08/07/2026
⚽খেলা মাঠে থাকুক, ইসলাম হৃদয়ে থাকুক।
ব্রাজিল, আর্জেন্টিনা, কিংবা অন্য যেকোনো দল—সবই একটি খেলার অংশ। আজ জিতবে, কাল হারবে; আজ উল্লাস, কাল হতাশা। এটাই ফুটবলের নিয়ম।
❝একজন ফুটবলারকে ভালোবাসতে গিয়ে আমরা কি আমাদের নবী-রাসূলদের মর্যাদার সীমা ভুলে যাচ্ছি?❞
হযরত মূসা (আ.) আল্লাহর প্রেরিত মহান নবীদের একজন। তাঁর মর্যাদা কোনো খেলোয়াড়, অভিনেতা বা পৃথিবীর কোনো মানুষের সঙ্গে তুলনীয় নয়।
একজন ফুটবলারের সঙ্গে হযরত মূসা (আ.)-এর তুলনা—এটা কি একজন মুসলিম হিসেবে আমাদের কাছে গ্রহণযোগ্য?
একটা প্রশ্ন রেখে গেলাম— আমরা কি ফুটবলকে এতটাই বড় করে ফেলেছি যে, নবী-রাসূলদের মর্যাদার বিষয়েও আর সংবেদনশীল নই?
কিন্তু আমরা ভুলে যাচ্ছি কেনো ইসলাম কোনো খেলা নয়, কোনো দেশের পতাকা নয়, কোনো ৯০ মিনিটের আবেগ নয়।
ইসলাম আমাদের ঈমান, আমাদের পরিচয়, আমাদের সম্মান এবং আমাদের জান্নাতের পথ।
একটি ফুটবল ম্যাচের জন্য যদি একজন মুসলিম আরেকজন মুসলিমকে অপমান করে, বিদ্বেষ ছড়ায়, সম্পর্ক নষ্ট করে—তবে আমরা খেলার গুরুত্ব বাড়িয়ে ইসলামের শিক্ষা ছোট করে ফেলছি।
মনে রাখুন—
আমরা ব্রাজিল বা আর্জেন্টিনার সমর্থক হওয়ার আগে লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ, মুহাম্মাদুর রাসূলুল্লাহ ﷺ-এর সাক্ষ্যদানকারী মুসলিম।
আমাদের কিবলা এক, আমাদের কুরআন এক, আমাদের নবী ﷺ এক, আমাদের রব এক। তাহলে একটি ফুটবল দল কীভাবে আমাদের হৃদয়কে বিভক্ত করতে পারে?
দলকে সমর্থন করুন, আনন্দ করুন, উদযাপন করুন—কিন্তু কখনোই এমনভাবে নয়, যাতে মুসলিম ভাইয়ের সম্মান ক্ষুণ্ন হয় বা ইসলামের আদব-আখলাক হারিয়ে যায়।
দল বদলাতে পারে, ট্রফি বদলাতে পারে, ইতিহাস বদলাতে পারে—কিন্তু একজন মুসলিমের পরিচয় কখনো বদলায় না।
🤲 আসুন, খেলার ভালোবাসা রাখি মাঠে, আর ইসলামের ভালোবাসা রাখি আমাদের হৃদয়ের সর্বোচ্চ স্থানে। আল্লাহ আমাদের সবাইকে মুসলিম উম্মাহর ঐক্য, ভালোবাসা ও ভ্রাতৃত্ব অটুট রাখার তাওফিক দান করুন। আমীন। 🤍🕌