Sports News

Sports News LIke this page to get Latest Sports News.

গগনে গরজে মেঘ, ঘন বরষা।     কূলে একা বসে আছি, নাহি ভরসা।            রাশি রাশি ভারা ভারা            ধান কাটা হল সারা,    ...
17/05/2023

গগনে গরজে মেঘ, ঘন বরষা।
কূলে একা বসে আছি, নাহি ভরসা।
রাশি রাশি ভারা ভারা
ধান কাটা হল সারা,
ভরা নদী ক্ষুরধারা
খরপরশা।
কাটিতে কাটিতে ধান এল বরষা।
একখানি ছোটো খেত, আমি একেলা,
চারি দিকে বাঁকা জল করিছে খেলা।
পরপারে দেখি আঁকা
তরুছায়ামসীমাখা
গ্রামখানি মেঘে ঢাকা
প্রভাতবেলা--
এ পারেতে ছোটো খেত, আমি একেলা।
গান গেয়ে তরী বেয়ে কে আসে পারে,
দেখে যেন মনে হয় চিনি উহারে।
ভরা-পালে চলে যায়,
কোনো দিকে নাহি চায়,
ঢেউগুলি নিরুপায়
ভাঙে দু-ধারে--
দেখে যেন মনে হয় চিনি উহারে।
ওগো, তুমি কোথা যাও কোন্‌ বিদেশে,
বারেক ভিড়াও তরী কূলেতে এসে।
যেয়ো যেথা যেতে চাও,
যারে খুশি তারে দাও,
শুধু তুমি নিয়ে যাও
ক্ষণিক হেসে
আমার সোনার ধান কূলেতে এসে।
যত চাও তত লও তরণী-'পরে।
আর আছে?-- আর নাই, দিয়েছি ভরে।
এতকাল নদীকূলে
যাহা লয়ে ছিনু ভুলে
সকলি দিলাম তুলে
থরে বিথরে--
এখন আমারে লহ করুণা করে।
ঠাঁই নাই, ঠাঁই নাই-- ছোটো সে তরী
আমারি সোনার ধানে গিয়েছে ভরি।
শ্রাবণগগন ঘিরে
ঘন মেঘ ঘুরে ফিরে,
শূন্য নদীর তীরে
রহিনু পড়ি--
যাহা ছিল নিয়ে গেল সোনার তরী।

সকলের কাছে দোয়া প্রার্থনা করি মহান আল্লাহ আমাদের নিরাপদে রাখেন। আমিন

14/03/2016

টাইগার প্রতিপক্ষ পাক শিবিরে
চোট
বিশ্বকাপের প্রথম পর্বে অসাধারণ পারফরম্যান্স
করে মূল পর্বে জায়াগা করে নিয়েছে বাংলাদেশ।
এবার গ্রুপ ‘টু’তে টাইগারদের লড়তে হবে আসল
লড়াই। আর প্রথম ম্যাচে মাশরাফিদের বিপক্ষে
লড়তে হবে পাকিস্তানকে। যেখানে ক’দিন
আগেই এশিয়া কাপ মঞ্চে আফ্রিদিদের
হারিয়েছিলো টাইগাররা। তবে এরই মধ্যে পাক
শিবিরে চোটের খবর পাওয়া গেছে।
ব্যাট করার সময় স্থানীয় এক প্র্যাক্টিস বোলারের
একটি বল এসে লাগল সামির বাঁপায়ের পাতায়। চিরকাল
পাকিস্তান পেসাররাই প্রতিপক্ষ ব্যাটসম্যানদের
এভাবে ঘায়েল করে এসেছেন। এখানে যেন
উল্টো দৃশ্য। সামি খোঁড়াতে খোঁড়াতে
বেরিয়ে এলেন। তাঁর পায়ে বরফ ঘষা শুরু হয়ে
গেল তৎক্ষণাৎ। টিমের ফিজিওকে দেখা গেল
বেশ দীর্ঘ সময় ধরে সামির পায়ে বরফ ঘষে
গেলেন।
ইডেনে টেস্ট ম্যাচ খেলতে এসে প্রায় দশ
বছর আগে পাটা উইকেটে ভয়ঙ্কর বোলিং করে
গিয়েছিলেন সামি। তার বাউন্সারে একবার চোখের
নিচে চোট পান ভিভিএস লক্ষন। তবে অনেক দিন
পর জাতীয় দলে ফিরে এসেই ভালই বল
করছেন তিনি। পাকিস্তান সুপার লিগে তার বোলিং
দেখে অনেকেই মুগ্ধ হয়েছিলেন। যে
কারণে এশিয়া কাপ এবং টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে
তাকে রাখা হয়েছে।
পাক টিম ম্যানেজমেন্ট মনে করছে, ভারতের
ব্যাটিং-সহায়ক পিচে সামির মতো বুদ্ধিদীপ্ত বোলার
কাজে দেবে।
সেই ভাবনায় ইডেনের প্রথম সকাল যে কিছুটা
হলেও অস্বস্তি তৈরি করে দিয়েছিল, সন্দেহ
নেই। পায়ের পাতায় লাগার পর যে কারণে সামিকে
পুরোপুরি বিশ্রামে রাখা হয়। সন্ধ্যার দিকে পাক
দলের সূত্রে যদিও খবর, সামির চোট খুব গুরুতর
কিছু নয়। দিন দু’য়েকের মধ্যে তার সুস্থ হয়ে
ওঠার ব্যাপারে আশাবাদী দল। আজ (সোমবার)
শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে ইডেনে প্র্যাক্টিস ম্যাচ
খেলবেন আফ্রিদিরা। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের
মূলপর্বে অভিযান শুরু করার আগে এটাই একমাত্র
প্রস্তুতি ম্যাচ তাদের। এই ম্যাচে সামি সম্ভবত
খেলতে পারবেন না। মূলপর্বে পাকিস্তানের
প্রথম ম্যাচ বাংলাদেশের বিপক্ষে আগামী বুধবার
( ১৬ মার্চ)।

14/03/2016

-ঃ একটি সুন্দর প্রেমের গল্প ঃ-
ছেলে :- তোমার পা দেখাও।
মেয়ে :- পা দেখে কি করবে ?
ছেলে :- (রেগে) যা বলছি তাই করো, পা
দেখাও।
মেয়ে :- না দেখাব না।
ছেলেটা একটা থাপ্পড় মেরে দিল।
ছেলে :- (আরো রেগে) বলছি পা দেখাও।
মেয়ে :- মেয়েটি গালে হাত দিয়ে ধীরে
ধীরে জুতা খুললো। ছেলেটা মেয়েটার পায়ে
দেখল বেশ কিছু ব্লেটের দাগ। তখন ছেলেটার
চোখে অশ্রু চলে এল। ছেলেটা সাথে সাথে
উঠে পড়ল এবং মানিব্যাগ থেকে একটি ব্লেট বের
করল। মেয়েটা সাথে সাথে ছেলেটার হাত ধরে
ফেলল।
মেয়ে :- (কেঁদে কেঁদে) এই তুমি এটা কি
করছ ?
ছেলে :- যা তুমি করেছ।
মেয়ে :- প্লিজ এসব কর না।
ছেলে :- তুমি কেন করেছ ?
মেয়ে :- তো তুমি কাল আমার মেজাজ গরম
করেছিলে কেন ?
ছেলে :- তাই বলে এভাবে নিজেকে কষ্ট
দেবে ?
মেয়ে :- মাথা গরম হলে এটাই করি।
ছেলে :- এটা করে কি হয় ?
মেয়ে :- জানি না। তবে সাময়িক শান্তি পাই।
ছেলে :- আমিও করব এখন।
ছেলেটা ব্লেট খুলতে শুরু করল।
মেয়ে :- প্লিজ প্লিজ,এটা কর না।
(ছেলেটা তবুও থামছে না। অবশেষে মেয়েটা
কোনো উপায় না পেয়ে ছেলেটাকে জড়িয়ে
ধরল। মেয়েটার ভালোবাসার উষ্ণতা পেয়ে
ছেলেটা থেমে গেল)
মেয়ে :- প্লিজ এসব কর না। তোমার কষ্ট আমি
সইতে পারব না।
ছেলে :- আমিও তো তোমার কস্ট সইতে পারি
না। তাহলে তুমি কেন এমন করলে ?
মেয়ে :- আর কখনো করব না।
ছেলে :- প্রমিজ ?
মেয়ে :- হুম প্রমিজ।
ছেলে :- আচ্ছা সবাই হাত কাটে তুমি পা কাটলে
কেন ?
মেয়ে :- যাতে কেউ দেখতে না পাই সেইজন্য।
ছেলে :- বুদ্ধি গুলো ভালকাজে ব্যবহার করো,
মেয়ে :- আচ্ছা ঠিক আছে, করব।
মেয়েটা ছেলেটার বুক থেকে সরে আসতে
চাইল। কিন্তু ছেলেটা আরো জোরে জড়িয়ে
ধরল।
মেয়ে :- ছাড়।
ছেলে :- না। ছাড়ব না।
মেয়ে :- (সরে আসার চেষ্টা) ছাড় বলছি।
ছেলে :- তাহলে কিন্তু আবার ব্লেট বের করব।
মেয়ে :- ব্ল্যাকমেইল ?
ছেলে :- না। ভালবাসার উষ্ণতা।
(মেয়েটা ছেলেটাকে আরেকটু শক্ত করে
জড়িয়ে ধরল)
একেই বলে রিয়েল লাভ........

05/01/2016

সেঞ্চুরি মানেই হাশিম আমলা!
আর আমলা মানেই সেঞ্চুরি!
উনি শুধু ক্রিকেটার না ইসলাম
ধর্মের প্রচারক বটে।তার
সম্বন্ধে তার দলেরই সদস্য
ডেইল স্টেইন বলেছেন
"আমার যখন অনুপ্রেরণা
দরকার হয় তখন আমি
আমার ডানে তাকায় আর দেখি
হাশিম আমলা কোরআন পড়ছেন"
শুধু তাইনা, হাশিম আমলা মুসলিম
বলে দক্ষিন আফ্রিকা দলের
স্পন্সর(Castle মদের নাম) এর
লগো লাগান না তার জার্সিতে
যার কারনে তার বেতন অন্য
ক্রিকেটারদের চেয়ে কম।
তিনি রোজা রেখেও ক্রিকেট
ম্যাচ খেলে যান দিব্বি কিন্তু
তিনি রোজা কাযা করেন না।
তিনি মাঠে কখনো দাঁড়িয়ে পানি পান
করেননা কারন ইসলামে দাঁড়িয়ে
পানি পান করা গুনাহের কাজ।
আফ্রিকার টেস্ট ক্যাপ্টেন
হওয়ার পর পরেই দঃ
আফ্রিকা টেস্টের ১ নাম্বার
দলে পরিনত করেছেন আমলা।
আজ হাশিম আমলা তার
ক্যারিয়ারের ২৪ তম
সেঞ্চুরি করেছেন।
গড়ে প্রতি ৫ ইনিংসে রয়েছে তার
১টি সেঞ্চুরি রয়েছে।
তিনি যেন আরো ভাল খেলেন
সেই দোয়া করি।

দেখা মিলল অবশেষে।ফিফটির পর বুকে হাত দিয়ে সেই উদযাপন। দেখা মিলল সেই সৌম্য সরকারের, ২২ গজে যাঁর প্রতিটি পদক্ষেপই মুগ্ধতা জ...
01/12/2015

দেখা মিলল অবশেষে।
ফিফটির পর বুকে হাত দিয়ে সেই উদযাপন। দেখা মিলল সেই সৌম্য সরকারের, ২২ গজে যাঁর প্রতিটি পদক্ষেপই মুগ্ধতা জাগানিয়া। বিপিএলে চিটাগং ভাইকিংসের বিপক্ষে জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামে একের পর এক চোখ জুড়ানো শটে দলকে জেতালেন। ম্যাচ শেষে প্রথম অভিনন্দনও পেলেন প্রতিপক্ষের অধিনায়ক ও বাংলাদেশ দলের উদ্বোধনী জুটির সঙ্গী তামিম ইকবালের।

জুলাইয়ে দক্ষিণ আফ্রিকা সিরিজ শেষে ‘এ’ দলের হয়ে সেপ্টেম্বর-অক্টোবরে দুটি বিদেশ সফরে রান পাননি। রান পাননি বিপিএলে নিজেদের প্রথম ৫ ম্যাচেও। অবশেষে খোলস থেকে বেরিয়ে এলেন। এমনিতে বাঁহাতি ওপেনারের শট সব সময়ই চোখের জন্য আরাম। আজও স্বভাবসুলভ স্ট্রোক-প্লের প্রদর্শনীতে মুগ্ধ করে চললেন রংপুর রাইডার্সের ওপেনার। সৌম্যের ইনিংসকে এক বাক্যে বললে, ৯ বাউন্ডারিতে ৩৮ আর ২০টা সিঙ্গেলস। ৫৬ বলে অপরাজিত ৫৮ রানের ইনিংসটি সাজিয়েছিলেন কখনো পুল, রিভার্স সুইপ, সুইপ, কখনো বা ডাউন দ্য উইকেটে গ্যালারিতে বল পাঠিয়ে।

চাপমুক্তির এ ইনিংসে সৌম্যের ব্যাটে হাসি ফুটেছে ঠিকই, তবে তৃপ্তির হাসি নেই তাঁর মুখে। আগের ৫ ম্যাচের ব্যর্থতা যে বড্ড পোড়াচ্ছে তাঁকে, ‘দল থেকে কোনো চাপ ছিল না। তবে নিজের ভেতর চাপ ছিল। খারাপ খেলছিলাম। যে দলের হয়েই খেলি না কেন, তাদের কিছু দেওয়া, নিজেকে প্রমাণ করার বিষয় থাকে। এটা করতে পারছিলাম না। আজ যতটুকু খেলেছি, হয়তো দল খুশি হলেও আমি খুশি নই। আগের পাঁচ ম্যাচ যে সুযোগগুলো পেয়েছি, যদি বড় ইনিংস খেলতে পারতাম আমার জন্য ভালো হতো।’

রান তেষ্টা তীব্র বলেই এমন উপলব্ধি বাঁহাতি ওপেনারের। এও ঠিক, সৌম্যের মতো ব্যাটসম্যানদের এক ইনিংসে তৃপ্ত হওয়ার কথাও নয়। কিন্তু আগের ম্যাচগুলোয় ভালো শুরুর ইঙ্গিত দেওয়ার পরও কেন ইনিংস বড় হচ্ছিল না, প্রশ্নটার উত্তর নিজেও খুঁজেছেন সৌম্য, ‘আসলে অল্প সময় উইকেটে ছিলাম। হয়তো মাত্র ১০ বল... চিন্তার তেমন সময় পাইনি। তবে একটা চিন্তা ছিল, আউট হয়ে চলে আসছি...চেষ্টা করেছিলাম ভুলটা বের করা। এর আগে ওয়ানডেতে ২৫-৩০ করে ফিরছিলাম, এখানেও তা-ই হচ্ছিল। বলটা শুধু কম খেলছিলাম। টি-টোয়েন্টি বলে তাড়াহুড়ো হচ্ছিল বোধ হয়। এটা থেকে বের হলে ভালো হবে।’

সৌম্যের স্বস্তি, সে ভুল থেকে বের হয়েছেন। ফিরেছেন ছন্দে। আর ছন্দেই যখন ফিরেছেন, কী দরকার পেছনের ব্যর্থতা এত মনে রাখার! এখন সাফল্যের ভেলায় এগিয়ে চললেই তো হলো।

বিদায় বললেন জনসনবিদায় বলতে চেয়েছিলেন মাইকেল ক্লার্ক, ব্র্যাড হাডিনদের সঙ্গে। অ্যাশেজে পরাজয়ের পরপরই। অবশ্য খুব বেশি দিন ...
17/11/2015

বিদায় বললেন জনসন

বিদায় বলতে চেয়েছিলেন মাইকেল ক্লার্ক, ব্র্যাড হাডিনদের সঙ্গে। অ্যাশেজে পরাজয়ের পরপরই। অবশ্য খুব বেশি দিন অপেক্ষাও করলেন না মিচেল জনসন। গত কয়েক দিন ধরে পেয়ে বসা ভাবনাটাকে বাস্তবে রূপ দিয়ে দিলেন এই অস্ট্রেলিয়ান পেসার। বিদায় বলে দিলেন আন্তর্জাতিক ক্রিকেটকে।

বল হাতে সময়টা খুব একটা ভালো যাচ্ছিল না। নিজের শেষ টেস্টেই (পার্থ) তো একটা অস্বস্তির রেকর্ডের সঙ্গে জড়িয়ে গেছে ৩৪ বছর বয়সী পেসারের নামটা। নিউজিল্যান্ডের প্রথম ইনিংসে নিয়েছেন মাত্র ১ উইকেট। তাতে খরচ করতে হয়েছে ১৫৭ রান! পার্থে আর কোনো অস্ট্রেলিয়ান বোলারকে এক ইনিংসে এত রান খরচ করতে হয়নি। জনসন ' ‘খরুচে’ ছিলেন ব্রিসবেন টেস্টেও। দুই ইনিংস মিলিয়ে রান দিয়েছেন ১৬৩, যদিও সেখানে উইকেট পেয়েছিলেন চারটি।

তবে এই দুটি টেস্টের সাধ্য নেই এই বাঁ হাতির পুরো ক্যারিয়ারের স্মৃতি ভুলিয়ে দেওয়ার! অস্ট্রেলিয়ার হয়ে টেস্ট ক্রিকেটে চতুর্থ সর্বোচ্চ উইকেটশিকারি তিনি।

পুরো ক্যারিয়ারে নিয়েছেন ৩১১টি উইকেট। মঙ্গলবার পার্থ টেস্টের পঞ্চম দিনে নিজের শিকার আরও বাড়িয়ে নিতেই চাইবেন জনসন। অস্ট্রেলীয় বোলারদের মধ্যে উইকেট শিকারে তাঁর ওপরে আছেন কেবল ডেনিস লিলি (৩৫৫), গ্লেন ম্যাকগ্রা (৫৬৩) ও শেন ওয়ার্ন (৭০৮)। সংখ্যার হিসেবটা পরিসংখ্যানবিদদের জন্যই তোলা থাক, জনসন ক্রিকেটপ্রেমীদের মনে এমনিতেই জায়গা করে নিয়েছেন তাঁর আগ্রাসী বোলিংয়ের জন্য, গোলার মতো ভেসে আসা বুক সমান বাউন্সারের জন্য, কিংবা রিভার্স সুইংয়ে অথবা ইয়র্কারে ব্যাটসম্যানের স্টাম্প উড়িয়ে দেওয়ার দুর্দান্ত ওই দৃশ্যগুলোর জন্য।

পার্থ টেস্ট শুরু হওয়ার আগেই গুঞ্জনটা ছিল—‘জনসন অবসরে যাচ্ছেন।’ গতকাল সেই গুঞ্জন আরও ডালপালা মেলেছিল জনসনের রাজ্যদল কুইন্সল্যান্ড ম্যানেজারকে অস্ট্রেলিয়ার ড্রেসিং রুমে দেখা যাওয়ায়। আজ মঙ্গলবার গুঞ্জনটা বাস্তব রূপ পেল ছোট্ট একটি ঘোষণায়। ‘অবসরের জন্য এটিই সবচেয়ে ভালো সময়’—জানিয়ে জনসন বললেন, ‘আমি অনেক ভাগ্যবান যে এমন দুর্দান্ত একটা ক্যারিয়ার পেয়েছি। দেশের হয়ে খেলার প্রতিটি মুহূর্ত আমি উপভোগ করেছি। পথচলাটা অসাধারণ ছিল। তবে এই পথচলার শেষ তো টানতে হতোই, আর তার জন্য ওয়াকার চেয়ে ভালো জায়গা আর কী হতে পারে।’

ক্যারিয়ারের শেষ দিকে গোঁফ রাখায় চেহারায় একটা ‘ডেনিস লিলি’ ভাব চলে এসেছিল। মজার ব্যাপার, জনসন নামের হীরেটিকে চিনতে পারা প্রথম জহুরিও কিন্তু লিলিই। সেদিকটি মনে করিয়ে দিয়েই জনসনকে ধন্যবাদ জানিয়েছে ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়া। একজন অস্ট্রেলীয় বোলারের জন্য এর চেয়ে বড় প্রশংসা আর কীইবা হতে পারত, ‘ডেনিস লিলিই বছর কয়েক আগে জনসনকে অস্ট্রেলিয়ার ভবিষ্যৎ বলে ঘোষণা দিয়েছিলেন। তিনি পুরোপুরিই সঠিক ছিলেন। গোঁফওয়ালা জনসন অনেক দিক দিয়েই সর্বোচ্চ শিখরে থাকা লিলির কথা মনে করিয়ে দেয়। তবে সেটি শুধু চেহারাতেই নয়, লিলির মতো ভয়ংকর ফাস্ট বল করেও।’

জনসনের এমন ভয়ংকর রূপটা সবচেয়ে বেশি দেখেছে ইংল্যান্ড। ২০১৩ সালের অ্যাশেজে তো বলতে গেলে একাই ধসিয়ে দিয়েছিলেন ইংল্যান্ডকে। সেবার ৫ টেস্টে ৩৭ উইকেট নিয়েছিলেন জনসন।

আফসোস, আর একটা টেস্ট খেললেই ইতিহাসের প্রথম ডে-নাইট টেস্টটারও অংশ হয়ে যেতে পারতেন জনসন। তথ্যসূত্র: ক্রিকইনফো।

যে কারণে ভারতে খেলতে রাজি নয় পাকিস্তানভারতের বিপক্ষে সিরিজে ভারতকেই ‘হোম’ বানানোর ভারতীয় প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করতে যাচ্...
16/11/2015

যে কারণে ভারতে খেলতে রাজি নয় পাকিস্তান

ভারতের বিপক্ষে সিরিজে ভারতকেই ‘হোম’ বানানোর ভারতীয় প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করতে যাচ্ছে পাকিস্তান। পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের (পিসিবি) সভাপতি শাহরিয়ার খান বলেছেন, ভারতের বিপক্ষে দ্বিপক্ষীয় সিরিজ ভারতের মাটিতে খেলা কোনোমতেই সম্ভব নয়। দ্বিপক্ষীয় এই সিরিজ সংযুক্ত আরব আমিরাতের আয়োজন করতে চায় পিসিবি।
পাকিস্তানে কেউ যেতে রাজি নয় বলে হোম সিরিজগুলো অন্য কোথাও আয়োজন করে চলেছে পিসিবি। বেশির ভাগ ক্ষেত্রে আরব আমিরাতই তাদের বর্তমান ঠিকানা হয়ে উঠেছে। তবে ২০১০ সালে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে হোম সিরিজটা ইংল্যান্ডে গিয়েই খেলেছিল তারা। গত বাংলাদেশ সফরটাও তাদেরই হোম সিরিজ ছিল দাবি করে বড় অঙ্কের টাকাও বিসিবির কাছ থেকে নিয়েছে পিসিবি।
হোম সিরিজ আয়োজনে লাভের অঙ্ক আয়োজক দেশই পায়। টিভি সম্প্রচার, টিকিট, সিরিজ ও স্টেডিয়াম স্পনসর থেকেও আসে বড় টাকা। সবচেয়ে বড় অঙ্কটা আসে টিভি সম্প্রচার থেকে। এখানেও বেঁধেছে ঝামেলা। ভারতে যত ম্যাচ হবে, সবগুলো সম্প্রচারের স্বত্ব আছে স্টার স্পোর্টসের। ওদিকে পাকিস্তানের হোম সিরিজের অফিসিয়াল সম্প্রচারক টেন স্পোর্টস। ভারত-পাকিস্তান সিরিজ এমনিতেই খুবই লাভজনক। স্টার স্পোর্টস বলতে পারে, ম্যাচ যেহেতু ভারতে হচ্ছে আমরাই সম্প্রচার করব। ওদিকে টেন স্পোর্টস বলে দিয়েছে, সিরিজ যেখানেই হোক, এটা যদি পাকিস্তানের হোম সিরিজ হয়, তাহলে চুক্তি অনুযায়ী তারাই সম্প্রচার করবে।

ভারতের আপত্তির কারণ হিসেবে বিসিসিআই সচিব অনুরাগ ঠাকুর দাবি করেছেন, আরব আমিরাতে খেলার অনুমতি দেবে না ভারত সরকার। এই যুক্তি মানতে পারছেন না শাহরিয়ার খান। গত বছরই আরব আমিরাতে আইপিএল আয়োজন করেছে বিসিসিআই। তখন খেলতে পারলে এখন সমস্যা কী?
২০০৭ ও ২০১২ সালে ভারত সফর করেছিল পাকিস্তান। ভারতের কাছে দুটো হোম সিরিজ পাওনা আছে পাকিস্তানের। সামনে ভারতের যে ব্যস্ত সূচি, ডিসেম্বরের মধ্যে এই সিরিজটি না খেললে পরে সময় বের করাই কঠিন হয়ে যাবে। পাকিস্তান টেস্ট বাদ দিয়ে আপাতত ওয়ানডে ও টি-টোয়েন্টি সিরিজ হলেও খেলতে রাজি। সূত্র: ক্রিকইনফো।

১১২ বছরের রেকর্ড ভাঙলেন টেলরঅস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে টেস্টে সর্বশেষ ট্রিপল সেঞ্চুরিটি এসেছিল সেই কবে, ১৯৩৮ সালে। ওভালে ১৯৩৮ ...
16/11/2015

১১২ বছরের রেকর্ড ভাঙলেন টেলর

অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে টেস্টে সর্বশেষ ট্রিপল সেঞ্চুরিটি এসেছিল সেই কবে, ১৯৩৮ সালে। ওভালে ১৯৩৮ সালের ২০ আগস্ট ইংলিশ গ্রেট লেন হাটনের গড়া ৩৬৪ রানের ইনিংসটির পর কেটে গেছে পাক্কা ৭৭টি বছর। এই সময় অস্ট্রেলীয় বোলিং আক্রমণের বিপক্ষে আর কোনো ব্যাটসম্যানেরই ত্রিশতক ছুঁয়ে দেখা হয়নি।

৭৭ বছর পর এই অমিয় কীর্তির সুযোগ এসেছিল নিউজিল্যান্ডের রস টেলরের সামনে। কিন্তু তিনি সেই কীর্তির দিগন্ত রেখায় চোখ রেখেও তাতে পৌঁছতে পারলেন না। আজ পার্থে ট্রিপল সেঞ্চুরি থেকে মাত্র ১০ রান দূরেই থেমে যেতে হলো তাঁকে। তবে সেই রেকর্ড না হলেও শতবর্ষী একটা রেকর্ড ঠিকই ভেঙে দিয়েছেন। ২৯০-ই অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে কোনো বিদেশি ব্যাটসম্যানের সর্বোচ্চ ইনিংস। ১৯০৩ সালে করা টিপ ফস্টারের ২৮৭-ই এত দিন ছিল সর্বোচ্চ।

টেলরের অনন্য-অসাধারণ এই ইনিংসের ওপর ভর করেই পার্থ টেস্ট জমিয়ে তুলেছে নিউজিল্যান্ড। প্রথমে ব্যাট করা অস্ট্রেলিয়ার ৫৫৯ রানের জবাবে টেলরের ২৯০ আর কেন উইলিয়ামসনের ১৬৬ রানে নিউজিল্যান্ড স্কোরবোর্ডে তুলেছে ৬২৪ রান। ৬৫ রানে পিছিয়ে থেকে নিজেদের দ্বিতীয় ইনিংস শুরু করে অস্ট্রেলিয়া একটু বিপাকেই আছে। দ্বিতীয় ইনিংসে ইতিমধ্যেই ২ উইকেট হারিয়েছে তারা।

এই ইনিংসে আরও কিছু রেকর্ড নতুন করেই লিখিয়েছেন টেলর। এই মুহূর্তে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে, অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে ভিনদেশি ক্রিকেটারদের মধ্যে সর্বোচ্চ ইনিংস খেলার পথে শুধু টিপ ফস্টার নয়, টেলর পেছনে ফেলেছেন ব্রায়ান লারা (২৭৭), ওয়ালি হ্যামন্ড (২৫১), শচীন টেন্ডুলকার (২৪১*) ও অ্যালিস্টার কুকের (২৩৫*) মতো ব্যাটসম্যানদের।

অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে কোনো নিউজিল্যান্ড ব্যাটসম্যানের সর্বোচ্চ টেস্ট ইনিংসটিও এখন টেলরের। এত দিন এই রেকর্ডটি নিজের করে রেখেছিলেন কিউই ক্রিকেট গ্রেট মার্টিন ক্রো। এই তালিকার তৃতীয় স্থানে নিজের নাম দেখছেন কেন উইলিয়ামসন। পার্থ টেস্টে তাঁর ১৬৬ রানের ইনিংসটিই তাঁকে নিয়ে এসেছে এই জায়গায়। তালিকায় এর পরের নামগুলো হচ্ছে, ব্রুস এডগার, নাথান অ্যাস্টল, অ্যান্ড্রু জোনস ও মার্ক গ্রেটব্যাচ। এই ইনিংসের মাঝখানেই পঞ্চম ব্যাটসম্যান হিসেবে নিউজিল্যান্ডের পক্ষে ৫ হাজার রানের কোটাও পেরিয়েছেন টেলর।

কেন উইলিয়ামসনের সঙ্গে তাঁর তৃতীয় উইকেট জুটিটি (২৬৫) অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে যেকোনো উইকেটেই নিউজিল্যান্ডের সর্বোচ্চ। এর আগে পার্থেই অষ্টম উইকেটে নাথান অ্যাস্টলের সঙ্গে অ্যাডাম প্যারোরের ২৫৩ রানের জুটির রেকর্ডটি টিকে ছিল বেশ অনেক বছরই।

এখনো পর্যন্ত টেস্টে ট্রিপল সেঞ্চুরি পাওয়া একমাত্র নিউজিল্যান্ড ক্রিকেটার হচ্ছেন ব্রেন্ডন ম্যাককালাম। রস টেলর হচ্ছেন দ্বিতীয় কিউই যিনি টেস্টের ট্রিপল সেঞ্চুরির খুব কাছে গিয়েও তাঁর দেখা পেলেন না। ১৯৯১ সালে মার্টিন ক্রো শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ফিরেছিলেন ২৯৯ রানে। টেলর তাঁর দুঃখটা অবশ্য ‘গুরু’ ক্রোর কথা ভেবে ভুলে থাকতেই পারেন।

গান গাইতে গাইতে ছক্কা হাঁকালেন শেবাগভিভ রিচার্ডসের সঙ্গে অনেকেই বীরেন্দর শেবাগের মিল খুঁজেছেন মূলত ২২ গজে নির্ভার চিত্তে...
16/11/2015

গান গাইতে গাইতে ছক্কা হাঁকালেন শেবাগ

ভিভ রিচার্ডসের সঙ্গে অনেকেই বীরেন্দর শেবাগের মিল খুঁজেছেন মূলত ২২ গজে নির্ভার চিত্তে প্রতিপক্ষের বোলারদের ‘খুন’ করে চলার মানসিকতায়। স্যার ভিভ হন্তারক রূপে আবির্ভূত হতেন চুইংগাম চিবোতে চিবোতে। শেবাগ সুইংগাম নয়, বোলারদের কাঁদিয়ে ছাড়েন শিস বাজাতে বাজাতে, কণ্ঠে সুর ভাঁজতে ভাঁজতে!

‘নজফগড়ের রাজা’ নাকি কিশোর কুমারের বিরাট ভক্ত। প্রতিটি বল খেলেন আর শিস দেন, গাইতে থাকেন কিশোর কুমারের গান—আধুনিক ক্রিকেটে কজন ব্যাটসম্যানের এমন সাহস আছে? গত মাসে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটকে বিদায় জানানো শেবাগকে স্বরূপে দেখা গেল ক্রিকেট অলস্টারস টুর্নামেন্টে।
অবশ্য শচীনস ব্লাস্টার্সের ইনিংসের তৃতীয় ওভারের শেষ বলে কিশোর কুমার নয়, গাইলেন এ প্রজন্মের জনপ্রিয় শিল্পী আতিফ আসলামের গান। অ্যালান ডোনাল্ড তখন দৌড় শুরু করেছেন, শেবাগ ধরেছেন ২০০৯-এ মুক্তি পাওয়া ‘আজব প্রেম কী গজব কাহিনি’ ছবির জনপ্রিয় সেই গানটা, ‘ক্যাসে বাতায়ে কে তুজকো চায়হে ইয়ারা বাতানা পায়ে...’ গানটা অবশ্য শেষ করা গেল না! প্যাড বরাবার ডেলিভারি দিয়েছিলেন প্রোটিয়া কিংবদন্তি পেসার। আর যায় কোথায়, ডোনাল্ডকে ডিপ মিড উইকেট দিয়ে মারলেন উড়িয়ে! গান গাইতে গাইতে শেবাগের ছক্কা হাঁকানোর দৃশ্যটা ভালোই সাড়া ফেলেছে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে। সূত্র: প্রথম আলো।

Address

Narayanganj
1400

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Sports News posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share