19/08/2026
📢 ৪ নং নাংলা ইউনিয়নের সম্মানিত সুধী ও তরুণ সমাজ, 🤝
আমাদের এলাকার ভৌগোলিক পরিচয় ও আসল ইতিহাস রক্ষা করা আমাদের নৈতিক দায়িত্ব। 🏛️ অত্যন্ত দুঃখের বিষয়, সরকারি রেকর্ড ও ম্যাপে আমাদের গ্রামের নাম শুধুই "নাংলা" হওয়া সত্ত্বেও, লোকমুখে এবং কিছু কৃতি ব্যক্তিত্বের বায়োডাটা ও কারখানার নথিপত্রে ভুলবশত একে "মুন্সী নাংলা" লেখা হচ্ছে। 📄❌
আসল সত্যটি জানা আমাদের জরুরি: 👇
• সরকারি ও আইনি পরিচয়: গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের জাতীয় তথ্য বাতায়ন, ভূমি office, মৌজা রেকর্ড এবং ভোটার তালিকায় আমাদের গ্রামের অফিশিয়াল ও একমাত্র নাম শুধুই নাংলা। 🗺️✔️
• ভুলের পেছনের কারণ: ঐতিহাসিক পটভূমি অনুযায়ী, মাদারদহ নদীর তীরে প্রথম এই "নাংলা" গ্রামেই বসতি স্থাপন হয়েছিল এবং এই আদি গ্রামের নামানুসারেই পুরো ৪ নং নাংলা ইউনিয়নের নামকরণ করা হয়েছে। পরবর্তীতে এই মূল নাংলা গ্রামকে দেখে মেলান্দহের নাংলা ইউনিয়নে "গোবিন্দপুর নাংলা" বা "মাঝবন্দ নাংলা"-র মতো অন্যান্য এলাকার নামকরণ হতে থাকে। এই সুযোগেই একসময় একটি নির্দিষ্ট বাড়ির মানুষ নিজেদের আঞ্চলিক প্রভাব ও নাম ছড়ানোর জন্য একে "মুন্সী নাংলা" বলে আলাদা করে প্রচারের চেষ্টা করে এবং সাধারণ মানুষও না বুঝে মুখে মুখে এটি বলা শুরু করে। 🗣️⚠️
• বিভ্রান্তির শিকার কৃতি সন্তানেরা: আমাদের এলাকার অহংকার বায়োজিনের প্রতিষ্ঠাতা জাহিদুল হক জুয়েল এবং বুয়েটের অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ মাহফুজুল ইসলামের মতো গুণী মানুষেরা পড়াশোনা ও ক্যারিয়ারের কারণে ছোটবেলা থেকেই এলাকার বাইরে ছিলেন। ফলে তারা স্থানীয় এই সূক্ষ্ম বিষয়গুলো না জেনে সরল বিশ্বাসে নিজেদের বায়োডাটা এবং গ্রীন বায়োটেকনোলজি কারখানার সরকারি কাগজপত্রে ভুল নামটি ব্যবহার করে ফেলেছেন। 💼🏗️
সরকারি নথিতে "মুন্সী নাংলা" নামে কোনো গ্রামের অস্তিত্ব নেই। তাই এই ভুল নামের কারণে ভবিষ্যতে আমাদের এলাকার বড় বড় প্রজেক্টগুলো আইনি ও প্রশাসনিক জটিলতায় পড়তে পারে। ⚖️🚫
মুরুব্বিদেরও স্পষ্ট কথা—"খবরদার! ভুলেও কোথাও ঠিকানা "মুন্সী নাংলা" দিবা না, সরকারি এবং আসল নাম খালি নাংলা।" 👑🔥
আসুন, আমরা সচেতন হই। লোকমুখের ভুল নাম পরিহার করে সকল ক্ষেত্রে আমাদের প্রিয় জন্মমাটির আসল পরিচয় "নাংলা" ব্যবহার করি এবং কৃতি ভাইদেরও বিষয়টি বিনয়ের সাথে অবগত করি। 🇧🇩✨
— নাংলা রেঞ্জার্স গ্রুপ (NRG) 🦅
নাংলা ইউনিয়ন পরিষদ সংলগ্ন, নাংলা, মেলান্দহ, জামালপুর। 📍