22/06/2026
110352.jpg
Need a bangla translated copy
নিচে চিঠিটির বাংলা অনুবাদ দেওয়া হলো:
বাংলাদেশ বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ (CAAB)
নির্বাহী পরিচালকের কার্যালয়
হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর, কুর্মিটোলা, ঢাকা-১২২৯
স্মারক নং: 30.31.0000.161.02.001.26.001/1385A
তারিখ: ১১ জুন ২০২৬
বিষয়: হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে (HSIA) যাত্রীদের পিছনে পড়ে থাকা / বিলম্বিত লাগেজ (Left Behind / Delayed Baggage) সংক্রান্ত নির্দেশনা।
বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ উদ্বেগের সাথে লক্ষ্য করেছে যে, হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর (HSIA) হয়ে পরিচালিত বিভিন্ন আন্তর্জাতিক ফ্লাইটে যাত্রীদের চেক-ইনকৃত লাগেজ পিছনে পড়ে থাকার (Left Behind Baggage - LBB) ঘটনা অব্যাহত রয়েছে। এর ফলে যাত্রীরা উল্লেখযোগ্য ভোগান্তি, আর্থিক ক্ষতি এবং অসন্তোষের সম্মুখীন হচ্ছেন।
এ ধরনের ঘটনা যাত্রীসেবার মান, বিমানবন্দরের কার্যক্রমের দক্ষতা এবং সংশ্লিষ্ট এয়ারলাইন্স ও বিমানবন্দরের সামগ্রিক সুনামকে নেতিবাচকভাবে প্রভাবিত করে। তাই এয়ারলাইন্সসমূহকে স্মরণ করিয়ে দেওয়া হচ্ছে যে, পরিচালনাগত নিয়ন্ত্রণের বাইরে কোনো পরিস্থিতি ব্যতীত যাত্রীর চেককৃত লাগেজ অবশ্যই যাত্রীর সাথে একই ফ্লাইটে পরিবহন করতে হবে এবং প্রযোজ্য আইন ও বিধিমালা মেনে চলতে হবে।
যাত্রীদের স্বার্থ রক্ষা এবং সেবার মান উন্নয়নের লক্ষ্যে, LBB ঘটনার ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট এয়ারলাইন্সকে প্রতিটি ক্ষতিগ্রস্ত যাত্রীকে তাৎক্ষণিক সহায়তা হিসেবে ৩,০০০ (তিন হাজার) টাকা ক্ষতিপূরণ প্রদান করতে হবে, যা কোনো অতিরিক্ত দাবি বা আইনি অধিকারকে ক্ষুণ্ন করবে না।
অতএব, HSIA-তে আগমন ও প্রস্থানকারী সকল এয়ারলাইন্সকে নিম্নলিখিত নির্দেশনা অনুসরণ করার জন্য বলা হলো:
সকল পিছনে পড়ে থাকা লাগেজের ঘটনা দ্রুত শনাক্ত ও রিপোর্ট করতে হবে।
লাগেজ পিছনে পড়ে থাকার ঘটনা নিশ্চিত হওয়ার সাথে সাথে প্রত্যেক ক্ষতিগ্রস্ত যাত্রীকে ৩,০০০ (তিন হাজার) টাকা প্রদান করতে হবে।
বিলম্বিত লাগেজ যত দ্রুত সম্ভব যাত্রীর কাছে পৌঁছে দিতে হবে এবং এ জন্য যাত্রীর কাছ থেকে কোনো অতিরিক্ত খরচ নেওয়া যাবে না।
ক্ষতিপূরণ প্রদানের সঠিক রেকর্ড সংরক্ষণ করতে হবে এবং বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ চাইলে তা উপস্থাপন করতে হবে।
যদি পরিচালনাগত নিয়ন্ত্রণের বাইরে কোনো কারণে লাগেজ পিছনে পড়ে যায়, তাহলে সংশ্লিষ্ট এয়ারলাইন্সকে যাত্রীদের আগেই (ফ্লাইট ছাড়ার সময় অথবা গন্তব্যে পৌঁছানোর আগে) লাগেজের বর্তমান অবস্থা এবং সরবরাহের ব্যবস্থা সম্পর্কে অবহিত করতে হবে, যাতে বিমানবন্দরের ব্যাগেজ ক্লেইম এলাকায় যাত্রী বা বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ কোনো অসুবিধার সম্মুখীন না হয়।
উপরোক্ত নির্দেশনা পালনে ব্যর্থ হলে, উপযুক্ত কর্তৃপক্ষ নিয়ন্ত্রক ব্যবস্থা গ্রহণ করতে পারে, যার মধ্যে আসন সংখ্যা সীমিতকরণ (Seat Restriction), ফ্লাইট ফ্রিকোয়েন্সি হ্রাস (Frequency Curtailment), স্লট বাতিল (Slot Cancellation) এবং অন্যান্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা অন্তর্ভুক্ত থাকতে পারে।
উন্নত যাত্রীসেবা নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে আপনাদের সহযোগিতা অত্যন্ত প্রশংসনীয়।
স্বাক্ষরিত
গ্রুপ ক্যাপ্টেন এস. এম. রকিব সামাদ
নির্বাহী পরিচালক
হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর
কুর্মিটোলা, ঢাকা-১২২৯
সংক্ষেপে: এই নির্দেশনা অনুযায়ী, হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে কোনো যাত্রীর লাগেজ একই ফ্লাইটে না এলে বা পিছনে পড়ে গেলে সংশ্লিষ্ট এয়ারলাইন্সকে তাৎক্ষণিকভাবে ওই যাত্রীকে ৩,০০০ টাকা ক্ষতিপূরণ দিতে হবে এবং পরে বিনামূল্যে লাগেজ পৌঁছে দিতে হবে।