The Daily Cricket Score

The Daily Cricket Score রক্তে যখন ক্রিকেট, আপডেট কেন অন্য কোথাও? ��

ক্রিকেটের প্রতি মুহূর্তের খবর এবং এক্সক্লুসিভ কন্টেন

🏆🔥 IPL 2026 ফাইনাল আজ সন্ধ্যা ৭:৩০ টায় – কোটি হৃদয়ের অপেক্ষার অবসান! 🔥🏆ক্রিকেটের সবচেয়ে বড় রাত শুরু হতে আর বেশি দেরি...
31/05/2026

🏆🔥 IPL 2026 ফাইনাল আজ সন্ধ্যা ৭:৩০ টায় – কোটি হৃদয়ের অপেক্ষার অবসান! 🔥🏆

ক্রিকেটের সবচেয়ে বড় রাত শুরু হতে আর বেশি দেরি নেই
!আজ আর কোনো সাধারণ দিন নয়।
আজ সেই দিন, যার জন্য প্রায় দুই মাস ধরে অপেক্ষা করে আছে কোটি কোটি ক্রিকেটপ্রেমী। আজ সেই রাত, যেখানে তৈরি হবে নতুন ইতিহাস, ভাঙবে পুরনো রেকর্ড, আর একজন অধিনায়ক নিজের হাতে উঁচিয়ে ধরবেন স্বপ্নের সেই সোনালি ট্রফি।

⏰ আজ সন্ধ্যা ৭:৩০ টায় শুরু হতে যাচ্ছে IPL 2026-এর মহারণ।

পুরো টুর্নামেন্ট জুড়ে অসংখ্য স্মরণীয় মুহূর্ত, অবিশ্বাস্য প্রত্যাবর্তন, বিধ্বংসী ব্যাটিং, আগুন ঝরা বোলিং এবং নাটকীয় ম্যাচের সাক্ষী হয়েছে ক্রিকেট বিশ্ব। কিন্তু এখন সব হিসাব-নিকাশের শেষ অধ্যায়।

আজ মাঠে নামবে দুটি সেরা দল।
একদিকে স্বপ্ন পূরণের লড়াই, অন্যদিকে ইতিহাস লেখার সুযোগ।

এই একটি ম্যাচের জন্যই খেলোয়াড়রা মাসের পর মাস কঠোর পরিশ্রম করেছেন। হাজারো অনুশীলন, অসংখ্য ত্যাগ আর অগণিত সংগ্রামের পর আজ তারা দাঁড়িয়ে আছে সবচেয়ে বড় মঞ্চে।

স্টেডিয়ামে থাকবে হাজার হাজার দর্শকের গর্জন।
টেলিভিশন ও মোবাইলের পর্দায় চোখ রাখবে বিশ্বের কোটি কোটি মানুষ।
প্রতিটি বল, প্রতিটি রান, প্রতিটি উইকেট এবং প্রতিটি সিদ্ধান্ত বদলে দিতে পারে ম্যাচের ভাগ্য।

আজ হয়তো কোনো তারকা ব্যাটসম্যান খেলবেন জীবনের সেরা ইনিংস।
হয়তো কোনো বোলার নিজের স্পেল দিয়ে বদলে দেবেন ম্যাচের গল্প।
হয়তো শেষ ওভারের শেষ বল পর্যন্ত গড়াবে এই মহারণ।

এটাই তো IPL-এর সৌন্দর্য।

এখানে কোনো দল ছোট নয়, কোনো মুহূর্ত সাধারণ নয়, আর শেষ বলের আগে কেউই নিশ্চিত নয়।

আজ শুধু একটি ট্রফির জন্য লড়াই নয়।

আজ লড়াই সম্মানের।
আজ লড়াই গৌরবের।
আজ লড়াই কোটি সমর্থকের আবেগের।

কেউ জিতবে, কেউ হারবে।
কিন্তু ক্রিকেটপ্রেমীরা জিতবে এক অসাধারণ সন্ধ্যা, এক রোমাঞ্চকর স্মৃতি এবং এমন একটি ম্যাচ, যা বহুদিন ধরে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু হয়ে থাকবে।

❤️ যারা শুরু থেকে নিজেদের প্রিয় দলের পাশে ছিলেন, আজ তাদের আবেগের সবচেয়ে বড় পরীক্ষা।

🏆 আর মাত্র কয়েক ঘণ্টা পরই জানা যাবে—IPL 2026-এর নতুন চ্যাম্পিয়ন কে?

ততক্ষণ পর্যন্ত উত্তেজনা ধরে রাখুন, বন্ধুদের সঙ্গে আলোচনা করুন, নিজের প্রিয় দলকে সমর্থন করুন এবং প্রস্তুত হয়ে যান ক্রিকেটের সবচেয়ে বড় রাতের জন্য।

🔥 আজ সন্ধ্যা ৭:৩০ টা।
🔥 একটি ম্যাচ।
🔥 দুটি দল।
🔥 একটি ট্রফি।
🔥 আর কোটি মানুষের আবেগ।

The Daily Score Card-এর পক্ষ থেকে সকল ক্রিকেটপ্রেমীদের জন্য রইল শুভকামনা।

👇 কমেন্টে জানান, আজকের ফাইনালে আপনার সমর্থন কোন দলের জন্য এবং কে হতে পারেন ম্যাচের নায়ক?

ক্রিকেটের সবচেয়ে বড় রাত শুরু হতে আর বেশি দেরি নেই!

কার মাথায় উঠবে ২০২৬-এর আইপিএল মুকুট? শুরু হচ্ছে রক্তের স্পন্দন বাড়ানো এক প্লে-অফ থ্রিলার! নিচে পড়ুন   👇🎬 আইপিএল ২০২৬: রক...
26/05/2026

কার মাথায় উঠবে ২০২৬-এর আইপিএল মুকুট? শুরু হচ্ছে রক্তের স্পন্দন বাড়ানো এক প্লে-অফ থ্রিলার! নিচে পড়ুন 👇
🎬 আইপিএল ২০২৬: রক্তের স্পন্দন বাড়ানো এক প্লে-অফ থ্রিলার
আকাশে তখন মেঘের ঘনঘটা, আর মাঠে কোটি টাকার স্নায়ুযুদ্ধ। আইপিএল ২০২৬-এর লিগ পর্ব শেষ হয়েছে এমন এক নাটকীয়তার মধ্য দিয়ে, যা কোনো হলিউড থ্রিলারকেও হার মানায়। টেবিলের শীর্ষ তিনটি দলই ১৮ পয়েন্টে টাই! কিন্তু রান-রেটের অংক যেন এক নিষ্ঠুর গণিতবিদ। সেই অংকের মারপ্যাঁচে ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়ন রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরু (RCB) শীর্ষস্থান ধরে রাখলেও, শুভমান গিলের গুজরাট টাইটান্স (GT) আর প্যাট কামিন্সের বিধ্বংসী সানরাইজার্স হায়দরাবাদ (SRH) ওত পেতে আছে একটুখানি ভুলের অপেক্ষায়। আর শেষ মুহূর্তে ট্র্যাকে ফেরা রাজস্থান রয়্যালস (RR) যেন এক লুকিয়ে থাকা ব্ল্যাক হর্স, খাদের কিনারা থেকে ঘুরে দাঁড়িয়ে যারা এখন যেকোনো দলকে গিলে খেতে প্রস্তুত।

আজ কোয়ালিফায়ার ১-এর মহাযুদ্ধ। মুখোমুখি বিরাট কোহলি আর রশিদ খান। একদিকে আহমেদাবাদের ফাইনালের সরাসরি টিকিট, অন্যদিকে এলিমিনেটরের মরণ-বাঁচন লড়াই।

👑 আরসিবি শিবির: রাজমুকুট ধরে রাখার শেষ চাল
বেঙ্গালুরুর ড্রেসিংরুমে এখন পিনপতন নীরবতা। বিরাট কোহলির চোখে সেই পরিচিত খুনে মেজাজ। লিগ পর্বে অতিমানবীয় ফর্মে থাকা কোহলি জানেন, এই একটা ম্যাচ পুরো মৌসুমের ভাগ্য বদলে দিতে পারে। চ্যাম্পিয়ন হিসেবে তারা জানে কীভাবে চাপ সামলাতে হয়। কিন্তু আরসিবি-র সেই পুরনো রোগ—মিডল অর্ডারের হঠাৎ ধসে পড়া—যদি এই হাই-ভোল্টেজ ম্যাচে আবার জেগে ওঠে? কোহলি কি পারবেন টানা দ্বিতীয়বার আরসিবি-কে ফাইনালের মঞ্চে তুলতে, নাকি মাঝপথেই ভেঙে যাবে কোটি ভক্তের স্বপ্ন?

⚡ গুজরাট টাইটান্স: টাইটান্সদের নীল নকশা
শুভমান গিলের ঠাণ্ডা মাথার ক্যাপ্টেন্সি আর রশিদ খানের স্পিন জাদু—এই দুই অস্ত্রে বলীয়ান গুজরাট এখন টগবগ করে ফুটছে। শেষ ম্যাচে চেন্নাইকে যেভাবে তারা গুঁড়িয়ে দিয়েছে, তাতে তাদের আত্মবিশ্বাস এখন আকাশে। কোহলি বনাম রশিদের এই মনস্তাত্ত্বিক যুদ্ধই আজ ম্যাচের ভাগ্য গড়ে দেবে। রশিদ খানের একটা গুগলিতে যদি কোহলির মিডল স্টাম্প উড়ে যায়, তবে আরসিবি-র জন্য ম্যাচ বাঁচানো অসম্ভব হয়ে পড়বে। টাইটান্সরা কি পারবে আরসিবি-র দুর্গ ভেঙে ফাইনালে বুকিং করতে?

🧡 সানরাইজার্স হায়দরাবাদ: অরেঞ্জ আর্মির সুনামি
পয়েন্ট টেবিলে তিন নম্বরে থাকলেও ট্র্যাভিস হেড আর ইশান কিশানের পাওয়ারপ্লে ধ্বংসযজ্ঞের কথা মনে করলে যেকোনো বোলারের হাত কাঁপতে বাধ্য। কিন্তু এবার তাদের সামনে কোনো 'সেফটি নেট' নেই—এলিমিনেটরে একটা ভুল মানেই সোজা বাড়ি ফেরার টিকিট। প্যাট কামিন্সের মগজাস্ত্র কি পারবে এই মরণ-বাঁচন ম্যাচে দলকে টেনে তুলতে? অতিরিক্ত আগ্রাসী ব্যাটিংই কি তাদের শক্তি হবে, নাকি সেটাই ডেকে আনবে বিপর্যয়?

🏹 রাজস্থান রয়্যালস: খাদের কিনারা থেকে ফিনিক্স
শেষ ম্যাচে মুম্বাইয়ের বিরুদ্ধে ডু-অর-ডাই পরিস্থিতিতে যেভাবে রাজস্থান ম্যাচ ছিনিয়ে নিয়েছে, তাতে পরিষ্কার—চাপের মুখে তারা এখন অভ্যস্ত। জোফরা আর্চারের আগুন ঝরানো বোলিং আর রিয়ান পরাগের শেষ মুহূর্তের ফিনিশিং যেকোনো বড় দলের রাতের ঘুম উড়িয়ে দেওয়ার জন্য যথেষ্ট। রাজস্থানের এই রূপকথা কি তবে ট্রফি জয় দিয়েই শেষ হবে?

🎭 শেষ অঙ্ক: কার ঘরে যাবে ট্রফি?
ধর্মশালার কনকনে ঠাণ্ডা থেকে আহমেদাবাদের তপ্ত ফাইনাল—আইপিএল ২০২৬-এর এই শেষ কটা দিন ক্রিকেটপ্রেমীদের রাতের ঘুম কেড়ে নিতে বাধ্য। এখানে কোনো দলই ফেভারিট নয়, কোনো দলই দুর্বল নয়। যে দল মাঠের ভেতরে স্নায়ুর চাপ ধরে রাখতে পারবে, ট্রফি যাবে তাদের ঘরেই।

আরসিবি-র ট্রফি ধরে রাখার মিশন, গুজরাটের প্রতিশোধ, হায়দরাবাদের ধ্বংসাত্মক সুনামি নাকি রাজস্থানের অবিশ্বাস্য রূপকথা—কোনটা দেখতে চলেছেন আপনি?
IPL2026

মুম্বইকে হারিয়ে প্লে-অফের দৌড়ে থাকল কেকেআর, রবিতে দিল্লির বিরুদ্ধে মহারণ, রাহানেদের নজর থাকবে বৈভবদের দিকেওআইপিএলের প্...
21/05/2026

মুম্বইকে হারিয়ে প্লে-অফের দৌড়ে থাকল কেকেআর, রবিতে দিল্লির বিরুদ্ধে মহারণ, রাহানেদের নজর থাকবে বৈভবদের দিকেও

আইপিএলের প্লে-অফের লড়াইয়ে টিকে থাকতে হলে মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের বিরুদ্ধে জিততেই হত কেকেআরকে। ইডেনে সেই কাজটাই করলেন অজিঙ্ক রাহানেরা।প্লে-অফের লড়াইয়ে টিকে থাকল কলকাতা নাইট




প্লে-অফের লড়াইয়ে টিকে থাকল কলকাতা নাইট রাইডার্স। গুজরাত টাইটান্সের পর এ বার ঘরের মাঠে মুম্বই ইন্ডিয়ান্সকে হারাল তারা। আইপিএলে মুম্বই বরাবর কেকেআরের শক্ত গাঁট। মুখোমুখি সাক্ষাতে অনেকটা এগিয়ে মুম্বই। ফলে অজিঙ্ক রাহানেদের কাজটা সহজ ছিল না। কাজটা সহজ করে দিলেন বোলারেরা। মুম্বইকে ১৪৭ রানে আটকে রাখলেন তাঁরা। সেখানেই জয় অনেকটা নিশ্চিত করে ফেলল কেকেআর। বাকি কাজটা করলেন ব্যাটারেরা। হার্দিক পাণ্ড্যদের ৪ উইকেটে হারাল কেকেআর।

এই ম্যাচের পর কেকেআরের পয়েন্ট ১৩ ম্যাচে ১৩। পয়েন্ট তালিকায় ছ’নম্বরে উঠেছে তারা। রবিবার গ্রুপের শেষ ম্যাচে প্রতিপক্ষ দিল্লি ক্যাপিটালস। যদি তার আগে পঞ্জাব কিংস ও রাজস্থান রয়্যালস পয়েন্ট নষ্ট করে তা হলে প্লে-অফে ওঠার সুবর্ণ সুযোগ চলে আসবে রাহানেদের সামনে। সে ক্ষেত্রে শুধু দিল্লিকে হারালেই প্লে-অফে উঠে যাবেন তাঁরা। শেষ সাত ম্যাচের মধ্যে ছ’টি জিতল কেকেআর। দুর্দান্ত প্রত্যাবর্তনে সমর্থকদের মুখে হাসি ফোটাচ্ছেন রাহানেরা।

খেলা শুরুর আগে বৃষ্টির কারণে পিচ কিছু ক্ষণ ঢাকা থাকায় শুরুতে ব্যাট করতে যে সমস্যা হবে তা নিশ্চিত ছিল। গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে টস জিতে চোখ বন্ধ করে বল করার সিদ্ধান্ত নেন রাহানে। সেই সিদ্ধান্ত কাজে লাগে। ইডেনে সাধারণত যে ধরনের পাটা উইকেট দেখা যায়, এই ম্যাচের পিচ তেমনটা ছিল না। পিচে বোলারদের জন্যও সুবিধা ছিল। বিশেষ করে গতির হেরফের করলে ব্যাটারদের খেলতে সমস্যা হচ্ছিল।

সেই সুবিধা কাজে লাগান কেকেআরের বোলারেরা। তৃতীয় ওভারে মুম্বইকে প্রথম ধাক্কা দেন ক্যামেরন গ্রিন। তাঁর বল মারতে গিয়ে ৬ রানের মাথায় আউট হন রায়ান রিকেলটন। ভাল ক্যাচ ধরেন মণীশ পাণ্ডে। তিন বল পরেই নমন ধীরকে শূন্য রানে আউট করেন গ্রিন। এক ওভারে জোড়া ধাক্কা খায় মুম্বই।

রোহিত শর্মা দু’টি ছক্কা মারলেও বেশি ডট বল খেলছিলেন। ফলে চাপ বাড়ছিল তাঁর উপর। বাধ্য হয়ে সৌরভ দুবের বলে বড় শট মারতে গিয়ে ১৫ রানের মাথায় আউট হন তিনি। অনেকটা দৌড়ে ভাল ক্যাচ ধরেন গ্রিন। সূর্যকুমার যাদব চার নম্বরে নেমে বল নষ্ট করেননি। বড় শট খেলা শুরু করেন। কিন্তু মাত্র ছ’বল ক্রিজ়ে ছিলেন তিনি। সৌরভের বলে ১৫ রানের মাথায় বোল্ড হন তিনি। পাওয়ার প্লে-র মধ্যে ৪১ রানে চার উইকেট পড়ে যায় মুম্বইয়ের।

মাঝে বৃষ্টির কারণে প্রায় এক ঘণ্টা খেলা বন্ধ থাকে। কিন্তু বেশি বৃষ্টি না হওয়ায় ওভার নষ্ট হয়নি। দ্বিতীয় বার খেলা শুরু হওয়ার পর কেকেআরের দুই স্পিনার বরুণ চক্রবর্তী ও সুনীল নারাইনের বলে রান করতে সমস্যা হচ্ছিল মুম্বইয়ের। বরুণের বলে ক্যাচও তোলেন তিলক বর্মা। বরুণ ক্যাচ প্রায় ধরে ফেলেছিলেন। কিন্তু উইকেটরক্ষক অঙ্গকৃশ রঘুবংশী অকারণে বেশ খানিকটা দৌড়ে সেই ক্যাচ ধরতে যান। তিনি গিয়ে বরুণকে ধাক্কা মারেন। ফলে তাঁর হাত থেকে বল বেরিয়ে যায়।

সুযোগ অবশ্য কাজে লাগাতে পারেননি তিলক। মন্থর ইনিংস খেলেন তিনি। অবশেষে কার্তিক ত্যাগীর বলে আউট হন তিলক। ৩২ বলে ২০ রান করেন তিলক। ২৬ রান করে নারাইনের বলে আউট হন হার্দিক। আরও একটি ম্যাচে দুর্দান্ত বল করলেন নারাইন। চার ওভারে ১৩ রান দিয়ে ১ উইকেট নেন তিনি।

রান করতে সমস্যা হচ্ছিল মুম্বইয়ের। শেষ দিকে কয়েকটি বড় শট মারেন উইল জ্যাকস। ঠিক যখন দেখে মনে হচ্ছে তিনি কিছু রান করবেন, তখনই অকারণে দু’রান নিতে গিয়ে রান আউট হন জ্যাকস। ১৪ রান করেন তিনি। তার পর দেখে মনে হচ্ছিল, ১২০ রান করতে সমস্যা হবে মুম্বইয়ের। কিন্তু তখনও কর্বিন বশ ছিলেন ক্রিজ়ে। শেষ দিকে ঝোড়ো ইনিংস খেলেন তিনি। শেষ ওভারে ত্যাগীর বলে ১৯ রান নেন তিনি। শেষ পর্যন্ত ২০ ওভারে ৮ উইকেট হারিয়ে ১৪৭ রান করে মুম্বই। ১৮ বলে ৩২ রানে অপরাজিত থাকেন বশ। মুম্বইকে লড়াইয়ের জায়গায় নিয়ে যান তিনি। গ্রিন, সৌরভ ও ত্যাগী ২ করে উইকেট নেন। বরুণ উইকেট না পেলেও খারাপ বল করেননি। রাইডার্স। গুজরাত টাইটান্সের পর এ বার ঘরের মাঠে মুম্বই ইন্ডিয়ান্সকে হারাল তারা। আইপিএলে মুম্বই বরাবর কেকেআরের শক্ত গাঁট। মুখোমুখি সাক্ষাতে অনেকটা এগিয়ে মুম্বই। ফলে অজিঙ্ক রাহানেদের কাজটা সহজ ছিল না। কাজটা সহজ করে দিলেন বোলারেরা। মুম্বইকে ১৪৭ রানে আটকে রাখলেন তাঁরা। সেখানেই জয় অনেকটা নিশ্চিত করে ফেলল কেকেআর। বাকি কাজটা করলেন ব্যাটারেরা। হার্দিক পাণ্ড্যদের ৪ উইকেটে হারাল কেকেআর।১৪৮ রান খুব বেশি না হলেও মুম্বইয়ের ব্যাটিং দেখে বোঝা গিয়েছিল, এই পিচে ঝোড়ো ব্যাটিং সহজ নয়। কিন্তু ফিন অ্যালেন একটাই গিয়ারে খেলতে জানেন। প্রথম ওভারেই দীপক চহারের বলে দু’টি চার মারেন তিনি। কিন্তু ওভারের শেষ বলে জোরে ব্যাট ঘোরাতে গিয়ে বোল্ড হন অ্যালেন। ৮ রান করেন তিনি। রানের মধ্যে থাকা ব্যাটার প্রথম ওভারেই সাজঘরে ফেরেন।

ফিল্ডিং করার সময় মাথায় লাগায় অঙ্গকৃশ রঘুবংশী তিন নম্বরে নামেননি। বদলে নামানো হয় মণীশকে। অধিনায়ক রাহানের সঙ্গে জুটি বাঁধেন তিনি। চহার, জসপ্রীত বুমরাহদের বল সামলে খেললেও পাওয়ার প্লে-র শেষ ওভারে আউট হন রাহানে। ২১ রানের মাথায় বশের বলে আউট হন তিনি। বল হাতে ও ফিল্ডিংয়ে নজর কাড়লেও ব্যাট হাতে দিনটা ভাল যায়নি গ্রিনের। ৪ রানের মাথায় বশের বলেই ফেরেন তিনি।

মণীশ শুরুতে কিছুটা সময় নিলেও ধীরে ধীরে রান করা শুরু করেন। পাঁচ নম্বরে নেমে রভম্যান পাওয়েল আগ্রাসী ব্যাটিং শুরু করেন। ঠিক তখনই ক্যাচ ধরতে গিয়ে একটি বড় ভুল করে মুম্বই। হার্দিকের বলে ক্যাচ তোলেন পাওয়েল। চহারের দিকে বল যাচ্ছিল। কাছেই ছিলেন আর এক ফিল্ডার রবিন মিঞ্জ। দু’জনেই ভাবেন অপর জন ক্যাচ ধরবেন। তাই কেউ ক্যাচ ধরতে যাননি। বল তাঁদের মাঝে পড়ে। সেই ভুল কাজে লাগায় কেকেআর। পর পর কয়েকটি বড় শট মারেন মণীশ ও পাওয়েল।

লক্ষ্য বড় না হওয়ায় কেকেআরের উপর চাপ কম ছিল। দৌড়ে রানের উপরেই নির্ভর করছিলেন দুই ব্যাটার। মাঝেমধ্যে খারাপ বল পেলে বড় শট মারছিলেন। মুম্বই জানত, উইকেট তুলতে না পারলে ম্যাচ জেতা যাবে না। হাতের সব তাস খেলে ফেলেন হার্দিক। কিন্তু উইকেট আসছিল না। মণীশ ও রভম্যান দায়িত্ব নিয়ে খেলছিলেন। খুব একটা ঝুঁকি নিচ্ছিলেন না তাঁরা।

শেষ ৪৮ বলে কেকেআরের জিততে দরকার ছিল ৫১ রান। মণীশ ও পাওয়েল সেই কাজটা আরও সহজ করলেন। ফিল্ডিংয়ের ফাঁক খুঁজে শট মারলেন তাঁরা। বিশেষ করে স্পিনারদের সামনে দুর্দান্ত ব্যাট করলেন দু’জনে। কেকেআরের স্পিনারদের সামনে কিন্তু সমস্যায় পড়েছিলেন মুম্বইয়ের ব্যাটারেরা। সেখানেই বাজিমাত করল কেকেআর।

যত সময় গড়াচ্ছিল, তত কেকেআরের জয় স্পষ্ট হচ্ছিল। বাধ্য হয়ে বুমরাহের হাতে বল তুলে দেন হার্দিক। বুমরাহ নিরাশ করেননি। মণীশকে বোল্ড করেন তিনি। ভাঙে ৬৪ রানের জুটি। ৩৩ বলে ৪৫ রানের গুরুত্বপূর্ণ ইনিংস খেলেন মণীশ।

শেষ ৩০ বলে কেকেআরের জিততে দরকার ছিল ৩০ রান। পাওয়েলের সঙ্গে জুটি বাঁধেন রিঙ্কু সিংহ। আল্লা গজ়নফরের চতুর্থ ওভারের প্রথম বলেই ছক্কা মারেন পাওয়েল। পরের বলে পয়েন্ট অঞ্চলে সজোরে শ
ট মেরেছিলেন তিনি। শূন্যে ঝাঁপিয়ে দুর্দান্ত ক্যাচ ধরেন বশ। মুম্বই হারলেও বশের দিনটা ভাল গেল। ব্যাটিং, বোলিং, ফিল্ডিং, সব দিকে নজর কাড়লেন তিনি। ৩০ বলে ৪০ রান করে আউট হন পাওয়েল।

শেষ দিকে কয়েকটি উইকেট পড়লেও লক্ষ্য কম থাকায় কেকেআর চাপে পড়েনি। রিঙ্কু ও অনুকূল রায় দলকে জিতিয়ে মাঠ ছাড়েন। ৭ বল বাকি থাকতে ম্যাচ জেতে কেকেআর






🏏 IPL 2026: জমে উঠেছে পয়েন্ট টেবিলের লড়াই! 🏆​আইপিএল ২০২৬ এর উত্তেজনা এখন তুঙ্গে! ১২ ম্যাচ শেষে ১৬ পয়েন্ট নিয়ে টেবিলের শী...
14/05/2026

🏏 IPL 2026: জমে উঠেছে পয়েন্ট টেবিলের লড়াই! 🏆
​আইপিএল ২০২৬ এর উত্তেজনা এখন তুঙ্গে! ১২ ম্যাচ শেষে ১৬ পয়েন্ট নিয়ে টেবিলের শীর্ষে রাজত্ব করছে RCB। তবে ঘাড়ে নিঃশ্বাস ফেলছে GT, তাদের পয়েন্টও সমান ১৬!
​এদিকে প্লে-অফের দৌড়ে টিকে থাকতে মরিয়া লড়াই চালাচ্ছে SRH, PBKS এবং CSK। টেবিলের তলানিতে থাকা MI এবং LSG কি পারবে শেষ মুহূর্তে কোনো মিরাকল ঘটাতে?
​একনজরে আজকের পয়েন্ট টেবিল:
​🥇 RCB: ১২ ম্যাচে ৮ জয় (+১.০ NRR)
​🥈 GT: ১২ ম্যাচে ৮ জয় (+০.৫ NRR)
​🥉 SRH: ১২ ম্যাচে ৭ জয় (+০.৩ NRR)
​🏅 PBKS: ১১ ম্যাচে ৬ জয় (+০.৪ NRR)
​আপনার প্রিয় দল এখন কত নম্বরে? তারা কি প্লে-অফে কোয়ালিফাই করতে পারবে বলে আপনি মনে করেন? কমেন্টে জানান আমাদের! 👇

প্রথম ওভারেই চার ছক্কা! শূন্য রানে আউটের বদলা ৩৬ বলে শতরানে, জয়পুরে উঠল বৈভব-ঝড়আইপিএলে নিজের দ্বিতীয় শতরান করল বৈভব সূর...
25/04/2026

প্রথম ওভারেই চার ছক্কা! শূন্য রানে আউটের বদলা ৩৬ বলে শতরানে, জয়পুরে উঠল বৈভব-ঝড়

আইপিএলে নিজের দ্বিতীয় শতরান করল বৈভব সূর্যবংশী। সানরাইজ়ার্স হায়দরাবাদের বিরুদ্ধে ৩৬ বলে শতরান করল রাজস্থান রয়্যালসের ব্যাটার।
১২ দিন আগে সানরাইজ়ার্স হায়দরাবাদের বিরুদ্ধে প্রথম বলেই শূন্য রানে আউট হয়েছিল বৈভব সূর্যবংশী। তার বদলা শনিবার নিল রাজস্থান রয়্যালসের ব্যাটার। সেই হায়দরাবাদের বিরদ্ধেই মাত্র ৩৬ বলে শতরান করল সে। ১২ ছক্কার ইনিংসে জবাব দিল ১৫ বছরের ব্যাটার। যদিও তার পরের বলেই আউট হল বৈভব। তার ৩৭ বলে ১০৩ রানের ইনিংসে ভর করে বড় রানের পথে রাজস্থান।



King koholi ❤️✨
25/04/2026

King koholi ❤️✨

𝐎𝐧𝐞 𝐊𝐢𝐧𝐠. 𝐎𝐧𝐞 𝐜𝐨𝐮𝐧𝐭𝐫𝐲. 𝐎𝐧𝐞 𝐡𝐢𝐬𝐭𝐨𝐫𝐢𝐜 𝐦𝐢𝐥𝐞𝐬𝐭𝐨𝐧𝐞. 👑🇮🇳

Virat Kohli becomes the first-ever player in cricket history to score 10,000 T20 runs in a single country — achieved in India! 🐐🌟

শুভ জন্মদিন, মাস্টার ব্লাস্টার💐​ক্রিকেটের বাইশ গজে যার শাসন আজও অমলিন, বিশ্বজুড়ে কোটি কোটি ভক্তের কাছে যিনি শুধু একজন খে...
24/04/2026

শুভ জন্মদিন, মাস্টার ব্লাস্টার💐
​ক্রিকেটের বাইশ গজে যার শাসন আজও অমলিন, বিশ্বজুড়ে কোটি কোটি ভক্তের কাছে যিনি শুধু একজন খেলোয়াড় নন, বরং এক আবেগের নাম। হ্যাঁ, আমরা 'গড অফ ক্রিকেট', আমাদের প্রিয় মাস্টার ব্লাস্টার শচীন তেন্ডুলকরের কথাই বলছি।
​তাঁকে ছাড়া ক্রিকেট অপূর্ণ। সেই ছোটবেলার স্বপ্নের হিরো থেকে আজকের আইকন—শচীন পাজির প্রতিটি ইনিংস আমাদের গর্বিত করেছে। ২০১১ সালে ভারতের বিশ্বকাপ জয়ের মুহূর্ত আজও প্রতিটি ভারতীয়র চোখে জল এনে দেয়।
​আজ তাঁর শুভ জন্মদিনে 'দ্য ডেইলি স্কোর কার্ড'-এর পুরো টিমের পক্ষ থেকে জানাই অনেক অনেক শুভেচ্ছা ও আন্তরিক শ্রদ্ধা। আপনি সুস্থ থাকুন, হাসিখুশি থাকুন। আমাদের এই ভালোবাসা এবং শ্রদ্ধা সবসময় আপনার সাথে থাকবে। ❤️🥳🎂
​প্রিয় পাঠকেরা, শচীন তেন্ডুলকরের কোন ইনিংসটি আপনাদের সবচেয়ে বেশি মনে পড়ে? আপনার প্রিয় মাস্টার ব্লাস্টার স্মৃতির কথা কমেন্টে আমাদের জানান। 👇

🏏✨কোহলির নজির ছুঁয়ে, কমলা টুপির দৌড়ে অভিষেক! দিল্লি ক্যাপিটালসকে হারিয়ে আইপিএলের পয়েন্ট তালিকায় তৃতীয় স্থানে উঠে এল সানর...
22/04/2026

🏏✨কোহলির নজির ছুঁয়ে, কমলা টুপির দৌড়ে অভিষেক!

দিল্লি ক্যাপিটালসকে হারিয়ে আইপিএলের পয়েন্ট তালিকায় তৃতীয় স্থানে উঠে এল সানরাইজার্স হায়দরাবাদ। নেট রান রেটে ঈশান কিশনেরা টপকে গেলেন রাজস্থান রয়্যালসকে।
হায়দরাবাদ সানরাইজার্সের প্রথম ব্যাট যে দিন রান পাবেন, সে দিন প্রতিপক্ষ দলকে কঠিন চ্যালেঞ্জের সামনে পড়তে হবে। ক্রিকেট বিশেষজ্ঞদের ধারনা যে অমূলক নয়, তা আরও এক বার প্রমাণ হয়ে গেল দিল্লি ক্যাপিটালসের বিরুদ্ধে। অক্ষর পটেলের দলকে কঠিন চ্যালেঞ্জের সামনে ফেলল অভিষেক শর্মার ব্যাট। ১৩৫ রান করে অপরাজিত থাকেন তিনি। অভিষেকের শতরানের সুবাদে হায়দরাবাদ তোলে ২ উইকেটে ২৪২ রান। জবাবে দিল্লির ইনিংস শেষ হল ৯ উইকেটে ১৯৫ রানে। হায়দরাবাদ জিতল ৪৭ রানে।
টস জিতে দিল্লি অধিনায়ক হায়দরাবাদকে ঘরের মাঠে প্রথমে ব্যাট করার সুযোগ করে দেন। সেই সুযোগ যতটা সম্ভব কাজে লাগায় ঈশান কিশনের দল। অভিষেক এবং ট্রেভিস হেডের জুটি শুরু করে চেনা আগ্রাসী মেজাজে। অস্ট্রেলীয় ব্যাটার ২৬ বলে ৩৭ রান করে আউট হলেও ২২ গজের এক প্রান্তে অবিচল ছিলেন অভিষেক। হেডের ব্যাট থেকে আসে ২টি চার এবং ২টি ছয়। তাঁদের ৮.৫ ওভারের ওপেনিং জুটিতে ওঠে ৯৭ রান।

হেড আউট হওয়ার পর অভিষেকের সঙ্গে জুটি তৈরি করেন অধিনায়ক ঈশান। রান তোলার গতি আরও বাড়িয়ে নেয় হায়দরাবাদ। দুই তরুণ ব্যাটারের সামনে দিল্লির বোলারদের দিশাহীন দেখিয়েছে। কুলদীপ যাদব, অক্ষর, লুঙ্গি এনগিডিদের নিয়ে একরকম ছেড়ে খেলা করেন হায়দরাবাদের অধিনায়ক এবং সহ-অধিনায়ক। প্রতি ওভারে ১১-১২ রান করে তোলেন তাঁরা। একটা সময় অভিষেককে বেশি বল খেলার সুযোগ করে দিয়েছেন ঈশান। অধিনায়ক হিসাবে দায়িত্ব পালন করেছেন। অকুতোভয় অভিষেক টানা দু’টি ছয় মেরে ৯২ থেকে ১০৪ রানে পৌঁছোন। ৪৭ বলে শতরান পূর্ণ করার পরও চালিয়ে খেলেছেন। তাঁরই স্ট্রেট ড্রাইভ নীতীশ রানার হাতে লেগে উইকেট ভেঙে দেয়। সে সময় পপিং ক্রিজ়ের বাইরে ছিলেন ঈশান। রান আউট হয়ে যান। তিনি করেন ১৩ বলে ২৫। ২টি চার এবং ১টি ছক্কা মারেন ঈশানঈশান আউট হওয়ার পর দলের ইনিংস এগিয়ে নিয়ে যান অভিষেক। সময় যত এগিয়েছে অভিষেককে তত অপ্রতিরোধ্য মনে হয়েছে। তাঁর ৬৮ বলে ১৩৫ রানের ইনিংসে রয়েছে ১০টি চার এবং ১০টি ছয়। আইপিএলে দ্বিতীয় শতরান অভিষেকের। টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে তাঁর নবম শতরান। ভারতীয়দের মধ্যে ২০ ওভারের ক্রিকেটে বিরাট কোহলির সবচেয়ে বেশি শতরানের নজির স্পর্শ করেন অভিষেক। হেনরিখ ক্লাসেন নেমেও অভিষেককে বেশি বল খেলার সুযোগ দেন। শেষ দিকে তিনিও আগ্রাসী ব্যাটিং করেন। ক্লাসেন ৩টি চার এবং ৩টি ছয়ের সাহায্যে করেন ১৩ বলে অপরাজিত ৩৭।

দিল্লির বোলারদের মধ্যে কাউকেই এ দিন আত্মবিশ্বাসী মনে হয়নি। নীতীশ ৫৫ রান দিয়েও ৪ ওভারে উইকেট পাননি। এনগিডি ৪ ওভারে ৪১ রান দিয়ে উইকেটহীন। মুকেশ কুমার ৫৩ রান খরচ করেছেন ৪ ওভারে। অক্ষরের ২ ওভারে ২৩ রানে ১ উইকেট। কুলদীপ ২ ওভারে দিয়েছেন ৩০ রান। টি নটরাজন ৪ ওভারে ৪০ রান দিলেন।

জয়ের জন্য ২৪৩ রানের লক্ষ্যে ব্যাট করতে নেমে শুরুটা ভাল হয়নি দিল্লির। ওপেনার পাথুম নিশঙ্ক (৮) আউট হয়ে যান তাঁর জাতীয় দলের সতীর্থ দিলশান মধুশঙ্কের বলে। ২১ রানে প্রথম উইকেট হারানোর পর দিল্লির ইনিংসের হাল ধরেন লোকেশ রাহুল এবং নীতীশ। রাহুল করলেন ২৩ বলে ৩৭। মারলেন ১টি চার এবং ৩টি ছয়। বেশি আগ্রাসী ছিলেন কেকেআরের প্রাক্তন অধিনায়ক। নীতীশের ব্যাট থেকে এল ৩০ বলে ৫৭ রানের ইনিংস। ৭টি চার এবং ৩টি ছয় মারেন তিনি। তাঁদের জুটিতে ওঠে ৮৬ রান। তবে ডেভিড মিলার (০) প্রথম বলেই আউট হয়ে চাপ বাড়িয়ে দেন। সমীর রিজ়ভি এবং ট্রিস্টান স্টাবস পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার চেষ্টা করলেও ওভার প্রতি রান তোলার লক্ষ্য ক্রমশ বাড়তে থাকে। ফলে চাপে পড়ে যায় দিল্লির ইনিংস।

২২ গজে থিতু হওয়ার পর হাত খোলেন দিল্লির দুই ব্যাটার। ততক্ষণে ওভার প্রতি রানের লক্ষ্য ১৮ ছাড়িয়ে যায়। লাভ বিশেষ হয়নি। অতি আগ্রাসী হতে গিয়ে এশান মালিঙ্গার অফ স্টাম্পের অনেক বাইরের বলে স্কুপ করতে গিয়ে উইকেট ছুড়ে দেন স্টাবস। তিনি করেন ১৬ বলে ২৭। মারেন ৩টি চার এবং ১টি ছয়। ভরসা দিতে পারেননি আশুতোষ শর্মাও (১৪)। ব্যর্থ অক্ষরও (২)। রিজ়ভি করলেন ২৮ বলে ৪১।হায়দরাবাদের সফলতম বোলার মালিঙ্গা ৩২ রানে ৪ উইকেট নিলেন। ৩৬ রানে ১ উইকেট মধুশঙ্কার। ৪ ওভারে ৫৭ দিলেও উইকেট পেলেন না নীতীশ রেড্ডি। ২৯ রানে ১ উইকেট সাকিব হোসেনের। হর্ষ দুবে ১২ রানে ৩ উইকেট নিলেন। শিবাঙ্গ কুমার ২ ওভারে ২৮ রান দেন।



বৈভব রবিবার ইডেনে শূন্য করলেও কিছুই যায় আসে না রাজস্থান কোচের , দশে থাকা কলকাতাকেও সমীহ করছে রাজস্থানএ বারের আইপিএলে শুর...
19/04/2026

বৈভব রবিবার ইডেনে শূন্য করলেও কিছুই যায় আসে না রাজস্থান কোচের , দশে থাকা কলকাতাকেও সমীহ করছে রাজস্থান

এ বারের আইপিএলে শুরু থেকেই নজর কেড়ে নিয়েছে বৈভব সূর্যবংশী। পাঁচ ম্যাচে ২০০ রান করে রয়েছে কমলা টুপির দৌড়ে। তবে রবিবার ইডেন গার্ডেন্সে কলকাতার বিরুদ্ধে শূন্য রান করলেও কোচের বকুনি খাবে না সে। কেন?এ বারের আইপিএলে শুরু থেকেই নজর কেড়ে নিয়েছে বৈভব সূর্যবংশী। পাঁচ ম্যাচে ২০০ রান করে রয়েছে কমলা টুপির দৌড়ে। তবে রবিবার ইডেন গার্ডেন্সে কলকাতার বিরুদ্ধে শূন্য রান করলেও কোচের বকুনি খাবে না সে। ম্যাচের আগের দিন এ কথা জানালেন রাজস্থানের কোচ কুমার সঙ্গকারা। পাশাপাশি তিনি জানিয়েছেন, কলকাতাকে সমীহ করছে তাঁর দল।আগের ম্যাচে হায়দরাবাদের বিরুদ্ধে শূন্য করেছিল বৈভব। গত বার ইডেনেও ভাল খেলতে পারেনি। তবে ১৫ বছরের ক্রিকেটারকে অতিরিক্ত চাপ দিতে নারাজ সঙ্গকারা। তিনি বলেছেন, “বৈভবকে আমি সহজ একটা বার্তা দিয়েছি, সব কিছু উপভোগ করো। ৩৫ বলে ১০০ হোক, ১৫ বলে ৫০ হোক বা প্রথম বলে শূন্য— তোমার যেমন রান করার অধিকার রয়েছে, তেমনই ব্যর্থ হওয়ারও অনুমতি রয়েছে। এটা ক্রিকেটেরই অংশ।”

বৈভবকে প্রশংসায় ভরিয়ে দিয়েছেন সঙ্গকারা। তিনি বলেছেন, “বৈভব একজন উত্তেজক ক্রিকেটার। লোকে ওর প্রতিভা নিয়ে অনেক কথা বলে। কিন্তু নেটে বৈভব কতটা পরিশ্রম করে সেটাও দেখা দরকার। ম্যাচের গতিপ্রকৃতি ভাল বুঝতে পারে। পরিস্থিতি অনুমান করে বোলারদের বিরুদ্ধে সে ভাবেই পরিকল্পনা করে।”আইপিএলের শুরুতেই চেন্নাইয়ের বিরুদ্ধে ১৭ বলে ৫২ করেছিল বৈভব। মুম্বই ম্যাচে জসপ্রীত বুমরাহকে প্রথম বলেই ছক্কা মেরেছিল। বেঙ্গালুরুর বিরুদ্ধে জশ হেজ়লউডেরও একই অবস্থা হয়েছিল। সঙ্গকারার মতে, ব্যর্থতা থেকে ফেরার রাস্তা বৈভব নিজেই খুঁজে নেবে। সঙ্গকারার কথায়, “এখনকার দিনে টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটের বৈশিষ্ট্যই হল আগ্রাসী খেলার ধরন। যত খেলবে তত বৈভব পুরোটা বুঝতে পারবে। ওর মতো ক্রিকেটারের ক্ষেত্রে যত কম বর্ণনা করা যায় ততই ভাল।”রাজস্থানের প্রতিপক্ষ কলকাতা ছ’টি ম্যাচের একটিও জিততে পারেনি। তবু সমীহ করছেন সঙ্গকারা। বলেছেন, “আমরা কোনও দলকেই হালকা ভাবে নিইনি। মুখোমুখি সাক্ষাতে পরিসংখ্যানের গুরুত্ব নেই। কঠিন ম্যাচ হতে চলেছে। কলকাতা শক্তিশালী দল। আমরা নিজেদের ভাল খেলার দিকেই মনোযোগ দিচ্ছি। ২৪০ বল ধরে আমাদের মানসিকতা একই রকম থাকবে।”




IPL -2026 এ আপনি কোন টীম এর সাপোটার? কমেন্টে জানিয়ে যান, আপনার প্রিয় টিম এর নাম
16/04/2026

IPL -2026 এ আপনি কোন টীম এর সাপোটার? কমেন্টে জানিয়ে যান, আপনার প্রিয় টিম এর নাম


Address

INDIA KOLKATA
Kolkata

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when The Daily Cricket Score posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share