করা হয়।

২০০৩ সালে তসলিমা নাসরিনের " ক" উপন্যাসটিও নিষিদ্ধ করা হয়। ইসলাম ধর্মের অনুভুতিতে আঘাত দেওয়ার জন্য বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলামের বেশ কয়েকটি বইকে ব্রিটিশ আমলে নিষিদ্ধ করা হয়।কাফের আখ্যা দিয়ে কাজী নজরুল ইসলামের ফাঁসির দাবি তোলা হয়।কাজী নজরুল ইসলামের " বিষের বাঁশি " ও 'প্রলয় শিখা ' এরাই নিষিদ্ধ করেছিল। "বিশ্বাসের ভাইরাস " নামে একটি বই লেখার কারণে তরুণ প্রজন্মের বিজ্ঞানী অভিজিৎকে নির্মমভাবে হত্যা করে জামায়াত শিবির।বই লেখার জন্য মানুষ হত্যা একমাত্র এদের পক্ষেই সম্ভব।

চার্লস ডারউইন, রিচার্ড ডকিন্স ও স্টিফেন হকিং এর মতো বিশ্ববিখ্যাত বিজ্ঞানীদের জন্ম বাংলাদেশে হলে জামায়াত শিবিরের মত উগ্রবাদী সংগঠনগুলো এদের লাশের টুকরো টুকরো করে ফেলতো। এখন আবার সেই ভণ্ডরা কাজী নজরুল ইসলামকে যেমন ইসলামের কবি আখ্যা দিয়ে রাজনীতি করছে , ঠিক তেমনি ধর্মের সাথে বিজ্ঞান মিশিয়ে স্টিফেন হকিং " আ ব্রিফ হিস্ট্রি অফ টাইম " কে কোরআনের সাথে তুলন করে কোরআনকে বিজ্ঞানময় গ্রন্থ প্রমাণে ব্যস্ত হয়ে পড়েছে।অথচ আজ থেকে ২৪ বছর আগে জামায়াত শিবিরের ইসলামপন্থী জঙ্গীরাই স্টিফেন হকিং এর বইটি নিষিদ্ধের দাবি তুলে তাকে হত্যা করতে চেয়েছে।

ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত দেওয়ার জন্য নাগিব মাহফুজের " আওলাদু হারিতোনা " ( আমাদের গলির শিশুরা ) ও সালমান রুশদির " দ্য স্যাটানিক ভার্সেস" ( শয়তানের পদাবলী ) বইটিও মুসলিম দুনিয়ায় নিষিদ্ধ এবং এদের হত্যা করা যায়েয! দিয়ার্ষী আরাগ এর ' দিয়া আরেফিন ' ও দিয়া আরেফিন'র নানীর বাণী ' বইগুলোকে নিষিদ্ধ করা হয়েছে। কিন্তু বিজ্ঞানের ভুল ব্যাখা দেওয়া আরিফ আজাদের " প্যারাডক্সিকাল সাজিদ" নামক নিম্নমানের বইটি নিষিদ্ধ না করে বরং তারা মাথায় তুলে নাচতেছে। অর্থাৎ যাহাই তাদের পক্ষে যাবে তাই জিন্দাবাদ , আর তাদের বিপক্ষে গেলে তার কল্লা কাটা তাদের জন্য যায়েয। এমন ধর্মের নামে ভণ্ডামি পৃথিবীর আর কোথাও আছে কিনা আমার জানা নেই।

যৌনতা নিয়ে লেখায় জেমস জয়েশ এর বইগুলো পর্যন্ত এই পৃথিবীতে নিষিদ্ধ করা হয়েছে। কাজী নজরুল ইসলাম " আবার তোরা মানুষ হ" লিখেই ধর্ম ব্যাবসায়ীদের পটুতে আগুন ধরিয়ে দিয়েছিলেন। আজ বেঁচে থাকলে মৌলবাদীরা তাকেও হত্যা করতো।অ্যাডলাস হাক্সলি ধর্ম ও গতানুগতিক পরিবার ব্যবস্থার বাইরে গিয়ে " ব্রেভ নিউ ওয়ার্ল্ড" লেখার কারণে তার বইটি আয়ারল্যান্ডে নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয়। পর্নোগ্রাফার আখ্যা দিয়ে ভারতে তার বইটি নিষিদ্ধ করা হয়। অথচ এই উপমহাদেশে সবাই মনে মনে এক একটা পর্নস্টার ছাড়া আর কিছুই নয়। এজন্য ভারতীয় উপমহাদেশ তথা ভারত , পাকিস্তান ও বাংলাদেশে ভন্ড পীরের সাথে সাথে ধর্ষণের সংখ্যাও বেড়েই চলছে। গতকাল ছোট ছোট টপস পড়ে কলেজের মেয়েরা " মিনারেল ওয়াটার" গানটি নিয়ে তার ঘন্টা আমার সামনে নাচলেও একেবারের জন্যও তাদের নাচন দেখে আমার লিঙ্গ দাঁড়ায়নি।আমার জায়গায় জামায়াতের আমীর শফিকুর রহমান হলে দুই সেকেন্ড তার লিঙ্গ দাঁড়িয়ে স্বপ্নদোষ হয়ে যেতো। মগজের ভেতর নোংরামি থাকলে যা হয়। এদের মগজটা জন্ম থেকেই নারী দেহ কল্পনা করতে করতে পচে গেছে। এজন্য বহু সংখ্যক যৌন দাসীর আশায় এরা " হিজাব হিজাব " স্লোগান তুলছে। অথচ আজ থেকে ত্রিশ বছর আগেও আমাদের মা ও বোনেরা শাড়া ও থ্রী পিস পরে নিশ্চিন্তে সারা বাংলাদেশ ঘুরে বেড়িয়েছে। হঠাৎ একদল সিফিলিস ও গণেরিয়ার কাঠমোল্লার আবির্ভাবে আমাদের সাহিত্য ও সংস্কৃতি সব যেন ধ্বংস হতে বসেছে।

নষ্ট রাজনীতিকে ব্যাঙ্গ করে লিখা জর্জ অরওয়েল এর ' অ্যানিমেল ফার্ম ' পর্যন্ত রাশিয়ায় নিষিদ্ধ হয়েছিল।অথচ আজ সারাবিশ্বের রাজনীতির ইতিহাসে অন্যতম একটি জনপ্রিয় বই হচ্ছে অ্যানিমেল ফার্ম। অথচ অ্যানিমেল ফার্মে সামান্য শুকরের কথা বলার কারণে আরব আমিরাতের স্কুলে বইটি নিষিদ্ধ করা হয়েছিল। এছাড়াও পৃথিবীর অন্যতম জনপ্রিয় বই ভ্লাদিমির নবোকভ এর " ললিতা" কামোদ্দীপক হওয়ায় পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে নিষিদ্ধ হয়েছিল। আজ তারাই ললিতার গুণগান গাইছে।১৪ বছর বয়সী বালিকা সেলির ঈশ্বরের কাছে খোলা চিঠি লেখার অপরাধে ১৯৮৩ সালে পুলিৎজার পুরস্কার জেতা বই অ্যালিস ওয়াকারের ' দ্য কালার পার্পল " বইটি পর্যন্ত নিষিদ্ধ হয়েছিল।

আমি ভবিষ্যতে কোন বই লিখলে সেটাও বাংলাদেশে নিষিদ্ধ হবে।এই মানসিক প্রস্তুতি নিয়েই আমি গত কয়েকদিন ধরে লেখা শুরু করেছি।আমি জানি আমার লেখা এই বইটি কোনদিন প্রকাশিত হলে আমার পরিবারের উপরও অমানুষিক নির্যাতন নেমে আসবে। তবুও " সত্য সবসময় সুন্দর " প্রচার করা আমার দায়িত্ব।অ্যাডিনবরা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ভাষাবিজ্ঞনের উপর পিএইচডি ডিগ্রি নিয়ে আসা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ছাত্র ও শিক্ষক হুমায়ূন আজাদের "নারী " বইটি যেখানে মৌলবাদীরা হজম করতে না পেরে তাকে নির্মমভাবে হত্যা করেছে তাতে অদূর ভবিষ্যতে কোনদিন আমার " সত্য সবসময় সুন্দর" বইটি প্রকাশিত হলে বাংলাদেশের মৌলবাদের পটুতে আগুন জ্বলবে এতে কোন সন্দেহই নেই। আমৃত্যু মৌলবাদ এর পটুতে আমরা আগুন জ্বালাবোই দেশপ্রেমের আলোর মশাল হয়ে। বই প্রকাশিত হোক বা না হোক মানুষ ও মানবতার জন্য আমাদের এই যুদ্ধ মৃত্যুর শেষ নিঃশ্বাস পর্যন্ত চলবে।।

সত্য সবসময় সুন্দর।
লুসিড ড্রিম
১৪-০৯-২০২৫

CFFB*

পোস্টটি সংগৃহিত

#ধর্মান্ধতা

ড.মোহাম্মদ ইউনুস! বাংলার ইতিহাসে গত ৯০ বছরে জন্ম নেয়া একমাত্র গ্লোবাল সেলিব্রেটি হলেন প্রফেসর মোহাম্মদ ইউনুস। শতকরা ৮৩% ...
02/10/2024

ড.মোহাম্মদ ইউনুস!
বাংলার ইতিহাসে গত ৯০ বছরে জন্ম নেয়া একমাত্র গ্লোবাল সেলিব্রেটি হলেন প্রফেসর মোহাম্মদ ইউনুস। শতকরা ৮৩% লোকই জানেন না কে ড.মোহাম্মদ ইউনুস!

পৃথিবীতে সবচেয়ে সম্মানজনক পুরস্কার নোবেল, সেটা নিশ্চয়ই জানেন? সম্মানসূচক হিসেবে নোবেলের পরে কোন পুরস্কারের অবস্থান তা কি জানেন? সম্মানসূচকে,

১.নোবেল
২.অ্যামেরিকার প্রসিডেন্সিয়াল এওয়ার্ড
৩.মার্কিন কংগ্রেশনাল এওয়ার্ড

পৃথিবীর ইতিহাসে উপরের ৩ টা পুরস্কারই জিতেছেন এমন মানুষ আছে বা ছিলেন ১২ জন!বুঝতেই পারছেন পরের লাইনটা কি হবে,

হ্যা, সেই ১২ জনের একজন প্রফেসর ড.মোহাম্মদ ইউনুস 🧡

মেসিকে নিশ্চয়ই চিনেন! যদি বলি এই লিওনেল মেসি লাইনে দাড়িয়ে ছিলেন প্রফেসর ডা ইউনুসের জন্য,বিশ্বাস হয়,না হলেও সত্য!

'অলিম্পিক গেমস' পৃথিবীর সম্মানজনক প্রতিযোগিতার একটি। আর অলিম্পিকে সবচেয়ে সম্মানিত মেহমান হলেন মশাল বাহক, জাপানে অনুষ্ঠিত ২০২০ অলিম্পিকে মশাল বাহক ছিলেন প্রফেসর ড. মোহাম্মদ ইউনুস💖

বর্তমানে বিশ্বের লিডিং ইন্টালেকচুয়ালের যেকোনো তালিকায় টপ ১০ এর ভিতরে থাকেন ডা.ইউনুস। মুসলিম বিশ্বে নোবেল বিজয়ী ইউনুসের বিকল্প খুজে পাওয়া টা খুবি কঠিন,কিন্তু তিনি আমাদের বাংলাদেশের! এদেশে আর এমন ইউনুস জন্মাবে কিনা আজও সন্দেহ!

১. মাইক্রোসফটের বিল গেটস নিজে গাড়ি ড্রাইভ করে প্রফেসর ইউনুসকে পুরো সিলিকন ভ্যালি শহর দেখিয়েছিলেন।

২. কোর্ট-কাছাড়ির ৮ তলার এজলাশে তাঁকে যখনই হাজিরা দিতে হত সেসময় কোর্ট বিল্ডিং এর লিফট বন্ধ করে দেয়া হত। ৮২ বছরের অশিতিপর এই আসামীকে প্রতিবারই হেঁটে হেঁটে ৮ তলায় যেতে হত। এবং এই ঘটনা নাকি ৪০ বারের মত ঘটেছে।
শাকুর মজিদ
নাট্যকার,লেখক,স্থপতি।
সারা পৃথিবীর ১০৭টা ইউনিভার্সিটিতে মুহাম্মদ ইউনূস সেন্টার আছে। ইউনিভার্সিটিগুলো নিজেদের উদ্যোগে এটা করেছে। এর প্রধান কারণ হচ্ছে তাঁর মাইক্রো-ফাইনান্স। যেটা তাঁকে এবং তাঁর গ্রামীন ব্যাংকে নোবেল শান্তি পুরষ্কার এনে দিয়েছিল।

ডক্টর মুহাম্মদ ইউনূসকে বিশ্রীভাবে 'সুদখোর' ঢাকা হয় বারবার। মজার ব্যাপার হচ্ছে- মুহাম্মদ ইউনূসকে যারা পছন্দ করেন তাদের বেশীরভাগও জানেন না, মুহাম্মদ ইউনূসের সুদের ব্যবসা নাই। গ্রামীণ ব্যাংক তার প্রতিষ্ঠিত হলেও গ্রামীন ব্যাংকে তাঁর এক টাকার মালিকানাও নাই, শেয়ারও নাই। কখনোই ছিল না।

জিনিসটা আপনার-আমার কাছে আশ্চর্যজনক মনে হতে পারে। কিন্তু এটাই সত্যি। ড. মুহাম্মদ ইউনূসের মাইক্রো-ফাইনান্সের ধারণার মূল ভিত্তিই হচ্ছে এটা।
এই ব্যবসার কেউ মালিক হতে পারবে না। সম্পূর্ণ নন-প্রফিট তথা অলাভজনক।
এটাকে বলে সামাজিক ব্যবসা। নির্দিষ্ট কোনো মালিক নাই। জনগণই এর মালিক।
বাইর থেকে অনুদানের টাকা এনে গ্রামীণ ব্যাংক প্রতিষ্ঠা করেছিলেন ড মুহাম্মদ ইউনূস। নিজে এটি প্রতিষ্ঠা করলেও প্রতিষ্ঠানে তার এক পয়সার মালিকানাও রাখেননি। বরং এর ২৫% মালিকানা সরকারের, বাকি মালিকানা গরীব মানুষের। নিজের প্রতিষ্ঠিত ব্যাংকে ড মুহাম্মদ ইউনূস মাত্র ৩০০ ডলার বেতনে চাকরী করতেন।
তিনি যে নিজের কোনো শেয়ার রাখেননি তা না, কোম্পানীকে এমনভাবে প্রতিষ্ঠা করেছেন যাতে কেউ এর একক মালিক হতে না পারে। কোম্পানী অধ্যাদেশ ২৮ ধারা অনুযায়ী তিনি এটি রেজিস্ট্রেশন করেন।

শুধু যে গ্রামীন ব্যাংকে তিনি মালিকানা রাখেননি তা কিন্তু না। জর্জ সরোস, টেলিনরদের এনে তিনি গ্রামীন টেলিকম প্রতিষ্ঠা করেন। তাঁর কথায় টেলিনর বাংলাদেশে আসে। তাঁর কথায় তাঁর বিলিয়নিয়ার বন্ধুরা গরীবদের উন্নতির জন্য ফান্ড দেয়। তিনি গ্রামীন টেলিকম প্রতিষ্ঠা করেন। সেটাও অলাভজনক প্রতিষ্ঠান হিসেবেই। অনেকেই জানেন না গ্রামীন টেলিকমকে নন ফর প্রফিট কোম্পানী হিসেবে প্রতিষ্ঠা করেন ড মুহাম্মদ ইউনূস। সেখানেও তিনি নিজের জন্য ১% মালিকানাও রাখেননি। তিনি চাইলে ইজিলি ১০-১৫ পার্সেন্ট মালিকানা নিজের জন্য রেখে দিতে পারতেন। অথচ লাভের এক টাকাও যাতে নিজের কাছে না আসে, সেটা নিশ্চিত করেন তিনি।

তাঁর প্রতিষ্ঠিত সরকার নিয়ন্ত্রিত গ্রামীণ ব্যাংকে এখনো সুদের হার বাংলাদেশে সর্বনিম্ন। অথচ স্বাভাবিকভাবে আপনার মনে হবে গ্রামীন ব্যাংকের মত সুদ বোধহয় কেউ নেয় না। আর নিশ্চয় এই টাকায় প্রফিট করেন ড ইউনূস!

আসলে আমাদের দেশের মানুষ এসব কল্পনাও করতে পারেন না, একজন মানুষ ব্যবসা করবে অথচ সেখান থেকে নিজে কোনো লাভ করবে না। এমন কথা আমরা ভাবতেই পারিনা। আমরা ভাবতে পারি কেবল টাকা কামানোর কথা।
যেমনভাবে ড মুহাম্মদ ইউনূস বলেন- টাকা কামানোতে আছে সুখশান্তি, অন্যের উপকারে আছে প্রশান্তি। ওনার ভাষায় 'নিজের জন্য টাকা কামানো হয়তো হ্যাপিনেস, অন্যের উপকার হচ্ছে সুপার হ্যাপিনেস।'

মুহাম্মদ ইউনূস মনে করেন, সবাই এককভাবে সম্পত্তির মালিক হতে থাকলে গরীব আরো গরীব হয়ে যাবে, ধনী আরো ধনী হবে। ফলে বিশ্বব্যবস্থা অচল হয়ে পড়বে। এই বিশ্বাস থেকেই ওনি সব ননপ্রফিট বা অলাভজনক প্রতিষ্ঠান তৈরী করে গেছেন, নিজের কোনো মালিকানা রাখেননি।
এরকমটা কি আপনি ভাবতে পারেন? আপনি বাংলাদেশের যেকোনো কোম্পানী দেখেন, তাদের সব নিজেদের মালিকানা।
কোম্পানীর কথা বাদ দেন, এনজিও ব্র‍্যাক দেখেন! মালিকানা ফজলে হাসান আবেদের পরিবারের। বড় বড় পদে পরিবারের সদস্যরা আছে।
কিন্তু মুহাম্মদ ইউনূস সেটা করেননি। তাঁর প্রতিষ্ঠিত কোম্পানীতে নিজের বা পরিবারের কাউকে রাখেননি।

অথচ ড মুহাম্মদ ইউনূস চাইলে এসব ব্যবসায় নিজের মালিকানা রেখে ইজিলি বিলিয়নিয়ার হয়ে যেতে পারতেন। খুব ইজিলি।
তাঁর প্রায় সব বন্ধুবান্ধব বিলিয়নিয়ার, মাল্টি বিলিয়নিয়ার। তিনি সেদিকে যাননি।

অনেকে প্রশ্ন করতে পারেন, তাহলে ড মুহাম্মদ ইউনূসের আয়ের উৎস কী?
আমি নিশ্চিত, এটাও অনেকে জানেন না।
ড মুহাম্মদ ইউনূস হচ্ছেন পৃথিবীর ওয়ান অব দ্যা হায়েস্ট পেইড স্পীকার। স্পীচ দেয়ার জন্য ওনাকে টাকা দিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়। ওনার বক্তব্য শোনার জন্য খরচ করতে হয় ৭৫ হাজার থেকে ১ লাখ ডলার মত। কখনো আরো বেশী।
বিশ্বের নামীদামী প্রতিষ্ঠান গুলো ওনাকে নিয়ে যান ওনার বক্তব্য শুনতে।
ওনাকে বিভিন্ন অনুষ্ঠানের পরিকল্পনার জন্যও ডাকা হয়।
২০২৪ সালের ফ্রান্সে অনুষ্ঠিতব্য প্যারিস অলিম্পিকের আয়োজক কমিটির ৩ জনের একজন হচ্ছে মুহাম্মদ ইউনূস। সেখানে আরেকজন প্রেসিডেন্ট ম্যাঁখ্রো।
২০২৬ ইতালী অলিম্পিকের জন্য ইতালীয়ানরা ওনাকে পাওয়ার জন্য তদবির করছে। যাতে ওনি পরামর্শ দেন।

এদিকে আমরা মনে করি গ্রামীন ব্যাংক আর গ্রামীন টেলিকমের মত ওনার প্রতিষ্ঠিত কোম্পানী থেকে টাকা পান তিনি। যেন গ্রামীন ব্যাংকের সুদগুলো সরকার খায় না, ডক্টর মুহাম্মদ ইউনূস খায়। এরা কখনো প্রকাশ্যে স্বীকারই করে না যে, এগুলোতে তার ০.০১% শেয়ারও নাই।

ওনি একটা বিশ্ববিদ্যালয় করতে চেয়েছিলেন বাংলাদেশে, কিন্তু অনুমতি পাননি। একটা আন্তর্জাতিক মানের বিশ্ববিদ্যালয় হতো। ওনি বললে পৃথিবীর সেরা সেরা প্রফেসররা সেখানে এসে ক্লাস নিয়ে যেতো। ওনি ডাকলে এমনকি বিল গেটস কিংবা আমেরিকান প্রেসিডেন্টও তাঁর ইউনিভার্সিটিতে স্পীচ দিতে চলে আসতো।
কিন্তু সেটা হতে দেয়া হয়নি। তাঁকে ইউনিভার্সিটি করতে দেয়া হয়নি।

ড মুহাম্মদ ইউনূসকে যত জানবেন, আপনার মনে হবে- দেশ এবং জাতি হিসেবে আমরা ড মুহাম্মদ ইউনূসকে ডিজার্ভই করিনা।

একটা প্রশ্ন করি, আপনি কি জানতেন মুহাম্মদ ইউনূস গ্রামীনব্যাংক কিংবা গ্রামীন টেলিকমের মত ওনার প্রতিষ্ঠিত কোম্পানীতে নিজের জন্য কোনো শেয়ার রাখেননি?
আসুন যোগ্য ব্যক্তিকে সম্মান করতে শিখি। cltd...

কলকাতায় কোথায় কি বিশেষ খাবার পাওয়া যায় :১) নিউ মার্কেট - নিজাম'স এর কাঠি রোল ও বটী কাবাব !২) ধর্মতলা নিউ আলিয়া - মাটন স...
28/09/2024

কলকাতায় কোথায় কি বিশেষ খাবার পাওয়া যায় :

১) নিউ মার্কেট - নিজাম'স এর কাঠি রোল ও বটী কাবাব !
২) ধর্মতলা নিউ আলিয়া - মাটন স্পেশাল বিরিয়ানী, মাটন টিক্কা, মটন স্টিউ, ফিরনি ও হালিম।
৩) পার্ক স্ট্রিটে পিটার ক্যাট - চেলো কাবাব !!
৪) ডেকার্স লেন চিত্ত দার দোকান - রুমালি রুটি + চিকেন ভর্তা, চিকেন আর মাটন্ স্ট্যু।
৫) শোভাবাজার - বিডন স্ট্রীটের এলেন কিচেন - প্রন কাটলেট , চিকেন স্টিক !!
৬) শোভাবাজার মেট্রো স্টেশন আর গ্রে স্ট্রীটের ক্রসিংয়ে মিত্র ক্যাফে - ব্রেন চপ , ব্রেন স্যুপ, টোস্ট, ফিস ফ্রাই এবং কবিরাজি !!
৭) পার্ক সার্কাস রয়াল - মাটন বিরিয়ানি + চিকেন আর মাটন চপ !!
৮) বাঙালি বুফে - ৬ বালিগঞ্জ প্লেস !!
৯) কলেজ স্ট্রিট প্যারামাউন্ট - ডাব সরবত
আর কালিকা - বিভিন্ন রকম চপ !!
১০) মিষ্টি - বলরাম মল্লিক , নকুড় , পুটিরাম , ভিম নাগ , গাঙ্গুরাম !!
১১ ) দ্যা ভোজ কোম্পানী অবশ্যই নতুন ব্রাঞ্চ টা!
১২) বিবেকানন্দ রোডের কাছে বিধান সরণীর ওপর স্বামিজীর বাড়ির উল্টো ফুটে চাচার !হোটেলের ফিস ফ্রাই আর মাটন্ কাটলেট।
১৩) শ্যামবাজারে ভূপেন বোস অ্যাভিনিউয়ে মণীন্দ্র কলেজের উল্টো দিকের গলিতে গৌরীমাতা সরণীতে মামুর দোকানের ( বড়ুয়া এ্যান্ড দে ) মাটন্ প্যান্থারাস্ আর ব্রেইজড্ কাটলেট।
১৪) গিরীশ পার্ক মেট্রো স্টেশনের (পশ্চিম পাড়ে) ঠিক পাশেই নিরঞ্জন আগারের মাটন্ চপ ও লিভার কষা।
১৫) হেদুয়ার মোড়ে বসন্ত কেবিনের এবং দক্ষিনে লেক মার্কেটের কাছে রাদু বাবুর দোকানের চা এবং চপ, কাটলেট।
১৬) হাতিবাগানে টাউন স্কুলের উল্টো দিকের ফুটপাথে মালঞ্চর কবিরাজী কাটলেট।
১৭) কলেজ স্ট্রীটে পুঁটিরামের কচুরী।
১৮) প্যারামাউন্টের সরবত ।
১৯) কপিলা আশ্রমের সরবত!
২০) রয়্যালের মটন চাঁপ।
২১) সিরাজের বিরিয়ানি।
২২) সাবিরের রেজালা।
২৩) স্যাঙ্গিভ্যালি রেস্তরাঁর চপ, কাটলেট।
২৪) সিমলার নকুড়ের সন্দেশ।
২৫) ফড়িয়াপুকুরে সেন মহাশয়ের বাবু সন্দেশ।
২৬) ভবানীপুরের শ্রীহরির লুচি/ কচুরী আর পাতলা ছোলার ডাল।
২৭) বাগবাজার নবীন দাশের রসগোল্লা ।
২৮) শ্যামবাজার স্ট্রীটের চিত্তরঞ্জনের রসগোল্লা ও মধুপর্ক।
২৯) শ্যামবাজারের স্ট্রিট ভবতারিণীর রসগোল্লা ।
৩০) ফড়িয়াপুকুরে অমৃতের দই।
৩১) বাগবাজারে পটলার দোকানের তেলেভাজা আর কচুরী।
৩২) নিউটাউন বাস স্ট্যান্ডে বিরিয়ানী বার - বিরিয়ানী, চাপ, রেজালা, কাঠি রোল।
৩৩) নিউ মার্কেট এর নাহুম্স এর বেকারী
৩৪) পার্ক স্ট্রিট ন্যাচারালস এর টেন্ডার কোকোনাট আইসক্রিম।
৩৫) কলেজ স্ট্রিট কফি হাউসের আড্ডা সহযোগে কফি।
৩৬) বউবাজার জাংশনে ভিমনাগের সন্দেশ
৩৭) স্কুপের ড্রাইফ্রুট আইসক্রিম ।
৩৮) এসপ্লানেড মোড়ের কেসি দাসের রসগোল্লা
৩৯) আওধের বিরিয়ানি ।
৪০) রিপন স্ট্রিটের জামজামের বিফ বিরিয়ানি ও মালাই।
৪১) গুপ্তা সুইটস এর ক্যাডবেরি সন্দেশ।
৪২) কস্তুরীর কচু পাতা বাটা চিংড়ি ।
৪৩) সল্টলেকের চার্নক সিটির ডাব চিংড়ি ।
৪৪) ভজহরি মান্নার নলেন গুড়ের আইসক্রিম।
৪৫) সিদ্ধেশ্বরী আশ্রমের বাঙালি খাদ্যসামগ্রী।
৪৬) খিদিরপুরের "ইন্ডিয়া" এর কাচ্চি বিরিয়ানি, গলৌটি কাবাব, চিকেন চাপ ও তন্দুরি।
৪৭) এম জি রোড বড়বাজার দেশবন্ধু মিষ্টান্নর সীতাভোগ ও সিঙাড়া।
৪৮) দমদমের হাজির মাটন বিরিয়ানি আর মালাই কাবাব।
৪৯) আগমনীর লাল ক্ষীর দই আর সরভাজা।
৫০) গড়িয়ার ফুটব্রিজের নীচের লাল আটার ফুচকা চুরমুর ও মোমো।
৫১) লেকটাউনে জয়া সিনেমা হলের উলটো দিকে চিকেন রোল।
৫২) বিরাটী মোড়ে ভোরের আলোর রসগোল্লা।।
৫৩) সিকিম হাউসের মোমো, পর্ক শাপটা।
৫৪) কালিঘাটে আপনজনের ফিশ চপ, ফিস ওরলি, মাটনের পুর ভরা আর কিমা মোগলাই।
৫৫) ফ্রেন্ডস্ এর চীজ ওনিয়ন ধোসা ।
৫৬) মাদ্রাস টিফিনের ধোসা।
৫৭) ওলি পাবের বিফ স্টিক।
৫৮) গড়িয়াহাট ক্যাম্পারির চিকেন কাটলেট ।
৫৯) গড়িয়াহাট দাস কেবিনের মোগলাই ।
৬০) হাজরা মোড় ক্যাফের পুডিং, চিকেন স্টু, কাটলেট, ফিস ফ্রাই।
৬১) করিমস এর বিরিয়ানি ও তন্দুরি পদ।
৬২) টেরিটিবাজার ছাত্তাওলা গলির চাইনিজ: তুং নাম।
৬৩) নন্দলালের কচুরী ও ছোলার ডাল।
৬৪) বোহেমিয়ান এর ফিউশান ফুড - গন্ধরাজ জোলেপ্, চিলি পিকল্ চীজ বেকড্ ক্রাব সংগে কলমী গ্রীণস।
৬৫) স্পাইসক্রাফ্ট এর ফিউশান ফুড - দাজাজ চারমৌলা, বীয়ার ক্যান টেম্পুরা ফিশ, জ্যাক ডানিয়েলস্ মৌশে।
৬৬) কাবুল কোলকাতার মটন রোশ, চিকেন সিজি।
৬৭) মোকাম্বো রেস্তরাঁর বেকড্ ক্রাব ও মিক্সড গ্রীলড্ প্লাটার।
৬৮) খিদিরপুর ফ্যান্সির পাশে ঠেলাগাড়ির বিফ হালিম।
৬৯) নিউ মার্কেট টিপু সুলতান মসজিদের পাশে ফালুদা।
৭০) ডেকার্স লেনের অগ্রণী গলিতে ম্যাংগো লস্যি
৭১) জ্যাকারিয়া স্ট্রিট সুফিয়া- নিহারি, হালিম।
৭২) জ্যাকারিয়া স্ট্রিট দিল্লি সিক্স- পেয়ারে কাবাব, শিরমল, আফগানি কাবাব।
৭৩) জ্যাকারিয়া স্ট্রিট হাজি লিয়াকত- মুসকত হালুয়া
৭৪) জ্যাকারিয়া স্ট্রিট হাজি আলাউদ্দিন- হালুয়া ও গুলাব জামুন।
৭৫) জ্যাকারিয়া স্ট্রিট দিলশাদ - বিফ মালাই কাবাব ও অন্যান্য।
৭৬) জ্যাকারিয়া স্ট্রিট আডামস্ - সুতলি কাবাব ।
৭৭) জ্যাকারিয়া স্ট্রিট বোম্বে হোটেল- বিফ চাপ।
৭৮) মানজিলাৎ ফতিমা - আওধি কুজিন।
৭৯) নিউ মার্কেট এর রালিস্ এর কুলফি।
৮০) শ্যামবাজারের মেট্রো গেট - লস্যি ।
৮১) চাইনিজ: বারবিকিউ ( ফ্লেভারস ওফ চায়না), চায়নাটাউন ( কাফুলক), নমনম ( সল্টলেক)।
৮২) সি ফুড: সান্তাস ফানটাসিয়া, ফিউসন ফানটাসিয়া ।
৮৩) শ্যামবাজারের রুপা- মটন কষা।
৮৪) শ্যামবাজারের তৃপ্তির মোমো।
৮৫) আহিরিটোলা- ভূতনাথ লিট্টি।
৮৬) আহিরিটোলা সাধুর চা।
৮৭) সিটি সেন্টারের কাছে চৌরাসিয়া - পাওভাজি ও চাট।
৮৮) হাজরা কাফে - পুডিং ।
৮৯) যতিনদাস পার্ক মেট্রোয় পণ্ডিত স্যান্ডউইচ।
৯০) নিউ মার্কেট এর ইন্দ্রমহল এর কুলফি।
৯১) বারুইপুরের "আসমা হোটেল"-এর চিকেন ।চাঁপ আর লাচ্ছা পরোটা।
৯২) শিয়ালদা শিশির মার্কেট লাগোয়া "কল্পতরুর" লস্যি।
৯৩) ঢাকুরিয়া স্টেশন লাগোয়া "জিহ্বার জল"-এর ধোকা ভাজা, সোয়াবিনের চপ্।
৯৪) রাজপুরের মঙ্গল দা'র দোকানের কচুরী।
৯৫) গড়িয়া মোড়ে "জিতেন মাহাতো"র চিকেন মোমো।
৯৬) সোনারপুর বৈকুণ্ঠপুর মোড়ের লুচির সাইজের ফুচকা।
৯৭) গড়িয়া "আমিনিয়া"র চিকেন চট্-পটা
৯৮) সোনারপুর স্টেশন লাগোয়া "সুবোল সাহা"র লস্যি
৯৯) হোন্ডোর বিফ বার্গার।
১০০) কলেজস্ট্রিট এ কল্পতরুর পান।
১০১) কলেজস্ট্রিট স্বাধীন ভারতের মাংস ভাত
১০২ ) শ্যাম বাজার ট্রাম ডিপোর পাশে ঘুগনি চাট
১০৩ ) হেদুয়া বসন্ত কেবিন এর ফিস ফ্রাই
১০৪ ) হাতিবাগান নিরামিষ তেলে ভাজা
১০৫ ) সেন মহাশয় মিষ্টি দই
১০৬ ) বাগবাজারের গণেশ দার মাছের কচুরি
১০৭ ) ধর্মতলার আমিনিয়ার বিরিয়ানি
১০৮ ) শ্যামবাজার মোড়ে গোলবাড়ী"র কষা মাংস ও পরোটা
১০৯ ) ধর্মতলার অনাদি কেবিনের মোগলাই পরোটা

শেয়ার করে টাইম লাইনে রেখে দিন.. আমিও দিলাম, কাজের সময় কিছুই মাথায় আসেনা।✓cltd...

Address

Bogura
5800

Telephone

+8801711128925

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when My head is, ever risen. posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share