31/07/2025
==================================
বর্ষাকালে সাপের দেখা পাওয়া বা কামড়ের ঘটনা তুলনামূলকভাবে বেশি ঘটে। কারণ পরিবেশের পরিবর্তনে সাপদের স্বাভাবিক আচরণেও কিছু ভিন্নতা দেখা যায়। নিচে এমন ১০টি তথ্য দেওয়া হলো, যেগুলো অনেকেই জানেন না ।
১. সাপ বৃষ্টির শব্দ শোনে না, অনুভব করে
সাপের শ্রবণশক্তি নেই, অর্থাৎ তারা আমাদের মতো শব্দ শুনতে পারে না। বরং, তারা মাটির কম্পন, তরঙ্গ বা স্পন্দনের মাধ্যমে বৃষ্টির উপস্থিতি অনুভব করে। তাই তাদের আচরণ বৃষ্টির আগেই বদলে যায়।
২. বৃষ্টির দিনে সাপের গন্ধ তীব্র হয়ে ওঠে
আর্দ্রতা বেড়ে যাওয়ায় সাপের শরীর থেকে নিঃসৃত একধরনের গন্ধ আরও বেশি ছড়িয়ে পড়ে। বিষধর সাপ যেমন কেউটে বা চন্দ্রবোড়ার গন্ধ বৃষ্টির দিনে অনেক দূর থেকেও টের পাওয়া যায়।
৩. বৃষ্টির সময় সাপ শুকনো ও উঁচু জায়গায় আশ্রয়
নেয় ।
পানি জমে গেলে তাদের বাসস্থান ডুবে যায়। তখন তারা আশ্রয় খুঁজে ঘরের কোণ, রান্নাঘর, বারান্দা বা আসবাবের নিচে উঠে আসে। এটি অনেক সময় বিপদের কারণ হয়।
৪. পাকা ফল ও পচা পাতার গন্ধে সাপ পরোক্ষভাবে
আকৃষ্ট হয় ।
এই ধরনের গন্ধ ব্যাঙ, ইঁদুর ও অন্যান্য ছোট প্রাণীকে টানে — যেগুলো সাপের খাদ্য। ফলে, সাপও সেই খাদ্যের সন্ধানে চলে আসে গন্ধের উৎসে।
৫. বর্ষাকালে বিষধর সাপ সবচেয়ে বেশি সক্রিয় থাকে
বিশেষ করে কেউটে, খইয়া গোখরা (Krait), ও চন্দ্রবোড়া সাপ বর্ষায় বেশি দেখা যায়। তারা রাতে ও ভোরে শিকারে বের হয়, তখনই কামড়ের ঝুঁকি বেশি।
৬. রাত ও ভোরে সাপ বেশি কামড় দেয়
বৃষ্টির রাতে যখন চারপাশ অন্ধকার থাকে, মানুষ খালি পায়ে হাঁটে, তখন সাপ গর্ত থেকে বেরিয়ে আসে এবং কামড়ের ঝুঁকি বেড়ে যায়। এসময় সতর্ক থাকা জরুরি।
৭. অনেক সাপ পানির নিচে ৩০ মিনিট পর্যন্ত বাঁচতে
পারে ।
বিশেষ করে জলজ বা আধা-জলজ সাপ (যেমন: জলবোড়া) পানির নিচে দীর্ঘ সময় নিঃশ্বাস না নিয়েও টিকে থাকতে পারে। তাই তারা প্লাবিত এলাকায়ও ছড়িয়ে পড়ে।
৮. বৃষ্টির দিনে সাপের চোখ ঝাপসা হয়ে যায়
স্কেল বা চর্ম পরিবর্তনের সময় তাদের চোখে সাদা পর্দা পড়ে যায়, ফলে তারা স্পষ্ট দেখতে পায় না। তখন তারা অতিরিক্ত সতর্ক ও উত্তেজিত থাকে, এবং দ্রুত আক্রমণ করতে পারে।
৯. টিনের চাল বা বাঁশঝাড়ে সাপ উঠে যেতে পারে
ভেজা জায়গা এড়িয়ে শুকনো আশ্রয়ের খোঁজে সাপ ঘরের টিনের চাল, চালা, কিংবা আশেপাশের গাছ বা বাঁশঝাড়ে উঠে পড়ে। তাই এসময় ছাদ বা চালা পরিষ্কার ও