Elite Kickz Sports

Elite Kickz Sports Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Elite Kickz Sports, Dhaka, Narayanganj.

26/10/2025

🔧 প্রজেক্ট আপডেট | M.S Kabir Complex
(Elite kickz sports & food court)
📍 Towerpar, Delpara, Kutubpur, Fatullah, Narayanganj

💧 আমাদের চলমান উন্নয়ন প্রকল্পের অংশ হিসেবে নলকূপ স্থাপন কাজ শুরু হয়েছে।
এটি প্রজেক্ট এলাকায় বিশুদ্ধ পানির প্রাথমিক ব্যবস্থা নিশ্চিত করার জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ ধাপ।

✅ নিরাপদ পানি সরবরাহ

আপনাদের দোয়া ও সহযোগিতা কামনা করছি 💙

08/05/2017

প্রশ্নঃ কোন বালা মুসীবত বা জিনভুতের কবল থেকে বাঁচার জন্য তাবিয ব্যবহার করা বৈধ কি?

07/05/2017

প্রশ্ন ২ --> আল্লাহ কি সর্বত্র বিরাজমান? আল্লাহ কি নিরাকার? সুরা ইখলাস কি আল্লাহ্‌র পরিচয় এর জন্য যথেষ্ট না?
পূর্ণ প্রশ্ন ছিলঃ
"মাওলানা এটিএম হেমায়েতুদ্দিন হল জাহমিয়া ও মাতুরিদী। এরা ও আল্লাহর সিফাতকে অস্বীকার করে। যেমন: এরা বলে আল্লাহ সর্বত্রবিরাজমান (নাউযুবিল্লাহ) এবং আল্লাহ নিরাকার(নাউযুবিল্লাহ) অথচ আহলে সুন্নাত ওয়াল জামায়াতের ইজমা হল আল্লাহ ৭ আসমানের উপরে আরশে আছেন এবং যারা বলবে আল্লাহ সর্বত্রবিরাজমান তারা কাফের" - এক ভাই একটা পেজে এ কমেন্ট করেছে। আমি এখন জানতে চাচ্ছি আল্লাহ কি সর্বত্র বিরাজমান? আল্লাহ কি নিরাকার? সুরা ইখলাস কি আল্লাহ্‌র পরিচয় এর জন্য যথেষ্ট না? প্লিজ ভাই জাস্ট এ কয়েকটা প্রশ্নের আন্সার দিন... কারণ, একজন মুসলিম হিসাবে আল্লাহ্‌র অবস্থান নিয়ে doubt থাকা কোন ভাবেই ঠিক না... এটা ক্লিয়ার হওয়া দরকার।

উত্তর :
যাবতীয় প্রশংসা আল্লাহর। দরুদ ও সালাম আল্লাহর রাসূল (সা) এর উপর। পরম করুণাময় ও অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে শুরু করছি।

ভাই, আপনি ঠিক বলেছেন আল্লাহ্‌র অবস্থান নিয়ে আমাদের সন্দেহ থাকা ঠিক না। অবস্থান নিয়ে কুরআন আমাদের স্পষ্ট উত্তর দিয়েছে তাই এটা নিয়ে ইনশাল্লাহ এখনই সন্দেহ দূর করা যাবে। কিন্তু সমস্যা হল আকার নিয়ে। তিনি সাকার নাকি নিরাকার এটা নিয়ে ব্যাপক দ্বিমত রয়েছে বিভিন্ন মুসলিম সেক্ট-এর মধ্যে। আমরা মতগুলো তুলে ধরব।

প্রথমেই আসি আল্লাহ্‌র অবস্থানের ব্যাপারে। এ ব্যাপারে কোন সন্দেহ নেই, আল্লাহ সপ্ত আকাশের ওপরে আরশের উপর অবস্থান করেন।

যারা বলে তিনি সর্বত্র বিরাজমান তারা মুলত এ আয়াতের রেফারেন্স দেয়ঃ

• "তিনি তোমাদের সাথে আছেন তোমরা যেখানেই থাক। তোমরা যা কর, আল্লাহ তা দেখেন।" (সুরা হাদিদ, ৫৭:৪)

কিন্তু এর মানে এই না যে তিনি সশরীরে আমাদের সাথে থাকবেন, বা থাকতে হবে। এর মানে তিনি আমাদের সব কিছুর খোঁজ খবর রাখেন।

• "আমি মানুষ সৃষ্টি করেছি এবং তার মন নিভৃতে যে কুচিন্তা করে, সে সম্বন্ধেও আমি অবগত আছি। আমি তার গ্রীবাস্থিত ধমনী থেকেও অধিক নিকটবর্তী।" (সুরা কাফ ৫০:১৬)

কুরআন বলছেঃ
• আল্লাহ আছেন আকাশে (সুরা মূলক, ৬৭:১৬-১৭)

• "আল্লাহ্‌ হলেন তিনি যিনি আসমানসমূহ ও জমিন ছয় পর্যায়কালে সৃষ্টি করেছেন, তিনি আরশে আসীন আছেন।" (সুরা ফুরকান ২৫:৫৯, সুরা সাজদা ৩২:৪, ইউনুস ১০:৩)

আর আরশ হল সাত আসমানের উপরে। সুতরাং আল্লাহ্‌ সাত আসমানের উপরে, আরশে আসীন।

এবার আসা যাক সবচেয়ে বিতর্কিত টপিক। আল্লাহ্‌ সাকার নাকি নিরাকার। প্রথমেই বলে রাখা ভাল, আমাদের আগের ধর্ম অর্থাৎ খ্রিস্ট আর ইহুদি ধর্মে ঈশ্বর হলেন সাকার এবং মানুষ তাঁর আদলেই সৃষ্ট।

~ তারপর ঈশ্বর বললেন, “আমরা আমাদের মত করে এবং আমাদের সংগে মিল রেখে এখন মানুষ তৈরী করি। পরে ঈশ্বর তাঁর মত করেই মানুষ সৃষ্টি করলেন। হ্যাঁ, তিনি তাঁর মত করেই মানুষ সৃষ্টি করলেন, সৃষ্টি করলেন পুরুষ ও স্ত্রীলোক করে।" {বাইবেল, বুক অফ জেনেসিস, ২:২৬-২৭}

সিমিলার হাদিসও পাওয়া যায়,
# "যখন তোমাদের কেউ তোমার ভাই এর সাথে মারামারি করবে, তখন সে যেন তাঁর চেহারায় আঘাত না করে, কারণ আল্লাহ্‌ নিজ আদলে আদমকে বানিয়েছেন।" [সহিহ মুসলিম, হাদিস ৪৭৩১, কাছাকাছি কথা সহিহ বুখারি ৫৮৭৩]

সালাফিগণ বিশ্বাস করে থাকেন, আল্লাহ্‌ সাকার। আর কুরআনে আল্লাহ্‌র যেসব অঙ্গপ্রত্যঙ্গ এর কথা বলা আছে সেগুলো আক্ষরিক।

তাঁর চেহারার কথা বলেছেনঃ
• "একমাত্র আপনার মহিমায় ও মহানুভব পালনকর্তার চেহারা ছাড়া।" (আর-রহমান ৫৫:২৭)

চোখের কথা বলেছেনঃ
• "আমি তোমার প্রতি মহব্বত সঞ্চারিত করেছিলাম আমার নিজের পক্ষ থেকে, যাতে তুমি আমার চোখের সামনে প্রতি পালিত হও।" (সূরা ত্বোয়া-হা, ২০:৩৯)

হাতের কথা বলেছেনঃ
• "আল্লাহ বললেন, হে ইবলীস, আমি স্বহস্তে যাকে সৃষ্টি করেছি, তার সম্মুখে সেজদা করতে তোমাকে কিসে বাধা দিল?"(সূরা সাদ ৩৮:৭৫)

পায়ের কথা বলেছেনঃ
• "গোছা পর্যন্ত পা খোলার দিনের কথা স্মরণ কর, সেদিন তাদেরকে সেজদা করতে আহবান জানানো হবে, অতঃপর তারা সক্ষম হবে না।"(সূরা কালাম ৬৮:৪২)

আর পরকালে আল্লাহ্‌র দর্শন অবশ্যই লাভ করবে মুমিনরা। তবে এটাকেও সালাফিগণ আল্লাহ্‌ সাকার এর পক্ষে যুক্তি হিসেবে ব্যবহার করে থাকেন, আল্লাহ্‌ সাকার না হলে তাঁকে দেখবে কীভাবে?

• "সেদিন অনেক মুখমন্ডল উজ্জ্বল হবে; তারা তার পালনকর্তার দিকে তাকিয়ে থাকবে।" {সুরা কিয়ামাহ, ৭৫:২২-২৩}

অন্যদিকে, সুন্নিরা বিশ্বাস করে থাকেন আল্লাহ্‌ তায়ালা নিরাকার আর তাঁর অঙ্গের বর্ণনা সবই রূপক। কারণ, আল্লাহ্‌ হলেন আলো। আল্লাহ্‌ আসলে কেমন সে ব্যাপারে কেবল একটা আয়াতই মূলত কুরআন বলছে আর সেই আয়াতটা অধিকাংশের কাছেই কিছুটা দুর্বোধ্যঃ

• "আল্লাহ নভোমন্ডল ও ভূমন্ডলের আলো, তাঁর আলোর উদাহরণ যেন একটি খোপ, যাতে আছে একটি প্রদীপ, প্রদীপটি একটি কাঁচপাত্রে স্থাপিত, কাঁচপাত্রটি উজ্জ্বল নক্ষত্র সদৃশ্য। তাতে পুতঃপবিত্র জলপাই বৃক্ষের তেল প্রজ্বলিত হয়, যা পূর্বমুখী নয় এবং পশ্চিমমুখীও নয়। অগ্নি স্পর্শ না করলেও তার তার যেন আলোকিত হওয়ার নিকটবর্তী। আলোর উপর আলো।" ( সুরা নূর ২৪:৩৫)

আল্লাহ্‌কে রাসুল (স) মিরাজে গিয়ে দেখতে পাননি।
# আবু যর (রা) বলেন, আমি রাসুলকে (স) জিজ্ঞেস করলাম, "আপনি কি আলাহকে দেখেছিলেন?" তিনি বললেন, "তিনি তো আলো, আমি কীভাবে তাঁকে দেখব??"
(Muslim, Book 1, Hadith No. 341)

মানুষের ইহকালীন সামর্থ্য নেই আল্লাহকে দেখবার।

• "দৃষ্টিসমূহ তাঁকে পেতে পারে না, অবশ্য তিনি দৃষ্টিসমূহকে পেতে পারেন। তিনি অত্যন্ত সুক্ষদর্শী, সুবিজ্ঞ।" (সুরা আনআম ৬:১০৩)

সত্যি বলতে, আমরা জানতে পারছি না ১০০% নিশ্চিত হয়ে, যে, আল্লাহ্‌ সাকার নাকি নিরাকার। তবে এটা আমাদের জানা জরুরি না, আল্লাহ্‌ সাকার হলেও আমাদের আমলের উপর কোন প্রভাব পড়ছে না, নিরাকার হলেও না। আমাদের এ বিষয়ে জিজ্ঞাসা করা হবে না। আমাদের উৎসাহিত করা হয়েছে স্বয়ং আল্লাহ্‌ নিয়ে না ভেবে তাঁর সুন্দর বিস্ময়কর সৃষ্টি-জগত নিয়ে ভাবতে।

তবে তাঁর সম্পর্কে একটা কথাই বলতে হয়ঃ

• "কোন কিছুই তাঁর অনুরূপ নয়।" (সুরা শুয়ারা ৪২:১১)

আমাদের জন্য আল্লাহ্‌র পরিচয় হিসেবে সুরা ইখলাস যথেষ্ট

• "বলুন, তিনিই আল্লাহ, এক,আল্লাহ অমুখাপেক্ষী,তিনি কাউকে জন্ম দেননি এবং কেউ তাকে জন্ম দেয়নি এবং তার সমতুল্য কেউ নেই।" (সূরা ইখলাস১-৪)

সাকার না নিরাকার আপনি কোনটা মনে করছেন সেটা উপরের পুরো আলোচনা থেকে সিদ্ধান্ত নেবার ব্যাপার আপনার।

আশা করি উত্তরটা পেয়েছেন

07/05/2017

প্রশ্ন: নারী-পুরুষের সালাতের পদ্ধতিগত কোন
পার্থক্য আছে কি?
উত্তর : মুসলিম জাতীর জন্য একটি ফরয ইবাদত
হচ্ছে সালাত বা নামায। যা কোন অজুহাতেই
পরিত্যাগ করা সম্ভব নয়। আর পরকালে সর্বপ্রথম
এই সালাতের হিসাব নেয়া হবে। তবে
আমাদের সমাজে পুরুষ ও মহিলাদের মধ্যে
সালাত আদায়ে পার্থক্য দেখা যায়। কিন্তু
মহানবী (সঃ) কখনও বলে যাননি যে, পুরুষ ও
মহিলাদের মধ্যে সালাত আদায়ে পার্থক্য
আছে। তাঁর সময় নারী-পুরুষ একসাথে
জামায়াতে নামায আদায়ের বহু হাদিস
রয়েছে।
রাসূল (সাঃ) বলেছেন, “ছল্লু কামা রআইতুমুনি
উছল্লি” – “তোমরা সেই ভাবে সালাত আদায়
কর , যেভাবে আমাকে সালাত আদায় করতে
দেখ” (মেশকাত, ২য় খন্ড, হাদীস ৬৩২)
এবং
রাসূলের আনুগত্য না করে অন্য কারো আনুগত্য
করলে তাকে নিজের ‘রব’ বানানো হবে,
যেহেতু আল্লাহ তায়ালা ইরশাদ করেন, “তারা
আল্লাহকে বাদ দিয়ে তাদের আলেম ও পীর/
দরবেশদেরকে নিজের ‘রব’ বানিয়ে
নিয়েছে।” (সূরা তওবা: আয়াত ৩১)
সালাত আদায় করার জন্য নারী পুরুষ কারোর
জন্য স্বতন্ত্র নিয়ম করা হয়নি। জিবরাঈল (আঃ)
মহান আল্লাহ তায়ালার নির্দেশ ক্রমে দুই
দফায় রাসূল (সাঃ)-কে পাঁচ ওয়াক্ত সালাতের
নিয়ম পদ্ধতি ইমামতি করে বাস্তবভাবে
শিখিয়ে গেছেন। এ সময় জিবরাঈল (আঃ)
নারীদের সালাতের জন্য আলাদা কোন নিয়ম
পদ্ধতির বর্ণনা দেন নাই। নারী-পুরুষ
নির্বিশেষের জন্য এ নমুনা শিখানো হয়েছে।
আল্লাহর নিয়ম পদ্ধতিতে কখনও কোন পার্থক্য
দেখা যাবে না। এ মর্মে মহান আল্লাহ
তায়ালা বলেন,
“আর আপনি আল্লাহর নিয়ম-রীতিতে কখনও কোন
পরিবর্তন পাবেন না।” [সূরা-আহযাব : আয়াত-৬২]
রাসূল (সাঃ) নিজেও বহু সাহাবীদের
উপস্থিতিতে সালাত কেমন করে আদায় করতে
হয় বাস্তবভাবে রুকু, সিজদাহ ইত্যাদি করে
দেখিয়েছেন। তারপর রাসূল (সাঃ) দৃঢ়তার
সাথে জোড়ালো ভাষায় বললেন,
“তোমরা আমাকে যেভাবে সালাত আদায়
করতে দেখ, ঠিক সেভাবেই সালাত আদায়
কর।” [মেশকাত, ২য় খন্ড, হাদীস ৬৩২]
এ কথা প্রণিধানযোগ্য যে, আল্লাহ তায়ালা ও
রাসূল (সাঃ) যে কাজকে নারী পুরুষদের জন্য
নির্দিষ্ট করে পার্থক্য করার বর্ণনা বা
নির্দেশ দেন নাই তা পুরুষ মহিলা
নির্বিশেষে পার্থক্য না করেই পালন করতে
হবে। যেহেতু রাসূল (সাঃ) সকল নারী পুরুষের
জন্যই সমানভাবে অনুসরণ ও অনুকরণযোগ্য, এ
ব্যাপারে কোন মতভেদ নাই নিশ্চয়ই।
সালাতের ব্যপারেও এ সত্য যথার্থই কার্যকর
বলে গ্রহণ করতে হবে। তবে মহিলাদের সালাত
আদায়ে যে পার্থক্যগুলো দেখা যায় সেগুলো
বাহ্যিক এবং সালাতের বাইরে বিবেচিত।
এগুলো নিম্নরূপঃ
১) সালাতের জন্য পুরুষ আযান দিবে কিন্তু
মহিলা আযান দেবে না।
২) সালাতে মহিলা মাথা ঢেকে রাখবে,
কিন্তু পুরুষের মাথা না ঢাকলেও সালাত হয়ে
যাবে।
৩) মহিলাদের পায়ের গোড়ালী ঢেকে রাখতে
হবে তা নাহলে সালাত সিদ্ধ হবে না।
অপরদিকে পুরুষদের পায়ের গোড়ালী খোলা
রাখতে হবে।
৪) কোন মহিলা পুরুষদের ইমামতি করতে পারবে
না, কিন্তু পুরুষরা নারী পুরুষ উভয়েরই ইমামতি
করতে পারবে। মহিলা অবশ্য শুধু মহিলাদের
জামায়াতে ইমামতি করতে পারবে।
৫) জামায়াতে সর্বাবস্থায় মহিলাদের কাতার
পুরুষদের কাতারের পিছনে থাকবে।
৬) পুরুষ ইমামতি করলে কাতারের আগে একাকী
দাড়াঁতে হবে, যদি ওজর না থাকে। কিন্তু
মহিলা ইমাম হলে তাকে মহিলাদের
কাতারের মাঝখানে দাঁড়াতে হবে। [বর্ণিত
আছে যে, আয়েশা (রাঃ) এবং উম্মে সালমা
(রাঃ) যখন মেয়েদের ফরয সালাত অথবা
তারাবীহ এর সালাতে জামায়াতে ইমামতি
করতেন তখন তাদের মাঝখানে দাঁড়াতেন।
৭) যদি ইমাম ভুল করে তাহলে মহিলাদেরকে
হাত তালি দিয়ে বা উরুর উপর হাত মেরে
সংকেত দিতে হবে। আর পুরুষদেরকে
উচ্চঃস্বরে তাকবীর বলতে হবে।
৮) তাকবীরে তাহরীমার সময় পুরুষদের চাদর বা
কম্বল ইত্যাদি হতে হাত বের করে কাঁধ বা কান
পর্যন্ত উঠাতে হবে, অবশ্য ওজর না থাকলে।
কিন্তু মহিলাদের চাদরের বা ওড়নার ভিতরে
হাত রেখেই কাঁধ বা কান পর্যন্ত হাত উঠাতে
হেব; তাকবীরের সময়ও এভাবে করতে হবে।
৯) মসজিদ হতে মহিলারা সালাত শেষ হলেই
বের হয়ে যাবে, আর পুরুষরা পরে বের হবে।
উপরোক্ত বাহ্যিক করণীয় বিষয়গুলো ব্যতীত অন্য
কোন পার্থক্য পুরুষ ও মহিলাদের সালাতে
নেই। পুরুষ-মহিলাদের সালাত আদায়ের
ক্ষেত্রে অর্থাৎ তাকবীরে তাহরীমা, হাত
বাঁধা, রুকু, সিজদাহ, উঠা-বসা ইত্যাদি
ক্ষেত্রে কোন পার্থক্য নেই। মহিলাদের
সালাত আদায়ে আমাদের দেশে যে পার্থক্য
প্রচলিত আছে তা সহীহ হাদীস ভিত্তিক তো
নয়ই, দলীল ভিত্তিকও নয়, বরং কতকগুলো যঈফ ও
নিতান্ত দুর্বল হাদীস এবং অসমর্থিত ও মনগড়া
লেখা বই হতে প্রচলিত হয়েছে।
সুতরাং ছেলে মেয়ে উভয়ে রাসুল্লাহ(সা)
যেভাবে নামাজ পড়েছে ঠিক সেভাবেই
নামাজ পড়বে।(বুখারি:৬৩১)
উদাহরণস্বরুপ,
*রাসুল্লাহ (সা) নামাজে বুকে হাত বাধতেন
(সহিহ বুখারি:৭৪০, সহিহ মুসলিম:১৭৩ পৃষ্টা আবু
দাউদ:৭৫৯)
*হাঁটুর উপরে দু’হাতে ভর দিয়ে পা, হাত, পিঠ ও
মাথা সোজা রেখে রুকু করতেন(বুখারি ও
মুসলিম)
*সিজদা করার সময় দু’হাত ক্বিবলামুখী করে
মাথার দু’পাশে কাঁধ বা কান বরাবর মাটিতে
স্বাভাবিকভাবে রাখতেন। এবং কনুই ও বগল
ফাঁকা রাখতেন, হাঁটুতে বা মাটিতে বিছিয়ে
দিতেন না। সিজদা লম্বা করতেন ও পিঠ
সোজা রাখতেন । যেন নীচ দিয়ে একটি বকরীর
বাচ্চা যাওয়ার মত ফাঁকা থাকে।(বুখারি,মু
সলিম ও আবু দাউদ)
তাই নারী-পুরুষ উভয়ে রাসুল্লাহ(সা) এর মত
উপরোক্ত নিয়মে হাত বাধবে, রুকু, সেজদা
ইত্যাদি করবে

28/12/2016

মানুষের খারাপ দিক খোঁজা বন্ধ করুন ৷ তাদের ভুলগুলো সহজভাবে গ্রহণ করুন৷ তাদের সাথে ধৈর্যশীল হোন ৷ পরিষ্কার একটি হৃদয়ের জন্য সংগ্রাম করুন এবং তাদের ভেতরের ভালটা দেখুন,

27/12/2016

কখনো মনে করবেন না আপনার সৃষ্টিকর্তা আপনাকে ভালবাসেন না, তিনি আপনাকে পরিত্যাগ করেছেন ৷ এই ধরনের চিন্তা শয়তান আনে ৷ সর্বশক্তিমান বলেছেন, "হতাশ হয়ো না"৷ তিনি আপনাকে পুরস্কৃত করার জন্যই পরীক্ষা করছেন!

25/12/2016

যদি তুমি সুখী হতে চাও; তাহলে যে ব্যক্তি তোমার চেয়ে নীচু; তার দিকে তাকাও, কখনো উপরের দিকে তাকিয়ো না। তাহলে তোমাকে দেয়া আল্লাহর নিয়ামত সমূহকে তুমি হীন মনে করবে না।
-হজরত মুহাম্মদ (সাঃ)...

Address

Dhaka
Narayanganj
GREENVALLEY,PAGLARAILSTATION,FATULLA,NARAYANGANJ

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Elite Kickz Sports posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share