11/06/2022
ইভিএম দিয়ে ভোট দেওয়ার পদ্ধতি / ইভিএমে ভোট দেওয়ার নিয়ম!...........................................................
#১ম যেটা জানা জরুরি?
আপনার ভোটার নাম্বার বা জাতীয় পরিচয় পত্র অথবা স্মার্ট কার্ড, যে কোনো একটি তথ্য থাকলে ভালো হবে। এতে আপনি ভোট দিতে গিয়ে ঝামেলায় পড়বেন না, আশা করি।
#ইভিএম এর মাধ্যমে ভোট প্রদানে...........
ভোটার তালিকা হতে প্রাপ্ত ভোটার নম্বর অথবা জাতীয় পরিচয় পত্র বা স্মার্ট কার্ড নিয়ে কেন্দ্রে উপস্থিত হতে হবে।
-------------------------------------------------------------
#ইভিএমে ভোট দেওয়ার পদ্ধতি ও নিয়ম?
নির্বাচন কমিশনের কর্মকর্তারা অনুযায়ী, একজন লোক ভোট কেন্দ্রে আসার পর, ভোট দেওয়ার কক্ষে ডুকতে হবে। তারপর কেন্দ্রের নির্ধারিত কক্ষে প্রিজাইডিং অফিসার প্রথমে ভোটারের জাতীয় পরিচয়পত্র বা স্মার্ট কার্ড অথবা আঙুলের ছাপ ও ভোটার নম্বর যাচাই করে নিবেন। তারপর ভোটার হিসেবে তাকে নিশ্চিত করবেন।
#ইভিএম মেশিন....................................
এ সময় ভোটারের ছবি ও তথ্য, টিভির মত দেখতে একটি মনিটরে প্রদর্শিত হবে। যাতে সকল প্রার্থীর এজেন্টরা ভোটারের পরিচয় দেখতে পারেন। এতে এজেন্টে থাকা সবাই নিশ্চিত হতে পারবে।
ভোটারকে শনাক্তকরণের পর গোপন কক্ষে থাকা ইভিএম মেশিনগুলো স্বয়ংক্রিয়ভাবে সচল হবে। যতগুলো পদ বা মার্কার জন্য ভোট প্রদান করতে হবে কক্ষের ভেতরে ঠিক ততগুলো ডিজিটাল ব্যালট ইউনিট রাখা থাকবে।
#ইভিএমে ভোট দেওয়ার নিয়ম? ভোট দেওয়ার টেবের কাছে গিয়ে যা করবেন?
ভোট দেওয়ার তিনটি প্রযুক্তি টেব। এতে পার্থীর নাম ও মার্কা দেওয়া আছে।
এই তিনটি ইউনিটে প্রার্থীদের প্রতীক বাম পাশে এবং নাম ডান পাশে দেখা যাবে। এর পর ইভিএম পছন্দের প্রার্থীকে ভোট দিতে তার প্রতীকের বাম পাশের #সাদা বাটনে চাপ দিতে হবে। #সাদা বাটম চাপ দেওয়ার সাথে সাথে প্রতীকের পাশে বাতি জ্বলে উঠবে। ভোট নিশ্চিত করতে ডান পাশের #সবুজ বাটনে চাপ দিতে হবে। ঠিক একই ভাবে অন্য পদ বা মার্কার জন্য ভোট প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে হবে।
ভোট দেওয়ার সময় বিশেষ করে মনে রাখবেন যেটা?
আপনি যদি কোনো কারণে ভুল প্রতীক শনাক্ত করেন, চিন্তার কোনো কারণ নেই। আপনি চাইলে খুব সহজে আপনার পছন্দের প্রতিক শনাক্ত করতে পারবেন। যদি ভূল করে মার্কা বা প্রতীকে শনাক্ত করেন, তাহলে #সবুজ বাটন চাপ দেওয়ার আগে তা সংশোধন করতে পারবেন। ভুল সংশোধনের আগে আপনি ডান পাশের #লাল বাটনে চাপ দিতে হবে।
এর ফলে আপনি নতুন করে ভোট দেওয়ার প্রতীক শনাক্ত করতে পারবেন। সঠিকভাবে পুনরায় আপনার পছন্দের প্রতীকের পাশের বাটনে চাপ দিন। তারপর #সবুজ বাটনে চাপ দিয়ে আপনার মূল্যবান ভোট প্রক্রিয়া শেষ করুন। #সবুজ বাটনে চাপলে আপনার ভোট হয়ে যাবে।
প্রিয় পাঠক আশা করি আপনাকে বুঝাতে পারলাম, কিভাবে ইভি এম মেশিং এ ভোট দিতে হয়। মনে রাখবেন আপনার পছন্দের প্রতীক শনাক্ত করে, #সবুজ বাটন চাপলে ভোট হয়ে যাবে। এতে আপনি খুব সহজে দেখতে পাবেন। #সবুজ বাটন চাপ দেওয়ার পর ভোট দেওয়া প্রতীক ছাড়া বাকি সকল প্রতীক অদৃশ্য হয়ে যাবে। এতে ভোটারের মন নিশ্চিত হবে, সেই তার পছন্দের প্রতীকে ভোট দিতে পারছে।
#ইভিএমে ভোট দিতে #তিনবার ভুল হলে যা হবে?
ভোটার বিন্দু মনে রাখবে, আপনি যদি তিন বার ভূল প্রতীক চাপুন। মানে আপনার পছন্দের প্রতীক বা মার্কা চাপতে পারেন নাই। তিন বার ভূল প্রতীক বা মার্কা চাপলেন। তাহলে অটোমেটিক ইভিএম মেসিং আপনার মূল্যবান ভোট গ্রহন করে নিবে।
#সর্বশেষ কথা:
তৃতীয় বার ভূল করে যে বাটনে চাপলেন, সেই বাটন অনুযায়ী আপনার ভোট গ্রহন করা হবে। তাহলে সুন্দর করে স্হির হয়ে, আপনার পছন্দের প্রতীক চাপুন, আর #সবুজ বাটন চেপে ভোট নিশ্চিত করুন।
#আশা করি বুঝাতে পারলাম, ইভিএম দিয়ে ভোট দেওয়ার নিয়ম ।