ছোট বিনাইরচর এমদাদুল উলূম ফয়জিয়া পুরুষ /মহিলা মাদ্রাসা

  • Home
  • Bangladesh
  • Araihazar
  • ছোট বিনাইরচর এমদাদুল উলূম ফয়জিয়া পুরুষ /মহিলা মাদ্রাসা

ছোট বিনাইরচর এমদাদুল উলূম ফয়জিয়া পুরুষ /মহিলা মাদ্রাসা Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from ছোট বিনাইরচর এমদাদুল উলূম ফয়জিয়া পুরুষ /মহিলা মাদ্রাসা, School Sports Team, Araihazar.

29/07/2026
27/07/2026

আলহামদুলিল্লাহ !
আজ ১ম সাময়িক পরীক্ষা শেষ করতে পেরেছি , এবং মাদ্রাসার ছাত্রদের ছুটি হয়েছে। সকলে দোয়া করবেন।

এটা কি মুসলমানের অবস্থা
07/07/2026

এটা কি মুসলমানের অবস্থা

06/07/2026

আলহামদুলিল্লাহ, আমাদের ছোট বিনাইরচর গ্রামের মোঃ মোশতাক আহমেদ এর ছেলে , আমাদের মাদ্রাসার হিফজ বিভাগের ছাত্র
মো: আনাছ আজ (৬-০৭-২০২৬ইং ) হিফজুল কোরআনের ছবক শেষ করেছে,

সকলকে জানাই আন্তরিক অভিনন্দন,
03/06/2026

সকলকে জানাই আন্তরিক অভিনন্দন,

এক মাদরাসার মুহতামিম সাহেব সহকারি এক শিক্ষককে জিজ্ঞেস করলেন, বহু চেষ্টা করেও মাদরাসার পড়ালেখার মানোন্নয়ন করা যাচ্ছে না...
27/04/2026

এক মাদরাসার মুহতামিম সাহেব সহকারি এক শিক্ষককে জিজ্ঞেস করলেন, বহু চেষ্টা করেও মাদরাসার পড়ালেখার মানোন্নয়ন করা যাচ্ছে না কেন? উত্তরে তিনি বললেন, আদবের অভাবে।
তিনি জিজ্ঞেস করলেন, কীভাবে?
বললেন, আদব অর্থ হল, وضع الشئ فى محله
অর্থাৎ বিষয়কে স্ব স্ব স্থানে ফিট করা, প্রত্যেককে স্ব স্ব মর্যাদা দান করা।
অর্থাৎ ক) এখন যদি অযোগ্য উস্তাদদের কে বেশি সম্মান দেওয়া হয় বা তাদের সাথে বেশি মাখামাখি করা হয় তাহলে وضع الشي في غير محله হলো।
খ ) আপনার মাদরাসায় যদি মেধাবী, মুয়াদ্দাব ও পরিশ্রমী ছাত্রদের মর্যাদা অপদার্থ ছাত্রদের সমান হয়, তাহলে এটা وضع الشئ فى غير محله হল!
বললেন, পরিত্রাণের উপায় কি? উত্তর তিনি বললেন, দুটি কাজ করুন:
১- ক) যোগ্য উস্তাদদের কে সম্মান করুন।
খ) তাদের কে যথাযথ স্থানে ফিট করুন।
২-ক) মাদরাসার ভবঘুরে ও দুশ্চরিত্র ছাত্রদেরকে নির্দিষ্ট মেয়াদে ভালো না হলে বহিস্কার করুন।
খ) মেধাবী, মুয়াদ্দাব ও পরিশ্রমী ছাত্রদের জন্য মাসিক বৃত্তির ব্যবস্থা করুন।

মাশওয়ারা গ্রহণ করেছিলেন, তিন মাসের মধ্যেই পরিবর্তন এসেছিল আলহামদুলিল্লাহ।

বিষয়টি এ জন্যই বললাম, দেখেছি অনেক উস্তাদ নিজেদের দূর্বলতা থাকার কারণে তারা মুহতামিম সাহেবের সাথে বেশি মাখামাখি করে। আবার বহু ছাত্র দেখছি, মা-বাবার কাছ থেকে প্রয়োজনের চেয়েও বহু সুবিধা পায় কিন্তু পড়ালেখা ও শৃঙ্খলার ধারেকাছেও থাকেনা।
বরং এদের দ্বারা অন্য ছাত্ররাও নষ্ট হয়ে যায়।
পক্ষান্তরে এমন অনেক তালেবে ইলম আছে, ইলম, আদব ও পরিশ্রমে যারা অতুলনীয়; কিন্তু ঠিকমতো পড়ালেখার খরচ বহন করতে পারে না।
এমনকি খবর নিয়ে দেখেছি, সপ্তাহের পর সপ্তাহ নাস্তা করতে পারেনি; কেবল পান্তাভাত খেয়ে কাটিয়েছে।
পরীক্ষা বা কোন বড় খরচ আসলে পেরেশানীতে দগ্ধ হয়ে পড়ে কিন্তু মুখে কৃত্রিম হাসি ফুটিয়ে রাখে।
يحسبهم الجاهل أغنياء من التعفف
এমন ছাত্রদের দ্বারাই তো মাদরাসা টিকে থাকে-
তাদের সন্ধান নিয়ে মাসিক বৃত্তির ব্যবস্থা করলে সমস্যা কী?
বিষয়টি খেয়াল রাখা খুব প্রয়োজনীয় ।

মাদরাসার শিক্ষা ব্যবস্থায় উস্তাদ এবং অভিভাবক হলেন একটি পাখির দুটি ডানা। যেকোনো একদিকের চেষ্টায় ঘাটতি থাকলে ছাত্রের চূড়ান...
15/04/2026

মাদরাসার শিক্ষা ব্যবস্থায় উস্তাদ এবং অভিভাবক হলেন একটি পাখির দুটি ডানা। যেকোনো একদিকের চেষ্টায় ঘাটতি থাকলে ছাত্রের চূড়ান্ত সফলতা অর্জন করা কঠিন। তাই অভিভাবক সম্মেলনে এমন বিষয়গুলো নিয়ে আলোচনা হওয়া উচিত, যা অভিভাবক ও মাদরাসার মাঝে সেতুবন্ধন তৈরি করবে।
একটি ফলপ্রসূ অভিভাবক সম্মেলনের জন্য নির্ধারিত আলোচ্যসূচি বা এজেন্ডা নিচে সুন্দরভাবে গুছিয়ে দেওয়া হলো, যা আপনি সরাসরি সম্মেলনে পয়েন্ট আকারে আলোচনা করতে পারেন:

অভিভাবক সম্মেলনের মূল আলোচ্য বিষয়সমূহ (এজেন্ডা)
১. পড়ালেখার অগ্রগতি ও সিলেবাস (বিশেষ করে হিফজ ও নাজেরা)
* ছাত্রদের বর্তমান পড়ার অবস্থা এবং আগামী ৬ মাসের লক্ষ্যমাত্রার (টার্গেট) ব্যাপারে অভিভাবকদের ধারণা দেওয়া।
* হিফজ বিভাগের ছাত্রদের ক্ষেত্রে 'নতুন পড়া' বা পেছনের পড়া ইয়াদ রাখার গুরুত্ব বোঝানো।
* বাসায় গেলে ছাত্ররা যেন পড়া একেবারে ছেড়ে না দেয়, সেদিকে নজর রাখতে বলা।

২. আমল, আখলাক ও তারবিয়াত (সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্ট)
* মাদরাসায় শেখানো সুন্নাতগুলো (যেমন— সালাম দেওয়া, খাওয়ার আদব, ঘুমানোর আদব ইত্যাদি) ছাত্ররা ছুটিতে বাসায় গিয়ে আমল করে কি না, তা অভিভাবকদের কাছে জানতে চাওয়া।
* পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ, বিশেষ করে ফজরের সময় অভিভাবকদের নিজ দায়িত্বে সন্তানদের ঘুম থেকে তুলে মসজিদে পাঠানোর গুরুত্ব বোঝানো।
* বড়দের সম্মান ও ছোটদের স্নেহ করার বিষয়ে পারিবারিক শিক্ষার ওপর জোর দেওয়া।

৩. ডিজিটাল আসক্তি ও স্ক্রিন টাইম নিয়ন্ত্রণ।
* বর্তমান সময়ের সবচেয়ে বড় ব্যাধি হলো মোবাইল ও ইন্টারনেট। ছুটিতে বাসায় গেলে সন্তানের হাতে যেন অনিয়ন্ত্রিতভাবে স্মার্টফোন না দেওয়া হয়, সে বিষয়ে কঠোরভাবে সতর্ক করা।
* অতিরিক্ত মোবাইল বা গেমসের কারণে হিফজ ভুলে যাওয়া এবং মেধা নষ্ট হওয়ার বাস্তব উদাহরণ তুলে ধরা।

৪. স্বাস্থ্য, খাবার ও পরিচ্ছন্নতা (আবাসিকদের জন্য বিশেষ)
* ছাত্রদের শারীরিক সুস্থতার জন্য বাইরের খোলা খাবার বা অতিরিক্ত ক্ষতিকর খাবার (চিপস, ফাস্টফুড) মাদরাসায় দিয়ে যাওয়া থেকে বিরত থাকতে বলা।
* ছুটির পর মাদরাসায় আসার সময় সন্তানের নখ কাটা, চুল ছোট রাখা এবং পরিষ্কার জামাকাপড় ও বিছানাপত্র গুছিয়ে দেওয়ার কথা স্মরণ করিয়ে দেওয়া।

৫. মাদরাসার নিয়মকানুন ও প্রশাসনিক বিষয়।
* **ছুটি ও সাক্ষাৎ:** মাদরাসার নির্ধারিত ছুটির বাইরে অযথা ছুটি না চাওয়া এবং সাক্ষাতের নির্দিষ্ট সময় মেনে চলার জন্য বিনীত অনুরোধ করা।
* **বেতন ও ফান্ড:** মাদরাসার বেতন বা লিল্লাহ ফান্ডের অনুদান মাসের শুরুতে পরিশোধ করার গুরুত্ব বোঝানো, যাতে প্রতিষ্ঠানের দৈনন্দিন খরচ ও শিক্ষকদের বেতন আটকে না যায়।
* **অভিযোগ প্রক্রিয়া:** সন্তান বাসায় গিয়ে মাদরাসা বা উস্তাদদের সম্পর্কে কোনো নেতিবাচক কথা বললে, সাথে সাথে তা বিশ্বাস না করে বা অন্য অভিভাবকের সাথে সমালোচনা না করে, সরাসরি মুহতামিম সাহেবের সাথে যোগাযোগ করে সত্যতা যাচাই করার পরামর্শ দেওয়া।

৬. উন্মুক্ত প্রশ্নোত্তর ও পরামর্শ গ্রহণ ।
* সম্মেলনের শেষ অংশে অভিভাবকদের কথা শোনার সুযোগ দেওয়া। মাদরাসার পড়ালেখা, খাবার বা ব্যবস্থাপনা নিয়ে তাদের কোনো গঠনমূলক পরামর্শ বা অভিযোগ থাকলে তা নোট করে নেওয়া।
* সবশেষে, সন্তান যেন একজন যোগ্য আলেম ও হাফেজ হতে পারে, সেজন্য উস্তাদ, পিতা-মাতা এবং ছাত্রের সম্মিলিত দোয়ার মাধ্যমে সম্মেলন শেষ করা।

**সারকথা:** সম্মেলনের পরিবেশ হতে হবে আন্তরিক। অভিভাবকরা যেন মনে করেন মাদরাসা কর্তৃপক্ষ তাদের সন্তানদের নিজের সন্তানের মতোই ভালোবাসে এবং তাদের উন্নতির জন্যই এত মেহনত করছে।

✍️👉🏻 M***i Abdullah Mahtab Habibi

সবাই আমাদের সাথে যুক্ত থাকুন

10/04/2026

আমাদের মাদ্রাসার বিগত সময়ের ছাত্রগণ যে যেখানে আছেন প্রত্যেকেই মাদ্রাসার জন্যে দোয়া করবেন।

প্রাণপ্রিয় মাদ্রাসা শিক্ষকদের প্রতি সবিনয়ে কিছু অনুরোধ!১/পরের সন্তানের জন্য নিজেকে বিপদে ফেলবেন না। যার জন্য ঝুঁকি নেবেন...
06/04/2026

প্রাণপ্রিয় মাদ্রাসা শিক্ষকদের প্রতি সবিনয়ে কিছু অনুরোধ!

১/পরের সন্তানের জন্য নিজেকে বিপদে ফেলবেন না। যার জন্য ঝুঁকি নেবেন সেই আপনার শত্রু হয়ে দাঁড়াবে।

২/অভিভাবককে আপন মনে করবেন না। ওরা পর। সুযোগ পেলে আপনার খবর করে ছাড়বে।

৩/ছাত্র নিয়মিত মাদ্রাসায় না এলে ছাত্রের থেকে বেশি অভিভাবকদের জিজ্ঞাসাবাদ করবেন।

৪/বড় কোন অপরাধ করলে মোহতামীম এবং অভিভাবকদের অভিহিত করবেন। বিচার করে ঝুঁকি নেবেন না।

৫/ছাত্র বা অভিভাবকের সাথে ব্যক্তিগত বিষয় শেয়ার করবেন না। সুযোগ পেলে কামড় দেবে।

৬/ছাত্র অমনোযোগী হলে বা তাঁর মেধা কম হলে অবশ্যই অভিভাবককে জানাবেন।

৭/পরীক্ষার রেজাল্ট অবশ্যই অভিভাবককে জানাবেন।

৮/ অভিভাবকদেরকেই শাসন করতে বাধ্য করবেন। যার ছেলে সেই শাসন করবে এটা উত্তম ও ফাইনাল।

৯/ অভিভাবকরা আপনাকে বলবে সন্তান কথা শুনে না এই করে সেই করে আপনি বুঝবেন তারা আপনার খুব ক্লোজ হয়ে গেছে কিন্তু যখন আপনি শাসন করতে গিয়ে দুই চারটা বেত বেশি দিয়ে দিবেন আপনার বিরুদ্ধে মামলা দিয়ে দিবে ।

প্রিয় ভাই যদি আপনার ধৈর্য্য এবং কৌশল কম থাকে তবে অবশ্যই অন্য কোন কাজে সময় দিন।
শিক্ষকতা কঠিন কাজ, এখানে আগের মত সম্মান মর্যাদা পাওয়া যায় না ।

Address

Araihazar

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when ছোট বিনাইরচর এমদাদুল উলূম ফয়জিয়া পুরুষ /মহিলা মাদ্রাসা posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share