RoX Q.Daynå

RoX Q.Daynå One and only Dayna

01/12/2025
07/09/2025

গীবত কতটা ভয়ংকর 😥😥

হেনাকে যেদিন বিয়ে করে বাসায় আনলাম বাবা-মা দুজনেরই মুখ গম্ভীর ছিল যদিও আমি তাদের জানিয়েই বিয়েটা করেছি । আসলে এই বিয়ে...
21/08/2025

হেনাকে যেদিন বিয়ে করে বাসায় আনলাম বাবা-মা দুজনেরই মুখ গম্ভীর ছিল যদিও আমি তাদের জানিয়েই বিয়েটা করেছি । আসলে এই বিয়ে তে তাদের মত নেই তাই নিজেরাই কাজী অফিসে গিয়ে বিয়ে করেছি। বাসায় যখন ঢুকলাম বাবা-মা দুজনেই ড্রইং রুমে বসে, হেনা পা ছুঁয়ে সালাম করার আগেই মা উঠে গিয়ে দরজা লাগালেন, বাবা অবশ্য তার সালাম গ্রহন করলেন কিন্তু কথা বললেন না। ছোট বোন সুমি সেও নিশ্চুপ।

- তোর ভাবিকে ঘরে নিয়ে যা আমি আস্তে করে বললাম। সে নিজের ঘরের দিকে হাঁটা দিল। লজ্জায় হেনার দিকে তাকাতে পারছিলাম না। হেনা নিজে থেকেই বললো,
- দেখো সব ঠিক হয়ে যাবে , আসলে বিয়েটা সবার অমতে হয়েছে তো। আমি সবার মন জয় করে নিব , তুমি চিন্তা করো না ।
আমি কিছুটা নিশ্চিন্ত হলেও মনের মধ্যে কিছু একটা দ্বিধা রয়েই গেল।

হাতে টাকাপয়সা তেমন কিছু নেই, হেনা কে কিছুই দিতে পারিনি তাই শুধুমাত্র একটা সোনার চেইন দিলাম বিয়ের রাতে। মেয়েটার মুখটা কি যে মায়াবী লাগছিল তখন ,উপহার পেয়ে সে এত খুশি যা প্রকাশ করার ভাষা নেই।

বিয়ের মাত্র এক সপ্তাহের মধ্যে বাবা হার্ট অ্যাটাক করে মারা গেলেন। মা চিৎকার করে কাঁদছিলেন আর বলছিলেন অলক্ষী ঘরে এনেছি, আসার সাথে সাথে তাকে বিধবা হতে হয়েছে। সুমি কিছু বলছে না কিন্তু সে মনে মনে মায়ের সাথেই একমত সেটা বুঝতে আমার এক মুহূর্ত দেরি হলো না। হেনা কি করবে বুঝতে পারছে না। সবকিছু এলোমেলো আমার, সবকিছু। বাবার দাফন সম্পন্ন করলাম। মা শোকে পাথর হয়ে গেছে। এটাই স্বাভাবিক আটত্রিশ বছর দুজনের একত্রে বসবাস।

সংসারের হাল ধরার মত অবস্থা এখন মায়ের নেই। সবকিছুর চাপ এসে পড়ল হেনার উপর। আমি অবাক হয়ে লক্ষ্য করলাম সে নিপুন গৃহিণীর মত সব সামলে নিচ্ছে। ধীরে ধীরে মা আর বোনের মনে জায়গা করে নিচ্ছে ।সব খারাপের বোধহয় একটা ভালো দিক থাকে।

মাত্র এক মাসের ব্যবধানে বাড়ির চেহারা পাল্টে গেল। মা হেনাকে ছাড়া কিছুই বোঝেনা। সংসারের চাবি ওর হাতে তুলে দিয়েছেন। এদিকে সুমীর বিয়ের তোড়জোড় চলছে । ছেলে প্রবাসী, বিয়ে করে সব কাগজপত্র ঠিক করে সুমিকে নিয়ে কানাডায় চলে যাবে। অবশ্য বিয়ের পর কিছুদিন ওর এই বাড়িতেই থাকতে হবে। মাকে জিজ্ঞেস করলাম,
-সুমি চলে যাবে ,তোমার মন খারাপ মা ?
একগাল হেসে উত্তর দিলেন,
-আমার আরও একটা মেয়ে আছে আর এখনতো প্রযুক্তির যুগ। তোদের ওই ভিডিও কল না কি যেন আছে তাতে তো আমি আমার মেয়েকে দেখতে পাবোই।

সুমির বিয়ে হয়ে গেল। শ্বশুরবাড়িতে সপ্তাহ খানেক থাকার পর ওর স্বামী রাহাত ওকে দিয়ে গেল। রাহাত চলে যাবে কানাডায়। সুমির কাগজপত্র প্রসেসিং হতে একটু দেরি হবে। সুমি যখন ওর শ্বশুরবাড়ির গল্প করছিল কিভাবে ওকে বরণ করেছে, বাসর ঘর কিভাবে সাজানো ছিল, আমি হেনার মুখের দিকে তাকিয়ে দেখলাম ওর মুখটা একদম কালো হয়ে আছে বুঝে গেলাম আসলে ও এগুলো কিছু পায়নি তাই এসব গল্প শুনতে ভালো লাগছে না। গল্পের মাঝেই তাই বলে উঠলাম, "একটু চা খাওয়াবে হেনা" ও তড়িঘড়ি করে উঠে গেল যেন এর অপেক্ষাতেই ছিল।

হঠাৎ করে সুমির একজোড়া কানের দুল উধাও হয়ে গেল, সারা বাড়িতে খোঁজাখুঁজি করা শুরু হলো। খুব তিক্ত কথা হলো জিনিসটা পাওয়া গেল আমার তোষকের নিচে। মা আর সুমি অবাক হয়ে হেনার দিকে তাকিয়ে থাকলো কিছু বললো না। বিস্ময়ে আমিও হতবাক, হেনাকে কিছু জিজ্ঞেস করার আগেই ও বলতে লাগলো
-আমি নিইনি।
আমরা কেউ কিছু বললাম না। রাগে আমার চোখ লাল হয়ে গিয়েছিল।
মা আস্তে করে হাত ধরে আমাকে অন্য ঘরে নিয়ে গেল,
- শোন বাবা, ভুলটা তো আমাদেরই। এই পর্যন্ত বৌমাকে আমরা কোন গয়না বা কিছু দেইনি আর তুই তো বলেছিলি ও একেবারেই নিম্ন মধ্যবিত্ত পরিবারের মেয়ে। কাজেই হয়তো লোভ সামলাতে পারেনি। তুই ওকে কিছু বলিস না, ছোটখাট ভুল আমরা সবাই করি দেখিস আর কখনো করবে না।

মা যাই বলুক না কেন সেই দিন থেকে ওর সাথে আমি ঠিকঠাক মতো কথা বলতে পারি না, ইচ্ছা হয় না।
আসলে বাবা-মা ঠিক বুঝতে পারে ছেলের জন্য কোনটা সঠিক আর কোনটা সঠিক না। আমিই ভুল করেছিলাম চিনতে পারিনি নিজের সঠিক জীবনসঙ্গীকে। হাভাতে ঘরের মেয়েকে এনে পড়েছি বিপদে।

দিন পনেরো পরে চিটাগাং গেলাম ব্যাবসার কাজে। ঠিক একদিন পরেই ফোনে মা হাউমাউ করে কাঁদতে লাগলে আর বলতে লাগলেন,
-তুই তাড়াতাড়ি ফিরে আয়, সর্বনাশ হয়ে গেছে।

ফেরার পর দেখলাম কেঁদে কেঁদে সুমির চোখ পুরো লাল ।আমি চিৎকার করে হেনাকে ডাকতে লাগলাম।
-ভাইয়া আমার যে গয়না গুলো ছিল তার কিছুই পাওয়া যাচ্ছেনা সাথে মায়ের গুলাও আর রাহাত আমাকে প্রায় ৬০ হাজার টাকা দিয়ে গিয়েছিল সবই আমার ড্রয়ারে ছিল এখন কিছুই নেই আর ভাবী গতকাল সকাল থেকেই উধাও। এখন আমার কি হবে ভাইয়া, রাহাতকে আমি কি জবাব দেবো, আমার সংসারটা কি টিকে থাকবে?
আমি একদম নিশ্চুপ হয়ে গেলাম। হেনা এটা কি কাজ করলো সুমি সজোরে কাঁদতে লাগলো।

হেনার নামে থানায় মিসিং কমপ্লেইন করলাম। সব ঘটনা শুনে ওরা বললো যে জিনিসপত্র নিয়ে মেয়েটা পালিয়ে গেছে, ওরা যথাসাধ্য চেষ্টা করবে খুঁজে বের করার। ওই আশ্বাস টুকুই, হেনা কে আর পাওয়া যায়নি। ওর মামা মামির ওখানে খোঁজ নেয়া হয়েছে যেখানে ও বড় হয়েছে ।বাবা মা ছিল না, তারা কিছু জানেনা । হেনা যেন অদ্ভুতভাবে উধাও হয়ে গেল।

এমনিতেই সাম্প্রতিক কিছু ঘটনার কারণে ওর প্রতি আমার ভালোবাসা কমে গিয়েছিলো কিন্তু কখন যে সেটা ঘৃণায় বদলে গেল বুঝতেই পারিনি অনেকগুলো দিন কেটে গেল মা বললেন হেনার আশা ছেড়ে দিতে। আমি এক গাল হেসে বললাম,
-তোমাকে কে বললো যে আমি হেনার জন্য বসে আছি? -তাহলে বিয়ে করছিস না কেন ?
-মেয়ে দেখো তোমরা । বলে আমি উঠে চলে আসলাম। আসলেই বিয়ে করা উচিত, কার জন্য অপেক্ষা করছি আমি।

বছর দশেক পর, মা চলে গেছেন দুই বছর হয়েছে। সুমি কানাডাতে ভালই আছে ।আমি স্ত্রী আর দুই পুত্র নিয়ে সুখেই আছি। ব্যবসা ভালো চলছে, ভাবলাম এই সুযোগে বাড়িটা কমপ্লিট করে ফেলি। খনন কাজ শুরু হতেই চেঁচামেচি শুনতে পারলাম। দৌড়ে গিয়ে দেখি একটা কঙ্কাল । ভালো করে লক্ষ্য করে দেখলাম কঙ্কালের গলায় একটা সোনার চেইন যেটা আমি হেনাকে দিয়েছিলাম বিয়ের রাতে।

কি হয়েছিল তাহলে হেনার সাথে! মা তো বেঁচে নেই সুমি নিশ্চয়ই জানবে। পুলিশ এলো অনেক ঝামেলা হলো। মাঝে সুমিকে ফোন দিলাম ও শুধু একটাই কথা বললো
" ওই মহিলা তোমার যোগ্য ছিল না" লাইনটা কেটে দিল। তার মানে কি সব ঘটনা সাজানো ছিল? মা আর সুমি মিলে কি হেনাকে কিছু করেছিল ? আমার পায়ের তলা থেকে মাটি সরে যাচ্ছে । চারপাশে দ্বিধার দেয়াল।

#দ্বিধা
কলমে:সুবর্না শারমিন নিশী

14/08/2025

💁‍♂️রোগীর সমস্যাঃpregnancy
🩸রক্তের গ্রুপঃ B+
💉রক্তের পরিমাণঃ৩ব্যাগ
📆রক্তদানের তারিখঃআজকে

🏥রক্তদানের স্থানঃ শেরে বাংলা মেডিকেল হল
📱যোগাযোগঃ01759086677

বাবার নম্বর থেকে একটা কল 😓বাবা মা' রা গেছেন প্রায় ছয় মাস।তবু আজও ফোনটা বাজলেই লিটনের মনে হয়—“এই বুঝি বাবা!”বাবার নামটা এ...
30/07/2025

বাবার নম্বর থেকে একটা কল 😓

বাবা মা' রা গেছেন প্রায় ছয় মাস।

তবু আজও ফোনটা বাজলেই লিটনের মনে হয়—“এই বুঝি বাবা!”
বাবার নামটা এখনো ফোনে সেভ করে রেখেছে—“আব্বা ❤️”
ডিলিট করতে পারে না। মনে হয়, নামটা ডিলিট করলে মানুষটাকেই মুছে ফেলবে।

একদিন বিকেলে সবার অজান্তে বাবার পুরোনো ফোনটা খুঁজে বের করল।
ডাস্টবিনে ফেলে দেওয়ার মতো অবস্থা, তবুও ব্যাটারি লাগিয়ে চালু করল।

ফোনটা ধীরে ধীরে জ্বলল—নরম আলো, কঠিন বাস্তবতা।

লিটন বাবার ফোন থেকে নিজের নম্বরটা খুঁজে বের করল।
তারপর একটুখানি থেমে, দম নিয়ে নিজের ফোনে ডায়াল করল।

স্ক্রিনে ভেসে উঠল—
“আব্বা কলিং…”

কাঁপা হাতে ফোনটা কানে দিল।
কোনো শব্দ নেই। শুধু নিজের নিঃশ্বাস, আর এক ফোঁটা কান্না গলায় আটকে।

সেকেন্ড কয়েক পর নিজেই ধীরে ধীরে ফিসফিস করে বলল—
“ আব্বা… এতদিনে ফোন দিলে?”

এরপর আর কিছু বলতে পারল না। শুধু চোখ বেয়ে গড়িয়ে পড়ল নীরব একটুকরো শোক, যা শব্দের চেয়েও ভারী।

বাবারা একদিন হারিয়ে যান ঠিকই, কিন্তু তাদের নম্বরটা রয়ে যায় ফোনে, আর উপস্থিতি থেকে যায় মনের গভীর কোনো কোলাজে।
যেখান থেকে নিজেকেই কখনো কখনো ফোন করে বলতে হয়—“ আব্বা, আমি এখনও অপেক্ষায় আছি…” 🕊️

ছবি ক্রেডিট : গ্রামীণফোন

16/07/2025

সকালে ঘুম থেকে উঠে কিছু হালকা ব্যায়াম শরীরকে সতেজ রাখতে সাহায্য করে। জগিং, হাঁটা, যোগব্যায়াম, হালকা স্ট্রেচিং, বা ফ্রি হ্যান্ড ব্যায়াম করা যেতে পারে। এছাড়া, ১০-১৫ মিনিটের জন্য গভীর শ্বাস-প্রশ্বাসের ব্যায়ামও করা ভালো।

সকালে ঘুম থেকে উঠে যে ব্যায়ামগুলো করতে পারেন:

হাঁটা:

সকালে কিছুক্ষণের জন্য হাঁটা শরীরকে সতেজ রাখতে সহায়ক।

যোগব্যায়াম:

কিছু সাধারণ যোগাসন যেমন বজ্রাসন, ভুজঙ্গাসন ইত্যাদি করা যেতে পারে।

হালকা স্ট্রেচিং:

শরীরের বিভিন্ন অঙ্গের জন্য হালকা স্ট্রেচিং করা ভালো।

ফ্রি হ্যান্ড ব্যায়াম:

সাধারণ কিছু ফ্রি হ্যান্ড ব্যায়াম যেমন হাত-পা ছোড়া, জাম্পিং জ্যাক ইত্যাদি করা যেতে পারে।

গভীর শ্বাস-প্রশ্বাস ব্যায়াম:

১০-১৫ মিনিটের জন্য গভীর শ্বাস-প্রশ্বাস নিলে মন শান্ত হয় এবং শরীরে কর্মচাঞ্চল্য বাড়ে।

বজ্রাসন:

প্রথমে সোজা হয়ে শুয়ে পড়ুন, ধীরে ধীরে পা দুটো উপরের দিকে তুলুন। হাত দুটো কনুই থেকে ভেঙে কোমরের দু'পাশে ধরুন এবং ৯০ ডিগ্রি পজিশনে পা উপরে তুলুন।

মেডিটেশন:

সকালে কিছুক্ষণ মেডিটেশন করলে মন শান্ত থাকে এবং মনোযোগ বাড়ে।

সকালে ব্যায়াম করার সময় কিছু বিষয় মনে রাখতে হবে:

ব্যায়াম করার আগে হালকা কিছু খেয়ে নিন, যেমন শুকনো ফল বা বাদাম।

খালি পেটে ব্যায়াম করা উচিত না।

ব্যায়াম করার সময় নিজের শরীরের দিকে খেয়াল রাখুন এবং অতিরিক্ত চাপ দেবেন না।

ব্যায়াম করার পর পর্যাপ্ত পরিমাণে পানি পান করুন।

ব্যায়ামের পর কিছুক্ষণ বিশ্রাম নিন।

15/07/2025

ওজন কমানোর জন্য কিছু ওষুধ রয়েছে যা চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী ব্যবহার করা যেতে পারে, তবে মনে রাখতে হবে যে কোনো ওষুধ সেবনের আগে অবশ্যই ডাক্তারের পরামর্শ নেওয়া উচিত। এছাড়া, ওজন কমানোর জন্য খাদ্যাভ্যাস ও জীবনযাত্রার পরিবর্তন করাও খুব জরুরি।

ওজন কমানোর জন্য কিছু ওষুধের উদাহরণ:

Orlistat:

এই ওষুধটি শরীরে চর্বি শোষণে বাধা দেয় এবং ওজন কমাতে সাহায্য করে। MedlinePlus (.gov) অনুযায়ী, এটি অতিরিক্ত ওজনের লোকেদের জন্য ব্যবহার করা যেতে পারে যাদের উচ্চ রক্তচাপ, ডায়াবেটিস বা উচ্চ কোলেস্টেরলের সমস্যা রয়েছে।

Semaglutide:

এটি ইনজেকশন বা পিল আকারে পাওয়া যায় এবং ওজন কমাতে এবং হৃদরোগের ঝুঁকি কমাতে সাহায্য করে বলে Northwestern Medicine জানা যায়।

ওষুধ সেবনের পাশাপাশি, নিম্নলিখিত বিষয়গুলো মেনে চললে ওজন কমাতে সুবিধা হবে:

স্বাস্থ্যকর খাবার গ্রহণ করা: ফল, সবজি, শস্য এবং প্রোটিন সমৃদ্ধ খাবার গ্রহণ করুন।

নিয়মিত ব্যায়াম করা: প্রতিদিন কিছু সময় ব্যায়াম করা বা শারীরিক কার্যকলাপ করা ওজন কমাতে সহায়ক।

পর্যাপ্ত পরিমাণে পানি পান করা: শরীরকে ডিটক্সিফাই করতে এবং বিপাকক্রিয়া স্বাভাবিক রাখতে পর্যাপ্ত পরিমাণে পানি পান করা জরুরি।

পর্যাপ্ত ঘুম: প্রতিদিন ৭-৮ ঘণ্টা ঘুমানো প্রয়োজন।

চিনিযুক্ত খাবার ও পানীয় পরিহার করা: চিনিযুক্ত খাবার ও পানীয় ওজন বাড়াতে পারে।

স্ট্রেস ম্যানেজমেন্ট: মানসিক চাপ কমাতে বিভিন্ন কৌশল অবলম্বন করা উচিত।

মনে রাখবেন, কোনো ওষুধ সেবনের আগে অবশ্যই ডাক্তারের পরামর্শ নেওয়া উচিত। ডাক্তার আপনার স্বাস্থ্য পরিস্থিতি বিবেচনা করে সঠিক ওষুধ এবং ডোজ নির্ধারণ করবেন। এছাড়া, ওজন কমানোর জন্য শুধুমাত্র ওষুধের উপর নির্ভর না করে, জীবনযাত্রার পরিবর্তন করাও খুব জরুরি।

Address

Bakergonj. Barisal. Bangladesh
Barisal Sadar

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when RoX Q.Daynå posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share